ফরাক্কা থানার অর্জুনপুর অঞ্চলে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাইকসহ তিন যুবক রাস্তার পাশের ড্রেনে ছিটকে পড়েন। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও একজন গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সন্ধ্যায় ওল্ড এনএইচ-৩৪ ধরে একটি মোটরসাইকেলে চেপে তিন যুবক জিগরের দিকে যাচ্ছিলেন। শিবনগর এলাকায় আচমকাই বাইকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে রাস্তার পাশে থাকা একটি নয়ানজুলি বা ড্রেনের মধ্যে গিয়ে পড়ে। দুর্ঘটনায় মৃত যুবকের নাম আজিজুর রহমান (১৯), যিনি ফরাক্কা থানার ভবানীপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন; তাকে অর্জুনপুর হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহত যুবকদের মধ্যে রাজ শেখ (১২), বাড়ি শিবতলা, তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। অন্য যুবক ইমরাজ আনসারী (১৯), তারও বাড়ি শিবতলা, বর্তমানে সে ফারাক্কা ব্লকের অর্জুনপুর হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে দ্রুত ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরাই রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে অর্জুনপুর হাসপাতালে নিয়ে যান। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফরাক্কা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এবং হাসপাতালে পৌঁছায়। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করছে এবং দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাইকটি উদ্ধার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ফরাক্কা থানার অর্জুনপুর অঞ্চলে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাইকসহ তিন যুবক রাস্তার পাশের ড্রেনে ছিটকে পড়েন। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও একজন গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সন্ধ্যায় ওল্ড এনএইচ-৩৪ ধরে একটি মোটরসাইকেলে চেপে তিন যুবক জিগরের দিকে যাচ্ছিলেন। শিবনগর এলাকায় আচমকাই বাইকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে রাস্তার পাশে থাকা একটি নয়ানজুলি বা ড্রেনের মধ্যে গিয়ে পড়ে। দুর্ঘটনায় মৃত যুবকের নাম আজিজুর রহমান (১৯), যিনি ফরাক্কা থানার ভবানীপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন; তাকে অর্জুনপুর হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহত যুবকদের মধ্যে রাজ শেখ (১২), বাড়ি শিবতলা, তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। অন্য যুবক ইমরাজ আনসারী (১৯), তারও বাড়ি শিবতলা, বর্তমানে সে ফারাক্কা ব্লকের অর্জুনপুর হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে দ্রুত ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরাই রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে অর্জুনপুর হাসপাতালে নিয়ে যান। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফরাক্কা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এবং হাসপাতালে পৌঁছায়। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করছে এবং দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাইকটি উদ্ধার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
- আজ মুর্শিদাবাদের সুতি ব্লকে সুতি থানার কড়া নিরাপত্তা ও নিবিড় নজরদারির মধ্যে মহরম উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গোটা এলাকায় পুলিশ প্রশাসনের বিশেষ নজরদারি ছিল। প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী, ডিজে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। নিরাপত্তার স্বার্থে কোনো প্রকার ধারালো অস্ত্র ছাড়াই ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় মানুষ ও মহরম কমিটির সদস্যরা প্রশাসনের নির্দেশ মেনে উৎসবে যোগ দেন, এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো।1
- কালিয়াচক থানার গোলাপগঞ্জ এলাকায় এক গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মী ও স্থানীয় তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে এক কৃষক পরিবার থেকে ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী, পেশায় কৃষিজীবী খগেন মণ্ডল দাবি করেছেন যে, প্রায় ছয় বছর আগে তাঁর দুই ছেলেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এই টাকা নেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চাকরি না মেলায় টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ। খগেন মণ্ডলের দাবি অনুযায়ী, অভিযুক্ত অমল কান্তি সরকার, যিনি হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের এক গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মী এবং স্থানীয় তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত, প্রথমে ২০ লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন। পরে জমি বিক্রি করে নগদ ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা অমল কান্তি সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। অভিযোগকারী আরও দাবি করেছেন যে, টাকা দেওয়ার