দুর্গাপুরে আসন্ন দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে 'ইচ্ছে পূরণ' সংগঠন জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করেছে। লক্ষ্মণ ঘড়ুই-এর সহযোগিতায় ট্রাঙ্ক রোড সংলগ্ন ক্ষুদিরাম মাঠে আয়োজিত এবারের দুর্গাপূজার থিম হিসেবে অযোধ্যার রাম মন্দিরকে বেছে নেওয়া হয়েছে। রবিবার দুপুর একটায় আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, অযোধ্যার ঐতিহাসিক রাম মন্দিরের আদলে তৈরি হতে চলা এই মণ্ডপ দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে। মন্দিরের স্থাপত্যশৈলী, কারুকার্য এবং আলোকসজ্জার মাধ্যমে বাস্তব রাম মন্দিরের আবহ ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পুজো কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, শুধুমাত্র মণ্ডপসজ্জাই নয়, দর্শনার্থীদের জন্য নানা আকর্ষণীয় উপস্থাপনাও রাখা হবে। মণ্ডপ নির্মাণ ও পরিকল্পনার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। থিম ঘোষণার পর থেকেই এলাকাবাসী এবং পুজোপ্রেমীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়তে শুরু করেছে। আয়োজকদের আশা, এবছর দুর্গাপুরের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য পুজোর মধ্যে এই পুজো অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে এবং জেলার পাশাপাশি বাইরের এলাকাগুলি থেকেও প্রচুর দর্শনার্থী এখানে ভিড় করবেন।
দুর্গাপুরে আসন্ন দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে 'ইচ্ছে পূরণ' সংগঠন জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করেছে। লক্ষ্মণ ঘড়ুই-এর সহযোগিতায় ট্রাঙ্ক রোড সংলগ্ন ক্ষুদিরাম মাঠে আয়োজিত এবারের দুর্গাপূজার থিম হিসেবে অযোধ্যার রাম মন্দিরকে বেছে নেওয়া হয়েছে। রবিবার দুপুর একটায় আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, অযোধ্যার ঐতিহাসিক রাম মন্দিরের আদলে তৈরি হতে চলা এই মণ্ডপ দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে। মন্দিরের স্থাপত্যশৈলী, কারুকার্য এবং আলোকসজ্জার মাধ্যমে বাস্তব রাম মন্দিরের আবহ ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পুজো কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, শুধুমাত্র মণ্ডপসজ্জাই নয়, দর্শনার্থীদের জন্য নানা আকর্ষণীয় উপস্থাপনাও রাখা হবে। মণ্ডপ নির্মাণ ও পরিকল্পনার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। থিম ঘোষণার পর থেকেই এলাকাবাসী এবং পুজোপ্রেমীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়তে শুরু করেছে। আয়োজকদের আশা, এবছর দুর্গাপুরের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য পুজোর মধ্যে এই পুজো অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে এবং জেলার পাশাপাশি বাইরের এলাকাগুলি থেকেও প্রচুর দর্শনার্থী এখানে ভিড় করবেন।
- দুর্গাপুরে আসন্ন দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে 'ইচ্ছে পূরণ' সংগঠন জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করেছে। লক্ষ্মণ ঘড়ুই-এর সহযোগিতায় ট্রাঙ্ক রোড সংলগ্ন ক্ষুদিরাম মাঠে আয়োজিত এবারের দুর্গাপূজার থিম হিসেবে অযোধ্যার রাম মন্দিরকে বেছে নেওয়া হয়েছে। রবিবার দুপুর একটায় আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, অযোধ্যার ঐতিহাসিক রাম মন্দিরের আদলে তৈরি হতে চলা এই মণ্ডপ দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে। মন্দিরের স্থাপত্যশৈলী, কারুকার্য এবং আলোকসজ্জার মাধ্যমে বাস্তব রাম মন্দিরের আবহ ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পুজো কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, শুধুমাত্র মণ্ডপসজ্জাই নয়, দর্শনার্থীদের জন্য নানা আকর্ষণীয় উপস্থাপনাও রাখা হবে। মণ্ডপ নির্মাণ ও পরিকল্পনার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। থিম ঘোষণার পর থেকেই এলাকাবাসী এবং পুজোপ্রেমীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়তে শুরু করেছে। আয়োজকদের আশা, এবছর দুর্গাপুরের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য পুজোর মধ্যে এই পুজো অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে এবং জেলার পাশাপাশি বাইরের এলাকাগুলি থেকেও প্রচুর দর্শনার্থী এখানে ভিড় করবেন।1
- দুর্গাপুরের বেনাচিতি থেকে পরিচালিত সুশীল সিংয়ের ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রভু যিশুকে তাঁর নামে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। এই বার্তায় 'আমেন' বলে সমাপ্তি টানা হয়েছে।1
- আজ আবারও যন্তর মন্তরে 'কাকরোজ জনতা পার্টি'র পক্ষ থেকে একটি বিশাল প্রতিবাদ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা সরকারের কাছে একটাই প্রশ্ন তুলেছেন এবং দৃঢ়ভাবে দাবি করেছেন যে ধর্মেন্দ্র প্রধান যেন অবিলম্বে ইস্তফা দেন। তাঁদের স্লোগান ছিল 'ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিন, ইস্তফা দিন'।1
- শুশুনিয়া পাহাড়ের মনোরম কোলে বিশ্ব যোগ দিবস অত্যন্ত উৎসাহের সাথে পালিত হয়েছে। এই বিশেষ দিনে শতাধিক মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন, যা সুস্থ জীবনযাপন এবং যোগের প্রতি স্থানীয়দের গভীর আগ্রহ তুলে ধরে।1
- বিশ্ব যোগা দিবস উপলক্ষে পাত্রসায়েরে আয়োজিত এক যোগ চর্চা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামী।1
- বাঁকুড়া জেলার জয়পুরে অবস্থিত বৈতল গোপেশ্বর পাল বিদ্যাপীঠে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন করা হয়েছে।1
- জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে মন্দির নগরী বিষ্ণুপুরে লাল বাতি লাগানো গাড়িতে দেখা গেছে প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামীকে।2
- বিশ্ব শান্তির বার্তা নিয়ে দুর্গাপুরের শ্যামা প্রসাদ শর্মা দুর্গাপুর থেকে রাজস্থানের উদ্দেশ্যে এক সাইকেল যাত্রা শুরু করেছেন। রবিবার সকাল সাড়ে এগারো টায় দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার আড্ডার সামনে দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণ চন্দ্র ঘড়ুই তাকে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে যাত্রার শুভ কামনা জানান। এসময় বিজেপির মুখপাত্র সুমন্ত মণ্ডল সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। শ্যামা প্রসাদ শর্মা জানান, এর আগেও তিনি বিভিন্ন বার্তা নিয়ে ভারতের নানান জায়গায় সাইকেল যাত্রা করেছেন। এবারের তার এই রাজস্থান যাত্রা বিশ্ব শান্তির বার্তা নিয়ে। এর পাশাপাশি, তিনি কলকাতায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান। এই বিষয়ে তিনি লক্ষ্মণ চন্দ্র ঘড়ুয়ের কাছে আবেদন জানালে বিধায়ক জানান, আগামী ৪ দিন তারা বিধানসভায় থাকবেন এবং তিনি চেষ্টা করবেন যাতে শ্যামা প্রসাদ শর্মা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন।1