Shuru
Apke Nagar Ki App…
নাম নেই ভোটার তালিকায়।CAA তে আবেদন করে মিলল ভারতীয় নাগরিকত্ব। পূর্বস্থলীর ফলেয়া গ্রামের দুই পরিবারের পাঁচজন CAA-তে আবেদন করে পেয়েছেন ভারতীয় নাগরিকত্বের শংসাপত্র। গত বছর আগস্ট-সেপ্টেম্বরে আবেদন করার কয়েক মাসের মধ্যেই গৃহ মন্ত্রণালয় থেকে মেলের মাধ্যমে নাগরিকত্বের স্বীকৃতি আসে। প্রায় ২০ বছর আগে বাংলাদেশ থেকে এসে এই গ্রামেই বসবাস করছেন তারা।
পাঁচফোড়ন × 7
নাম নেই ভোটার তালিকায়।CAA তে আবেদন করে মিলল ভারতীয় নাগরিকত্ব। পূর্বস্থলীর ফলেয়া গ্রামের দুই পরিবারের পাঁচজন CAA-তে আবেদন করে পেয়েছেন ভারতীয় নাগরিকত্বের শংসাপত্র। গত বছর আগস্ট-সেপ্টেম্বরে আবেদন করার কয়েক মাসের মধ্যেই গৃহ মন্ত্রণালয় থেকে মেলের মাধ্যমে নাগরিকত্বের স্বীকৃতি আসে। প্রায় ২০ বছর আগে বাংলাদেশ থেকে এসে এই গ্রামেই বসবাস করছেন তারা।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ভোট প্রচারে কান্দিতে অভিনেতা সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেব। শুক্রবার মুর্শিদাবাদে একাধিক প্রচারে অংশ নেবেন দেব। প্রথম কর্মসূচী ছিল কান্দিতে। এদিন কান্দির চড়কতলা মাঠে নামে দেবের হেলিকপ্টার। এরপরই কান্দির তৃণমূল প্রার্থী অপূর্ব সরকারকে সাথে নিয়ে শুরু করেন রোড শো । কান্দির খরসা মোড় থেকে শুরু হয় দেবের প্রচার। ক্ষুদিরাম মুর্তির সামনে দিয়ে, কান্দি বাসস্ট্যান্ড, পেট্রোল পাম্প , বাকবাড়ি সহ বিভিন্ন এলাকায় রোড শো-এ প্রচারে অংশ নেন দেব। দেবকে দেখতে ভির জমান বহু মানুষ।1
- সবুজসাথীর সাইকেল চালিয়ে ও মুখে উন্নয়নের বার্তা তুলে দাপিয়ে প্রচার ফাল্গুনীর। :বাঁকুড়া: 'সবুজ সাথী'র সাইকেল চালিয়ে এবং মুখে উন্নয়নের বার্তা নিয়ে গ্রামে গ্রামে চুটিয়ে প্রচার সারলেন তালডাংরার তৃণমূল প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহবাবু। বৃহস্পতিবার নিজের বিধানসভা এলাকার হাড়মাসড়া অঞ্চলের একাধিক গ্রামে যান। মানুষের সামনে তৃণমূল সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরতে সবুজ সাথী প্রকল্পে দেওয়া সাইকেল কেই বেছে নিলেন তিনি। আর সাইকেল চালিয়ে প্রচারের ধরন বিশেষ নজর কাড়ল ওই গ্রাম গুলির মানুষদের মধ্যে। পরিচিত মুখ পেয়ে প্রার্থীর সাথে বাক্যবিনিময়ে এগিয়েও এলেন গ্রামবাসীরা। উল্লেখ্য ভোট যতই এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে প্রার্থীদের প্রচারের ঝাঁঝ। ভোটের লড়াইয়ে কেও কাওকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে নারাজ। কখনো চড়া রোদ মাথায় নিয়ে আবার কখনো মাথায় উপর ছায়া আনতে ছাতা ব্যবহার করা সহ তীব্র গরমের জেরে ঘামে ভেজা ক্লান্ত শরীর নিয়েই সব প্রার্থীরাই লড়াইয়ের ময়দানে দাঁত কামড়ে পড়ে থাকছেন। সব দলের প্রার্থীদের একটাই লক্ষ্য নির্বাচনী লড়াই শেষে ৪ঠা মে জয়ের হাসি আনতে। সেইমত বৃহস্পতিবার একদিকে যখন তালডাংরার তৃণমূল প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহবাবু দাপিয়ে প্রচার সারলেন হাড়মাসড়া অঞ্চলে। এনিয়ে তালডাংরার ঘাসফুলের প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহবাবু বলেন, তৃণমূল সরকারের প্রায় ১০০টির কাছাকাছি জনমুখী প্রকল্প রয়েছে। সেই সব প্রকল্প দ্বারা জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বাংলার প্রতিটি মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। তাই ওই প্রকল্প গুলির মধ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অভূতপূর্ব প্রকল্প হল সবুজ সাথী। তাই সবুজ সাথীর'র সাইকেল চালিয়ে মানুষের কাছে গেলাম। এই প্রকল্প ছাড়াও একাধিক প্রকল্পের কথা এবং রাস্তা জল আলো ও বাংলার বাড়ি প্রকল্পে বাংলার কোটি কোটি মানুষ উপকৃত হয়েছেন, সেসব কথা তুলে ধরলাম গ্রামবাসীদের সামনে। এও জানালাম একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার এই জনমুখী প্রকল্পগুলি সবার সুবিধার্থেই বাস্তবে রুপ দিয়েছেন। তাই সবুজ সাথী সহ যে একাধিক প্রকল্প রয়েছে সেই প্রকল্পের সুবিধা পেতে একমাত্র তৃণমূলই পেতে ভরসা। গ্রামবাসীরাও বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন বলে জানালেন। পাশাপাশি এবারের নির্বাচনেও তারা যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে রয়েছে সেকথাও জানালেন। বাংলার মানুষ সব সময় উন্নয়নের সাথে রয়েছে। আগামী ৪ঠা মে বিরোধীরা সবুজ ঝড়ে উড়ে সাফ হয়ে যাবে।2
