ভরতপুরে মাটির বাড়ি চাপা পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু স্বামী ও স্ত্রীর : স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণে রক্ষা পেল নাতি। ভরতপুরে মাটির বাড়ি চাপা পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু স্বামী ও স্ত্রীর : স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণে রক্ষা পেল নাতি। মুর্শিদাবাদের ভরতপুর সেখপাড়ায় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় দু’তলা মাটির ঘরের পাড় ও দেওয়াল ধসে পড়ে প্রাণ হারালেন এক বৃদ্ধ দম্পতি। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় মৃতরা হলেন সৈয়দ মানোয়ার আলী (৬২) ও তাঁর স্ত্রী জাহানারা বেগম (৬১)। প্রতিদিনের মতোই এদিন মানোয়ার সাহেব ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন এবং তাঁর স্ত্রী ও ১৩ বছরের নাতি সৈয়দ ফারহান আনোয়ার কাছেই বসে গল্প করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই আচমকা বিকট শব্দে আস্ত মাটির পাড় মড়মড়িয়ে ভেঙে পড়ে তাঁদের ওপর। বিকট শব্দ ও আর্তনাদ শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এসে কৌশলগতভাবে নাবালক ফারহানকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যান ওই দম্পতি। বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে এসে ওই বাড়ির বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান ভরতপুর থানার ওসি বিশ্বজিৎ মন্ডল, সালার সার্কেল ইন্সপেক্টর সমীরেন্দ্র পাল, ভরতপুরের এসডিও বরুন বৈদ্য এবং দমকল ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। স্থানীয় বাসিন্দা ও যৌথ উদ্ধারকারী দলের দীর্ঘক্ষণের প্রচেষ্টায় মাটি সরিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে ভরতপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কান্দী মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন। অলৌকিকভাবে নাতি বেঁচে গেলেও মুহূর্তের মধ্যে প্রবীণ দম্পতির এমন করুণ পরিণতিতে পুরো ভরতপুর এলাকায় এখন গভীর শোকের ছায়া।
ভরতপুরে মাটির বাড়ি চাপা পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু স্বামী ও স্ত্রীর : স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণে রক্ষা পেল নাতি। ভরতপুরে মাটির বাড়ি চাপা পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু স্বামী ও স্ত্রীর : স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণে রক্ষা পেল নাতি। মুর্শিদাবাদের ভরতপুর সেখপাড়ায় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় দু’তলা মাটির ঘরের পাড় ও দেওয়াল ধসে পড়ে প্রাণ হারালেন এক বৃদ্ধ দম্পতি। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় মৃতরা হলেন সৈয়দ মানোয়ার আলী (৬২) ও তাঁর স্ত্রী জাহানারা বেগম (৬১)। প্রতিদিনের মতোই এদিন মানোয়ার সাহেব ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন এবং তাঁর স্ত্রী ও ১৩ বছরের নাতি সৈয়দ ফারহান আনোয়ার কাছেই বসে গল্প করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই আচমকা বিকট শব্দে আস্ত মাটির পাড় মড়মড়িয়ে ভেঙে পড়ে তাঁদের ওপর। বিকট শব্দ ও আর্তনাদ শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এসে কৌশলগতভাবে নাবালক ফারহানকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যান ওই দম্পতি। বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে এসে ওই বাড়ির বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান ভরতপুর থানার ওসি বিশ্বজিৎ মন্ডল, সালার সার্কেল ইন্সপেক্টর সমীরেন্দ্র পাল, ভরতপুরের এসডিও বরুন বৈদ্য এবং দমকল ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। স্থানীয় বাসিন্দা ও যৌথ উদ্ধারকারী দলের দীর্ঘক্ষণের প্রচেষ্টায় মাটি সরিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে ভরতপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কান্দী মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন। অলৌকিকভাবে নাতি বেঁচে গেলেও মুহূর্তের মধ্যে প্রবীণ দম্পতির এমন করুণ পরিণতিতে পুরো ভরতপুর এলাকায় এখন গভীর শোকের ছায়া।
- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মুখ থেকে এল ‘১৯৪৫-এ স্বাধীনতা পেয়েছি’ মন্তব্য! রাখি উৎসবের সভামঞ্চে এই স্লিপ অফ টাং নিয়ে রাজ্যজুড়ে তীব্র শোরগোল ও বিতর্ক।1
- কান্দিতে রাখী বন্ধন উৎসবে কী বার্তা মন্ত্রী গার্গী দাস ঘোষের কান্দির বিভিন্ন যায়গায় রাখী বন্ধন উৎসবে সামিল রাজ্যের বিদ্যুৎ এবং অপ্রচলিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎস দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী গার্গী দাস ঘোষ। শুক্রবার সকালে প্রথমে কান্দি থানার মোড়ে যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তর এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের রাখী বন্ধন উৎসবে সামিল হন মন্ত্রী। এছাড়াও এদিন মন্ত্রী বিশ্রামতলা ও ইন্দ্রতলায় রাখী বন্ধন উৎসবে অংশ নেন । মাঝে কান্দি কোর্ট সংলগ্ন এলাকায় দলীয় কর্মীদের সাথে নিয়ে চায়ে পে চর্চায় অংশ নেন গার্গী দাস ঘোষ। শেষে ব্লক অফিসে রাখী বন্ধনে সামিল হন গার্গী দাস ঘোষ। মন্ত্রীর হাতে রাখী বেঁধে দেন ছোট থেকে বড় সকলেই।1
- বাজারদর নিয়ন্ত্রণে লালবাগে প্রশাসনের সারপ্রাইজ ভিজিট, নির্ধারিত দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির নির্দেশ লালবাগ: পশ্চিমবঙ্গ সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্যজুড়ে বাজারদর নিয়ন্ত্রণে নজরদারি ও অভিযান চলছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার মুর্শিদাবাদের লালবাগ শহরের বিভিন্ন বাজার ও দোকানে সারপ্রাইজ ভিজিট চালাল সংশ্লিষ্ট দফতর। এর আগে বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুরেও একাধিক দোকানে সংশ্লিষ্ট বিভাগের পক্ষ থেকে সারপ্রাইজ ভিজিট করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এদিন লালবাগ শহরের বিভিন্ন জায়গায় দোকানপাট ও তহবাজারে অভিযান চালানো হয়। লালবাগ মহকুমা শাসকের দফতরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ সরকার, লালগোলা ফুড অ্যান্ড সাপ্লাই দফতরের এসআই প্রবীর কুমার বড়াল, এবং মুর্শিদাবাদ উপভোক্তা কল্যাণ দফতরের আধিকারিক পরীক্ষিত পাটোয়ারী-র নেতৃত্বে এই অভিযান চলে। অভিযানে সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সহযোগিতা করা হয়। অভিযানের সময় ব্যবসায়ীদের চিনি-সহ বিভিন্ন অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের ক্ষেত্রে কালোবাজারি ও অতিরিক্ত দাম নেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের নির্ধারিত খুচরো মূল্য সম্পর্কেও ব্যবসায়ীদের জানানো হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিনি প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৬২ টাকা, আলু প্রতি কেজি ১২ থেকে ১৫ টাকা, লঙ্কা প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং নাসিক পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫০ টাকা দরে বিক্রির বিষয়ে নজর রাখা হচ্ছে। শুধু পণ্যের দাম নয়, ব্যবসায়ীদের বৈধ কাগজপত্রও খতিয়ে দেখা হয়। দোকানে সমস্ত বৈধ নথিপত্র ল্যামিনেশন করে দৃশ্যমান জায়গায় টাঙিয়ে রাখার জন্যও ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাধারণ ক্রেতাদের উদ্দেশে প্রশাসনের বার্তা, কোনও দোকানে নির্ধারিত দামের তুলনায় অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হলে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দফতরকে বিষয়টি জানাতে হবে। বাজারে কোনও ধরনের কালোবাজারি বা কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী দিনেও লালবাগ-সহ বিভিন্ন বাজারে এই ধরনের সারপ্রাইজ ভিজিট ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। বাজারদর নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও ক্রেতা—উভয় পক্ষের মধ্যেই সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এদিনের অভিযানে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করে মুর্শিদাবাদ থানার পুলিশ প্রশাসন। বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের এই তৎপরতায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রশাসনের আধিকারিকরা কী বললেন, এবার শুনে নেওয়া যাক তাঁদের বক্তব্য।1