সময় গোপনে একটি ভিডিও রেকর্ড করা হয়েছিল, যা বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যদিও রিপাবলিক বাংলা এই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করেনি। ২০২৪ সালে কালিয়াচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও, দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে খগেন মণ্ডল জানিয়েছেন। তবে, সম্প্রতি রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর তিনি ফের জেলা শাসক ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। জানা গেছে, প্রশাসন ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেছেন যে, প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করুক এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অন্যদিকে, রাজ্য বিজেপির সদস্য অজিত রায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেছেন যে, সরকার কোনো অন্যায় বরদাস্ত করবে না এবং সরকারি কর্মচারী চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিয়ে থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসনের তদন্ত শেষ হওয়ার পরই অভিযোগের সত্যতা এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে স্পষ্ট চিত্র সামনে আসবে।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার জনপথ (PWD) রাস্তার দু'পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ নির্মাণ ও দখলদারি উচ্ছেদে প্রশাসন কড়া অবস্থান নিয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, PWD রাস্তার দুই ধারে থাকা সমস্ত বেআইনি নির্মাণ ও দখলদারি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিজেদের উদ্যোগে সরিয়ে ফেলতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে এই অপসারণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় অবৈধ নির্মাণ অপসারণ করা না হলে, আইন অনুযায়ী প্রশাসনের পক্ষ থেকে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশাসনের দাবি, রাস্তার দু'পাশে বেআইনি নির্মাণের কারণে যান চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে রাস্তা সম্প্রসারণ ও উন্নয়নমূলক কাজে বাধা তৈরি হতে পারে। এই কারণেই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও জনস্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন সকলকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নির্দেশ মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে এবং সতর্ক করেছে যে, পরবর্তীতে কোনও অবৈধ নির্মাণ বা দখলদারি বরদাস্ত করা হবে না। প্রশাসনের এই উদ্যোগকে ঘিরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ইতিমধ্যেই ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।1
- ঐতিহাসিক মুর্শিদাবাদের রাজপথে প্রতি বছর কারবালার শোক, আত্মত্যাগ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন প্রতিবাদের ইতিহাস বুকে ধারণ করে মহরমের জৌলুস বের হয়। তবে এবারের আয়োজন ছিল এক বিশেষ কারণে ব্যতিক্রমী। বহু বছরের ঐতিহ্য বজায় রেখেও, নবাবের শহরের ইতিহাসে এই প্রথমবার প্রশাসনিক নির্দেশ মেনে অস্ত্রশস্ত্র ছাড়াই, সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে সম্পন্ন হলো মহরমের শোকযাত্রা। প্রথাগত অস্ত্র প্রদর্শন কিংবা জঞ্জির মাতাম ছাড়াই শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে পালিত হলো এই শোক। আয়োজনের ধরন বদলে গেলেও, ধর্মীয় আবেগ কিংবা কারবালার স্মৃতি এতটুকু ফিকে হয়নি। হাজার হাজার শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ কালো পোশাকে বুক চাপড়ে মাতমের মধ্য দিয়ে কোরান তেলাওয়াত, কারবালার ইতিহাস পাঠ, তাজিয়া ও দুলদুল ঘোড়াকে সঙ্গে নিয়ে শোকযাত্রায় সামিল হন। তাঁরা হজরত ইমাম হুসাইন-এর আত্মত্যাগ এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তাঁর অবিচল অবস্থানকে স্মরণ করেন। ঐতিহাসিক নবাব নগরীর রাজপথ পেরিয়ে এই জৌলুস নতুনগ্রাম সংলগ্ন কারবালা প্রান্তরে পৌঁছায়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হওয়া এবারের মহরম যেন এক নতুন বার্তাও দিয়েছে—যে সময়ের প্রয়োজনে আয়োজনের রূপ বদলাতে পারে, কিন্তু বিশ্বাস, শোক আর আত্মত্যাগের চেতনায় কোনও পরিবর্তন আসে না।1
- ধুলিয়ান শিবমন্দির বাজার চত্ত্বরে পৌর প্রশাসনের কর্মকর্তারা একটি উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অভিযানে রাস্তার উপরে থাকা সমস্ত ফলের দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যক্তিগত সিঁড়ি, ভ্যান এবং দোকানের সামনে বাড়িয়ে রাখা অংশগুলি সরিয়ে ফেলা হয়। অবৈধ নির্মাণ ও দখলদারিত্ব সরাতে বুলডোজারও ব্যবহার করা হয়েছে। এই সময় ধুলিয়ান পৌরসভার কর্মকর্তা এবং সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন আগেই ধুলিয়ান পৌরসভার পক্ষ থেকে সমস্ত অবৈধ নির্মাণ সরিয়ে ফেলার জন্য নির্দেশ জারি করা হয়েছিল। সেই নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর পৌর কর্তৃপক্ষ এবার সমস্ত অবৈধ নির্মাণ এবং দোকানপাটসহ আনুষঙ্গিক বিভিন্ন সামগ্রী সরানোর প্রক্রিয়া শুরু করলো।1
