দুর্গাপুরের সাগরভাঙার দেশবন্ধু নগর কলোনির বাসিন্দা অনিন্দিতা সূত্রধর এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় অসাধারণ ফল করে শিল্পাঞ্চলের গর্ব হয়ে উঠেছেন। রাইরাণী দেবী গার্লস হাই স্কুলের এই মেধাবী ছাত্রী ৬৭১ নম্বর পেয়ে প্রমাণ করেছেন যে কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায় থাকলে আর্থিক প্রতিবন্ধকতা সাফল্যের পথে বাধা হতে পারে না। তার এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, সহপাঠী ও এলাকার বাসিন্দারা। অনিন্দিতা পদার্থবিজ্ঞানে ১০০, জীবনবিজ্ঞানে ৯৯, ইতিহাস ও ভূগোলে ৯৭, বাংলায় ৯৫, ইংরেজিতে ৯৩ এবং গণিতে ৯০ নম্বর পেয়েছেন। মেয়ের এই ঈর্ষণীয় সাফল্যের মাঝেও বাবা তাপস সূত্রধর ও মা অর্চনা দেবী চিন্তিত হয়ে পড়েন, কারণ পেশায় সবজি বিক্রেতা তাপসবাবুর পক্ষে অনিন্দিতার উচ্চশিক্ষার ব্যয়ভার বহন করা অত্যন্ত কঠিন ছিল। ফলস্বরূপ, আর্থিক অনটনের কারণে তার পড়াশোনা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছিল। এই পরিস্থিতিতে দুর্গাপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী উদয় চ্যাটার্জী মানবিক উদ্যোগ নিয়ে অনিন্দিতার পাশে দাঁড়ান। অনিন্দিতার মেধা ও আর্থিক অবস্থার কথা জানতে পেরে তিনি তার উচ্চশিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ভর্তি সংক্রান্ত খরচ থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় বইপত্র কেনার ব্যবস্থাও করে দেন তিনি। একইসাথে, ভবিষ্যতে তার পড়াশোনার পথে যেন কোনো বাধা না আসে, সে বিষয়েও অনিন্দিতার পরিবারকে আশ্বস্ত করেছেন উদয় চ্যাটার্জী। সম্প্রতি সোমবার রাত সাড়ে আটটায় এক অনুষ্ঠানে অনিন্দিতাকে বিশেষ সংবর্ধনা জানানো হয়। সেখানে সমাজসেবী সংগঠন প্রেরণা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির পক্ষ থেকেও তাকে সম্মান জানানো হয়। সংস্থার কর্ণধার সৌরভ আইচ অনিন্দিতার পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং তার শিক্ষাজীবনের অগ্রগতিতে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। অনিন্দিতার এই সাফল্য এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রমাণ করে যে, মেধা ও ইচ্ছাশক্তির সঙ্গে সমাজের সহমর্মিতা যুক্ত হলে কোনো স্বপ্নই অধরা থাকে না।
দুর্গাপুরের সাগরভাঙার দেশবন্ধু নগর কলোনির বাসিন্দা অনিন্দিতা সূত্রধর এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় অসাধারণ ফল করে শিল্পাঞ্চলের গর্ব হয়ে উঠেছেন। রাইরাণী দেবী গার্লস হাই স্কুলের এই মেধাবী ছাত্রী ৬৭১ নম্বর পেয়ে প্রমাণ করেছেন যে কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায় থাকলে আর্থিক প্রতিবন্ধকতা সাফল্যের পথে বাধা হতে পারে না। তার এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, সহপাঠী ও এলাকার বাসিন্দারা। অনিন্দিতা পদার্থবিজ্ঞানে ১০০, জীবনবিজ্ঞানে ৯৯, ইতিহাস ও ভূগোলে ৯৭, বাংলায় ৯৫, ইংরেজিতে ৯৩ এবং গণিতে ৯০ নম্বর পেয়েছেন। মেয়ের এই ঈর্ষণীয় সাফল্যের মাঝেও বাবা তাপস সূত্রধর ও মা অর্চনা দেবী চিন্তিত হয়ে পড়েন, কারণ পেশায় সবজি বিক্রেতা তাপসবাবুর পক্ষে অনিন্দিতার উচ্চশিক্ষার ব্যয়ভার বহন করা অত্যন্ত কঠিন ছিল। ফলস্বরূপ, আর্থিক অনটনের কারণে তার