খড়গপুরের সাহা চক ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় পৌরসভার নর্দমার বর্জ্যের স্তূপে আজ হঠাৎ আগুন লেগে যায়, যার ফলে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। কিছুদিন আগে আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে রাস্তার ধারে এই বর্জ্য ফেলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল। আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রেশমি গ্রুপের একটি ফায়ার ইঞ্জিন এবং দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজে নেমে পড়েন। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে পুরো এলাকা ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। রাস্তার উপর ধোঁয়ার ঘনত্ব এতটাই বেশি ছিল যে, যানবাহন চলাচল ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতে ব্যাপক সমস্যা দেখা দেয়। অনেকক্ষেত্রে রাস্তার দৃশ্যমানতা প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নেমে আসায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার ধারে নর্দমার এই বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি এ ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীরা দ্রুত বর্জ্য অপসারণ এবং এই সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
খড়গপুরের সাহা চক ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় পৌরসভার নর্দমার বর্জ্যের স্তূপে আজ হঠাৎ আগুন লেগে যায়, যার ফলে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। কিছুদিন আগে আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে রাস্তার ধারে এই বর্জ্য ফেলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল। আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রেশমি গ্রুপের একটি ফায়ার ইঞ্জিন এবং দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজে নেমে পড়েন। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে পুরো এলাকা ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। রাস্তার উপর ধোঁয়ার ঘনত্ব এতটাই বেশি ছিল যে, যানবাহন চলাচল ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতে ব্যাপক সমস্যা দেখা দেয়। অনেকক্ষেত্রে রাস্তার দৃশ্যমানতা প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নেমে আসায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার ধারে নর্দমার এই বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি এ ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীরা দ্রুত বর্জ্য অপসারণ এবং এই সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
- খড়গপুরের সাহা চক ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় পৌরসভার নর্দমার বর্জ্যের স্তূপে আজ হঠাৎ আগুন লেগে যায়, যার ফলে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। কিছুদিন আগে আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে রাস্তার ধারে এই বর্জ্য ফেলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল। আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রেশমি গ্রুপের একটি ফায়ার ইঞ্জিন এবং দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজে নেমে পড়েন। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে পুরো এলাকা ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। রাস্তার উপর ধোঁয়ার ঘনত্ব এতটাই বেশি ছিল যে, যানবাহন চলাচল ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতে ব্যাপক সমস্যা দেখা দেয়। অনেকক্ষেত্রে রাস্তার দৃশ্যমানতা প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নেমে আসায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার ধারে নর্দমার এই বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি এ ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীরা দ্রুত বর্জ্য অপসারণ এবং এই সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।1
- খড়গপুর পৌরসভা একটি কড়া হুঁশিয়ারি জারি করেছে যে, সড়ক এবং রাস্তার ধারে ইট, গিট্টি বা বালু রাখলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পৌর কর্তৃপক্ষ এই ধরনের কার্যকলাপকে বেআইনি ঘোষণা করে কড়া পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে।1
- জনতার দরবারে অভিযোগ জমা পড়ার পর একজন বিধায়ক সেই সমস্যাগুলি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে গেলেন।1
- পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কংগ্রেস দলের পক্ষ থেকে একটি পেট্রোল পাম্পের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়েছে। এই বিক্ষোভে দলীয় সদস্যরা পেট্রোল-ডিজেলের ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ে তাদের বিরোধিতা প্রকাশ করেন।1
- আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গেছে যে আগামী দিনে গরম ও অস্বস্তি কমবে এবং ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। বিশেষত বুধবার, বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার কালবৈশাখীর সম্ভাবনা থাকছে। বুধবার বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলাতে কালবৈশাখীর সম্ভাবনা বেশি থাকবে। বৃহস্পতিবার পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি এবং বাঁকুড়া জেলায় কালবৈশাখীর পূর্বাভাস রয়েছে। শুক্রবার ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়া জেলায় কালবৈশাখী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে জানানো হয়েছে। এই তিন দিন ধরে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। এমনকি, শনিবারেও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে ঝড় বৃষ্টি হতে পারে।1
- রাজ্যের একাধিক সমসাময়িক ইস্যুতে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, প্রশাসনিক ভূমিকা এবং রাজনৈতিক হিংসা— বিভিন্ন প্রসঙ্গে মুখ খুলে তিনি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কড়া মন্তব্য করেছেন। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেছেন যে, তেল কোম্পানিগুলি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতির মুখে রয়েছে, সেই কারণেই কেন্দ্রীয় সরকার সামান্য দাম বাড়িয়েছে। তাঁর দাবি, দেশের বিভিন্ন জায়গায় তেলের জোগান নিয়েও সমস্যা দেখা দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফরের কথাও উল্লেখ করে বলেন, এ বিষয়ে সময় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বিজেপি নেতা দাবি করেন, ঠিকভাবে ভোট হলে কী ফল হত, তা মানুষ দেখেই দিয়েছে, পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ সম্প্রচার নিয়েও তিনি কটাক্ষ করেন। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, বুলডোজার সব জায়গায় যেতে পারে এবং আইন আইনের পথেই চলবে। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, শিক্ষক নিয়োগ মামলায় বহু মানুষের চাকরি গেছে এবং বহু আধিকারিক বেআইনি আর্থিক সুবিধা পেয়েছেন। যদিও তিনি এও মন্তব্য করেন যে, নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ। রাজনৈতিক সংঘর্ষ প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য ছিল, ইট গেলে পাটকেল খেতে হয়। একইসঙ্গে, দলীয় পদ বণ্টন নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করে তিনি বলেন যে, আগে পদ পাওয়ার জন্য টাকা লাগত, কিন্তু এখন টাকা দিলেও কেউ পদ নিতে চাইছে না। সবশেষে, বিজেপি নেতা বিভিন্ন অভিযোগের তদন্তে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এবং মন্তব্য করেছেন যে পুলিশের অনুমতি ছাড়া কোথাও কোনও কর্মসূচি করা যাবে না।1
- পশ্চিম মেদিনীপুরের হেস্টিংস এলাকায় একটি বাতি স্তম্ভের আলো ভেঙে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।1
- অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পুলিশ পৌঁছলে দিলীপ ঘোষ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক বড়সড় আক্রমণ শানিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, "টিএমসি নেতাদের সম্পত্তির আইনি তদন্ত চলছে।" দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য `illegalproperties` এবং `investigation` সংক্রান্ত বিষয়গুলির উপর জোর দিচ্ছে, যা `government` দ্বারা পরিচালিত তদন্তের দিকে ইঙ্গিত করে।1