দিনহাটা পাঁচমাথা মোড়ে ঐক্যের বার্তা দিয়ে বামফ্রন্ট পথসভা দিনহাটা পাঁচমাথা মোড়ে ঐক্যের বার্তা দিয়ে বামফ্রন্ট পথসভা যা একসময় জনসভায় রূপ নেয়। পথচলতি সাধারণ মানুষ দাড়িয়ে গেলে ব্যপক যানজট তৈরি হয়। নির্বাচনী প্রচারের শেষ লগ্নে দিনহাটা ও সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রে বামফ্রন্টের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ হলো। শরিক দলগুলির মধ্যে মতপার্থক্য ও জটিল রাজনৈতিক আবহের মধ্যেও নীতি, আদর্শ এবং জনস্বার্থের প্রশ্নকে সামনে রেখে সিপিআই(এম) ও বাম নেতৃত্ব মানুষের কাছে পৌঁছনোর বার্তা দিল। রাজ্য বামফ্রন্টের সিদ্ধান্ত এবং ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য ও জেলা নেতৃত্বের নির্দেশ ঘিরে জেলার কিছু আসনে নির্দল প্রার্থী দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোচবিহার জেলার রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তারই প্রভাব পড়েছে দিনহাট ও সিতাইতে। তবে এই পরিস্থিতিতে শরিকদের সঙ্গে মতভেদ ভুলে সাধারণ মানুষের দাবি-দাওয়াকেই প্রাধান্য দিয়ে পথে নেমে একযোগে ঐক্যের বার্তা দিল। সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও পথচারীদের নিরন্তন যোগাযোগ করছেন নেতৃবৃন্দ। দলীয় নেতৃত্বের দাবি, মাঝে ভুল বোঝাবুঝি থাকলেও, বৃহওর স্বার্থে ওয়ার্ডভিত্তিক ও গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় নিয়মিত নিবিড় প্রচার চলছে। আজকের পথসভায় একাধিক জনমুখী দাবি তুলে ধরা হয়। দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকে কলেজ স্থাপন, মহকুমা হাসপাতালের আধুনিকীকরণ, মা-বোনদের নিরাপত্তা, সাহেবগঞ্জে দমকল কেন্দ্র, পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম চালু, কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলা, স্বচ্ছ নিয়োগ এবং গ্রামীণ রুটে NBSTC বাস পরিষেবা চালুর দাবিও জানানো হয়। একইসঙ্গে বামফ্রন্টের নির্বাচনী ইস্তেহারের প্রতিশ্রুতিও তুলে ধরা হয়। প্রত্যেক পরিবারে একটি স্থায়ী সরকারি চাকরি, মহিলাদের জন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠী গঠন, নিরাপত্তার জন্য ‘অভয়া বাহিনী’, বার্ধক্য ভাতা ৬০০০ টাকা এবং ১০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রচারে গুরুত্ব পায়। দিনহাটা পাঁচমাথা মোড়ে ঐক্যের ছবিও সামনে আসে। লাল পতাকায় মুড়ে দেওয়া হয় পাঁচমাথা মোড়। সিতাই ও দিনহাটার বাম প্রার্থীদের সমর্থনে সিপিআই(এম) ও ফরওয়ার্ড ব্লকের নেতৃত্ব একসঙ্গে মঞ্চে উঠে ঐক্যের বার্তা দেন। সভায় বক্তব্য রাখেন ফরওয়ার্ড ব্লকের জেলা সম্পাদক অক্ষয় ঠাকুর, রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য গোবিন্দ রায়, সিপিআই(এম) নেতা প্রবীর পাল, শুভ্রালোক দাস, আব্দুল রউফ, প্রার্থী বিকাশ মণ্ডল ও অরুণ কুমার বর্মা প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন আজগার আলি। রাজনৈতিক মহলের মতে, শেষ মুহূর্তে বামফ্রন্টের এই ইস্যুভিত্তিক প্রচার এবং ঐক্যের বার্তা দিনহাটা নির্বাচনে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
দিনহাটা পাঁচমাথা মোড়ে ঐক্যের বার্তা দিয়ে বামফ্রন্ট পথসভা দিনহাটা পাঁচমাথা মোড়ে ঐক্যের বার্তা দিয়ে বামফ্রন্ট পথসভা যা একসময় জনসভায় রূপ নেয়। পথচলতি সাধারণ মানুষ দাড়িয়ে গেলে ব্যপক যানজট তৈরি হয়। নির্বাচনী প্রচারের শেষ লগ্নে দিনহাটা ও সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রে বামফ্রন্টের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ হলো। শরিক দলগুলির মধ্যে মতপার্থক্য ও জটিল রাজনৈতিক আবহের মধ্যেও নীতি, আদর্শ এবং জনস্বার্থের প্রশ্নকে সামনে রেখে সিপিআই(এম) ও বাম নেতৃত্ব মানুষের কাছে পৌঁছনোর বার্তা দিল। রাজ্য বামফ্রন্টের সিদ্ধান্ত এবং ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য ও জেলা নেতৃত্বের নির্দেশ ঘিরে জেলার কিছু আসনে নির্দল প্রার্থী দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোচবিহার জেলার রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তারই প্রভাব পড়েছে দিনহাট ও সিতাইতে।
