logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

হিমবাহ ও পাথরের ধস থেকে তৈরি প্রবল জল-কাদা-পাথরের স্রোতে বিপর্যস্ত নেপাল-চিন সীমান্ত। নতুন জলাধার ভেঙে ফের বন্যার আশঙ্কায় সতর্ক প্রশাসন। তারিখ: ২৮ আগস্ট ২০২৬ বিভাগ: আন্তর্জাতিক | পরিবেশ | দুর্যোগ কনটেন্ট টাইপ: Special Report / Explainer 📰 প্রকাশযোগ্য প্রতিবেদন হিমালয়ের বুকেই ভয়াবহ বিপর্যয় হিমালয়ের দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে প্রকৃতির ভয়ংকর রূপ। নেপাল-চিন সীমান্তে হিমবাহের অংশ ধসে পড়ার পর প্রবল বন্যা ও ধসের ঘটনায় একের পর এক জনপদ ও গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদীর জলপ্রবাহে বরফ, পাথর ও ধ্বংসাবশেষ মিশে তৈরি হয়েছে ভয়াবহ স্রোত। ২৮ আগস্টের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নেপালে মৃতের সংখ্যা ৫৭৯ এবং চিনের তিব্বতে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নেপালে প্রায় ১,৯২৪ জন এবং তিব্বতে ৫৫৮ জন এখনও নিখোঁজ বলে Reuters জানিয়েছে। এই বিপর্যয়ে ৯০ হাজারেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কীভাবে ঘটল এই বিপর্যয়? প্রাথমিক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, Langtang Lirung অঞ্চলের কাছে হিমবাহ ও পাহাড়ের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। বরফ, পাথর ও মাটি প্রবল গতিতে নদীর দিকে নেমে গিয়ে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে। পরে সেই বাধা ভেঙে বিপুল জল ও ধ্বংসাবশেষ নীচের দিকে ছুটে যায়। Reuters-এর বিশ্লেষণে এই ধসের debris flow প্রায় ৫০ মিটার প্রতি সেকেন্ড গতিতে এগিয়ে ২০ কিলোমিটারেরও বেশি এলাকা প্রভাবিত করেছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আরও বড় বিপদের আশঙ্কা সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, প্রথম বিপর্যয়ের পরেও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি। ধসের ফলে নদীর গতিপথে নতুন জলাধার তৈরি হয়েছে। এর কোনওটি দুর্বল হয়ে হঠাৎ ভেঙে গেলে আবারও ভয়াবহ বন্যা হতে পারে। নেপাল কর্তৃপক্ষ অন্তত দুটি upstream lake-এর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। এই কারণেই উদ্ধার অভিযানও একসময় সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। পরে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসায় উদ্ধারকাজ ফের শুরু হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে বহু মানুষের জীবন পাহাড়ি এলাকায় রাস্তা, সেতু ও অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধারকারী দলের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্গম এলাকায় পৌঁছনো। হেলিকপ্টার ব্যবহার করে মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। নেপালে হাজার হাজার মানুষকে ইতিমধ্যেই উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী উদ্ধার ও ত্রাণ অভিযানে যুক্ত রয়েছেন। বিদেশি পর্যটক ও তীর্থযাত্রীরাও বিপদের মুখে হিমালয়ের এই অঞ্চল পর্যটন ও তীর্থযাত্রার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে বিপর্যয়ের সময় সেখানে বহু বিদেশি নাগরিকও ছিলেন। নিখোঁজদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা প্রিয়জনদের সন্ধানে অপেক্ষা করছেন। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় অনেক নিখোঁজ মানুষের অবস্থান নিশ্চিত করতেও সময় লাগছে। ৯৩ হাজারের বেশি মানুষের জরুরি সহায়তা প্রয়োজন বিপর্যয়ের মাত্রা শুধু মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়। International Red Cross-এর হিসাব অনুযায়ী, ৯৩ হাজারের বেশি মানুষের জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। UNICEF জানিয়েছে, হাজার হাজার শিশুও এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; বহু স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবা ও পানীয় জল-স্যানিটেশন ব্যবস্থার উপরও চাপ তৈরি হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন কি দায়ী? এই প্রশ্নটিও এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহ ও permafrost-এর স্থিতিশীলতা বদলে যাচ্ছে। এতে পাহাড়ি ঢাল ও