Shuru
Apke Nagar Ki App…
শিকারপুর থেকে নয়ারহাট পর্যন্ত কংগ্রেস প্রার্থী সুকমল বর্মনের রোড শো। নির্বাচনে আর মাত্র তিন দিন বাকি। তার আগেই জোরকদমে প্রচারে নেমেছে সব রাজনৈতিক দল। জয়ের লক্ষ্যে চলছে লাগাতার জনসংযোগ, মিছিল ও রোড শো। এই আবহে মাথাভাঙ্গা ১ নং ব্লকের শিকারপুর থেকে নয়ারহাট পর্যন্ত রোড শো করলেন জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী সুকমল বর্মন । এদিন হুডখোলা গাড়িতে রোড শো করে সাধারণ মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করেন তিনি। রাস্তার দু’ধারে দাঁড়িয়ে বহু মানুষ প্রার্থীকে অভিবাদন জানান। কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহও ছিল চোখে পড়ার মতো। ভোটের শেষ মুহূর্তে এই রোড শো ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। কংগ্রেস প্রার্থীর দাবি, সাধারণ মানুষের সাড়া তাঁকে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী করে তুলছে।
SLK News সংবাদ মাধ্যম
শিকারপুর থেকে নয়ারহাট পর্যন্ত কংগ্রেস প্রার্থী সুকমল বর্মনের রোড শো। নির্বাচনে আর মাত্র তিন দিন বাকি। তার আগেই জোরকদমে প্রচারে নেমেছে সব রাজনৈতিক দল। জয়ের লক্ষ্যে চলছে লাগাতার জনসংযোগ, মিছিল ও রোড শো। এই আবহে মাথাভাঙ্গা ১ নং ব্লকের শিকারপুর থেকে নয়ারহাট পর্যন্ত রোড শো করলেন জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী সুকমল বর্মন । এদিন হুডখোলা গাড়িতে রোড শো করে সাধারণ মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করেন তিনি। রাস্তার দু’ধারে দাঁড়িয়ে বহু মানুষ প্রার্থীকে অভিবাদন জানান। কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহও ছিল চোখে পড়ার মতো। ভোটের শেষ মুহূর্তে এই রোড শো ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। কংগ্রেস প্রার্থীর দাবি, সাধারণ মানুষের সাড়া তাঁকে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী করে তুলছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মিছিলে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকরা1
- শীতলকুচি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে লাগাতার নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বামপন্থীরা। মিছিল, মিটিং, জনসংযোগ ও পথসভার মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় জোরদার প্রচারে নেমেছেন বাম নেতৃত্ব। রবিবার খলিসামারি অঞ্চলের সরকারের হাট বাজারে গোসাইরহাট এরিয়া কমিটির উদ্যোগে একটি মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিটির সদস্য নারায়ণ বর্মন, এরিয়া কমিটির সদস্য চন্দন বর্মন, বিশ্বনাথ প্রামানিক, বীরের বর্মন, মদন দাস, রবীন্দ্র বর্মন সহ অন্যান্যরা। এক সময় শীতলকুচি বামেদের শক্ত ঘাঁটি ছিল। সেই পুরনো জমি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেই ভোটের শেষ মুহূর্তে জোরদার প্রচার চালাচ্ছে বাম শিবির। এখন প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত কি শীতলকুচিতে লাল ঘাঁটি পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে? তার উত্তর মিলবে ৪ঠা মে। সেদিকেই তাকিয়ে গোটা শীতলকুচিবাসী।1
- সিতাই বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সঙ্গীতা রায়ের সমর্থনে সিতাই ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যরা কেশরীবাড়ি এলাকায় ভোট প্রচার করতে গিয়ে এক বাড়ির এক যুবক অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর ছাত্র পরিষদের সদস্যরা তড়িঘড়ি অ্যাম্বুলেন্স ডেকে হাসপাতালে পৌঁছে দেন।1
- উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ -এর এক বক্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এমন একটি উক্তি উল্লেখ করেন, যা মূলত স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতা সুভাষচন্দ্র বসুর -এর বলে পরিচিত। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, সেই উক্তিটি তিনি যুক্ত করেন বিশিষ্ট দার্শনিক ও সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ -এর নামে। এই ‘বাণী বিভ্রাট’ নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা কটাক্ষ করে বলছে, ইতিহাস ও মহান ব্যক্তিত্বদের সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা না থাকায় এমন ভুল হচ্ছে। অন্যদিকে শাসকদল এই ঘটনাকে ‘সামান্য ভুল’ বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুভাষচন্দ্র বসু এবং স্বামী বিবেকানন্দ—উভয়েই ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, কিন্তু তাঁদের চিন্তাধারা ও বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। তাই তাঁদের উক্তি গুলিয়ে ফেলা শুধু তথ্যগত ভুল নয়, বরং তা ইতিহাসের প্রতি অবহেলারও ইঙ্গিত দেয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, নির্বাচনী প্রচারের উত্তাপে অনেক সময় নেতারা আবেগের বশে ভুল বক্তব্য দিয়ে ফেলেন। তবে জনসমক্ষে বক্তব্য রাখার সময় এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা উচিত বলেই মত তাঁদের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়াতেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দেশের বিশিষ্ট নেতাদের উক্তি নিয়ে এমন বিভ্রান্তি আদৌ গ্রহণযোগ্য কি না।1
- Post by Kinkar roy Journalist4
- বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই কোচবিহারের ভেটাগুড়িতে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক টানাপোড়েন। সোমবার বিকেলে ৬/১৫৮ নম্বর বুথের পঞ্চায়েত সদস্য বিপ্লব বর্মন বিজেপি ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। তবে এই যোগদানের প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নাটকীয় এবং চাঞ্চল্যকর। বিপ্লব বর্মনের অভিযোগ, রবিবার গভীর রাতে বিজেপি কর্মীরা তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়ে তাঁকে রীতিমতো প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তাঁর দাবি, সেই সময় চরম ভয়-ভীতি দেখিয়ে এবং জোরাজুরি করে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। জোরপূর্বক করানো সেই দলবদলের রেশ কাটতে না কাটতেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পালটা জবাব দিলেন তিনি। সোমবার বিকেলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তিনি তৃণমূলে ছিলেন এবং তৃণমূলের সঙ্গেই থাকবেন।1
- তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ-র গ্রেফতারি আশঙ্কা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়। তিনি দাবি করেন, “উনাকে অনেক আগেই গ্রেফতার করা উচিত ছিল।” এই মন্তব্য ঘিরে দিনহাটার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।1
- নির্বাচন আর মাত্র তিন দিন বাকি। তার আগেই জোরকদমে প্রচারে নেমেছে সমস্ত রাজনৈতিক দল। এই আবহে বৈরাগীরহাট অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে সাকাতিরহাটে অনুষ্ঠিত হলো কর্মীসভা। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ৫ নং শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী হরিহর দাস-এর সমর্থনে আয়োজিত এই সভায় ব্যাপক লোকসমাগম চোখে পড়ে। বিশেষ করে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া। সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রার্থী হরিহর দাস, প্রাক্তন বিধায়ক হিতেন বর্মন, মাথাভাঙ্গা ১ নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি মহেন্দ্র বর্মন সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। সভা থেকে তৃণমূল নেতৃত্ব নির্বাচনে জোড়া ফুল প্রতীকে ভোট দিয়ে প্রার্থীকে জয়ী করার আহ্বান জানান। নির্বাচনের আগে এই কর্মীসভা ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।1