Shuru
Apke Nagar Ki App…
Sarikul sk
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- Post by Sarikul sk1
- প্রায় দুই বছর আগে ফুটপাত উচ্ছেদের জেরে রামপুরহাটে বহু হকারের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। কেউ কেউ অস্থায়ীভাবে রোদ–ঝড়–বৃষ্টি মাথায় করে ব্যবসা চালালেও তাতে বেচাকেনা প্রায় হত না বললেই চলে। ফলে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছিল অনেকের জন্য। তবে এবার ঈদের আগে পুরোনো জায়গাতেই ছোট ছোট দোকান তৈরি করে আবার ব্যবসা শুরু করেছেন ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা। বাজারও ধীরে ধীরে জমে উঠেছে, যার ফলে হকারদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। ফুটপাত হকার উচ্ছেদ যৌথ মঞ্চের সদস্য টোকোন শেখ জানান, দীর্ঘদিন আন্দোলনের পর এই সুযোগ মিলেছে। তাদের আন্দোলনের পাশে ছিলেন এলাকার বিধায়ক Ashish Banerjee এবং রামপুরহাট পৌরসভার পৌরপতি Soumen Bhakat। অন্যদিকে হকার শাহজাদা হোসেন বলেন, “দুই বছর পর এবার অন্তত ঈদে সন্তানদের নতুন জামা কিনে দিতে পারব।” ব্যবসা ফের শুরু হওয়ায় হকারদের মুখে এখন খুশির আমেজ।1
- Post by Anis Amir1
- দফায় দফায় দিনভর উত্তাল হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদের সদর শহর বহরমপুর। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মোঃ সেলিম ঝটিকা সফরে বহরমপুরে এসে হাজির হন। এরপরই দলের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লা সহ অন্যান্য নেতৃত্বদের সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করার পরেই এস আই আর ইস্যুতে জেলার বিচারাধীন ভোটারের ভোটারদের নাম তোলার দাবি জানিয়ে মিছিল থেকে শুরু করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল ছড়িয়ে পড়ে গোটা জেলা জুড়ে। বিশাল পুলিশ বাহিনী থেকে শুরু করে RAF ও উচ্চ প্রশাসনিক আধিকারিক কর্তারা হাজির হন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য।1
- মালদায় এস.আইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের চক্রান্ত, মুসলিমদের হয়রানি, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা ইত্যাদি নানান অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার মালদায় আন্দোলন। জোরদার আন্দোলন করল হুমায়ুন কবিরের দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টি। আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে মালদা জেলাশাসকের দপ্তরে বিক্ষোভ দেখালেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির।1
- শীতলকুচির জোড়পাটকিতে নিহতদের পরিবারের পাশে তৃণমূল, রমজানে ইফতার সামগ্রী প্রদান কোচবিহার জেলার শীতলকুচি বিধানসভার মাথাভাঙা ১ ব্লক এর জোড়পাটকি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার সাবেক ১২৬ নং আমতলি এম.এস.কে বুথে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে নিহত চার সহনাগরিকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র পার্থপ্রতিম রায়। উল্লেখ্য, ২০২১ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন-এর চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণে ১০ এপ্রিল আমতলি এম.এস.কে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন নূর আলম, মনিরুজ্জামান, হামিদুল ইসলাম ও ছামিউল ইসলাম। পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সোমবার ওই চার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন পার্থপ্রতিম রায়। তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি পরিবারের হাতে ইফতার সামগ্রী তুলে দেন তিনি। এদিন পার্থপ্রতিম রায় জানান, সেই মর্মান্তিক ঘটনার স্মৃতি আজও এলাকার মানুষের মনে গভীরভাবে গেঁথে রয়েছে। নিহতদের পরিবারকে পাশে থাকার আশ্বাসও দেন2
- Post by কলকাতা টিভি নিউজ1
- আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বীরভূম জেলার নলহাটিতে কংগ্রেসের নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হল। বৃহস্পতিবার নলহাটি–১ ব্লক কংগ্রেসের উদ্যোগে নলহাটি পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের গোপালপুর এলাকায় লাকি বেকারির কাছে এই কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলা কংগ্রেসের সভাপতি Abhijit Mukherjee। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলা যুব কংগ্রেসের সভাপতি নাসিরুল শেখ, নলহাটি ব্লক–১ কংগ্রেসের সভাপতি সফিউল আলম সহ ব্লক ও বিভিন্ন অঞ্চলের কংগ্রেস নেতৃত্ব ও কর্মীরা। এদিকে স্থানীয় সমাজসেবী ও চিকিৎসক ডা. আব্দুল করিমকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনাও তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি তিনি রাজ্য নেতৃত্বের হাত ধরে কলকাতায় Indian National Congress-এ যোগদান করেন বলে জানা যায়। তার পর থেকেই জেলা স্তরের কিছু নেতার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে, যদিও প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কেউ মন্তব্য করেননি। সম্প্রতি নলহাটি থানায় একটি ডেপুটেশন কর্মসূচিতে ডা. আব্দুল করিম অংশ নিলেও সেখানে বীরভূম জেলা যুব কংগ্রেসের সভাপতি নাসিরুল শেখকে দেখা যায়নি। আবার এদিন নলহাটিতে জেলা সভাপতি অভিজিৎ মুখার্জির উপস্থিতিতে পার্টি অফিস উদ্বোধনের অনুষ্ঠানেও ডা. আব্দুল করিমের অনুপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ফলে জেলা কংগ্রেসের অন্দরে মতবিরোধের ইঙ্গিত মিলছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। আগামী দিনে এই ভেদাভেদ দূর করে সংগঠনকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, সে দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অভিজিৎ মুখার্জি জানান, বিধানসভা নির্বাচনে কে প্রার্থী হবেন সেই সিদ্ধান্ত দলের হাইকমান্ডই চূড়ান্ত করবে। পাশাপাশি সংগঠনকে শক্তিশালী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।1