বরফের কাঠামো দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে কোনও একটি নির্দিষ্ট বিপর্যয়কে সরাসরি জলবায়ু পরিবর্তনের ফল বলে চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করার আগে আরও বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রয়োজন। কিন্তু হিমালয় অঞ্চলে glacier monitoring এবং early-warning system শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ভারতের জন্যও সতর্কবার্তা হিমালয়ের নদী ও জলপ্রবাহ সীমান্তের মধ্যে আটকে থাকে না। তাই নেপাল-তিব্বত অঞ্চলের এমন বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের প্রভাব নিম্নাঞ্চলের নদীগুলিতেও পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই উত্তর ভারতের নদীতে কয়েকটি মৃতদেহ ভেসে আসার খবর পাওয়া গেছে। ফলে সীমান্তবর্তী ভারতীয় এলাকাতেও নদীর জলস্তর ও সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা গুরুত্বপূর্ণ। শেষ কথা হিমালয়ের এই ভয়াবহ বিপর্যয় শুধুমাত্র নেপাল বা তিব্বতের সমস্যা নয়। এটি গোটা হিমালয় অঞ্চলের পরিবেশগত নিরাপত্তা নিয়ে একটি বড় সতর্কবার্তা। হিমবাহ পর্যবেক্ষণ, ঝুঁকিপূর্ণ জলাধার শনাক্তকরণ, দ্রুত সতর্কবার্তা, সীমান্তবর্তী দেশগুলির মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান এবং পাহাড়ি অঞ্চলে নিরাপদ অবকাঠামো নির্মাণ—ভবিষ্যতের জন্য এই বিষয়গুলিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। প্রকৃতিকে থামানো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু প্রকৃতির পরিবর্তনের সংকেত আগে বুঝে জীবন বাঁচানোর ব্যবস্থা করা অবশ্যই সম্ভব।

41 min ago
user_Gram Bangla Report
Gram Bangla Report
বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
41 min ago
3afeef09-555a-4398-b376-ee944e536c55

হিমবাহ ও পাথরের ধস থেকে তৈরি প্রবল জল-কাদা-পাথরের স্রোতে বিপর্যস্ত নেপাল-চিন সীমান্ত। নতুন জলাধার ভেঙে ফের বন্যার আশঙ্কায় সতর্ক প্রশাসন। তারিখ: ২৮ আগস্ট ২০২৬ বিভাগ: আন্তর্জাতিক | পরিবেশ | দুর্যোগ কনটেন্ট টাইপ: Special Report / Explainer 📰 প্রকাশযোগ্য প্রতিবেদন হিমালয়ের বুকেই ভয়াবহ বিপর্যয় হিমালয়ের দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে প্রকৃতির ভয়ংকর রূপ। নেপাল-চিন সীমান্তে হিমবাহের অংশ ধসে পড়ার পর প্রবল বন্যা ও ধসের ঘটনায় একের পর এক জনপদ ও গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদীর জলপ্রবাহে বরফ, পাথর ও ধ্বংসাবশেষ মিশে তৈরি হয়েছে ভয়াবহ স্রোত। ২৮ আগস্টের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নেপালে মৃতের সংখ্যা ৫৭৯ এবং চিনের তিব্বতে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নেপালে প্রায় ১,৯২৪ জন এবং তিব্বতে ৫৫৮ জন এখনও নিখোঁজ বলে Reuters জানিয়েছে। এই বিপর্যয়ে ৯০ হাজারেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কীভাবে ঘটল এই বিপর্যয়? প্রাথমিক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, Langtang Lirung অঞ্চলের কাছে হিমবাহ ও পাহাড়ের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। বরফ, পাথর ও মাটি প্রবল গতিতে নদীর দিকে নেমে গিয়ে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে। পরে সেই বাধা ভেঙে বিপুল জল ও ধ্বংসাবশেষ নীচের দিকে ছুটে যায়। Reuters-এর বিশ্লেষণে এই ধসের debris flow প্রায় ৫০ মিটার প্রতি সেকেন্ড গতিতে এগিয়ে ২০ কিলোমিটারেরও বেশি এলাকা প্রভাবিত করেছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আরও বড় বিপদের আশঙ্কা সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, প্রথম বিপর্যয়ের পরেও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি। ধসের ফলে নদীর গতিপথে নতুন জলাধার তৈরি হয়েছে। এর কোনওটি দুর্বল হয়ে হঠাৎ ভেঙে গেলে আবারও ভয়াবহ বন্যা হতে পারে। নেপাল কর্তৃপক্ষ অন্তত দুটি upstream lake-এর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। এই কারণেই উদ্ধার অভিযানও একসময় সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। পরে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসায় উদ্ধারকাজ ফের শুরু হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে বহু মানুষের জীবন পাহাড়ি এলাকায় রাস্তা, সেতু ও অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধারকারী দলের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্গম এলাকায় পৌঁছনো। হেলিকপ্টার ব্যবহার করে মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। নেপালে হাজার হাজার মানুষকে ইতিমধ্যেই উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী উদ্ধার ও ত্রাণ অভিযানে যুক্ত রয়েছেন। বিদেশি পর্যটক ও তীর্থযাত্রীরাও বিপদের মুখে হিমালয়ের এই অঞ্চল পর্যটন ও তীর্থযাত্রার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে বিপর্যয়ের সময় সেখানে বহু বিদেশি নাগরিকও ছিলেন। নিখোঁজদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা প্রিয়জনদের সন্ধানে অপেক্ষা করছেন। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় অনেক নিখোঁজ মানুষের অবস্থান নিশ্চিত করতেও সময় লাগছে। ৯৩ হাজারের বেশি মানুষের জরুরি সহায়তা প্রয়োজন বিপর্যয়ের মাত্রা শুধু মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়। International Red Cross-এর হিসাব অনুযায়ী, ৯৩ হাজারের বেশি মানুষের জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। UNICEF জানিয়েছে, হাজার হাজার শিশুও এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; বহু স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবা ও পানীয় জল-স্যানিটেশন ব্যবস্থার উপরও চাপ তৈরি হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন কি দায়ী? এই প্রশ্নটিও এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহ ও permafrost-এর স্থিতিশীলতা বদলে যাচ্ছে। এতে পাহাড়ি ঢাল ও বরফের কাঠামো দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে কোনও একটি নির্দিষ্ট বিপর্যয়কে সরাসরি জলবায়ু পরিবর্তনের ফল বলে চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করার আগে আরও বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রয়োজন। কিন্তু হিমালয় অঞ্চলে glacier monitoring এবং early-warning system শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ভারতের জন্যও সতর্কবার্তা হিমালয়ের নদী ও জলপ্রবাহ সীমান্তের মধ্যে আটকে থাকে না। তাই নেপাল-তিব্বত অঞ্চলের এমন বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের প্রভাব নিম্নাঞ্চলের নদীগুলিতেও পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই উত্তর ভারতের নদীতে কয়েকটি মৃতদেহ ভেসে আসার খবর পাওয়া গেছে। ফলে সীমান্তবর্তী ভারতীয় এলাকাতেও নদীর জলস্তর ও সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা গুরুত্বপূর্ণ। শেষ কথা হিমালয়ের এই ভয়াবহ বিপর্যয় শুধুমাত্র নেপাল বা তিব্বতের সমস্যা নয়। এটি গোটা হিমালয় অঞ্চলের পরিবেশগত নিরাপত্তা নিয়ে একটি বড় সতর্কবার্তা। হিমবাহ পর্যবেক্ষণ, ঝুঁকিপূর্ণ জলাধার শনাক্তকরণ, দ্রুত সতর্কবার্তা, সীমান্তবর্তী দেশগুলির মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান এবং পাহাড়ি অঞ্চলে নিরাপদ অবকাঠামো নির্মাণ—ভবিষ্যতের জন্য এই বিষয়গুলিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। প্রকৃতিকে থামানো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু প্রকৃতির পরিবর্তনের সংকেত আগে বুঝে জীবন বাঁচানোর ব্যবস্থা করা অবশ্যই সম্ভব।

More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
  • কান্দিতে রাখী বন্ধন উৎসবে কী বার্তা মন্ত্রী গার্গী দাস ঘোষের কান্দির বিভিন্ন যায়গায় রাখী বন্ধন উৎসবে সামিল রাজ্যের বিদ্যুৎ এবং অপ্রচলিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎস দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী গার্গী দাস ঘোষ। শুক্রবার সকালে প্রথমে কান্দি থানার মোড়ে যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তর এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের রাখী বন্ধন উৎসবে সামিল হন মন্ত্রী। এছাড়াও এদিন মন্ত্রী বিশ্রামতলা ও ইন্দ্রতলায় রাখী বন্ধন উৎসবে অংশ নেন । মাঝে কান্দি কোর্ট সংলগ্ন এলাকায় দলীয় কর্মীদের সাথে নিয়ে চায়ে পে চর্চায় অংশ নেন গার্গী দাস ঘোষ। শেষে ব্লক অফিসে রাখী বন্ধনে সামিল হন গার্গী দাস ঘোষ। মন্ত্রীর হাতে রাখী বেঁধে দেন ছোট থেকে বড় সকলেই।