তবে এই পরিস্থিতিতে শরিকদের সঙ্গে মতভেদ ভুলে সাধারণ মানুষের দাবি-দাওয়াকেই প্রাধান্য দিয়ে পথে নেমে একযোগে ঐক্যের বার্তা দিল। সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও পথচারীদের নিরন্তন যোগাযোগ করছেন নেতৃবৃন্দ। দলীয় নেতৃত্বের দাবি, মাঝে ভুল বোঝাবুঝি থাকলেও, বৃহওর স্বার্থে ওয়ার্ডভিত্তিক ও গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় নিয়মিত নিবিড় প্রচার চলছে। আজকের পথসভায় একাধিক জনমুখী দাবি তুলে ধরা হয়। দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকে কলেজ স্থাপন, মহকুমা হাসপাতালের আধুনিকীকরণ, মা-বোনদের নিরাপত্তা, সাহেবগঞ্জে দমকল কেন্দ্র, পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম চালু, কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলা, স্বচ্ছ নিয়োগ এবং গ্রামীণ রুটে NBSTC বাস পরিষেবা চালুর দাবিও জানানো হয়। একইসঙ্গে বামফ্রন্টের নির্বাচনী ইস্তেহারের প্রতিশ্রুতিও তুলে ধরা হয়। প্রত্যেক পরিবারে একটি স্থায়ী সরকারি চাকরি, মহিলাদের জন্য স্বনির্ভর
গোষ্ঠী গঠন, নিরাপত্তার জন্য ‘অভয়া বাহিনী’, বার্ধক্য ভাতা ৬০০০ টাকা এবং ১০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রচারে গুরুত্ব পায়। দিনহাটা পাঁচমাথা মোড়ে ঐক্যের ছবিও সামনে আসে। লাল পতাকায় মুড়ে দেওয়া হয় পাঁচমাথা মোড়। সিতাই ও দিনহাটার বাম প্রার্থীদের সমর্থনে সিপিআই(এম) ও ফরওয়ার্ড ব্লকের নেতৃত্ব একসঙ্গে মঞ্চে উঠে ঐক্যের বার্তা দেন। সভায় বক্তব্য রাখেন ফরওয়ার্ড ব্লকের জেলা সম্পাদক অক্ষয় ঠাকুর, রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য গোবিন্দ রায়, সিপিআই(এম) নেতা প্রবীর পাল, শুভ্রালোক দাস, আব্দুল রউফ, প্রার্থী বিকাশ মণ্ডল ও অরুণ কুমার বর্মা প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন আজগার আলি। রাজনৈতিক মহলের মতে, শেষ মুহূর্তে বামফ্রন্টের এই ইস্যুভিত্তিক প্রচার এবং ঐক্যের বার্তা দিনহাটা নির্বাচনে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
- নাগুর হাটের শালবাড়ী এলাকায় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে সজোরে ধাক্কা মারায় ঘটল ভয়াবহ দুর্ঘটনা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এক যুবকের, গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন আরেকজন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এদিন দুপুরের দিকে দুই যুবক একটি মোটরসাইকেলে করে দ্রুতগতিতে শালবাড়ী রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলটি রাস্তার ধারে থাকা একটি বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে একজন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। অন্যজন গুরুতর জখম অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকেন। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে আহত যুবককে উদ্ধার করে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠান। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। মৃত যুবকের পরিচয় এখনও পর্যন্ত স্পষ্টভাবে জানা যায়নি বলে খবর। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতি ও নিয়ন্ত্রণ হারানোই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মূল কারণ। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় বেপরোয়া গতিতে যান চলাচলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের কাছে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।1
