Shuru
Apke Nagar Ki App…
উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)-এর উদ্যোগে বন্দেমাতরম গানের আয়োজন করা হয়েছে।
Panitanki Times
উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)-এর উদ্যোগে বন্দেমাতরম গানের আয়োজন করা হয়েছে।
More news from Darjeeling and nearby areas
- সোমবার খড়িবাড়ির ভজনপুর পোস্ট অফিস উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যেখানে আধার নম্বরের সাথে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক করানোর সময় অতিরিক্ত টাকা আদায় এবং পরিষেবা সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে খড়িবাড়ি থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছায়। বিক্ষোভকারীদের প্রধান অভিযোগ ছিল যে, আধার-মোবাইল লিঙ্কের জন্য আগে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা নেওয়া হত। বর্তমানে এই অঙ্ক কমিয়ে ৭৫ টাকা করা হলেও, প্রতিদিন মাত্র ২০ থেকে ৩০ জনকে টোকেন দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে বহু মানুষ প্রয়োজনীয় পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এছাড়াও, পোস্ট অফিসের কর্মসময়ে ব্রাঞ্চ পোস্ট মাস্টার নাকি পাশের নিজের রঙের দোকানে চলে যান বলেও অভিযোগ ওঠে। যদিও ব্রাঞ্চ পোস্ট মাস্টার তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, তিনি স্বীকার করেছেন যে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক টোকেন দিয়েই মোবাইল লিঙ্কের কাজ করা হচ্ছে। ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়ালেও, পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি অবশেষে নিয়ন্ত্রণে আসে।1
- এক বর্বরতার মামলায় আদালত মাত্র ২৯ দিনের মধ্যে একটি বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে, যেখানে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছে। এই রায়ের পর ভুক্তভোগী পরিবার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে এবং তাদের আদালত চত্বরে কাঁদতে দেখা যায়। এই মামলাটি গোটা দেশকে নাড়া দিয়েছিল। দ্রুত শুনানি এবং অল্প সময়ের মধ্যে রায় আসায় মানুষ বিচার ব্যবস্থার প্রশংসা করছেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও অনেকে একে 'দ্রুত ন্যায়বিচারের' উদাহরণ বলছেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর মানুষজনের বক্তব্য, এমন অপরাধে কঠোর ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি, যাতে সমাজে অপরাধের ভয় বজায় থাকে এবং মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।1
- ময়নাগুড়ি ব্লকের চূড়াভান্ডার গ্রাম পঞ্চায়েতের ভাঙ্গারহাট পোস্ট অফিসে আধার কার্ডের সঙ্গে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক করাতে আসা সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। সোমবার, ২৫ মে, পোস্টমাস্টার নির্ধারিত সময়ে না আসায় সকাল থেকে তীব্র রোদ উপেক্ষা করে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হন। জানা গেছে, এদিন সকাল আটটা থেকেই বিভিন্ন এলাকার মানুষজন আধার-মোবাইল লিঙ্ক করানোর জন্য পোস্ট অফিসের সামনে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু বেলা গড়িয়ে দুপুর হয়ে গেলেও পোস্ট অফিস বন্ধ ছিল। দুপুর ১টা নাগাদ পোস্টমাস্টার সম্রাট সরকার পৌঁছালে ক্ষোভে ফেটে পড়েন অপেক্ষারত মানুষজন এবং তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বিক্ষোভের পর আলোচনার মাধ্যমে পোস্টমাস্টার অবশেষে পোস্ট অফিস খুলে পরিষেবা দেওয়া শুরু করেন। দীর্ঘক্ষণ রোদে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সুনীতি রায় নামে এক মহিলা অভিযোগ করেন যে তিনি সকাল আটটা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও পোস্ট অফিস বন্ধ ছিল এবং পোস্টমাস্টার আসেননি। অন্য কয়েকজন মহিলা দাবি করেন যে সেখানকার পোস্টমাস্টার প্রায় প্রতিদিনই নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে আসেন এবং তাড়াতাড়ি অফিস বন্ধ করে চলে যান। অবশ্য পোস্টমাস্টার সম্রাট সরকার তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে তিনি এদিন দেরিতে আসার কারণ হিসেবে জানান যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ডাকে তিনি ময়নাগুড়ি পোস্ট অফিসের মেইন ব্রাঞ্চে গিয়েছিলেন।1
