দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর থানার নয়াবাজার এলাকার গোপালপুর গ্রামে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা ডুবে যাওয়ায় জল নিকাশির দাবিতে সোমবার রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। রবিবার রাতভর বৃষ্টির পর সোমবার সকাল থেকেই গোপালপুর গ্রামের বিভিন্ন রাস্তায় জল জমে যায়, যার জেরে স্থানীয় বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে এই অবরোধে সামিল হন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গঙ্গারামপুর ব্লকের নয়াবাজার গোপালপুর গ্রামে কয়েক হাজার মানুষের বসবাস। এলাকার জল নিকাশির জন্য কয়েক বছর আগে একটি ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সেই ড্রেন অপরিকল্পিতভাবে তৈরি হওয়ায় রাস্তা আগের তুলনায় নীচু হয়ে গেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় জল জমে যায় এবং যাতায়াতে চরম সমস্যার সৃষ্টি হয়। এই অবরোধের জেরে তপন-গঙ্গারামপুর রুটের নয়াবাজার এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তপন, গঙ্গারামপুর, বালুরঘাট সহ দূরদূরান্তে যাতায়াতকারী বহু যানবাহন আটকে পড়ায় সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। খবর পেয়ে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের আশ্বাসে প্রায় এক ঘণ্টা পর বিক্ষোভকারীরা অবরোধ তুলে নেন। অবরোধকারীদের মধ্যে গোপাল অধিকারী ও এক মহিলা নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন।
দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর থানার নয়াবাজার এলাকার গোপালপুর গ্রামে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা ডুবে যাওয়ায় জল নিকাশির দাবিতে সোমবার রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। রবিবার রাতভর বৃষ্টির পর সোমবার সকাল থেকেই গোপালপুর গ্রামের বিভিন্ন রাস্তায় জল জমে যায়, যার জেরে স্থানীয় বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে এই অবরোধে সামিল হন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গঙ্গারামপুর ব্লকের নয়াবাজার গোপালপুর গ্রামে কয়েক হাজার মানুষের বসবাস। এলাকার জল নিকাশির জন্য কয়েক বছর আগে একটি ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সেই ড্রেন অপরিকল্পিতভাবে তৈরি হওয়ায় রাস্তা আগের তুলনায় নীচু হয়ে গেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় জল জমে যায় এবং যাতায়াতে চরম সমস্যার সৃষ্টি হয়। এই অবরোধের জেরে তপন-গঙ্গারামপুর রুটের নয়াবাজার এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তপন, গঙ্গারামপুর, বালুরঘাট সহ দূরদূরান্তে যাতায়াতকারী বহু যানবাহন আটকে পড়ায় সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। খবর পেয়ে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের আশ্বাসে প্রায় এক ঘণ্টা পর বিক্ষোভকারীরা অবরোধ তুলে নেন। অবরোধকারীদের মধ্যে গোপাল অধিকারী ও এক মহিলা নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন।
- দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর থানার নয়াবাজার এলাকার গোপালপুর গ্রামে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা ডুবে যাওয়ায় জল নিকাশির দাবিতে সোমবার রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। রবিবার রাতভর বৃষ্টির পর সোমবার সকাল থেকেই গোপালপুর গ্রামের বিভিন্ন রাস্তায় জল জমে যায়, যার জেরে স্থানীয় বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে এই অবরোধে সামিল হন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গঙ্গারামপুর ব্লকের নয়াবাজার গোপালপুর গ্রামে কয়েক হাজার মানুষের বসবাস। এলাকার জল নিকাশির জন্য কয়েক বছর আগে একটি ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সেই ড্রেন অপরিকল্পিতভাবে তৈরি হওয়ায় রাস্তা আগের তুলনায় নীচু হয়ে গেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় জল জমে যায় এবং যাতায়াতে চরম সমস্যার সৃষ্টি হয়। এই অবরোধের জেরে তপন-গঙ্গারামপুর রুটের নয়াবাজার এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তপন, গঙ্গারামপুর, বালুরঘাট সহ দূরদূরান্তে যাতায়াতকারী বহু যানবাহন আটকে পড়ায় সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। খবর পেয়ে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের আশ্বাসে প্রায় এক ঘণ্টা পর বিক্ষোভকারীরা অবরোধ তুলে নেন। অবরোধকারীদের মধ্যে গোপাল অধিকারী ও এক মহিলা নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন।1
- দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে সরকারি জমিতে এক তৃণমূল নেতার অবৈধভাবে নির্মিত বাড়ি খালি করার কাজ শুরু হয়েছে। আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনার প্রেক্ষিতে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। অবৈধ নির্মাণ এবং দখলদারির অভিযোগের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যা স্থানীয় স্তরে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।1
