Shuru
Apke Nagar Ki App…
প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির কারণে হাওড়া জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে হাওড়ার বিভিন্ন এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।
JBP NEWS BANGLA
প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির কারণে হাওড়া জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে হাওড়ার বিভিন্ন এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) কার্যকর হওয়ার বিষয়ে নওশাদ সিদ্দিকী তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন যে এর মাধ্যমে 'একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে'।1
- হুগলির শ্রীরামপুর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের টেক্সটাইল কলেজের বিপরীতে অবস্থিত একটি পার্কে সন্ধ্যা নামলেই ছেলে ও মেয়েদের অশালীন কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, পার্কটিতে 'চুম্মা চাটি' থেকে শুরু করে আরও জঘন্যতম কাজ চলে। পার্কটিতে আলোর কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এটি সর্বদা অন্ধকারে ডুবে থাকে, যা এই ধরনের কার্যকলাপের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে বলে অভিযোগকারীরা মনে করছেন। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই এবং তারা সম্পূর্ণ নির্বিকার। এমনকি, পুলিশ সন্ধ্যাবেলা এসে একবার চক্কর দিয়ে চলে যাওয়ার পর অশালীন কার্যকলাপ পুনরায় শুরু হয়ে যায়। এই কারণে পরিবার এবং ছোট বাচ্চাদের নিয়ে পার্কে আসা সাধারণ মানুষকে চরম বিব্রত হতে হয় এবং তারা এই নোংরামোর জন্য তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছেন। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ সম্মিলিতভাবে আগামী দিনে থানায় লিখিত অভিযোগ জানানোর উদ্দেশ্যে আলোচনা করেছেন।1
- মাত্র সামান্য বৃষ্টিতেই কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারদের হোস্টেল সম্পূর্ণ জলের তলায় চলে গেছে। এই ঘটনা চিকিৎসকদের চরম দুর্দশার চিত্র তুলে ধরেছে। পোস্টটিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে যে, যদি চিকিৎসকদের এমন অস্বাস্থ্যকর ও প্রতিকূল পরিবেশে বাস করতে হয়, তবে রোগীদের জন্য উন্নত এবং সুস্থ পরিষেবা আশা করা অত্যন্ত কঠিন। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, সে বিষয়ে জনসাধারণের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে।1
- একটি বাড়ির পিছনে পাড়ার লোকেদের দ্বারা আবর্জনা ফেলার ঘটনায় স্থানীয় একজন বাসিন্দা গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও পাড়ার কেউই এই কাজ বন্ধ করেনি, যার ফলে বাড়ির পিছনের অংশে আবর্জনার স্তূপ তৈরি হয়েছে। এই আবর্জনার স্তূপ থেকে পচা দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, যা বাড়িতে বসবাস করাকে অত্যন্ত কঠিন করে তুলেছে এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। ভুক্তভোগী বাসিন্দা দ্রুত এই এলাকার আবর্জনা পরিষ্কার করার দাবি জানিয়েছেন।1
- 2026 সাল এসেও বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই সাধারণ মানুষকে জল ও কাদায় যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা চরম দুর্ভোগের কারণ। ভোটের আগে নেতারা অনেক প্রতিশ্রুতি দেন এবং দেশের মানুষ মনে করে যে তারা নেতা হয়ে উপকার করবে, কিন্তু সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়। এই পরিস্থিতি আবারও স্পষ্ট করে দেয় যে নেতারা কেবল নিজেদের স্বার্থ দেখেন, আর সাধারণ মানুষের কাজ হয়তো হয়, নয়তো আটকে থাকে, এভাবেই চলতে থাকে।2
- দেশের বিভিন্ন প্রান্তের চিরাচরিত প্রথা মেনে, আজ শুক্রবার মানবাজারে মহাসমারোহে পালিত হচ্ছে মহরম উৎসব। এই উপলক্ষে রাস্তায় তাজিয়া বের হয়েছে এবং মহরম কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অসংখ্য মানুষ এই শোভাযাত্রায় যোগদান করেছেন। পুরুলিয়া জেলার মানবাজারে এই মহরম উৎসবকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে মানবাজার পুলিশ প্রশাসন তৎপর রয়েছে।1
- সমাজকর্মী নেহা ভারতী যন্তর মন্তর থেকে নরেন্দ্র মোদিকে এক নজিরবিহীন আক্রমণ করেছেন। এই আক্রমণের সময়, তিনি সরাসরি ঘোষণা করেন যে “মোদীর বাপের দেশ না”। এই খবরটি দৈনিক সমাচার দ্বারা প্রকাশিত হয়েছে।1
- পোস্টটিতে জোরালো প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে বাংলায় কি সত্যিই কোনো কার্যকর বিরোধী দলের অস্তিত্ব নেই, নাকি আসল বিরোধী হলো সাধারণ মানুষের নীরবতা। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে, সমস্ত দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে নিজেদের কথা বলতে এবং নিজেদের আওয়াজ তোলার জন্য একটি স্পষ্ট ও জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- রাজ্যজুড়ে ভয় কাটিয়ে সাধারণ মানুষ যখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন এবং একের পর এক অভিযোগে শাসকদল চাপে রয়েছে, তখন মালদা থেকে চাকরির নামে প্রতারণার এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। একজন প্রবীণ ব্যক্তি দাবি করেছেন যে, তার ছেলেকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একজন তৃণমূল নেতা তার কাছ থেকে ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ওই চাকরির ব্যবস্থা হয়নি এবং নেওয়া টাকাও ফেরত পাননি বৃদ্ধ। অভিযোগ আরও গুরুতর যে, টাকা ফেরত চাইতে গেলে ওই বৃদ্ধকে নাকি বারবার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, এবং সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন— এই চাকরির নামে প্রতারণার বিচার কবে হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কবে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে? প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দুর্নীতি ও প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না এবং আইন তার নিজস্ব গতিতেই অভিযুক্তদের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে।2