পড়াশোনা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছিল। এই পরিস্থিতিতে দুর্গাপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী উদয় চ্যাটার্জী মানবিক উদ্যোগ নিয়ে অনিন্দিতার পাশে দাঁড়ান। অনিন্দিতার মেধা ও আর্থিক অবস্থার কথা জানতে পেরে তিনি তার উচ্চশিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ভর্তি সংক্রান্ত খরচ থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় বইপত্র কেনার ব্যবস্থাও করে দেন তিনি। একইসাথে, ভবিষ্যতে তার পড়াশোনার পথে যেন কোনো বাধা না আসে, সে বিষয়েও অনিন্দিতার পরিবারকে আশ্বস্ত করেছেন উদয় চ্যাটার্জী। সম্প্রতি সোমবার রাত সাড়ে আটটায় এক অনুষ্ঠানে অনিন্দিতাকে বিশেষ সংবর্ধনা জানানো হয়। সেখানে সমাজসেবী সংগঠন প্রেরণা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির পক্ষ থেকেও তাকে সম্মান জানানো হয়। সংস্থার কর্ণধার সৌরভ আইচ অনিন্দিতার পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং তার শিক্ষাজীবনের অগ্রগতিতে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। অনিন্দিতার এই সাফল্য এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রমাণ করে যে, মেধা ও ইচ্ছাশক্তির সঙ্গে সমাজের সহমর্মিতা যুক্ত হলে কোনো স্বপ্নই অধরা থাকে না।
- বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেছেন। সৌমিত্র খাঁ অভিযোগ করেন যে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো "এতো পাপিষ্ঠ আর নির্লজ্জ রাজনৈতিক নেতা ভূ-ভারতে নেই"।1
- পাত্রসায়ের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং একজন তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ক্ষুব্ধ জনতা তাঁকে উদ্দেশ্য করে 'চোর চোর' স্লোগান দিয়েছে। এই পরিস্থিতির জেরে, ওই নেত্রীকে পুলিশের ঘেরাটোপে এলাকা ত্যাগ করতে হয়েছে।1
- পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা ১ নম্বর মন্ডলে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিজয় মিছিল সম্পন্ন হয়েছে।1
- তৃণমূল প্রধানের শাস্তির দাবিতে এবার কয়েকশো গ্রামবাসী ব্লক প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। গ্রামবাসীরা সম্মিলিতভাবে এই দাবি নিয়ে প্রশাসনের কাছে পৌঁছেছেন।1
- 'হৃদয় মাঝে রামা ও নয়নে কৃষ্ণা!'— এই ধারালো মন্তব্যের মাধ্যমে এবার নেটপাড়ায় সায়নী ঘোষকে নিশানা করে কড়া সুর তুলেছে বিরোধীরা। বাংলার রাজনীতিতে এটি একটি ভাইরাল রাজনৈতিক ব্যঙ্গ হিসেবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং বর্তমানে দ্রুত ট্রেন্ডিং খবরের অংশ। সায়নী ঘোষের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই ব্যঙ্গাত্মক আক্রমণ সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।1
- প্রতিবছরের মতো এই বছরও রেলশহর আদ্রা তার ঐতিহ্যবাহী শীতলা পুজোয় মেতে উঠলো। আদ্রার পোস্ট অফিস মোড়ে মা শীতলার পূজা অত্যন্ত সাড়ম্বরে পালিত হয়েছে। এই উৎসব দেখতে এবং আনন্দ ভাগ করে নিতে দূর-দূরান্ত থেকে বহু মানুষের ভিড় জমেছিল। শীতলা পূজার এই উল্লাসে সমগ্র রেলশহর আদ্রা উৎসবে মুখর হয়ে ওঠে এবং আদ্রাবাসী গভীর আনন্দে নিমজ্জিত হন।3
