Shuru
Apke Nagar Ki App…
কৈলাশহরের লাটিয়াপুড়া এলাকার বাঁধ সংস্কারের কাজ দ্রুত শুরু না হলে ক্ষুব্ধ জনসাধারণ সংশ্লিষ্টদের ‘রাম ধোলাই’ দেবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৈলাশহর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিরজিৎ সিনহা। বাঁধের বর্তমান অবস্থা পরিদর্শন করার সময় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও যদি দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু না হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ চরমে পৌঁছাবে। এই পরিস্থিতিতে তিনি অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে, এলাকায় সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ক্রমাগত বাড়ছে। আর কোনও বিলম্ব না করে অবিলম্বে দ্রুত বাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু করার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী, যাতে ভবিষ্যতে বড় ধরনের কোনও ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়।
ABDUL JALIL
কৈলাশহরের লাটিয়াপুড়া এলাকার বাঁধ সংস্কারের কাজ দ্রুত শুরু না হলে ক্ষুব্ধ জনসাধারণ সংশ্লিষ্টদের ‘রাম ধোলাই’ দেবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৈলাশহর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিরজিৎ সিনহা। বাঁধের বর্তমান অবস্থা পরিদর্শন করার সময় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও যদি দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু না হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ চরমে পৌঁছাবে। এই পরিস্থিতিতে তিনি অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে, এলাকায় সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ক্রমাগত বাড়ছে। আর কোনও বিলম্ব না করে অবিলম্বে দ্রুত বাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু করার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী, যাতে ভবিষ্যতে বড় ধরনের কোনও ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়।
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- কৈলাশহরের লাঠিউড়া ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় নদীর বাঁধ সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেছেন কৈলাশহর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিরজীৎ সিংহ। পরিদর্শনের সময় তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বাঁধের বর্তমান অবস্থা এবং সংস্কার কাজের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিধায়ক জানান যে, বর্ষাকালে বন্যা ও নদীভাঙনের ঝুঁকি কমাতে দ্রুত এবং মানসম্মতভাবে এই বাঁধ সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।1
- উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগরের ব্রজেন্দ্র নগর সাতসঙ্গম কমিউনিটি হলে রবিবার এক উৎসবমুখর ও উদ্দীপনাপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে ত্রিপুরা টি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের (TTWU) দশম ধর্মনগর মহকুমা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফয়জুর রহমান, বীরসা মুন্ডা ও অতুল তাঁতি মঞ্চে আয়োজিত এই সম্মেলনে মহকুমার বিভিন্ন চা বাগান থেকে বহু শ্রমিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনের শুরুতে সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করেন ধর্মনগর মহকুমা সম্পাদক উমা গৌড় এবং শহীদ স্মরণ পাঠের মাধ্যমে বিগত দিনের বীর সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রঞ্জিত লোহার। সুখি তেলি শোক প্রস্তাব উত্থাপন করার পর মাখন লাল পাল, উমা গৌড়, ধনেশ্বর নায়েক, সুবল চাষা ও রঞ্জিত তেলেঙ্গাকে নিয়ে গঠিত পাঁচ সদস্যের সভাপতি মণ্ডলীর পরিচালনায় মূল প্রতিনিধি সম্মেলনের কাজ শুরু হয়। সিআইটিইউ (CITU) রাজ্য কমিটির সহ-সভাপতি অমিতাভ দত্ত এই সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। সম্মেলনে