Shuru
Apke Nagar Ki App…
মুর্শিদাবাদে ভারত ভূখণ্ডে আত্মগোপন করে থাকা এগারো জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত টপকে ওপার বাংলা ফিরে যাওয়ার মুখেই পুলিশের জালে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার ডোমকল মহাকুমার জলঙ্গি এবং লালবাগ মহকুমার অন্তর্গত ভগবানগোলা জুড়ে এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজ্য সরকার অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে কড়া মনোভাব গ্রহণ করার পর থেকেই পুলিশ প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। ভারত ভূখণ্ডে পরিচয় লুকিয়ে আত্মগোপন করে থাকা এই অনুপ্রবেশকারী দলটিকে গোয়েন্দা দপ্তরের তথ্যের ভিত্তিতেই পাকড়াও করা হয়েছে। আটককৃত সকলকেই লালগোলার হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে এবং এর পর কড়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
Lalgola news
মুর্শিদাবাদে ভারত ভূখণ্ডে আত্মগোপন করে থাকা এগারো জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত টপকে ওপার বাংলা ফিরে যাওয়ার মুখেই পুলিশের জালে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার ডোমকল মহাকুমার জলঙ্গি এবং লালবাগ মহকুমার অন্তর্গত ভগবানগোলা জুড়ে এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজ্য সরকার অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে কড়া মনোভাব গ্রহণ করার পর থেকেই পুলিশ প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। ভারত ভূখণ্ডে পরিচয় লুকিয়ে আত্মগোপন করে থাকা এই অনুপ্রবেশকারী দলটিকে গোয়েন্দা দপ্তরের তথ্যের ভিত্তিতেই পাকড়াও করা হয়েছে। আটককৃত সকলকেই লালগোলার হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে এবং এর পর কড়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মুর্শিদাবাদে ভারত ভূখণ্ডে আত্মগোপন করে থাকা এগারো জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত টপকে ওপার বাংলা ফিরে যাওয়ার মুখেই পুলিশের জালে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার ডোমকল মহাকুমার জলঙ্গি এবং লালবাগ মহকুমার অন্তর্গত ভগবানগোলা জুড়ে এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজ্য সরকার অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে কড়া মনোভাব গ্রহণ করার পর থেকেই পুলিশ প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। ভারত ভূখণ্ডে পরিচয় লুকিয়ে আত্মগোপন করে থাকা এই অনুপ্রবেশকারী দলটিকে গোয়েন্দা দপ্তরের তথ্যের ভিত্তিতেই পাকড়াও করা হয়েছে। আটককৃত সকলকেই লালগোলার হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে এবং এর পর কড়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে।1
- মঙ্গলবার সকালে মুর্শিদাবাদের কান্দিতে প্রাক্তন কলকাতা পুলিশের ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতে আবারও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সুরক্ষা বেষ্টনীতে এদিন সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ ইডি কর্তারা সিল করা বাড়ির মূল দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। তাদের সঙ্গে আন্দুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মামনি রাজবংশী এবং তার স্বামী জগন্নাথ রাজবংশীও রয়েছেন। উল্লেখ্য, এই বাড়িতে শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ছাড়াও তার বোন কান্দি পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান গৌরী সিনহা বিশ্বাস বসবাস করেন। এর আগে গত শুক্রবার সকালে ইডির একটি দল এই বাড়িতে হানা দিয়েছিল। দীর্ঘক্ষণ ধরে রাত পর্যন্ত তল্লাশি চালানোর পর আধিকারিকরা বাড়িটি সিল করে দিয়েছিলেন। মাত্র দুদিনের ব্যবধানে এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতে ইডির অভিযান চলল। আজ সকালে মূল গেটের পাশাপাশি বাড়ির পিছনের দিকে সিল করা গেটটিও খুলে দেন ইডি আধিকারিকরা। সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে গেলেও তারা এখনো বাড়ির ভেতরেই তল্লাশি চালাচ্ছেন। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে ফের তল্লাশি চালানোর কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।1