    1
    কান্দিতে রাখী বন্ধন উৎসবে কী বার্তা মন্ত্রী গার্গী দাস ঘোষের
কান্দির বিভিন্ন যায়গায় রাখী বন্ধন উৎসবে সামিল  রাজ্যের বিদ্যুৎ  এবং অপ্রচলিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎস  দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী গার্গী দাস ঘোষ। শুক্রবার সকালে প্রথমে কান্দি থানার মোড়ে যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তর এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের রাখী বন্ধন উৎসবে সামিল হন মন্ত্রী। এছাড়াও এদিন মন্ত্রী বিশ্রামতলা ও ইন্দ্রতলায় রাখী বন্ধন উৎসবে অংশ নেন । মাঝে কান্দি কোর্ট সংলগ্ন এলাকায় দলীয় কর্মীদের সাথে নিয়ে চায়ে পে চর্চায় অংশ নেন গার্গী দাস ঘোষ। শেষে ব্লক অফিসে রাখী বন্ধনে সামিল হন গার্গী দাস ঘোষ। মন্ত্রীর হাতে রাখী বেঁধে দেন ছোট থেকে বড় সকলেই।
    user_Chiranjit ghosh
    Chiranjit ghosh
    Newsagent বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    9 hrs ago
  • পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মুখ থেকে এল ‘১৯৪৫-এ স্বাধীনতা পেয়েছি’ মন্তব্য! রাখি উৎসবের সভামঞ্চে এই স্লিপ অফ টাং নিয়ে রাজ্যজুড়ে তীব্র শোরগোল ও বিতর্ক।
    1
    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মুখ থেকে এল ‘১৯৪৫-এ স্বাধীনতা পেয়েছি’ মন্তব্য! রাখি উৎসবের সভামঞ্চে এই স্লিপ অফ টাং নিয়ে রাজ্যজুড়ে তীব্র শোরগোল ও বিতর্ক।
    user_SHMBANGALI
    SHMBANGALI
    Local News Reporter হরিহরপাড়া, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    6 hrs ago
  • বাজারদর নিয়ন্ত্রণে লালবাগে প্রশাসনের সারপ্রাইজ ভিজিট, নির্ধারিত দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির নির্দেশ লালবাগ: পশ্চিমবঙ্গ সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্যজুড়ে বাজারদর নিয়ন্ত্রণে নজরদারি ও অভিযান চলছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার মুর্শিদাবাদের লালবাগ শহরের বিভিন্ন বাজার ও দোকানে সারপ্রাইজ ভিজিট চালাল সংশ্লিষ্ট দফতর। এর আগে বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুরেও একাধিক দোকানে সংশ্লিষ্ট বিভাগের পক্ষ থেকে সারপ্রাইজ ভিজিট করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এদিন লালবাগ শহরের বিভিন্ন জায়গায় দোকানপাট ও তহবাজারে অভিযান চালানো হয়। লালবাগ মহকুমা শাসকের দফতরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ সরকার, লালগোলা ফুড অ্যান্ড সাপ্লাই দফতরের এসআই প্রবীর কুমার বড়াল, এবং মুর্শিদাবাদ উপভোক্তা কল্যাণ দফতরের আধিকারিক পরীক্ষিত পাটোয়ারী-র নেতৃত্বে এই অভিযান চলে। অভিযানে সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সহযোগিতা করা হয়। অভিযানের সময় ব্যবসায়ীদের চিনি-সহ বিভিন্ন অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের ক্ষেত্রে কালোবাজারি ও অতিরিক্ত দাম নেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের নির্ধারিত খুচরো মূল্য সম্পর্কেও ব্যবসায়ীদের জানানো হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিনি প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৬২ টাকা, আলু প্রতি কেজি ১২ থেকে ১৫ টাকা, লঙ্কা প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং নাসিক পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫০ টাকা দরে বিক্রির বিষয়ে নজর রাখা হচ্ছে। শুধু পণ্যের দাম নয়, ব্যবসায়ীদের বৈধ কাগজপত্রও খতিয়ে দেখা হয়। দোকানে সমস্ত বৈধ নথিপত্র ল্যামিনেশন করে দৃশ্যমান জায়গায় টাঙিয়ে রাখার জন্যও ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাধারণ ক্রেতাদের উদ্দেশে প্রশাসনের বার্তা, কোনও দোকানে নির্ধারিত দামের তুলনায় অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হলে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দফতরকে বিষয়টি জানাতে হবে। বাজারে কোনও ধরনের কালোবাজারি বা কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী দিনেও লালবাগ-সহ বিভিন্ন বাজারে এই ধরনের সারপ্রাইজ ভিজিট ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। বাজারদর নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও ক্রেতা—উভয় পক্ষের মধ্যেই সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এদিনের অভিযানে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করে মুর্শিদাবাদ থানার পুলিশ প্রশাসন। বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের এই তৎপরতায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রশাসনের আধিকারিকরা কী বললেন, এবার শুনে নেওয়া যাক তাঁদের বক্তব্য।
    1
    বাজারদর নিয়ন্ত্রণে লালবাগে প্রশাসনের সারপ্রাইজ ভিজিট, নির্ধারিত দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির নির্দেশ
লালবাগ: পশ্চিমবঙ্গ সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্যজুড়ে বাজারদর নিয়ন্ত্রণে নজরদারি ও অভিযান চলছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার মুর্শিদাবাদের লালবাগ শহরের বিভিন্ন বাজার ও দোকানে সারপ্রাইজ ভিজিট চালাল সংশ্লিষ্ট দফতর।
এর আগে বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুরেও একাধিক দোকানে সংশ্লিষ্ট বিভাগের পক্ষ থেকে সারপ্রাইজ ভিজিট করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এদিন লালবাগ শহরের বিভিন্ন জায়গায় দোকানপাট ও তহবাজারে অভিযান চালানো হয়।
লালবাগ মহকুমা শাসকের দফতরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ সরকার, লালগোলা ফুড অ্যান্ড সাপ্লাই দফতরের এসআই প্রবীর কুমার বড়াল, এবং মুর্শিদাবাদ উপভোক্তা কল্যাণ দফতরের আধিকারিক পরীক্ষিত পাটোয়ারী-র নেতৃত্বে এই অভিযান চলে। অভিযানে সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সহযোগিতা করা হয়।
অভিযানের সময় ব্যবসায়ীদের চিনি-সহ বিভিন্ন অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের ক্ষেত্রে কালোবাজারি ও অতিরিক্ত দাম নেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের নির্ধারিত খুচরো মূল্য সম্পর্কেও ব্যবসায়ীদের জানানো হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিনি প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৬২ টাকা, আলু প্রতি কেজি ১২ থেকে ১৫ টাকা, লঙ্কা প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং নাসিক পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫০ টাকা দরে বিক্রির বিষয়ে নজর রাখা হচ্ছে।
শুধু পণ্যের দাম নয়, ব্যবসায়ীদের বৈধ কাগজপত্রও খতিয়ে দেখা হয়। দোকানে সমস্ত বৈধ নথিপত্র ল্যামিনেশন করে দৃশ্যমান জায়গায় টাঙিয়ে রাখার জন্যও ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সাধারণ ক্রেতাদের উদ্দেশে প্রশাসনের বার্তা, কোনও দোকানে নির্ধারিত দামের তুলনায় অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হলে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দফতরকে বিষয়টি জানাতে হবে। বাজারে কোনও ধরনের কালোবাজারি বা কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী দিনেও লালবাগ-সহ বিভিন্ন বাজারে এই ধরনের সারপ্রাইজ ভিজিট ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। বাজারদর নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও ক্রেতা—উভয় পক্ষের মধ্যেই সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
এদিনের অভিযানে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করে মুর্শিদাবাদ থানার পুলিশ প্রশাসন। বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের এই তৎপরতায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে প্রশাসনের আধিকারিকরা কী বললেন, এবার শুনে নেওয়া যাক তাঁদের বক্তব্য।
    user_সময়ের কথা বাংলা নিউজ চ্যানেল
    সময়ের কথা বাংলা নিউজ চ্যানেল
    ভগবানগোলা ১, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    10 hrs ago
