Shuru
Apke Nagar Ki App…
পূর্ব বর্ধমানের কালনা কলেজে তৃণমূল পরিচালিত ছাত্র সংসদে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য ও মদের বোতল পাওয়া যায়। এই ঘটনার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসে, অধ্যক্ষ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চত্বর পরিষ্কার করার প্রতিশ্রুতি দেন। মাদকদ্রব্য সরিয়ে ফেলায় ছাত্রছাত্রীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে এবং অধ্যক্ষ ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে সতর্ক থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
Raj kumr Ghosh
পূর্ব বর্ধমানের কালনা কলেজে তৃণমূল পরিচালিত ছাত্র সংসদে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য ও মদের বোতল পাওয়া যায়। এই ঘটনার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসে, অধ্যক্ষ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চত্বর পরিষ্কার করার প্রতিশ্রুতি দেন। মাদকদ্রব্য সরিয়ে ফেলায় ছাত্রছাত্রীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে এবং অধ্যক্ষ ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে সতর্ক থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
- User4618West Bengal😡on 16 May
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- নদীয়ার নবদ্বীপ বিধানসভা এলাকায় আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরে সরকারি পরিষেবা নিতে সকাল থেকেই বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে রাজ্যজুড়ে এই শিবিরগুলি আয়োজিত হচ্ছে, যেখানে মানুষ সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতে, আবেদনপত্র জমা দিতে এবং পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করতে আসছেন। নবদ্বীপের বিধায়ক শ্রুতি শেখর গোস্বামী এই শিবিরগুলি পরিদর্শন করেছেন। গত ১৫ জুন থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ জনকল্যাণ শিবির আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত চলবে। নবদ্বীপ বিধানসভা এলাকায় মোট পাঁচটি স্থানে এই শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে, যার মধ্যে বিডিও অফিসও রয়েছে। পৌর এলাকার তিনটি এবং ব্লক এলাকার দুটি কেন্দ্র থেকে সরকারি বিভিন্ন বিভাগের পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। বিধায়ক শ্রুতি শেখর গোস্বামী সোমবার শিবিরগুলি পরিদর্শন করে জানান যে, তিনি ইতিমধ্যেই চারটি শিবির ঘুরে দেখেছেন এবং সব জায়গাতেই মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করেছেন। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্র সরকার সাধারণ মানুষের কল্যাণে একাধিক প্রকল্প চালু করেছে এবং বর্তমানে ৫৫টি বিভিন্ন বিভাগের বা প্রকল্পের পরিষেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। এই শিবিরগুলির মাধ্যমে মানুষ এক জায়গায় বসেই বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারছেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা পাচ্ছেন। অতীতে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বহু মানুষ বার্ধক্য ভাতা বা অন্যান্য সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করেছিলেন, তবে বর্তমান জনকল্যাণ শিবিরে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে। বিধায়কের দাবি, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দলীয় বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে প্রকৃত প্রাপকদের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া। বিধায়ক স্পষ্টভাবে বলেন যে, এখানে কোনও রাজনৈতিক দলের ভিত্তিতে আবেদনকারীদের বিচার করা হচ্ছে না। তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস বা অন্য কোনও রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষ নির্বিশেষে সকলের জন্যই সমানভাবে পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। যাঁদের প্রকৃত প্রয়োজন রয়েছে, তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী আবেদনপত্র পূরণ করিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হচ্ছে এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রেখে সরকারি নিয়ম মেনেই সমস্ত আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ এই উদ্যোগকে অত্যন্ত সুবিধাজনক বলেছেন, কারণ একসঙ্গে এতগুলি সরকারি বিভাগের পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ তাঁদের সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় করছে। আয়োজকরা মনে করছেন, শিবিরগুলিতে উপস্থিত মানুষের বিপুল ভিড় এবং উৎসাহই এই ইতিবাচক সাড়ার প্রমাণ। প্রশাসনিক মহল আশা করছে যে, সরকারি পরিষেবা আরও সহজ ও স্বচ্ছভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এই ধরনের উদ্যোগ আগামী দিনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।1
- আজ নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের শিবনিবাস পঞ্চায়েত এলাকায় ১২৫ দিনের কাজের সূচনা হয়েছে। স্থানীয় বিধায়ক সুকান্ত বিশ্বাস কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এই কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এই প্রকল্পের আওতায় সরকারি জমিতে পুকুর খনন করা হবে। এটি কেন্দ্রের MGNREGA প্রকল্পের অংশ, যার কাজের সময়সীমা পূর্বনির্ধারিত ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে এখন বছরে ১২৫ দিন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই প্রকল্পটি মাঝখানে বন্ধ ছিল, যা রাজ্যের নতুন সরকার পুনরায় শুরু করেছে। সঙ্গের ভিডিওতে প্রকল্পের কাজের ছবিগুলি সংগৃহীত রয়েছে। এই লেখনী ও ভিডিও সম্পাদনার কাজ করেছেন অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1
- পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষ বিধানসভার তিন নম্বর মন্ডলে (মোল্লা রোড) সম্প্রতি একটি প্রাকৃতিক কৃষি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মশালা এমন একটি প্রশিক্ষণ বা সেমিনার, যেখানে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার না করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে চাষবাসের পদ্ধতি শেখানো হয়। এটিকে সাধারণত 'জিরো বাজেট প্রাকৃতিক চাষ' বা পরিবেশ-বান্ধব কৃষি হিসাবেও অভিহিত করা হয়। এই প্রাকৃতিক কৃষি কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য হলো মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি, রাসায়নিকের ব্যবহার বন্ধ করে জৈব উপায়ে মাটির স্বাস্থ্য ফেরানো, এবং বাজার থেকে কেনা সারের বদলে ঘরের উপকরণ ব্যবহার করে চাষের খরচ কমানো। একইসাথে, মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ ও বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদন করাও এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এদিনের এই কর্মসূচিতে খণ্ডঘোষ ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তা শুভময় ঘোষ, খণ্ডঘোষ ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দেব কুমার দীক্ষিত, বিশিষ্ট সমাজসেবী শম্পা মাথুর, তাপস মল্লিক, সমীর মন্ডল, কৌশিক আঁশ সহ জেলা ও ব্লকের অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকেরা উপস্থিত ছিলেন। খণ্ডঘোষ ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম থেকে শতাধিক কৃষক এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত প্রশাসনিক আধিকারিকেরা কৃষকদের সঙ্গে চাষাবাদ সংক্রান্ত নানান বিষয়ে মত আদান প্রদান করেন।1
- পূর্ব বর্ধমান জেলার সমুদ্রগড় এলাকার পাঠানপাড়ায় একটি অঙ্গনওয়াড়ি স্কুল বর্তমানে জলের তলায় সম্পূর্ণ নিমজ্জিত অবস্থায় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ছোট ছোট শিশুদের বাধ্য হয়ে জলের উপর দিয়ে হেঁটে স্কুলে আসতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন। একইসাথে, ওই এলাকার নবীন সংঘ ক্লাবটিও পুরোপুরি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এই গুরুতর সমস্যা সত্ত্বেও, সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো খোঁজখবর নেওয়া হয়নি বলে জানানো হয়েছে। তাই, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়ে দ্রুত নজর দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।1
- বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অনবদ্য, যা সকলকেই মুগ্ধ করে তোলে। এই মনোমুগ্ধকর বাংলার দৃষ্টিনন্দন মাঠ, ঘাট এবং পথ প্রান্তর প্রতিটি মানুষের মনে এক বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। এই সৌন্দর্যকে কেন্দ্র করেই হয়তো কবিরা তাঁদের লেখনীতে বাংলার প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রকাশ ঘটিয়েছেন, যেখানে তাঁরা বলেছেন, "ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা" এবং "আবার আসিব ফিরে, ধানসিঁড়িটির তীরে, এই বাংলায়।"1
- malikpur station1
- ব্যারাকপুরের বড় কাঠালিয়া এলাকায় টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে একটি বচসার সূত্রপাত হয়। এই বচসা দ্রুতই সহিংস রূপ ধারণ করে এবং এক যুবককে বেধরক মারধর করা হয়। মারধরের ফলে যুবকের অবস্থার অবনতি হলে তাকে বিএন বোস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত যুবক অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন যে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে বর্তমানে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।1
- সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ইন্দাসের সাহসপুর ও রোল এলাকায় জনকল্যাণ শিবিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন ইন্দাসের বিধায়ক নির্মল কুমার ধারা। তিনি ফিতে কেটে এই শিবিরের সূচনা করেন। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, আজ থেকে শুরু হয়ে আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত এই শিবির চলবে এবং এখান থেকে মোট ৫৩টি প্রকল্পের পরিষেবা প্রদান করা হবে। এই জনকল্যাণ শিবির থেকে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের কার্ড তৈরি করা যাবে, পাশাপাশি যুবশক্তি, অন্নপূর্ণা যোজনা, বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতার মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাবে। কর্মসূচিতে ইন্দাস বিধানসভার বিধায়ক নির্মল কুমার ধাড়া ছাড়াও ইন্দাস ব্লকের বিডিও জুপিটার বন্দ্যোপাধ্যায়, ইন্দাস থানার ওসি চয়ন কুমার ঘোষ, বিশিষ্ট সমাজসেবী গৌতম ধারা, পূর্ণেন্দু মুখার্জি, বিপ্রদাস অধিকারী সহ অন্যান্য আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত আধিকারিকরা নথি যাচাই এবং ফর্ম পূরণে স্থানীয় বাসিন্দাদের সক্রিয়ভাবে সাহায্য করছেন। শিবির শুরু হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে ভিড় জমান এবং আয়ুষ্মান ভারত, অন্নপূর্ণা যোজনা সহ অন্যান্য সরকারি প্রকল্পের জন্য নিজেদের নাম নথিভুক্ত করান।1