Shuru
Apke Nagar Ki App…
কলকাতা: গতকাল রাত্রে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে স্টং রুমের ভেতর কেউ রয়েছে এই অভিযোগ কুনাল ঘোষ এবং শশী পাঁজা ধরনায় বসে ছিলেন, আজকে সেখানে কড়া নিরাপত্তা। আজ সকালে স্ট্রংরুম ক্ষুদিরাম অনুশীলনী কেন্দ্র থেকে কুনাল কুমার ঘোষের বক্তব্য।
Md Yusuf(সোনার বাংলা News TV)
কলকাতা: গতকাল রাত্রে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে স্টং রুমের ভেতর কেউ রয়েছে এই অভিযোগ কুনাল ঘোষ এবং শশী পাঁজা ধরনায় বসে ছিলেন, আজকে সেখানে কড়া নিরাপত্তা। আজ সকালে স্ট্রংরুম ক্ষুদিরাম অনুশীলনী কেন্দ্র থেকে কুনাল কুমার ঘোষের বক্তব্য।
More news from West Bengal and nearby areas
- বালুরঘাটে বুড়া কালীমাতা মন্দিরের সামনে আজ এক বিশেষ মানবিক উদ্যোগের সাক্ষী থাকলো। "বালুরঘাটে বুড়া কালীমাতা মন্দিরের সামনে আজ এক বিশেষ মানবিক উদ্যোগের সাক্ষী থাকলো। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. সুকান্ত মজুমদারের উদ্যোগে, এক চলাফেরায় অক্ষম ব্যক্তির হাতে একটি ট্রাইসাইকেল তুলে দেওয়া হয়। অজয় সরকার, মন্ত্রীর আপ্তসহায়ক, মন্দির চত্বরে ওই ব্যক্তির হাতে ট্রাইসাইকেলটি প্রদান করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ওই ব্যক্তি বহুদিন ধরেই চলাফেরার সমস্যায় ভুগছিলেন, কিন্তু মন্ত্রীর মানবিক উদ্যোগে তাঁর জীবন বদলে গেছে। উপস্থিত জনতা এই উদ্যোগের জন্য কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর প্রশংসা করেন। Byte শুভ চক্রবর্তী, যুব মোর্চার সভাপতি, এই মানবিক পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন।"1
- বেহুলা লখিন্দরের কাহিনী বিজড়িত পুরাতন মালদার দেবকুন্ডকে ঘিরে এবারও বুদ্ধ পূর্ণিমার পুণ্যতিথিতে গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিতে ঢল নামল ভক্তদের।জমে উঠল দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলা। যাকে কেন্দ্র করে আনন্দ মুখরিত হয়ে উঠল পুরাতন মালদার নারায়ণপুর বিএসএফ-এর ৮৮নং ব্যাটেলিয়নের ক্যাম্প এলাকা। দীর্ঘ কয়েক দশকের ধর্মীয় ঐতিহ্য-পরম্পরা মেনে প্রতি বছর বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন পুরাতন মালদার নারায়ণপুরে বিএসএফ-এর ৮৮নং ক্যাম্প এলাকায় হয়ে আসছে দেবকুন্ডের পুজো ও মেলা। সেই মতো শুক্রবার গুরু পূর্ণিমার পুণ্য তিথিতে এই পুজো ও মেলা শুরু হয় নারায়ণপুর বিএসএফ ক্যাম্পে। এই উপলক্ষে এদিন সকাল থেকেই বিএসএফ ক্যাম্প প্রাঙ্গণে অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। আগত ভক্তরা বেহুলা নদী সংলগ্ন বেহুলা-লখিনন্দরের কাহিনী বিজড়িত দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সেরে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী মাতার মন্দিরে পুজো দেন। পুজো ও মেলা পর্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সর্বতোভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বিএসএফ। দেবকুন্ডের পুজো ও মেলার প্রচলন সম্পর্কে নানান কল্পকাহিনী প্রচলিত রয়েছে। ভক্তদের কারও মতে বেহুলা তার মৃত স্বামী লক্ষিন্দরের প্রাণ ফিরাতে এই স্থানে পদার্পণ করেছিলেন। সেখানেই তিনি নাকি নেতো ধোপানীর সাক্ষাৎ পেয়ে তার সঙ্গে স্বর্গে দিয়ে লক্ষীন্দরের প্রাণ ফিরে পেয়েছিলেন। তাই ভক্তদের বিশ্বাস দেবকুন্ডে পুজো দিয়ে মানত করলে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী কালীমাতা ভক্তদের সমস্ত মনোবাসনা পূর্ণ করেন। সেই কারণেই প্রতি বছর এই মেলায় অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। সেই ছবিই ধরা পড়ে এবারও।দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলাকে ঘিরে অসংখ্য নব দম্পতির আগমণ চোখে পড়ে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ব্যান্ডবাদ্দি বাজিয়ে মেলায় এসে দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সারেন। এবং দীর্ঘদিনের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী তারা বিয়ের ফুল, মালা, টোপর সহ যাবতীয় উপকরণ দেবকুন্ডের জলে ভাসিয়ে দেন।তাদের বিশ্বাস এই রীতি পালন করে পুণ্যস্নান সেরে শুদ্ধচিত্তে মা গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিলে নব দম্পতির বৈবাহিক জীবন সুখের হয়।1
- দীর্ঘ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পর এবার গণনার অপেক্ষা। আর এই সন্ধিক্ষণে দলীয় কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিশেষ বার্তা দিলেন জাঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব। ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বস্তরের নেতা ও কর্মীরা যেভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছেন, তার জন্য দল তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ।1
- Post by Samim Reja1
- শুক্রবার কর্ণজোড়ার জেলা প্রশাসনিক ভবনে জেলা শাসক ও জেলা নির্বাচন আধিকারিক বিবেক কুমারের সভাপতিত্বে ভোট গণনা প্রস্তুতি নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তা, প্রবেশ বিধি ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ গণনা নিশ্চিত করার বার্তা দেওয়া হয়। রাজনৈতিক দলগুলির মতামতও গুরুত্ব সহকারে শোনা হয়।1
- 🔴 দেশরক্ষার মাটিতে অকাল মৃত্যু বীরভূমের অনুপম মন্ডলের, শোকে স্তব্ধ গ্রাম জম্মু-কাশ্মীরে কর্মরত অবস্থায় আকস্মিক মৃত্যু হল বীরভূমের মল্লারপুর থানার সৌজ গ্রামের বাসিন্দা অনুপম মন্ডল (২৪)-এর। দেশের সেবায় নিয়োজিত এই তরুণ সেনাকর্মীর অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা গ্রামজুড়ে। তবে ঠিক কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয় পরিবারের কাছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জম্মু-কাশ্মীর থেকে নিজের মা মল্লিকা মন্ডলের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন অনুপম। মায়ের দাবি, ছেলের কথাবার্তায় কোনও অস্বাভাবিকতা ছিল না, ফলে কোনও আশঙ্কাও করেননি তাঁরা। কিন্তু সেই রাতেই সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে অনুপমের বাড়িতে ফোন করা হয়। মল্লিকা দেবী জানান, তখন তিনি ঘুমিয়ে পড়ায় ফোনটি ধরতে পারেননি। শুক্রবার সকালে ফের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে পরিবারকে জানানো হয়, অনুপম মন্ডল আর নেই। এই মর্মান্তিক খবর পেয়ে ভেঙে পড়েন বাবা রামপ্রসাদ মন্ডল, মা মল্লিকা মন্ডল সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। শোকের ছায়া নেমে আসে আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যেও। মামা সমীরণ মন্ডল জানান, ২০২২ সালে অগ্নিবীর প্রকল্পে যোগ দেন অনুপম। ছোটবেলা থেকেই তাঁর স্বপ্ন ছিল দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করা। সম্প্রতি সরস্বতী পুজোর সময় ছুটিতে বাড়ি এসে পরিবারের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটিয়ে ফের কর্মস্থলে ফিরে যান তিনি। অনুপমের অকাল মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্তব্ধ হয়ে পড়েছে সৌজ গ্রাম। সর্বত্র শোকের আবহ। যদিও এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।1