বিগত দিনের কাজের খতিয়ান ও ভবিষ্যৎ আন্দোলনের রূপরেখা তুলে ধরে প্রতিবেদন পাঠ করেন মাখন লাল পাল, যার ওপর মহকুমার মোট সাতটি চা বাগান থেকে আগত ১৫৭ জন প্রতিনিধির মধ্যে ১০ জন প্রতিনিধি নিজেদের মতামত পেশ করেন। এছাড়া, চা শ্রমিকদের অধিকার ও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ বক্তব্য রাখেন সিপিআই(এম) উত্তর ত্রিপুরা জেলা সম্পাদক অভিজিৎ দে এবং সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক পরেশ পাইক। শ্রমিক স্বার্থ ও আন্দোলনের ঐক্যকে সুদৃঢ় করার আহ্বান জানিয়ে আরও বক্তব্য রাখেন সিপিআই(এম) ধর্মনগর মহকুমা সম্পাদক রতন রায় এবং সিআইটিইউ ধর্মনগর মহকুমা সম্পাদক জহুরুল হক। সম্মেলনের শেষ লগ্নে আগামী দিনের সাংগঠনিক কাজকে আরও গতিশীল করতে সর্বসম্মতিক্রমে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন ধর্মনগর মহকুমা কমিটি এবং ৯ সদস্যের সম্পাদক মণ্ডলী গঠন করা হয়। নবগঠিত এই কমিটিতে ধনেশ্বর নায়েক সভাপতি এবং অমল তাঁতি সর্বসম্মতিক্রমে সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন। নতুন এই নেতৃত্ব আগামী দিনে চা শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের লড়াইকে আরও জোরদার করবে বলে এই সম্মেলন থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।4
- ত্রিপুরার উত্তর ত্রিপুরা জেলার পানিসাগরের একটি বার্তায় নতুন উদীয়মান স্টারমেকার বলরামকৃষ্ণ গোস্বামীকে লাইক, শেয়ার, কমেন্ট এবং ফলো করার জন্য সকলের কাছে প্রার্থনা জানানো হয়েছে। তাঁর সমস্ত সাফল্য এবং 'ডেয়ার মিশন'-এর ধাঁধা সমাধানের জন্য এই সমর্থন চাওয়া হয়েছে, যেখানে 'সিং করকে সিং'-এর উল্লেখ রয়েছে। এর পাশাপাশি এই বার্তায় একটি জীবনমুখী ও আধ্যাত্মিক উপদেশও দেওয়া হয়েছে। সকলের উদ্দেশে বলা হয়েছে যে, আমাদের ওপর কেবল ঈশ্বরের আশীর্বাদ রয়েছে এবং অন্যের ভালো করলে নিজেরই ভালো হয়। ঈশ্বরকে পরম দয়ালু হিসেবে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে যে, জীবনের একাদশতম সত্য হলো মৃত্যু এবং মানুষের মৃত্যুর পর কেবল তার কর্মই বেঁচে থাকে।1
- উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে সরকারি হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকের চরম গাফিলতি, দায়িত্বজ্ঞানহীনতা এবং রোগীর পরিজনদের সাথে অভদ্র ব্যবহারের এক মারাত্মক চিত্র সামনে এসেছে। মুমূর্ষু রোগীর জন্য সঠিক রক্তের ব্যাগ দেওয়া হলেও, অফিশিয়াল সার্টিফিকেটে ভুল রক্তের গ্রুপ লিখে দেওয়ার কারণে চরম বিভ্রান্তি ও হয়রানির শিকার হতে হয় রোগীর পরিবারকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধর্মনগর হাসপাতাল চত্বরে তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ধর্মনগরের 'তক্ষশীলা' নামক একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শারমিন চৌধুরী নামে এক মুমূর্ষু রোগীর জন্য চিকিৎসকরা জরুরি ভিত্তিতে ‘এ পজিটিভ’ (A+) রক্ত জোগাড় করতে বলেন। মায়ের জন্য রক্ত আনতে উনার ছেলে রাজ চৌধুরী ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে গেলে সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী চরম বিরক্তি প্রকাশ করে তাঁর সাথে কথা কাটাকাটি করেন। রক্ত নিয়ে তক্ষশীলা হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা দেখেন, রক্তের ব্যাগে সবকিছু ঠিক থাকলেও ব্লাড ব্যাংক থেকে দেওয়া মূল সার্টিফিকেটে স্পষ্টাক্ষরে ‘বি পজিটিভ’ (B+) লেখা রয়েছে। তথ্যের এই মারাত্মক অমিল থাকায় বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সেই রক্ত গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায় এবং রোগীকে পুশ করতে বাধা দেয়। আতঙ্কিত হয়ে রাজ চৌধুরী জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে ফিরে গিয়ে সেটি বন্ধ পান। এরপর ফোনে দায়িত্বরত কর্মীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে রোগীকে নিজেই কাগজে কাটাকুটি করে 'বি পজিটিভ' কেটে 'এ পজিটিভ' লিখে নেওয়ার পরামর্শ দেন এবং পরবর্তীতে নয়াপাড়ায় গিয়ে দেখা করতে বলেন। রোগীর পরিজনরা জালিয়াতি করতে রাজি না হয়ে ধর্মনগর হাসপাতালের ডিউটি ডাক্তারকে দিয়ে সংশোধনের কথা বললে ওই কর্মী বেঁকে বসেন। অবশেষে প্রায় দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর ওই কর্মী হাসপাতালে এসে নিজে কাগজে কাটাকুটি করে সংশোধন করলেও, নিজের ভুলের জন্য অনুতপ্ত না হয়ে উল্টে রোগীর পরিজনদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়েন। এই চরম গাফিলতি ও অভদ্র আচরণের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত কর্মীর কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।1
- উত্তর ত্রিপুরার কাঞ্চনপুরের সাতসঙ্গম কমিউনিটি হলে ত্রিপুরা টি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের ১০ মহকুমার সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।1
- হাঁপানিয়ার মনশ্রীর পর এবার ধলাই জেলার কমলপুরের ঈশিতা এসএমএ (SMA) রোগে আক্রান্ত হয়েছে। বর্তমানে তার চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে।1
- কৈলাশহরের লাটিয়াপুড়া এলাকার বাঁধ সংস্কারের কাজ দ্রুত শুরু না হলে ক্ষুব্ধ জনসাধারণ সংশ্লিষ্টদের ‘রাম ধোলাই’ দেবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৈলাশহর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিরজিৎ সিনহা। বাঁধের বর্তমান অবস্থা পরিদর্শন করার সময় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও যদি দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু না হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ চরমে পৌঁছাবে। এই পরিস্থিতিতে তিনি অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে, এলাকায় সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ক্রমাগত বাড়ছে। আর কোনও বিলম্ব না করে অবিলম্বে দ্রুত বাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু করার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী, যাতে ভবিষ্যতে বড় ধরনের কোনও ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়।1
- রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বছরের পর বছর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে হাজার হাজার স্পেশাল পুলিশ অফিসার বা এসপিওদের। এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব হয়ে শুক্রবার রাজধানীর পুলিশের মহা নির্দেশক বা ডিজিপি দপ্তরে ১০ দফা দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করেছে অল ত্রিপুরা এসপিও পরিবারের কল্যাণ সংস্থা। সংগঠনের সদস্যদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত স্বল্প ভাতার বিনিময়ে দায়িত্ব পালন করে গেলেও আজ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি নিয়মিত করা হয়নি। এমনকি পুলিশের অন্যান্য কর্মীদের মতো প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা থেকেও তাঁদের বঞ্চিত রাখা হয়েছে। এই পরিস্থিতির পরিবর্তনের দাবিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে ডিজিপির উদ্দেশ্যে ১০ দফা দাবিসংবলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। তবে সেদিন ডিজিপি দপ্তরে উপস্থিত না থাকায় তাঁর পরিবর্তে স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন ডিআইজি (হেডকোয়ার্টার্স)। এসপিওদের চাকরি নিয়মিতকরণ, পুলিশের সমতুল্য বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা দূর করার দাবি জানানো হয়েছে এই স্মারকলিপিতে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ইতিপূর্বে প্রশাসনের কাছে একাধিকবার দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই এবার দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে যে, অবিলম্বে এই দাবিগুলো পূরণ করা না হলে আগামী দিনে রাজ্যজুড়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হবেন এসপিওদের পরিবার ও সংগঠনের সদস্যরা।1