Shuru
Apke Nagar Ki App…
কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে রাস্তার উপরে ভেঙে পড়ল ইলেকট্রিক পোল
Tv20 বাংলা
কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে রাস্তার উপরে ভেঙে পড়ল ইলেকট্রিক পোল
More news from Bankura and nearby areas
- ধান কাটার মরশুমে মাঠ থেকে ধান তোলার কাজ এখন জোরকদমে চলছে। এই সময় হারভেস্টার সহ বিভিন্ন কৃষি যন্ত্র নিয়ে কৃষকরা ধানক্ষেত থেকে মূল রাস্তায় উঠছেন। কিন্তু সেই সঙ্গে ক্ষেতের কাদা-মাটি রাস্তার উপর পড়ে যাওয়ায় বাঁকুড়ার ইন্দাসের একাধিক রাস্তা অত্যন্ত পিচ্ছিল হয়ে উঠছে। আর এর জেরেই সাধারণ মানুষের চলাচলে তৈরি হচ্ছে চরম অসুবিধা, পাশাপাশি বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও। এই পরিস্থিতিতে বাঁকুড়ার ইন্দাস পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে কৃষকদের বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হারভেস্টার, ট্র্যাক্টর কিংবা অন্যান্য কৃষি যন্ত্র নিয়ে মাঠ থেকে রাস্তায় ওঠার সময় অনেক ক্ষেত্রেই চাকায় লেগে থাকা কাদা ও ভেজা মাটি রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে পাকা রাস্তার উপর কাদার আস্তরণ জমে রাস্তা খুবই পিচ্ছিল হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে প্রতিদিন ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা সাধারণ মানুষ, সাইকেল আরোহী, মোটরবাইক চালক এবং ছোট গাড়ির চালকদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যা বা ভোরের দিকে অনেকেই বুঝতে না পেরে পিছলে পড়ে যাচ্ছেন বা দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত বছরে এমন ছোট-বড় একাধিক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই ইন্দাস থানার পক্ষ থেকে এলাকায় এলাকায় মাইকিং করে কৃষকদের সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের অনুরোধ, ধানক্ষেত থেকে রাস্তায় ওঠার আগে কৃষিযন্ত্রের চাকায় জমে থাকা কাদা যতটা সম্ভব পরিষ্কার করে নিতে হবে। পাশাপাশি রাস্তার উপর অতিরিক্ত কাদা পড়ে গেলে তা দ্রুত সরিয়ে দেওয়ার দিকেও নজর দিতে হবে।2
- Post by Tv20 বাংলা1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- আরামবাগ বিধানসভার মানুষ এবার পরিবর্তন চাইছে1
- ২০২৬ বিধানসভা ভোটে এক সুন্দর দৃশ্য চোখে পড়ল। ৮৭ বছরের বয়স্কা মায়ের সাথে ৬৯ বছরের ছেলে সদ্য হার্টের অপারেশন হওয়া ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে এলেন। দেখে মনে হয় যেন ছোট ছেলে তার মায়ের হাত ধরে ভোট কেন্দ্রে এসেছে ভোট দেখতে কেমন করে ভোট হয় কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে তিনি আজ অসুস্থ তাই মা আজকে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন ভোটকেন্দ্রে। বয়সের ভার হয়ে গেলেও মায়ের কাছে ছেলে সবসময় কোলের ছেলে।1
- পশ্চিম বর্ধমান আসানসোল:-আসানসোল পুরনিগমে চলতি এপ্রিল মাসের পুর কাউন্সিলারদের বোর্ড বৈঠক ছিলো বুধবার। পানীয়জলের সংকট ও স্যানিটেশন বা সাফাই নিয়ে এদিনে বোর্ড বৈঠক বেশ উত্তাল ও উত্তপ্ত ছিল। এইসব বিষয় নিয়ে কাউন্সিলরদের মধ্যে বিতর্ক ও তর্কাতর্কি হয়। গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফা নির্বাচনের সময় আসানসোল পুরনিগমের কুলটি, জামুড়িয়া সহ একাধিক ওয়ার্ডে পানীয়জলেট সংকট বৈঠকে গুরুত্ব ও প্রাধান্য পায়। বিরোধী দলের পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলাররাও এই নিয়ে সরব হন। তারা পানীয়জল ও স্যানিটেশনের দায়িত্বে থাকা পুর ইঞ্জিনিয়ারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন। যে ইঞ্জিনিয়ার এই দুটির দায়িত্বে আছেন, তাদের সরানোরও দাবি করা হয়। কাউন্সিলররা পুর আধিকারিকদের কাছে এই ব্যাপারে জবাবদিহি দাবি জানান। এদিনের বৈঠকে মেয়র বিধান উপাধ্যায় অবশ্য ছিলেন না। দুই ডেপুটি মেয়র অভিজিৎ ঘটক ও ওয়াসিমুল হক সহ মেয়র পারিষদরা ছিলেন। সভা পরিচালনার দায়িত্বে পুর চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায় কোন মতে পরিস্থিতি সামাল দেন। জানা গেছে, এদিন বোর্ড বৈঠক চলাকালীন কাউন্সিলররা আসানসোল শহর সহ অনেক এলাকায় পানীয় জলের অভাব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা অভিযোগ করেন, এই সংকটের কথা জানানোর পরেও সময়মতো যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্যানিটেশন নিয়েও উত্তপ্ত হয় এদিনের বৈঠক। বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর শহরের নোংরা পরিবেশ ও নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবের বিষয়টি উত্থাপন করেন। তারা পুর প্রশাসনের কার্যপদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠে যখন কয়েকজন কাউন্সিলর এক ইঞ্জিনিয়ারের প্রতি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। অভিযোগ যে, তারা ইঞ্জিনিয়ারের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তীব্র প্রতিবাদ জানান। এই বৈঠক চলাকালীন সবমিলিয়ে পরিবেশ বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছু সময়ের জন্যে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। তবে, বৈঠকে পুর চেয়ারম্যান ও আধিকারিকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বৈঠকে পুর চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায় ও মেয়র পারিষদ গুরুদাস ওরফে রকেট চট্টোপাধ্যায় পুর প্রশাসনের আশ্বাস দিয়েছেন যে, জল সংকট ও স্যানিটেশন সমস্যা নিরসনে শীঘ্রই সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পরে তারা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, দুটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই পুর কতৃপক্ষ দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। মে মাসের ৮/১০ তারিখের মধ্যে আরো একটি বোর্ড বৈঠক ডেকে সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা করা হবে। তারা বলেন, অনেক সময় কিছু টেকনিক্যাল কারণে জল সরবরাহে সমস্যা হয়। কি ভোটের সময় কেন তা হলো, এটা চিন্তার বিষয়। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।1
- Post by Babu Bagdi1
- Post by Tv20 বাংলা1