- Post by Md Yusuf(সোনার বাংলা News TV)1
- বুদ্ধ পূর্ণিমায় দেবকুন্ডে ভক্তদের ঢল! নবদম্পতিদের সুখ-সমৃদ্ধির আশায় গন্ধেশ্বরী মাতার পুজোতে উপচে পড়া ভিড় আজ বুদ্ধ পূর্ণিমার পুণ্য তিথিতে পুরাতন মালদার নারায়ণপুর বিএসএফ ক্যাম্পের দেবকুন্ডে গন্ধেশ্বরী মাতার1
- বেহুলা লখিন্দরের কাহিনী বিজড়িত পুরাতন মালদার দেবকুন্ডকে ঘিরে এবারও বুদ্ধ পূর্ণিমার পুণ্যতিথিতে গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিতে ঢল নামল ভক্তদের।জমে উঠল দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলা। যাকে কেন্দ্র করে আনন্দ মুখরিত হয়ে উঠল পুরাতন মালদার নারায়ণপুর বিএসএফ-এর ৮৮নং ব্যাটেলিয়নের ক্যাম্প এলাকা। দীর্ঘ কয়েক দশকের ধর্মীয় ঐতিহ্য-পরম্পরা মেনে প্রতি বছর বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন পুরাতন মালদার নারায়ণপুরে বিএসএফ-এর ৮৮নং ক্যাম্প এলাকায় হয়ে আসছে দেবকুন্ডের পুজো ও মেলা। সেই মতো শুক্রবার গুরু পূর্ণিমার পুণ্য তিথিতে এই পুজো ও মেলা শুরু হয় নারায়ণপুর বিএসএফ ক্যাম্পে। এই উপলক্ষে এদিন সকাল থেকেই বিএসএফ ক্যাম্প প্রাঙ্গণে অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। আগত ভক্তরা বেহুলা নদী সংলগ্ন বেহুলা-লখিনন্দরের কাহিনী বিজড়িত দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সেরে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী মাতার মন্দিরে পুজো দেন। পুজো ও মেলা পর্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সর্বতোভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বিএসএফ। দেবকুন্ডের পুজো ও মেলার প্রচলন সম্পর্কে নানান কল্পকাহিনী প্রচলিত রয়েছে। ভক্তদের কারও মতে বেহুলা তার মৃত স্বামী লক্ষিন্দরের প্রাণ ফিরাতে এই স্থানে পদার্পণ করেছিলেন। সেখানেই তিনি নাকি নেতো ধোপানীর সাক্ষাৎ পেয়ে তার সঙ্গে স্বর্গে দিয়ে লক্ষীন্দরের প্রাণ ফিরে পেয়েছিলেন। তাই ভক্তদের বিশ্বাস দেবকুন্ডে পুজো দিয়ে মানত করলে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী কালীমাতা ভক্তদের সমস্ত মনোবাসনা পূর্ণ করেন। সেই কারণেই প্রতি বছর এই মেলায় অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। সেই ছবিই ধরা পড়ে এবারও।দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলাকে ঘিরে অসংখ্য নব দম্পতির আগমণ চোখে পড়ে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ব্যান্ডবাদ্দি বাজিয়ে মেলায় এসে দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সারেন। এবং দীর্ঘদিনের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী তারা বিয়ের ফুল, মালা, টোপর সহ যাবতীয় উপকরণ দেবকুন্ডের জলে ভাসিয়ে দেন।তাদের বিশ্বাস এই রীতি পালন করে পুণ্যস্নান সেরে শুদ্ধচিত্তে মা গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিলে নব দম্পতির বৈবাহিক জীবন সুখের হয়।1