Shuru
Apke Nagar Ki App…
ত্রিপুরার উত্তর ত্রিপুরা জেলার পানিসাগরের একটি বার্তায় নতুন উদীয়মান স্টারমেকার বলরামকৃষ্ণ গোস্বামীকে লাইক, শেয়ার, কমেন্ট এবং ফলো করার জন্য সকলের কাছে প্রার্থনা জানানো হয়েছে। তাঁর সমস্ত সাফল্য এবং 'ডেয়ার মিশন'-এর ধাঁধা সমাধানের জন্য এই সমর্থন চাওয়া হয়েছে, যেখানে 'সিং করকে সিং'-এর উল্লেখ রয়েছে। এর পাশাপাশি এই বার্তায় একটি জীবনমুখী ও আধ্যাত্মিক উপদেশও দেওয়া হয়েছে। সকলের উদ্দেশে বলা হয়েছে যে, আমাদের ওপর কেবল ঈশ্বরের আশীর্বাদ রয়েছে এবং অন্যের ভালো করলে নিজেরই ভালো হয়। ঈশ্বরকে পরম দয়ালু হিসেবে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে যে, জীবনের একাদশতম সত্য হলো মৃত্যু এবং মানুষের মৃত্যুর পর কেবল তার কর্মই বেঁচে থাকে।
Bk goswami
ত্রিপুরার উত্তর ত্রিপুরা জেলার পানিসাগরের একটি বার্তায় নতুন উদীয়মান স্টারমেকার বলরামকৃষ্ণ গোস্বামীকে লাইক, শেয়ার, কমেন্ট এবং ফলো করার জন্য সকলের কাছে প্রার্থনা জানানো হয়েছে। তাঁর সমস্ত সাফল্য এবং 'ডেয়ার মিশন'-এর ধাঁধা সমাধানের জন্য এই সমর্থন চাওয়া হয়েছে, যেখানে 'সিং করকে সিং'-এর উল্লেখ রয়েছে। এর পাশাপাশি এই বার্তায় একটি জীবনমুখী ও আধ্যাত্মিক উপদেশও দেওয়া হয়েছে। সকলের উদ্দেশে বলা হয়েছে যে, আমাদের ওপর কেবল ঈশ্বরের আশীর্বাদ রয়েছে এবং অন্যের ভালো করলে নিজেরই ভালো হয়। ঈশ্বরকে পরম দয়ালু হিসেবে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে যে, জীবনের একাদশতম সত্য হলো মৃত্যু এবং মানুষের মৃত্যুর পর কেবল তার কর্মই বেঁচে থাকে।
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- ত্রিপুরার উত্তর ত্রিপুরা জেলার পানিসাগরের একটি বার্তায় নতুন উদীয়মান স্টারমেকার বলরামকৃষ্ণ গোস্বামীকে লাইক, শেয়ার, কমেন্ট এবং ফলো করার জন্য সকলের কাছে প্রার্থনা জানানো হয়েছে। তাঁর সমস্ত সাফল্য এবং 'ডেয়ার মিশন'-এর ধাঁধা সমাধানের জন্য এই সমর্থন চাওয়া হয়েছে, যেখানে 'সিং করকে সিং'-এর উল্লেখ রয়েছে। এর পাশাপাশি এই বার্তায় একটি জীবনমুখী ও আধ্যাত্মিক উপদেশও দেওয়া হয়েছে। সকলের উদ্দেশে বলা হয়েছে যে, আমাদের ওপর কেবল ঈশ্বরের আশীর্বাদ রয়েছে এবং অন্যের ভালো করলে নিজেরই ভালো হয়। ঈশ্বরকে পরম দয়ালু হিসেবে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে যে, জীবনের একাদশতম সত্য হলো মৃত্যু এবং মানুষের মৃত্যুর পর কেবল তার কর্মই বেঁচে থাকে।1
- উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে সরকারি হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকের চরম গাফিলতি, দায়িত্বজ্ঞানহীনতা এবং রোগীর পরিজনদের সাথে অভদ্র ব্যবহারের এক মারাত্মক চিত্র সামনে এসেছে। মুমূর্ষু রোগীর জন্য সঠিক রক্তের ব্যাগ দেওয়া হলেও, অফিশিয়াল সার্টিফিকেটে ভুল রক্তের গ্রুপ লিখে দেওয়ার কারণে চরম বিভ্রান্তি ও হয়রানির শিকার হতে হয় রোগীর পরিবারকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধর্মনগর হাসপাতাল চত্বরে তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ধর্মনগরের 'তক্ষশীলা' নামক একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শারমিন চৌধুরী নামে এক মুমূর্ষু রোগীর জন্য চিকিৎসকরা জরুরি ভিত্তিতে ‘এ পজিটিভ’ (A+) রক্ত জোগাড় করতে বলেন। মায়ের জন্য রক্ত আনতে উনার ছেলে রাজ চৌধুরী ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে গেলে সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী চরম বিরক্তি প্রকাশ করে তাঁর সাথে কথা কাটাকাটি করেন। রক্ত নিয়ে তক্ষশীলা হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা দেখেন, রক্তের ব্যাগে সবকিছু ঠিক থাকলেও ব্লাড ব্যাংক থেকে দেওয়া মূল সার্টিফিকেটে স্পষ্টাক্ষরে ‘বি পজিটিভ’ (B+) লেখা রয়েছে। তথ্যের এই মারাত্মক অমিল থাকায় বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সেই রক্ত গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায় এবং রোগীকে পুশ করতে বাধা দেয়। আতঙ্কিত হয়ে রাজ চৌধুরী জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে ফিরে গিয়ে সেটি বন্ধ পান। এরপর ফোনে দায়িত্বরত কর্মীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে রোগীকে নিজেই কাগজে কাটাকুটি করে 'বি পজিটিভ' কেটে 'এ পজিটিভ' লিখে নেওয়ার পরামর্শ দেন এবং পরবর্তীতে নয়াপাড়ায় গিয়ে দেখা করতে বলেন। রোগীর পরিজনরা জালিয়াতি করতে রাজি না হয়ে ধর্মনগর হাসপাতালের ডিউটি ডাক্তারকে দিয়ে সংশোধনের কথা বললে ওই কর্মী বেঁকে বসেন। অবশেষে প্রায় দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর ওই কর্মী হাসপাতালে এসে নিজে কাগজে কাটাকুটি করে সংশোধন করলেও, নিজের ভুলের জন্য অনুতপ্ত না হয়ে উল্টে রোগীর পরিজনদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়েন। এই চরম গাফিলতি ও অভদ্র আচরণের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত কর্মীর কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।1
