Shuru
Apke Nagar Ki App…
উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা পাকা রাস্তার দাবি তুলেছেন।
Akhil Paul
উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা পাকা রাস্তার দাবি তুলেছেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমণ্ডি ব্লকের হাঁসকুন্ডি ভেস্টে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের অধীনে পুকুর সংস্কারের সূচনা করা হয়েছে। এই পদক্ষেপটি জল সংরক্ষণে একটি নতুন উদ্যোগ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।1
- ডিজিটাল মিডিয়া দেশের সরকার পরিবর্তনের প্রক্রিয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে কাজ করেছে। এত কিছুর পরেও, এই মাধ্যমটি এখনও যথাযথ সম্মান ও স্বীকৃতির জন্য অপেক্ষা করছে।1
- কোচবিহারের হলদিবাড়ি বাজারে মহরম উপলক্ষে খুদেদের নানা কেরামতি প্রদর্শন করা হয়েছে। এই আয়োজনে শিশুরা তাদের কৌশল ও দক্ষতা তুলে ধরে।1
- ফরাক্কা থানার অর্জুনপুর অঞ্চলে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাইকসহ তিন যুবক রাস্তার পাশের ড্রেনে ছিটকে পড়েন। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও একজন গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সন্ধ্যায় ওল্ড এনএইচ-৩৪ ধরে একটি মোটরসাইকেলে চেপে তিন যুবক জিগরের দিকে যাচ্ছিলেন। শিবনগর এলাকায় আচমকাই বাইকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে রাস্তার পাশে থাকা একটি নয়ানজুলি বা ড্রেনের মধ্যে গিয়ে পড়ে। দুর্ঘটনায় মৃত যুবকের নাম আজিজুর রহমান (১৯), যিনি ফরাক্কা থানার ভবানীপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন; তাকে অর্জুনপুর হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহত যুবকদের মধ্যে রাজ শেখ (১২), বাড়ি শিবতলা, তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। অন্য যুবক ইমরাজ আনসারী (১৯), তারও বাড়ি শিবতলা, বর্তমানে সে ফারাক্কা ব্লকের অর্জুনপুর হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে দ্রুত ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরাই রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে অর্জুনপুর হাসপাতালে নিয়ে যান। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফরাক্কা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এবং হাসপাতালে পৌঁছায়। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করছে এবং দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাইকটি উদ্ধার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।1
- কোচবিহার জেলার হলদিবাড়ি পুরসভায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। যানজট মুক্ত ও পরিচ্ছন্ন শহর গড়ার লক্ষ্যেই এই বৈঠকটি আয়োজন করা হয়েছিল।1
- শুক্রবার তিনবিঘা আন্দোলনের শহীদ দিবস উপলক্ষে বিজেপি, ফরওয়ার্ড ব্লক ও এসইউসিআই পৃথকভাবে কর্মসূচি পালন করেছে। ১৯৯২ সালের তিনবিঘা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করে মাল্যদান, পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। বিজেপির কর্মসূচিতে মেখলিগঞ্জের বিধায়ক দধিরাম রায়-সহ দলের জেলা ও স্থানীয় নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, ফরওয়ার্ড ব্লক ও এসইউসিআই-ও শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। বক্তারা তাঁদের ভাষণে বলেন যে তিনবিঘা আন্দোলনের শহীদদের আত্মবলিদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এছাড়াও, তাঁরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বিভিন্ন সংগঠনের কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়।1
- রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শেষ করে মালদায় ফিরে ইংরেজবাজার বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতক অম্লান ভাদুড়ি এক বড় ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, ইংরেজবাজারে সমস্ত প্ল্যান-বহির্ভূত অবৈধ বিল্ডিং খতিয়ে দেখতে একটি তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সব বিল্ডিং প্ল্যান যাচাই করবে এবং প্ল্যান-বহির্ভূত বিল্ডিংগুলো হয় ভেঙে দেওয়া হবে অথবা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নেবে এবং কাউকে রেয়াত করা হবে না। পৌরসভার যে সমস্ত দুর্নীতিতে বিভিন্ন কাউন্সিলররা যুক্ত আছেন এবং যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে, সেগুলোও খতিয়ে দেখা হবে। দোষী ব্যক্তিদের জেল খাটতে হবে বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন। এছাড়াও, অবৈধ হকারদের ফুটপাত থেকে তুলে দেওয়া হবে, তবে ভবিষ্যতে তাদের পুনর্বাসন নিয়েও ভাবা হবে। অম্লান ভাদুড়ি আরও বলেছেন যে, তাদের অগ্রাধিকার হল একটি পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলা এবং মানুষ যাতে স্বচ্ছন্দে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখা। একই সঙ্গে, গরিব হকাররা যাতে পুনর্বাসন পান, সেই ব্যাপারেই ভাবা হচ্ছে।1
- সীমান্তবর্তী হিলিতে 'নেশামুক্ত ভারত অভিযান' পরিচালিত হয়েছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে একটি সচেতনতা মিছিল বের করা হয় এবং পথনাটিকার আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচির মাধ্যমে মাদকবিরোধী বার্তা প্রচার করা হয়েছে।1
- নকশালবাড়িতে যথাযোগ্য মর্যাদা, শান্তি ও ভক্তিভরে পবিত্র মহরম পালিত হয়েছে। এদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে তাজিয়া ও ধর্মীয় শোভাযাত্রা বের করা হয়, যেখানে অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এই শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা, যা দেখতে রাস্তার দুই ধারে বহু মানুষ ভিড় জমান। লাঠিখেলার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাঁদের কৌশল ও দক্ষতার প্রদর্শন করেন। একইসঙ্গে, এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শোক, সংযম ও সম্প্রীতির বার্তা তুলে ধরা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই মহরমের অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।1