- ওদলাবাড়ির সরকারি হাট ও সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলা অবৈধ দখলদারিত্ব নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বাড়ছিল। রাস্তা দখল, সরকারি জমিতে পাকা বাড়ি নির্মাণ এবং হাটের জায়গা সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা চরম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। এই পরিস্থিতিতে শুক্রা মুন্ডা কঠোর বার্তা দিয়েছেন, স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে, “সরকারি জমি দখল করে যারা বসে আছে, তাদের বিরুদ্ধে বুলডোজার চলবেই।” স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওদলাবাড়ি হাট এলাকায় কয়েক বছর ধরেই সরকারি জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে যে কিছু অসাধু ব্যক্তি সরকারি জমিতে পাকা বাড়ি তৈরি করেছে। এছাড়াও, অনেক দোকানদার রাস্তার উপর দোকানের সামগ্রী রেখে ব্যবসা করায় যাতায়াতের রাস্তা ক্রমশ সরু হয়ে পড়ছিল, যার ফলে প্রতিদিন সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, এই দখলদারি আগের সরকারের আমল থেকেই চলে আসছে এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতরে অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই বর্তমান সরকারের কাছে তাদের প্রধান দাবি হলো সরকারি হাট ও রাস্তা দখলমুক্ত করে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা।1
- কোচবিহার জেলার হলদিবাড়িতে সম্প্রতি এক ফুল বিনিময়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনা ঘিরে স্থানীয় মহলে প্রশ্ন উঠছে যে, এর উদ্দেশ্য কি নিছকই সৌজন্য বিনিময় ছিল, নাকি এটি কোনো সুরক্ষার খোঁজে সংগঠিত হয়েছে।1
- দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সীমান্তে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে। এই এলাকায় কাঁটাতার নির্মাণের আগে জমি জরিপ কাজ শুরু করা হয়েছে। এই কাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।1
- ভজনপুর পোস্ট অফিসে আধারের সঙ্গে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক করার পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের জেরে পোস্ট অফিসে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এবং সেখানে বিক্ষোভ দেখানো হয়।1
- রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে মর্যাদাপূর্ণ পদ্মশ্রী সম্মান গ্রহণ করেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।1
- দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে আসা একটি মন্তব্য সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে ভারতের প্রধান বিচারপতির নামে যে মন্তব্যটি প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে যে “কিছু তরুণ সাংবাদিক সিস্টেমকে আক্রমণকারী আরশোলার মতো”। এই বিবৃতি সামনে আসার পর সাংবাদিক মহলে গভীর ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন যে, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ যদি প্রশ্ন না করে, তাহলে জনগণের কণ্ঠস্বর কে হবে? অন্যদিকে, কিছু লোক এটিকে “শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীলতা”-র সাথে যুক্ত করে দেখছেন। তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এটাই উঠছে যে, এখন কি সত্য তুলে ধরেন এমন ব্যক্তিদের অপমানিত করা হবে? ক্ষমতা ও সিস্টেমের উপর প্রশ্ন তোলাকে কি ‘আক্রমণ’ হিসেবে গণ্য করা হবে? একদিকে যেখানে দেশজুড়ে সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ, মামলা এবং চাপের খবর ক্রমাগত সামনে আসছে, অন্যদিকে এই ধরনের শব্দ হাজার হাজার সৎ সাংবাদিকের ক্ষত আরও গভীর করে তোলে, যারা নিজেদের জীবন বিপন্ন করে জনগণের কাছে সত্য পৌঁছে দেন। যদি কলম ভয় পায়, তবে গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বরও নীরব হয়ে যাবে। কলমকে আরশোলা বলার এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে, সত্য লেখা কি এখন অপরাধে পরিণত হয়েছে?1