- নদীয়ার বগুলা রুরাল হাসপাতালে রোগীদের হাতে রাখি পরিয়ে শুভেচ্ছা হাসপাতালের কর্মীদের বগুলা রুরাল হাসপাতালে রাখি বন্ধন উৎসব পালন। নদীয়া জেলার হাঁসখালি থানার বগুলা রুরাল হাসপাতালের রাজ্য সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সংঘ এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের ও ভারতীয় মজদুর সংঘের যৌথ উদ্যোগে পালিত হলো রাখি বন্ধন উৎসব। জরুরী পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয় সেজন্য সকল ধরনের সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানকে বিরত রেখে মানব সেবায় নিয়োজিত যারা সারা বছর থাকেন তাদের সাথেই আজ এই রাখি বন্ধনের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন এই সংগঠনের সদস্যরা। হাসপাতালে কর্মরত সকল ডাক্তার,নার্স ল্যাবরেটরী,ইসিজি টেকনোলজিস্ট, সুপারভাইজার,কর্মী গ্রুপ ডি কর্মী এবং কর্মবন্ধু সহ সকলের হাতে রাখি পরিয়ে দিয়ে ভাতৃত্বের এক মেলবন্ধন তৈরি করলেন। এদিন হাসপাতালে একে অপরকে রাখি পরিয়ে দিয়ে সৌভ্রাতৃত্বের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এবং সকলে মিলে একটি সুন্দর দিন উৎযাপন করলেন। সংগঠনের এই ধরনের উদ্যোগে হাসপাতাল কর্মীরা খুশি,উচ্ছ্বসিত এবং আবেগ আপ্লুত।1
- সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে নবদ্বীপে পালিত রাখিবন্ধন উৎসব: সম্প্রীতির বন্ধনে সবাইকে বাঁধার বার্তা বিধায়কের সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে নবদ্বীপে পালিত রাখিবন্ধন উৎসব: সম্প্রীতির বন্ধনে সবাইকে বাঁধার বার্তা বিধায়কের ধর্ম, বর্ণ ও জাতি নির্বিশেষে সমাজের সকল মানুষকে একসূত্রে বাঁধার অঙ্গীকার নিয়ে সাড়ম্বরে পালিত হলো রাখিবন্ধন উৎসব। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুবকল্যাণ দফতরের উদ্যোগে সমগ্র রাজ্য জুড়ে আয়োজিত এই উৎসবের অংশ হিসেবে নবদ্বীপেও এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সম্প্রীতি ও সর্বজনীন ঐক্যের তাৎপর্য তুলে ধরেন স্থানীয় বিধায়ক। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, রাজ্য সরকারের যুবকল্যাণ দফতরের পক্ষ থেকে সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে এই রাখিবন্ধন উৎসব উদযাপিত হচ্ছে। এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে একত্রিত করা। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের অবস্থান সবসময় জনগণের সঙ্গে এবং জনগণও যেন সরকারের সঙ্গে একত্রিত হয়ে একাত্ম বোধ করে—সেই ‘সবকা সাথ’ ভাবনাই এই উদ্যোগের ভিত্তি। জাতি, বর্ণ ও ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একটি সাধারণ প্ল্যাটফর্মে আনাই রাখিবন্ধনের মূল লক্ষ্য। রাখিবন্ধন উৎসবের ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিধায়ক বলেন, এই উৎসবের শিকড় প্রোথিত রয়েছে প্রাচীন পৌরাণিক যুগে, যা ‘রক্ষাবন্ধন’ নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের উত্তাল সময়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই রাখিবন্ধনকে নতুনভাবে উজ্জীবিত করে তুলেছিলেন। এর অন্তর্নিহিত দর্শন ছিল সমস্ত মানুষকে ভালোবাসার ও আত্মীয়তার অটুট বন্ধনে আবদ্ধ করা। ‘বন্ধন’ কেবল একটি সুতো বাঁধার আচার নয়, বরং হৃদয়ের সঙ্গে হৃদয়ের গভীর সংযোগ তৈরি করার এক অঙ্গীকার। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নবদ্বীপের সমাজসেবীরাও সরকারের এই মহতী উদ্যোগকে সাফল্যমণ্ডিত করতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছেন। দীর্ঘ প্রায় ৪৯ বছর ধরে চলে আসা নানা বিভেদ ও বৈষম্য দূর করে সকলকে অন্তরের নিবিড় বন্ধনে যুক্ত করতেই এই রাখিবন্ধন উৎসবের আয়োজন। সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যে সৌভ্রাতৃত্বের বাতাবরণ গড়ে তুলতে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদার করতে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন। স্থানীয় মানুষ ও সমাজসেবীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি সম্প্রীতির এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।1
- সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে কৃষ্ণনগর শহরের বিভিন্ন প্রান্তে মহাসমারোহে পালিত হলো রাখি বন্ধন উৎসব।1
- ভরতপুরে মাটির বাড়ি চাপা পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু স্বামী ও স্ত্রীর : স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণে রক্ষা পেল নাতি। ভরতপুরে মাটির বাড়ি চাপা পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু স্বামী ও স্ত্রীর : স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণে রক্ষা পেল নাতি। মুর্শিদাবাদের ভরতপুর সেখপাড়ায় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় দু’তলা মাটির ঘরের পাড় ও দেওয়াল ধসে পড়ে প্রাণ হারালেন এক বৃদ্ধ দম্পতি। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় মৃতরা হলেন সৈয়দ মানোয়ার আলী (৬২) ও তাঁর স্ত্রী জাহানারা বেগম (৬১)। প্রতিদিনের মতোই এদিন মানোয়ার সাহেব ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন এবং তাঁর স্ত্রী ও ১৩ বছরের নাতি সৈয়দ ফারহান আনোয়ার কাছেই বসে গল্প করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই আচমকা বিকট শব্দে আস্ত মাটির পাড় মড়মড়িয়ে ভেঙে পড়ে তাঁদের ওপর। বিকট শব্দ ও আর্তনাদ শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এসে কৌশলগতভাবে নাবালক ফারহানকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যান ওই দম্পতি। বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে এসে ওই বাড়ির বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান ভরতপুর থানার ওসি বিশ্বজিৎ মন্ডল, সালার সার্কেল ইন্সপেক্টর সমীরেন্দ্র পাল, ভরতপুরের এসডিও বরুন বৈদ্য এবং দমকল ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। স্থানীয় বাসিন্দা ও যৌথ উদ্ধারকারী দলের দীর্ঘক্ষণের প্রচেষ্টায় মাটি সরিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে ভরতপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কান্দী মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন। অলৌকিকভাবে নাতি বেঁচে গেলেও মুহূর্তের মধ্যে প্রবীণ দম্পতির এমন করুণ পরিণতিতে পুরো ভরতপুর এলাকায় এখন গভীর শোকের ছায়া।1
- হাত বোতলের আগেই দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, চারটি গুলি, তিনটি ম্যাগাজিন উদ্ধার সহ গ্রেফতার এক ডোমকলে। হাত বোতলের আগেই দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, চারটি গুলি, তিনটি ম্যাগাজিন উদ্ধার সহ গ্রেফতার এক ডোমকলে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে মুর্শিদাবাদের ডোমকল থানার বাগডাঙ্গা টু মধুরকুল রোডে অভিযান চালায় ডোমকল থানার পুলিশ। ওই এলাকায় অভিযান চালানোর সময় এক যুবক স্কুটি গাড়িতে করে যাওয়ার সময় সন্দেহভাজন ওই যুবককে দাঁড় করিয়ে তার কাছে তল্লাশি চালাতে চক্ষু চড়ক পুলিশের। স্কুটি গাড়ির ঢিকি খুলতেই দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ,চারটি গুলি, তিনটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে ধৃত যুবকের নাম জানা যায় রবিউল মন্ডল, তার বাড়ি ডোমকলের মুরারীপুর নতুনপাড়া এলাকায়।ধৃত যুবককে বিচারকের কাছে শুক্রবার সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন চেয়ে বহরমপুর জেলা আদালতে তোলা হয়। কোথায় থেকে আসলো আগ্নেয়াস্ত্র কোথায় পাচার করত, এই ঘটনায়, আর কে বা কারা জড়িত আছে ঘটনার পুরো তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।2