- নিউজ ত্রিপুরা ২৪x৭ পরিবার সর্বদা আপনাদের সাথে এবং আপনাদের পাশেই রয়েছে। আপনাদের পাশে সবসময় থাকার এই আন্তরিক বার্তাটিই প্রকাশ করেছে নিউজ ত্রিপুরা ২৪x৭ পরিবার।1
- আসন্ন এডিসি ভিলেজ কাউন্সিল নির্বাচনকে সামনে রেখে ঊনকোটির তৈলেন বাড়িতে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি দলীয় সভার আয়োজন করা হয়েছে।1
- উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্ককে ঘিরে ফের গুরুতর গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। ধর্মনগরের স্থানীয় বাসিন্দা রাজ চৌধুরী তাঁর মুমূর্ষু মায়ের জন্য জরুরি ভিত্তিতে 'এ পজিটিভ' (A Positive) রক্ত সংগ্রহ করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হন। বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন গুরুতর অসুস্থ মায়ের জন্য ব্লাড ব্যাঙ্কের কর্মীর দুর্ব্যবহার ও অসহযোগিতা সত্ত্বেও বহু অনুরোধের পর তিনি রক্ত সংগ্রহ করেন। কিন্তু বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে রক্তের গ্রুপ 'এ পজিটিভ'-এর জায়গায় 'বি পজিটিভ' (B Positive) লেখা দেখে তিনি স্তম্ভিত হয়ে যান। এই ভুল নজরে আসতেই রাজ চৌধুরী দ্রুত পুনরায় ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে ফিরে যান। কিন্তু সেখানে কাউন্টার বন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর তিনি ফোনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওই কর্মী তাঁকে অন্য একটি স্থানে ডাকেন এবং বিষয়টি বিস্তারিত জানানো হলে অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে বলেন, "নিজেরাই ঠিক করে নিন, A Positive-এর জায়গায় B Positive লিখে নিন।" মুমূর্ষু রোগীর জীবন নিয়ে এমন চরম অসাবধানতা ও মন্তব্যকে অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে অভিযোগ তুলেছেন ক্ষুব্ধ রাজ চৌধুরী। এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে দীর্ঘদিন ধরেই সময়মতো রক্ত না পাওয়া, অব্যবস্থা এবং কর্মীদের দুর্ব্যবহারের মতো নানা অনিয়ম চলছে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে রাজ্য সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপের জোর দাবি জানিয়েছেন।1
- বিদ্যুৎ বেসরকারিকরণ বিল প্রত্যাহার, স্মার্টমিটার বাতিল এবং রাজ্য বিদ্যুৎ নিগমের সীমাহীন দুর্নীতি রোধের দাবিতে ধর্মনগরে এক গণ প্রতিরোধ অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করেছে ধর্মনগর জেলা কংগ্রেস। এই প্রতিবাদ কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ মাশুল ও চার্জ বৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। এই গণ প্রতিরোধ আন্দোলনের মঞ্চ থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে সরাসরি বিদ্যুৎ মন্ত্রীর পদত্যাগের জোরালো দাবি জানিয়েছেন আশীষ কুমার সাহা।1
- রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বছরের পর বছর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে হাজার হাজার স্পেশাল পুলিশ অফিসার বা এসপিওদের। এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব হয়ে শুক্রবার রাজধানীর পুলিশের মহা নির্দেশক বা ডিজিপি দপ্তরে ১০ দফা দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করেছে অল ত্রিপুরা এসপিও পরিবারের কল্যাণ সংস্থা। সংগঠনের সদস্যদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত স্বল্প ভাতার বিনিময়ে দায়িত্ব পালন করে গেলেও আজ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি নিয়মিত করা হয়নি। এমনকি পুলিশের অন্যান্য কর্মীদের মতো প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা থেকেও তাঁদের বঞ্চিত রাখা হয়েছে। এই পরিস্থিতির পরিবর্তনের দাবিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে ডিজিপির উদ্দেশ্যে ১০ দফা দাবিসংবলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। তবে সেদিন ডিজিপি দপ্তরে উপস্থিত না থাকায় তাঁর পরিবর্তে স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন ডিআইজি (হেডকোয়ার্টার্স)। এসপিওদের চাকরি নিয়মিতকরণ, পুলিশের সমতুল্য বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা দূর করার দাবি জানানো হয়েছে এই স্মারকলিপিতে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ইতিপূর্বে প্রশাসনের কাছে একাধিকবার দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই এবার দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে যে, অবিলম্বে এই দাবিগুলো পূরণ করা না হলে আগামী দিনে রাজ্যজুড়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হবেন এসপিওদের পরিবার ও সংগঠনের সদস্যরা।1