  • নদীয়ার বগুলা রুরাল হাসপাতালে রোগীদের হাতে রাখি পরিয়ে শুভেচ্ছা হাসপাতালের কর্মীদের বগুলা রুরাল হাসপাতালে রাখি বন্ধন উৎসব পালন। নদীয়া জেলার হাঁসখালি থানার বগুলা রুরাল হাসপাতালের রাজ্য সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সংঘ এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের ও ভারতীয় মজদুর সংঘের যৌথ উদ্যোগে পালিত হলো রাখি বন্ধন উৎসব। জরুরী পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয় সেজন্য সকল ধরনের সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানকে বিরত রেখে মানব সেবায় নিয়োজিত যারা সারা বছর থাকেন তাদের সাথেই আজ এই রাখি বন্ধনের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন এই সংগঠনের সদস্যরা। হাসপাতালে কর্মরত সকল ডাক্তার,নার্স ল্যাবরেটরী,ইসিজি টেকনোলজিস্ট, সুপারভাইজার,কর্মী গ্রুপ ডি কর্মী এবং কর্মবন্ধু সহ সকলের হাতে রাখি পরিয়ে দিয়ে ভাতৃত্বের এক মেলবন্ধন তৈরি করলেন‌। এদিন হাসপাতালে একে অপরকে রাখি পরিয়ে দিয়ে সৌভ্রাতৃত্বের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এবং সকলে মিলে একটি সুন্দর দিন উৎযাপন করলেন। সংগঠনের এই ধরনের উদ্যোগে হাসপাতাল কর্মীরা খুশি,উচ্ছ্বসিত এবং আবেগ আপ্লুত।
    1
    নদীয়ার বগুলা রুরাল হাসপাতালে রোগীদের হাতে রাখি পরিয়ে শুভেচ্ছা হাসপাতালের কর্মীদের 
বগুলা রুরাল হাসপাতালে রাখি বন্ধন উৎসব পালন। নদীয়া জেলার হাঁসখালি থানার বগুলা রুরাল হাসপাতালের রাজ্য সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সংঘ এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের ও ভারতীয় মজদুর সংঘের যৌথ উদ্যোগে পালিত হলো রাখি বন্ধন উৎসব। জরুরী পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয় সেজন্য সকল ধরনের সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানকে বিরত রেখে মানব সেবায় নিয়োজিত যারা সারা বছর থাকেন তাদের সাথেই আজ এই রাখি বন্ধনের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন এই সংগঠনের সদস্যরা। হাসপাতালে কর্মরত সকল ডাক্তার,নার্স ল্যাবরেটরী,ইসিজি টেকনোলজিস্ট, সুপারভাইজার,কর্মী গ্রুপ ডি কর্মী এবং কর্মবন্ধু সহ সকলের হাতে রাখি পরিয়ে দিয়ে ভাতৃত্বের এক মেলবন্ধন তৈরি করলেন‌। এদিন হাসপাতালে একে অপরকে রাখি পরিয়ে দিয়ে সৌভ্রাতৃত্বের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এবং সকলে মিলে একটি সুন্দর দিন উৎযাপন করলেন। সংগঠনের এই ধরনের উদ্যোগে হাসপাতাল কর্মীরা খুশি,উচ্ছ্বসিত এবং আবেগ আপ্লুত।
    user_Subrata Pramanik
    Subrata Pramanik
    Local News Reporter জলঙ্গি, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    2 hrs ago
  • বিজেপি কর্মীদের উদ্দ্যোগে সাগরপাড়ায় রাখি বন্ধন উৎসব পালন। পথ চলতি মানুষের হাতে রাখি পরিয়ে দেওয়া হয়। মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়ায় বিজেপির উদ্যোগে রাখি বন্ধন উৎসব পালন। এদিন সাগরপাড়া বাজারে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা নবকুমার সরকার এবং স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন টোটো চালক,বাইক আরোহী,বাস চালক,অটো চালক‌, বাজারে আসা মানুষের হাতে রাখি পরিয়ে দেওয়া হয়। এই উদ্যোগে খুশি সাধারণ মানুষ।
    1
    বিজেপি কর্মীদের উদ্দ্যোগে সাগরপাড়ায় রাখি বন্ধন উৎসব পালন। পথ চলতি মানুষের হাতে রাখি পরিয়ে দেওয়া হয়। 
মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়ায় বিজেপির উদ্যোগে রাখি বন্ধন উৎসব পালন। এদিন সাগরপাড়া বাজারে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা নবকুমার সরকার এবং স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন টোটো চালক,বাইক আরোহী,বাস চালক,অটো চালক‌, বাজারে আসা মানুষের হাতে রাখি পরিয়ে দেওয়া হয়। এই উদ্যোগে খুশি সাধারণ মানুষ।
    user_Subrata Pramanik
    Subrata Pramanik
    Local News Reporter জলঙ্গি, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    11 hrs ago