- বুড়িরহাটের পথসভা থেকে তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়1
- 📍শীতলখুচি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হরিহর দাসের সমর্থনে শাকাতির হাটে কর্মীসভা তৃণমূল কংগ্রেসের1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- গাঁজা পাচারের আগেই বড়সড় সাফল্য পেল দিনহাটা থানার পুলিশ। রবিবার দুপুরে দিনহাটা রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতের নাম দীপক শীল, তার বাড়ি নদীয়া জেলায় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দিনহাটা থানার একটি দল স্টেশন চত্বরে নজরদারি শুরু করে। সেই সময় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তার কাছে থাকা দুটি ব্যাগ তল্লাশি চালাতেই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে। ব্যাগের ভিতর থেকে মোট ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়। পরবর্তীতে দিনহাটা থানার আইসি বুধাদিত্য রায়ের উপস্থিতিতে উদ্ধার হওয়া গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা চেষ্টা চলছে, এই বিপুল পরিমাণ গাঁজা কোথা থেকে আনা হচ্ছিল এবং কোথায় পাচার করার পরিকল্পনা ছিল। এই ঘটনায় একটি বড় পাচার চক্রের যোগ থাকতে পারে বলে অনুমান করছে পুলিশ। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।1
- বর্তমান মানুষের কাঁথাপটন1
- রবিবারের ভোট প্রচারে গান ও প্রধানমন্ত্রী মোদির গলা অনুকরণে জমিয়ে দিলেন যুব তৃণমন্ত্রী তথা সাংসদ সায়নী ঘোষ। কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের মাঘপালায় তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিকের সমর্থনে জনসভায় বক্তব্য রাখেন তিনি।সাংসদ ও অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে দেখতে মাঘপালা এপি বিদ্যালয় মাঠে উপচে পড়ে ভিড়। বক্তৃতায় সায়নী বলেন, দিল্লিতে লড়াই শুরু হয়েছে এবং বাংলাতেও এবার চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে। পাশাপাশি ২০২৯ লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে দেশের প্রধানমন্ত্রী করার লক্ষ্যের কথাও জানান। এদিন প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, “এই নির্বাচনে জিততে হলে কঠিন লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।”1
- বারোকোদালি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩২ নম্বর বুথকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, তাদের নির্বাচনী ফ্লেক্স ও দলীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে, এবং এই ঘটনার জন্য সরাসরি বিজেপি কর্মীদের দায়ী করা হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এবং দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব দাবি করেছে, পরিকল্পিতভাবেই তাদের প্রচারের সামগ্রী নষ্ট করা হয়েছে যাতে ভোটের আগে সংগঠনের শক্তি দুর্বল করা যায়। তাদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীরাই এই কাজ করেছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, বিজেপি এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে। বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, তারা এই ঘটনার সঙ্গে কোনওভাবেই জড়িত নয়। বরং তাদের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঢাকতে বিজেপির উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। বিজেপির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের অভিযোগ রাজনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তারের একটি কৌশল মাত্র। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ধরনের ঘটনা নতুন নয়, তবে বারোকোদালি এলাকার এই ঘটনায় রাজনৈতিক পারদ আরও চড়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের তদন্তে ঠিক কী উঠে আসে এবং এই ঘটনায় কারা দোষী প্রমাণিত হয়।1