- পবিত্র ১০ই মহররমের পুণ্য লগ্নে বেলডাঙার বাবরি মসজিদে প্রধান প্রবেশপথ নির্মাণের ঢালাই কাজ শুরু হয়েছে, যা এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবির এই শুভ সূচনার উদ্বোধন করেন। আয়োজকদের দাবি, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর সকলের সহযোগিতা, ভালোবাসা এবং দোয়ায় এই গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হয়েছে। নির্মাণকাজ দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।1
- রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শেষ করে মালদায় ফিরে ইংরেজবাজার বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতক অম্লান ভাদুড়ি এক বড় ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, ইংরেজবাজারে সমস্ত প্ল্যান-বহির্ভূত অবৈধ বিল্ডিং খতিয়ে দেখতে একটি তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সব বিল্ডিং প্ল্যান যাচাই করবে এবং প্ল্যান-বহির্ভূত বিল্ডিংগুলো হয় ভেঙে দেওয়া হবে অথবা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নেবে এবং কাউকে রেয়াত করা হবে না। পৌরসভার যে সমস্ত দুর্নীতিতে বিভিন্ন কাউন্সিলররা যুক্ত আছেন এবং যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে, সেগুলোও খতিয়ে দেখা হবে। দোষী ব্যক্তিদের জেল খাটতে হবে বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন। এছাড়াও, অবৈধ হকারদের ফুটপাত থেকে তুলে দেওয়া হবে, তবে ভবিষ্যতে তাদের পুনর্বাসন নিয়েও ভাবা হবে। অম্লান ভাদুড়ি আরও বলেছেন যে, তাদের অগ্রাধিকার হল একটি পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলা এবং মানুষ যাতে স্বচ্ছন্দে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখা। একই সঙ্গে, গরিব হকাররা যাতে পুনর্বাসন পান, সেই ব্যাপারেই ভাবা হচ্ছে।1
- ইসলামি বা হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহরম, যা ইসলামের চারটি পবিত্রতম মাসের অন্যতম। এই মাস মুসলিম সমাজে আত্মসংযম, ইবাদত, ত্যাগ এবং সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার শিক্ষা নিয়ে আসে। বিশেষভাবে, ১০ মহরম অর্থাৎ পবিত্র আশুরার দিনটি ইতিহাসের এক বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয়, যখন কারবালার প্রান্তরে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) ও তাঁর সঙ্গীরা অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে লড়াই করে শাহাদাত বরণ করেছিলেন। তাঁদের এই আত্মত্যাগ আজও মানবতা, ন্যায়বিচার ও সত্য প্রতিষ্ঠার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। এই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে প্রতি বছরের মতো এ বছরও মুর্শিদাবাদ শহরে ঐতিহ্যবাহী মহরমের জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ কালো পোশাক পরে এই শোক মিছিলে অংশ নেন। জুলুসে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, কারবালার ইতিহাস পাঠ, তাজিয়া এবং দুলদুল ঘোড়ার প্রতীকী শোভাযাত্রা বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে। শোক, মাতম ও ধর্মীয় আবেগে গোটা পরিবেশ মুখরিত হয়। উল্লেখযোগ্যভাবে, এবারের জুলুসে প্রশাসনিক নির্দেশিকা মেনে অংশগ্রহণকারীরা অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন এবং জঞ্জির মাতম থেকে বিরত ছিলেন। সম্পূর্ণ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। জুলুসটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অতিক্রম করে ঐতিহ্যবাহী কারবালা প্রান্তরে গিয়ে শেষ হয়। শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষের বক্তব্য অনুযায়ী, মহরম কেবল শোকের মাস নয়, বরং সত্য, ন্যায়, মানবতা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক চিরন্তন শিক্ষা বহন করে। তাঁরা মনে করেন, ইমাম হুসাইন (রা.)-এর আত্মত্যাগ যুগে যুগে মানুষকে সত্যের পথে অটল থাকার অনুপ্রেরণা জোগায়। তাই ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শোক ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই তাঁরা প্রতিবছর এই পবিত্র দিনটি পালন করে আসছেন।1
- মুর্শিদাবাদের বহরমপুর থানার অন্তর্গত ফতেপুর সংলগ্ন এলাকায় একটি সরকারি বাসের সঙ্গে একটি ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষে আরও একটি ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় বাসে থাকা বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন এবং এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সরকারি বাসটি বহরমপুরের দিক থেকে পলসনডার দিকে যাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাক্টর আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি বাসটিতে এসে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের তীব্রতার কারণে বাসের আরোহীরা কম-বেশি চোট পান। দুর্ঘটনাটি ঘটার সাথে সাথেই স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহত যাত্রীদের উদ্ধারে হাত লাগান। খবর পেয়ে টোল প্লাজা কর্তৃপক্ষ এবং বহরমপুর থানার পুলিশকে জানানো হয়। এই সংঘর্ষের ফলে জাতীয় সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।1