  • হাত বোতলের আগেই দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, চারটি গুলি, তিনটি ম্যাগাজিন উদ্ধার সহ গ্রেফতার এক ডোমকলে। হাত বোতলের আগেই দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, চারটি গুলি, তিনটি ম্যাগাজিন উদ্ধার সহ গ্রেফতার এক ডোমকলে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে মুর্শিদাবাদের ডোমকল থানার বাগডাঙ্গা টু মধুরকুল রোডে অভিযান চালায় ডোমকল থানার পুলিশ। ওই এলাকায় অভিযান চালানোর সময় এক যুবক স্কুটি গাড়িতে করে যাওয়ার সময় সন্দেহভাজন ওই যুবককে দাঁড় করিয়ে তার কাছে তল্লাশি চালাতে চক্ষু চড়ক পুলিশের। স্কুটি গাড়ির ঢিকি খুলতেই দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ,চারটি গুলি, তিনটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে ধৃত যুবকের নাম জানা যায় রবিউল মন্ডল, তার বাড়ি ডোমকলের মুরারীপুর নতুনপাড়া এলাকায়।ধৃত যুবককে বিচারকের কাছে শুক্রবার সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন চেয়ে বহরমপুর জেলা আদালতে তোলা হয়। কোথায় থেকে আসলো আগ্নেয়াস্ত্র কোথায় পাচার করত, এই ঘটনায়, আর কে বা কারা জড়িত আছে ঘটনার পুরো তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
    2
    হাত বোতলের আগেই দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, চারটি গুলি, তিনটি ম্যাগাজিন উদ্ধার সহ গ্রেফতার এক ডোমকলে। 

হাত বোতলের আগেই দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, চারটি গুলি, তিনটি ম্যাগাজিন উদ্ধার সহ গ্রেফতার এক ডোমকলে। 
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে মুর্শিদাবাদের ডোমকল থানার বাগডাঙ্গা টু মধুরকুল রোডে অভিযান চালায় ডোমকল থানার পুলিশ। ওই এলাকায় অভিযান চালানোর সময় এক যুবক স্কুটি গাড়িতে করে যাওয়ার সময় সন্দেহভাজন  ওই যুবককে দাঁড় করিয়ে তার কাছে তল্লাশি চালাতে  চক্ষু চড়ক পুলিশের। স্কুটি গাড়ির ঢিকি খুলতেই দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ,চারটি গুলি, তিনটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে ধৃত যুবকের নাম জানা যায় রবিউল মন্ডল, তার বাড়ি ডোমকলের মুরারীপুর নতুনপাড়া এলাকায়।ধৃত যুবককে বিচারকের কাছে শুক্রবার সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন চেয়ে বহরমপুর জেলা আদালতে তোলা হয়। কোথায় থেকে আসলো আগ্নেয়াস্ত্র কোথায় পাচার করত, এই ঘটনায়, আর কে বা কারা জড়িত আছে ঘটনার পুরো তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
    user_Maminul Islam
    Maminul Islam
    Newsagent হরিহরপাড়া, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    5 hrs ago
  • ভরতপুরে মাটির বাড়ি চাপা পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু স্বামী ও স্ত্রীর : স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণে রক্ষা পেল নাতি। ভরতপুরে মাটির বাড়ি চাপা পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু স্বামী ও স্ত্রীর : স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণে রক্ষা পেল নাতি। মুর্শিদাবাদের ভরতপুর সেখপাড়ায় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় দু’তলা মাটির ঘরের পাড় ও দেওয়াল ধসে পড়ে প্রাণ হারালেন এক বৃদ্ধ দম্পতি। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় মৃতরা হলেন সৈয়দ মানোয়ার আলী (৬২) ও তাঁর স্ত্রী জাহানারা বেগম (৬১)। প্রতিদিনের মতোই এদিন মানোয়ার সাহেব ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন এবং তাঁর স্ত্রী ও ১৩ বছরের নাতি সৈয়দ ফারহান আনোয়ার কাছেই বসে গল্প করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই আচমকা বিকট শব্দে আস্ত মাটির পাড় মড়মড়িয়ে ভেঙে পড়ে তাঁদের ওপর। বিকট শব্দ ও আর্তনাদ শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এসে কৌশলগতভাবে নাবালক ফারহানকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যান ওই দম্পতি। বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে এসে ওই বাড়ির বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান ভরতপুর থানার ওসি বিশ্বজিৎ মন্ডল, সালার সার্কেল ইন্সপেক্টর সমীরেন্দ্র পাল, ভরতপুরের এসডিও বরুন বৈদ্য এবং দমকল ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। স্থানীয় বাসিন্দা ও যৌথ উদ্ধারকারী দলের দীর্ঘক্ষণের প্রচেষ্টায় মাটি সরিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে ভরতপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কান্দী মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন। অলৌকিকভাবে নাতি বেঁচে গেলেও মুহূর্তের মধ্যে প্রবীণ দম্পতির এমন করুণ পরিণতিতে পুরো ভরতপুর এলাকায় এখন গভীর শোকের ছায়া।