- জয়ের বিষয়ে আশাবাদী নিয়ে কি জানালেন রানাঘাট দক্ষিণের চিকিৎসক সৌগত বর্মন1
- পুরোটা দেখুন বিস্তারিত জানুন সাংবাদিক চিরঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় WhatsApp 7059664100 Media Centre 97325901041
- ভোটের এক সপ্তাহ আগে খড়গ্ৰামে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র বিধানসভা নির্বাচনের বাকি আর এক সপ্তাহ।তার আগেই ফের আজ মুর্শিদাবাদে জেলার খড়গ্ৰামে উদ্ধার হলো আগ্নেয়াস্ত্র। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও ভয়মুক্ত করতে খড়গ্রাম থানার পক্ষ থেকে ১২.০৪.২০২৬ তারিখে নগর এলাকার শের আলম নামে একজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ধৃতকে আদালত থেকে ৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয় পুলিশ হেফাজতে থাকা কালীন জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার দেখানো স্থানে তল্লাশি চালিয়ে একটি ৭ এমএম পিস্তল ও ৭.৬৫ এমএম-এর ২ রাউন্ড লাইভ কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।1
- কল্যাণী বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী আবহে এদিন বিশেষ গুরুত্ব পেল দুই বহুল চর্চিত স্লোগান—“জয় বাংলা” ও “জয় শ্রীরাম”। এই দুই মেরুর রাজনৈতিক বার্তার মাঝেই দাঁড়িয়ে ভিন্ন সুরে কথা বললেন ঘাটালের সাংসদ তথা অভিনেতা দীপক অধিকারী (দেব)। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ডা: অতীন্দ্রনাথ মন্ডল-এর সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় উপস্থিত হয়ে দেব সরাসরি ভোটারদের উদ্দেশে বার্তা দেন— “জয় বাংলা আর জয় শ্রীরামের মাঝে পড়ে থাকবেন না। যারা উন্নয়ন করছে, যারা কাজ করছে—তাদেরই ভোট দিন, তাদেরই বেছে নিন।” দেবের এই বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে আসে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের এক গুরুত্বপূর্ণ দিক—স্লোগান বনাম উন্নয়ন। তিনি বোঝাতে চান, আবেগঘন রাজনৈতিক স্লোগানের চেয়ে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কাজের প্রভাবই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সভাস্থলে এদিন ব্যাপক জনসমাগম লক্ষ্য করা যায়। দেবকে একঝলক দেখার জন্য ভক্তদের মধ্যে ছিল প্রবল উন্মাদনা। পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। মঞ্চে দেব উঠতেই করতালি ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। বক্তব্যের মাধ্যমে দেব একপ্রকার স্পষ্ট বার্তা দেন—ভোট যেন বিভাজনের রাজনীতিতে প্রভাবিত না হয়ে উন্নয়নমূলক কাজের ভিত্তিতে হয়। তাঁর আহ্বান, যাঁরা মানুষের পাশে থেকেছেন এবং বাস্তবে কাজ করেছেন, তাঁদেরই পুনরায় নির্বাচিত করা উচিত। সবমিলিয়ে, “জয় বাংলা” ও “জয় শ্রীরাম”—এই দুই স্লোগানের দ্বন্দ্বের মাঝখানে দাঁড়িয়ে কল্যাণীর এই জনসভা থেকে উঠে এল উন্নয়নমুখী রাজনীতির বার্তা, যা ভোটের আগে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।10
- Post by Bimal Hembram1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- সিপিআইএমের ভোট প্রচার নয়, এ যেন একেবারে বিজয় মিছিলের আবহ! জলঙ্গি বিধানসভার ঝাউদিয়া এলাকায় আজ যা দেখা গেল, তা শুধুই প্রচার নয়—উৎসবের মতো এক জনসমুদ্র। মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে শয়ে শয়ে কর্মী-সমর্থকের ঢল নেমেছে রাস্তায়। ছোট থেকে বড়, তরুণ থেকে প্রবীণ—সব বয়সের মানুষ একসাথে পা মিলিয়ে অংশ নিলেন এই বিশাল মিছিলে। প্রার্থী ইউনুস সরকারকে সামনে রেখে গোটা এলাকা যেন লাল রঙে রঙিন হয়ে উঠল। গান-বাজনা, ঢাকের তালে তালে নাচ, আর মানুষের সঙ্গে সরাসরি আলাপচারিতার মধ্য দিয়ে এক অন্যরকম আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। গ্রামের প্রতিটি রাস্তা, প্রতিটি মোড়ে সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে এই মিছিলে যোগ দেন, কেউ হাত নেড়ে সমর্থন জানান, আবার কেউ সরাসরি প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলেন। সব মিলিয়ে আজকের এই প্রচার যেন স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—এ শুধু ভোটের লড়াই নয়, মানুষের আবেগ আর অংশগ্রহণে ভরপুর এক বড় আন্দোলন।1