- বীরভূম জেলার নলহাটি-২ ব্লকের অন্তর্গত উত্তর ভদ্রপুর রাস্তার বেহাল দশা তুলে ধরা হয়েছে। এই রাস্তার বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় বলে জানানো হয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় আবারও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হরিহরপাড়া থানা পুলিশের অভিযানে একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় আলামিন মণ্ডল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ মে হরিহরপাড়া থানা পুলিশ রাজু শেখ ও সাবির আলী নামে দুই ব্যক্তিকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছিল। ধৃতদের চার দিনের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় আরও অস্ত্র মজুত থাকার তথ্য সামনে আসে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, ধৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে তর্তিপুর খামারমাটি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে আলামিন মণ্ডল নামে এক দুষ্কৃতীকে আটক করে পুলিশ। তার কাছ থেকে একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ এই আগ্নেয়াস্ত্র চক্রের সাথে জড়িত অন্যান্যদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি, উদ্ধার হওয়া অস্ত্র কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মঙ্গলবার ধৃত আলামিন মণ্ডলকে বহরমপুর জেলা জজ আদালতে তোলা হলে, তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তার ৭ দিনের হেফাজতের আবেদন জানায়।2
- মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি শহরের জেমোতে ইডির হেফাজতে থাকা শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের প্রাসাদোপম বাড়িতে ফের হানা দিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। গত শুক্রবার এই বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পর পুনরায় সোমবার সকালেই ইডির আধিকারিকরা উপস্থিত হন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় বাড়িটি ঘিরে রাখা হয়েছে এবং জানা গেছে, ইডির নজরদারি মূলত শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়ির পুকুরের দিকেই রয়েছে।1
- রাজ্যে সরকার বদলের পর থেকেই বিভিন্ন সরকারি ক্ষেত্র থেকে 'বিশ্ব বাংলা' লোগো সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান শহরেও বিভিন্ন জায়গা থেকে এই লোগো ভাঙতে ও সরাতে দেখা যায়। দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলা ভারতীয় জনতা পার্টির সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ জানান, এই পদক্ষেপ সরকারের তরফ থেকে নেওয়া হয়েছে এবং এটি একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তাঁর মতে, এই লোগোটি একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের বার্তা বহন করত, যা সাধারণ মানুষের কাছে 'বিশ্ব বাংলা'র প্রকৃত রূপ ছিল না। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই লোগোর পরিবর্তে ভারতের জাতীয় প্রতীক 'অশোক স্তম্ভ' বা এই জাতীয় কোনো চিহ্ন ব্যবহার করা হোক। মিলন ঘোষ আরও জানান যে, এই বিষয়ে তাঁরা দলীয় নেতাকর্মী ও জেলা নেতৃত্বকে সাথে নিয়ে ধুলিয়ান পৌরসভায় গিয়ে ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যানের কাছে তাঁদের দাবি উত্থাপন করেন। চেয়ারম্যান তাঁদের এই দাবিতে সম্মতি জানান এবং দ্রুততার সাথে লোগোটি ভেঙে ফেলার ব্যবস্থা করেন। সরকারি নির্দেশে ধুলিয়ানে 'বিশ্ব বাংলা' লোগো ভাঙা এবং দ্রুত পদক্ষেপে বিজেপি নেতৃত্ব সাধুবাদ জানিয়েছে।1
- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘোষণা অনুযায়ী, আগামীকাল বুধবার থেকেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম বিলি শুরু হবে। এটি একটি বড় ঘোষণা হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।1
- সোমবার থেকে তারামায়ের সঙ্গে দেওঘরের শিবক্ষেত্রের সংযোগকারী নতুন জাতীয় সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। ১১৪ এ নম্বর এই জাতীয় সড়কটি রামপুরহাটের মাঝখন্ড গ্রাম থেকে শুরু হয়ে ঝাড়খন্ডের অভ্যন্তরে প্রবেশ করবে, যার মাধ্যমে তারাপীঠের সঙ্গে দেওঘরের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়ে জেলাশাসক ধবল জৈনের সঙ্গে ঝাড়খন্ডের আধিকারিকরা অনলাইনে একটি বৈঠক করেছেন। এই জাতীয় সড়কের নির্মাণকে ‘বাংলার উন্নয়ন’ এবং ‘RoadDevelopment’ এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা অঞ্চলটির পর্যটন ও পরিকাঠামো বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।1