Shuru
Apke Nagar Ki App…
ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে তর্কাতর্কি, কী বললেন অজয় রায়? দেখুন ভিডিও ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা নিয়ে কী বললেন বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়? দেখুন ভিডিও
Rahen Khandokar
ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে তর্কাতর্কি, কী বললেন অজয় রায়? দেখুন ভিডিও ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা নিয়ে কী বললেন বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়? দেখুন ভিডিও
More news from Coochbehar and nearby areas
- দিনহাটায় ভোট-পরবর্তী উত্তেজনা, মুখোমুখি বিজেপি প্রার্থী ও ভাইস চেয়ারম্যান—চলল তর্কাতর্কি, ভিডিও ভাইরাল1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- কোচবিহারে নির্বাচনী উত্তেজনার আবহে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে। জেলাশাসকের উপস্থিতিতেই স্ট্রংরুমের কর্মীদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়লেন কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী পার্থ প্রতিম রায় । স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হওয়ার পর স্ট্রংরুমে ইভিএম সংরক্ষণ এবং নিরাপত্তা নিয়ে কিছু প্রশ্ন তোলেন প্রার্থী। সেই সময় স্ট্রংরুমে উপস্থিত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি কিছু সময়ের জন্য উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং সেখানে উপস্থিত প্রশাসনিক আধিকারিকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রার্থী নিরাপত্তা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে ব্যাখ্যা চান। অন্যদিকে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে বলেই জানান। এই নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। ঘটনার সময় জেলাশাসক উপস্থিত থাকায় বিষয়টি দ্রুত গুরুত্ব পায় এবং প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় বলে জানা গেছে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে স্ট্রংরুম ঘিরে এ ধরনের উত্তেজনা নতুন নয়, তবে প্রশাসনের উপস্থিতিতে এমন ঘটনা ঘটা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।1
- মাথাভাঙ্গা এক ব্লকের জোড়পাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের কোদাল ধোঁয়া এলাকায় মদন কামের বাঁশ খেলায় মেতে উঠেছে1
- প্রকৃতির নিয়ম যেন মুহূর্তের জন্য উল্টে গেল! শনিবার রাতের ঝড়-বৃষ্টি কাটতেই কোচবিহারের ১ নম্বর ব্লকের বাঘরোয়া গ্রামে সামনে এল এক অবিশ্বাস্য ও বিরল দৃশ্য, যা দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়েন গ্রামবাসীরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রবল ঝড় ও মুষলধারে বৃষ্টির পর গ্রামের এক এলাকায় হঠাৎই চোখে পড়ে এক অদ্ভুত ঘটনা। স্থানীয়ভাবে পরিচিত একটি বড় আকারের সোনা ব্যাঙ ধীরে ধীরে গিলে ফেলছে আরেকটি কুনো ব্যাঙকে। ঘটনাটি এতটাই অস্বাভাবিক যে উপস্থিত মানুষজন প্রথমে নিজেদের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারেননি। সাধারণত প্রকৃতির খাদ্য-শৃঙ্খলে ব্যাঙ শিকার হয় সাপ, পাখি বা বড় প্রাণীর। কিন্তু এখানে সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র—একটি ব্যাঙই আরেকটি ব্যাঙের শিকারি! এই দৃশ্য মুহূর্তের মধ্যেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। অনেকেই মোবাইলে সেই দৃশ্য বন্দি করেন, যা পরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। গ্রামবাসীদের দাবি, এমন ঘটনা তারা আগে কখনও দেখেননি। এলাকার এক বাসিন্দা জানান, “ঝড়-বৃষ্টির পর অনেক অদ্ভুত জিনিস দেখা যায় ঠিকই, কিন্তু এভাবে একটা ব্যাঙ আরেকটা ব্যাঙকে গিলে খাচ্ছে—এটা সত্যিই অবাক করার মতো।” বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃতিতে খাদ্যাভাব, পরিবেশগত পরিবর্তন বা বেঁচে থাকার তাগিদে অনেক সময় প্রাণীরা অস্বাভাবিক আচরণ করে। বড় আকারের কিছু ব্যাঙ প্রজাতি সুযোগ পেলে ছোট ব্যাঙ বা অন্য ছোট প্রাণীকেও শিকার করতে পারে। তবে এমন দৃশ্য খুবই বিরল এবং সাধারণ মানুষের চোখে পড়া আরও বিরল। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় এখনো কৌতূহল তুঙ্গে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—প্রকৃতি কি সত্যিই নতুন কোনও সংকেত দিচ্ছে? নাকি এটি শুধুই বিরল কিন্তু স্বাভাবিক এক প্রাকৃতিক ঘটনা? যাই হোক, কোচবিহারের বাঘরোয়া গ্রামের এই ঘটনায় স্পষ্ট—প্রকৃতি এখনো রহস্যে ভরা, আর তার অজানা দিকগুলি মাঝে মধ্যেই আমাদের সামনে চমকে দিয়ে যায়।1
- Post by Jakir Islam1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- ভোটপর্ব শেষ হতেই নাটাবাড়ি বিধানসভা এলাকায় চরম রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল। শনিবার গভীর রাতে উত্তর ঘোগারকুঠি এলাকায় বিজেপির ৩ নম্বর মণ্ডল যুব সম্পাদক দীপক দাসের দোকানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র তরজা। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে একদল দুষ্কৃতী হঠাৎ করে দোকানে চড়াও হয়। প্রথমে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়, এরপর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় দোকানে। মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং দোকানের বড়সড় ক্ষতি হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়, স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভও বাড়তে থাকে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলার সঙ্গে জড়িত এবং পরিকল্পিতভাবেই ভোটের পর এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সিদ্ধার্থ মণ্ডল। তাঁর বক্তব্য, “এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমাদের কোনো কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে এলাকায় অশান্তি তৈরি করতে রাজনৈতিক নাটক করছে।” ঘটনার পর থেকেই নাটাবাড়ি জুড়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।1
- ঝড়ের দাপটে গাছ ভেঙে পড়ল কোচবিহার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের সামনে1