- বিধায়ক অজয় রায় সম্প্রতি দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা উন্নত করার লক্ষ্যে দায়িত্ব গ্রহণের পর হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। সোমবার দুপুরে তিনি হাসপাতাল পরিদর্শন করার পাশাপাশি কর্তৃপক্ষদের সাথে একটি বৈঠকও করেন। এই বৈঠকে বিধায়ক ছাড়াও দিনহাটার মহকুমা শাসক ভরত সিং, হাসপাতালের সুপার রণজিৎ মন্ডল, চিকিৎসক উজ্জ্বল আচার্য, চিকিৎসক কল্লোল ব্যানার্জি সহ অন্যান্য আধিকারিক ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র অনুযায়ী, মহকুমা হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি, জল নিকাশী ব্যবস্থার উন্নতি এবং সিটি স্ক্যান পরিষেবা চালু করার বিষয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়। বৈঠকের পর বিধায়ক অজয় রায়কে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করেন। বিধায়ক অজয় রায় জানান যে, সাধারণ মানুষ যাতে সঠিক চিকিৎসা পরিষেবা পায় এবং কোনো সমস্যার সম্মুখীন না হয়, সেই বিষয়ে নজর দিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও, হাসপাতালে প্রয়োজনীয় কিছু কাজ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে, এই বৈঠক প্রসঙ্গে হাসপাতাল সুপারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি, এবং জানান যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই যা বলার বলবে।1
- গ্রীন ভিউ একাডেমী তাদের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই মানবিক পদক্ষেপের জন্য সংস্থাটি ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং মানবিকতার এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।1
- রায়গঞ্জে একটি এইমস (AIIMS) স্থাপনের দাবিতে 'রায়গঞ্জ এইমস ডিমান্ড ফোরাম' আত্মপ্রকাশ করেছে। সংগঠনটির প্রথম সভা সোমবার সন্ধ্যায় রায়গঞ্জ ক্যারিটাসে অনুষ্ঠিত হয়। ফোরামের আহ্বায়ক সপ্রতিক চক্রবর্তী জানিয়েছেন যে, 'রায়গঞ্জের এইমস রায়গঞ্জেই চাই' স্লোগানকে সামনে রেখেই তাদের পথচলা শুরু হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই সংগঠনটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক এবং এর লক্ষ্য কোনো বিরোধিতা করা নয়, বরং রায়গঞ্জের ন্যায্য দাবিটি তুলে ধরা। আগামী দিনে এই দাবিতে ফোরাম বিভিন্ন আন্দোলন ও গণসচেতনতা কর্মসূচি ঘোষণার কথা জানিয়েছে।1
- রবিবার মালদা জেলায় একটি হোল্ডিং সেন্টার চালু হয়েছে, যা ইংরেজবাজার শহরের চন্দনপার্কে অবস্থিত। এই কেন্দ্রটি মালদা জেলার একমাত্র হোল্ডিং সেন্টার হিসেবে চিহ্নিত। এর উদ্বোধনের দিনেই নয়জন ব্যক্তিকে এই হোল্ডিং সেন্টারে এনে রাখা হয়েছে, যাদের বাংলাদেশী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই নয়জনের মধ্যে তিনজন মহিলা এবং ছয়জন নাবালক ও নাবালিকা রয়েছে। এদের গাজোল থানার পান্ডুয়া এলাকা থেকে আটক করে এখানে আনা হয়েছে। নতুন এই হোল্ডিং সেন্টারটিকে কঠোর নিরাপত্তার বেষ্টনীতে রাখা হয়েছে এবং সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। কেন্দ্রের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য মোট ১২ জন পুলিশ সদস্য, তিনজন সিভিল ডিফেন্স কর্মী এবং তিনজন সিভিক স্বেচ্ছাসেবক নিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, কেন্দ্রে বসবাসকারী ব্যক্তিদের খাবারের ব্যবস্থা করার জন্য রাঁধুনিও নিয়োগ করা হয়েছে।1
- মালদা জেলার বঙ্গাবাড়ি এবং মহারাপাড়া গ্রামে একটি গুরুতর ঝুঁকির সৃষ্টি হয়েছে। ওই এলাকায় একটি পিপুল গাছের ঠিক পাশেই দুটি বিদ্যুৎ ট্রান্সমিটার স্থাপন করা হয়েছে, এবং এর খুব কাছেই ১১০০০ ভোল্টের একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক লাইন রয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে আশঙ্কা বিরাজ করছে যে, ঝড়-বৃষ্টির সময় এই পিপুল গাছটি যেকোনো মুহূর্তে পড়ে যেতে পারে। যদি গাছটি পড়ে যায়, তবে এর ফলে দুটি ট্রান্সমিটারেরই পুড়ে যাওয়ার মারাত্মক সম্ভাবনা রয়েছে, যা ওই অঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।1
- দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরে সরকারি জমির উপর নির্মিত তৃণমূল নেতা বাবু চৌধুরীর অবৈধ বাড়ি থেকে আদালতের নির্দেশে বিভিন্ন সামগ্রী সরানো হয়েছে। এই ঘটনাটি সোমবার গঙ্গারামপুর থানা পুলিশের উপস্থিতিতে ঘটে। জানা গিয়েছে, গঙ্গারামপুরের তৃণমূল নেতা বাবু চৌধুরী গঙ্গারামপুর থানা সংলগ্ন পি ডাবলু ডি-এর জায়গার উপর এই অবৈধ বাড়িটি নির্মাণ করেছিলেন। সরকারি জায়গার উপর এই অবৈধ নির্মাণকে কেন্দ্র করে আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। রাজ্যের পালাবদলের পর সোমবার দুপুরে আদালতের নির্দেশে পুলিশি উপস্থিতিতে বাবু চৌধুরীর বাড়ি থেকে জিনিসপত্র ও সরঞ্জাম সরানো হয়। সূত্র মারফত জানা গেছে যে, আগামী দিনে এই অবৈধ নির্মাণটি ভেঙে ফেলা হবে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে গঙ্গারামপুরের বিজেপির বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায় এবং এক শহরবাসী তপন মন্ডল প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।1