- দুর্গাপুরের সাগরভাঙার দেশবন্ধু নগর কলোনির বাসিন্দা অনিন্দিতা সূত্রধর এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় অসাধারণ ফল করে শিল্পাঞ্চলের গর্ব হয়ে উঠেছেন। রাইরাণী দেবী গার্লস হাই স্কুলের এই মেধাবী ছাত্রী ৬৭১ নম্বর পেয়ে প্রমাণ করেছেন যে কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায় থাকলে আর্থিক প্রতিবন্ধকতা সাফল্যের পথে বাধা হতে পারে না। তার এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, সহপাঠী ও এলাকার বাসিন্দারা। অনিন্দিতা পদার্থবিজ্ঞানে ১০০, জীবনবিজ্ঞানে ৯৯, ইতিহাস ও ভূগোলে ৯৭, বাংলায় ৯৫, ইংরেজিতে ৯৩ এবং গণিতে ৯০ নম্বর পেয়েছেন। মেয়ের এই ঈর্ষণীয় সাফল্যের মাঝেও বাবা তাপস সূত্রধর ও মা অর্চনা দেবী চিন্তিত হয়ে পড়েন, কারণ পেশায় সবজি বিক্রেতা তাপসবাবুর পক্ষে অনিন্দিতার উচ্চশিক্ষার ব্যয়ভার বহন করা অত্যন্ত কঠিন ছিল। ফলস্বরূপ, আর্থিক অনটনের কারণে তার পড়াশোনা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছিল। এই পরিস্থিতিতে দুর্গাপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী উদয় চ্যাটার্জী মানবিক উদ্যোগ নিয়ে অনিন্দিতার পাশে দাঁড়ান। অনিন্দিতার মেধা ও আর্থিক অবস্থার কথা জানতে পেরে তিনি তার উচ্চশিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ভর্তি সংক্রান্ত খরচ থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় বইপত্র কেনার ব্যবস্থাও করে দেন তিনি। একইসাথে, ভবিষ্যতে তার পড়াশোনার পথে যেন কোনো বাধা না আসে, সে বিষয়েও অনিন্দিতার পরিবারকে আশ্বস্ত করেছেন উদয় চ্যাটার্জী। সম্প্রতি সোমবার রাত সাড়ে আটটায় এক অনুষ্ঠানে অনিন্দিতাকে বিশেষ সংবর্ধনা জানানো হয়। সেখানে সমাজসেবী সংগঠন প্রেরণা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির পক্ষ থেকেও তাকে সম্মান জানানো হয়। সংস্থার কর্ণধার সৌরভ আইচ অনিন্দিতার পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং তার শিক্ষাজীবনের অগ্রগতিতে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। অনিন্দিতার এই সাফল্য এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রমাণ করে যে, মেধা ও ইচ্ছাশক্তির সঙ্গে সমাজের সহমর্মিতা যুক্ত হলে কোনো স্বপ্নই অধরা থাকে না।1
- দীর্ঘ ৩৩ বছর ধরে ‘ঘরছাড়া’ থাকার পর অবশেষে নিজের বাড়িতে ফিরেছেন এক বিজেপি কর্মী। এই ঘটনায় তাকে বরণ করে নিয়েছেন ইন্দাসের বিধায়ক নির্মল কুমার ধারা। বিধায়ক এই বিজেপি কর্মীর ঘরে ফেরাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং তাকে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করেছেন।1
- ডায়মন্ড হারবার অঞ্চলে এক ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে জাহাঙ্গীর-ঘনিষ্ঠ বাপ্পা শেখকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। প্রাপ্ত তথ্য এবং `#TMCLeaderArrested` হ্যাশট্যাগ অনুযায়ী, এই বাপ্পা শেখ একজন টিএমসি নেতা। পুলিশ তাকে আটক করার পর কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানোর সময় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। তাকে জনসমক্ষে নিয়ে যাওয়ার সময় উত্তেজিত জনতা তার বিরুদ্ধে লাগাতার ‘চোর’ স্লোগান দিতে থাকে, যা `#JahangirBahini` এর সঙ্গে তার যোগসূত্রের ইঙ্গিত দেয়।1