    1
    ভরতপুরে মাটির বাড়ি চাপা পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু স্বামী ও স্ত্রীর : স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণে রক্ষা পেল নাতি।
ভরতপুরে মাটির বাড়ি চাপা পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু স্বামী ও স্ত্রীর : স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণে রক্ষা পেল নাতি।
মুর্শিদাবাদের ভরতপুর সেখপাড়ায় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় দু’তলা মাটির ঘরের পাড় ও দেওয়াল ধসে পড়ে প্রাণ হারালেন এক বৃদ্ধ দম্পতি। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় মৃতরা হলেন সৈয়দ মানোয়ার আলী (৬২) ও তাঁর স্ত্রী জাহানারা বেগম (৬১)। প্রতিদিনের মতোই এদিন মানোয়ার সাহেব ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন এবং তাঁর স্ত্রী ও ১৩ বছরের নাতি সৈয়দ ফারহান আনোয়ার কাছেই বসে গল্প করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই আচমকা বিকট শব্দে আস্ত মাটির পাড় মড়মড়িয়ে ভেঙে পড়ে তাঁদের ওপর। বিকট শব্দ ও আর্তনাদ শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এসে কৌশলগতভাবে নাবালক ফারহানকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যান ওই দম্পতি। বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে এসে ওই বাড়ির বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান ভরতপুর থানার ওসি বিশ্বজিৎ মন্ডল, সালার সার্কেল ইন্সপেক্টর সমীরেন্দ্র পাল, ভরতপুরের এসডিও বরুন বৈদ্য এবং দমকল ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। স্থানীয় বাসিন্দা ও যৌথ উদ্ধারকারী দলের দীর্ঘক্ষণের প্রচেষ্টায় মাটি সরিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে ভরতপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কান্দী মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন। অলৌকিকভাবে নাতি বেঁচে গেলেও মুহূর্তের মধ্যে প্রবীণ দম্পতির এমন করুণ পরিণতিতে পুরো ভরতপুর এলাকায় এখন গভীর শোকের ছায়া।
    user_রাঢ় বাংলা
    রাঢ় বাংলা
    Reporter ভরতপুর ১, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    2 hrs ago
  • ধুন্ধুমার! প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল  মাটির বাড়ি,তার নিচেই চাপা সদ্যোজাত শিশু.... আচমকা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবলে পরে হুর মুড়িয়ে ভেঙে পড়লো গ্রামের আস্ত কাঁচা বাড়ি। বাড়ির স্তুপ এর নিচে চাপা পড়ে যাই সদ্যোজাত শিশুকন্যা সহ একাধিক পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘী এলাকায়। সন্ধ্যার শেষ পাওয়ার খবরে জানা যায়, ঘটনায় এক শিশু ওই ধ্বংসস্তূপের নিচে পৃষ্ঠ হয়ে যায়। বাকিদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসা শুরু হয়েছে। সেইমত এদিন বৃষ্টির জেরে দুর্বল অবস্থায় থাকা মোফাসুর রহমানের মাটির দোতলা বাড়ি হুরমুড়িয়ে ধসে পড়ে।
    1
    ধুন্ধুমার! প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল  মাটির বাড়ি,তার নিচেই চাপা সদ্যোজাত শিশু....



আচমকা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবলে পরে হুর মুড়িয়ে ভেঙে পড়লো গ্রামের আস্ত কাঁচা বাড়ি। বাড়ির স্তুপ এর নিচে চাপা পড়ে যাই সদ্যোজাত শিশুকন্যা সহ একাধিক পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘী এলাকায়। সন্ধ্যার শেষ পাওয়ার খবরে জানা যায়, ঘটনায় এক শিশু ওই ধ্বংসস্তূপের নিচে পৃষ্ঠ হয়ে যায়। বাকিদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসা শুরু হয়েছে। সেইমত এদিন বৃষ্টির জেরে দুর্বল অবস্থায় থাকা মোফাসুর রহমানের মাটির দোতলা বাড়ি হুরমুড়িয়ে ধসে পড়ে।
    user_Lalgola news
    Lalgola news
    Newsagent লালগোলা, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    23 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.