৩০ সেকেন্ডে ৬৬ বইয়ের নাম! India Book of Records-এ শিলিগুড়ির অনিন্দিতার নজির *৫৩-তেই রেকর্ড! ৩০.৫০ সেকেন্ডে ৬৬টি বাইবেলের বইয়ের নাম বলে India Book of Records-এ শিলিগুড়ির অনিন্দিতা* শিলিগুড়ির হাকিমপাড়ার বাসিন্দা অনিন্দিতা চ্যাটার্জী আবারও প্রমাণ করলেন, বয়স শুধুই সংখ্যা। ৫৩ বছর বয়সে মাত্র ৩০.৫০ সেকেন্ডে Holy Bible-এর ৬৬টি বইয়ের নাম সম্পূর্ণ বলে India Book of Records-এর ‘IBR Achiever’ খেতাব অর্জন করেছেন তিনি। এই অসাধারণ কৃতিত্বে শহরজুড়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ এর আগে যে রেকর্ড ছিল, তা হয়েছিল ৩৬ সেকেন্ডে এবং সেই প্রতিযোগীর বয়সও ছিল অনেক কম। ফলে অনিন্দিতার এই সাফল্য নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণার। ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীত ও নৃত্যের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক অনিন্দিতা চ্যাটার্জীর। বর্তমানে তিনি শিলিগুড়ির একজন বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী, বিশেষ করে রবীন্দ্রসঙ্গীতের জন্য শহরে তাঁর আলাদা পরিচিতি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে শিল্পীসত্তার চর্চার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজেও যুক্ত তিনি। রবীন্দ্রসঙ্গীত, নৃত্য ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য ইতিমধ্যেই একাধিক সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছেন। বহু গুণী মানুষের কাছে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে গড়ে তুলেছেন এই শিল্পী। তবে শুধু সংগীতেই নয়, ধর্মীয় ও সাহিত্যচর্চাতেও সমান আগ্রহ রয়েছে তাঁর। বাইবেল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন অনিন্দিতা। পাশাপাশি আগামী দিনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে বই লেখার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। নিজের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে নতুন কিছু করার ইচ্ছেই তাঁকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে বলে মনে করছেন পরিচিত মহল। অনিন্দিতা চ্যাটার্জী বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার কাছে খুবই আবেগের। দীর্ঘদিনের অনুশীলন, ধৈর্য আর একাগ্রতার ফল এই সাফল্য। আমি কখনও ভাবিনি বয়স একটা বাধা হতে পারে। বরং প্রতিদিন নিজেকে আরও ভালো করার চেষ্টা করেছি। আগামী দিনে আবার এই রেকর্ড ভাঙতে চাই। ইতিমধ্যেই World Book of Records-এ নাম তোলার প্রস্তুতি শুরু করেছি। এখন লক্ষ্য ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে ৬৬টি বইয়ের নাম সম্পূর্ণ বলা।” শিলিগুড়ির সাংস্কৃতিক জগতের পরিচিত মুখ অনিন্দিতা চ্যাটার্জীর এই সাফল্য এখন শহরের গর্ব। শিল্প, সাধনা ও আত্মবিশ্বাসের মিশেলে তিনি দেখিয়ে দিলেন, ইচ্ছাশক্তি থাকলে অসম্ভবও সম্ভব হয়ে ওঠে। আগামী দিনে বিশ্বমঞ্চে আরও বড় সাফল্য নিয়ে তিনি ফিরবেন, সেই আশাতেই এখন অপেক্ষায় তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা।
৩০ সেকেন্ডে ৬৬ বইয়ের নাম! India Book of Records-এ শিলিগুড়ির অনিন্দিতার নজির *৫৩-তেই রেকর্ড! ৩০.৫০ সেকেন্ডে ৬৬টি বাইবেলের বইয়ের নাম বলে India Book of Records-এ শিলিগুড়ির অনিন্দিতা* শিলিগুড়ির হাকিমপাড়ার বাসিন্দা অনিন্দিতা চ্যাটার্জী আবারও প্রমাণ করলেন, বয়স শুধুই সংখ্যা। ৫৩ বছর বয়সে মাত্র ৩০.৫০ সেকেন্ডে Holy Bible-এর ৬৬টি বইয়ের নাম সম্পূর্ণ বলে India Book of Records-এর ‘IBR Achiever’ খেতাব অর্জন করেছেন তিনি। এই অসাধারণ কৃতিত্বে শহরজুড়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ এর আগে যে রেকর্ড ছিল, তা হয়েছিল ৩৬ সেকেন্ডে এবং সেই প্রতিযোগীর বয়সও ছিল অনেক কম। ফলে অনিন্দিতার এই সাফল্য নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণার। ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীত ও নৃত্যের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক অনিন্দিতা চ্যাটার্জীর। বর্তমানে তিনি শিলিগুড়ির একজন বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী, বিশেষ করে রবীন্দ্রসঙ্গীতের জন্য শহরে তাঁর আলাদা পরিচিতি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে শিল্পীসত্তার চর্চার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজেও যুক্ত তিনি। রবীন্দ্রসঙ্গীত, নৃত্য ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য ইতিমধ্যেই একাধিক সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছেন। বহু গুণী মানুষের কাছে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে গড়ে তুলেছেন এই শিল্পী। তবে শুধু সংগীতেই নয়, ধর্মীয় ও সাহিত্যচর্চাতেও সমান আগ্রহ রয়েছে তাঁর। বাইবেল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন অনিন্দিতা। পাশাপাশি আগামী দিনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে বই লেখার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। নিজের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে নতুন কিছু করার ইচ্ছেই তাঁকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে বলে মনে করছেন পরিচিত মহল। অনিন্দিতা চ্যাটার্জী বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার কাছে খুবই আবেগের। দীর্ঘদিনের অনুশীলন, ধৈর্য আর একাগ্রতার ফল এই সাফল্য। আমি কখনও ভাবিনি বয়স একটা বাধা হতে পারে। বরং প্রতিদিন নিজেকে আরও ভালো করার চেষ্টা করেছি। আগামী দিনে আবার এই রেকর্ড ভাঙতে চাই। ইতিমধ্যেই World Book of Records-এ নাম তোলার প্রস্তুতি শুরু করেছি। এখন লক্ষ্য ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে ৬৬টি বইয়ের নাম সম্পূর্ণ বলা।” শিলিগুড়ির সাংস্কৃতিক জগতের পরিচিত মুখ অনিন্দিতা চ্যাটার্জীর এই সাফল্য এখন শহরের গর্ব। শিল্প, সাধনা ও আত্মবিশ্বাসের মিশেলে তিনি দেখিয়ে দিলেন, ইচ্ছাশক্তি থাকলে অসম্ভবও সম্ভব হয়ে ওঠে। আগামী দিনে বিশ্বমঞ্চে আরও বড় সাফল্য নিয়ে তিনি ফিরবেন, সেই আশাতেই এখন অপেক্ষায় তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা।
- মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির বাইরে জনজোয়ার, শান্তিকুঞ্জের বাইরের ছবি। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির বাইরে জনজোয়ার, শান্তিকুঞ্জের বাইরের ছবি।1
- ৩০ সেকেন্ডে ৬৬ বইয়ের নাম! India Book of Records-এ শিলিগুড়ির অনিন্দিতার নজির *৫৩-তেই রেকর্ড! ৩০.৫০ সেকেন্ডে ৬৬টি বাইবেলের বইয়ের নাম বলে India Book of Records-এ শিলিগুড়ির অনিন্দিতা* শিলিগুড়ির হাকিমপাড়ার বাসিন্দা অনিন্দিতা চ্যাটার্জী আবারও প্রমাণ করলেন, বয়স শুধুই সংখ্যা। ৫৩ বছর বয়সে মাত্র ৩০.৫০ সেকেন্ডে Holy Bible-এর ৬৬টি বইয়ের নাম সম্পূর্ণ বলে India Book of Records-এর ‘IBR Achiever’ খেতাব অর্জন করেছেন তিনি। এই অসাধারণ কৃতিত্বে শহরজুড়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ এর আগে যে রেকর্ড ছিল, তা হয়েছিল ৩৬ সেকেন্ডে এবং সেই প্রতিযোগীর বয়সও ছিল অনেক কম। ফলে অনিন্দিতার এই সাফল্য নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণার। ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীত ও নৃত্যের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক অনিন্দিতা চ্যাটার্জীর। বর্তমানে তিনি শিলিগুড়ির একজন বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী, বিশেষ করে রবীন্দ্রসঙ্গীতের জন্য শহরে তাঁর আলাদা পরিচিতি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে শিল্পীসত্তার চর্চার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজেও যুক্ত তিনি। রবীন্দ্রসঙ্গীত, নৃত্য ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য ইতিমধ্যেই একাধিক সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছেন। বহু গুণী মানুষের কাছে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে গড়ে তুলেছেন এই শিল্পী। তবে শুধু সংগীতেই নয়, ধর্মীয় ও সাহিত্যচর্চাতেও সমান আগ্রহ রয়েছে তাঁর। বাইবেল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন অনিন্দিতা। পাশাপাশি আগামী দিনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে বই লেখার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। নিজের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে নতুন কিছু করার ইচ্ছেই তাঁকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে বলে মনে করছেন পরিচিত মহল। অনিন্দিতা চ্যাটার্জী বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার কাছে খুবই আবেগের। দীর্ঘদিনের অনুশীলন, ধৈর্য আর একাগ্রতার ফল এই সাফল্য। আমি কখনও ভাবিনি বয়স একটা বাধা হতে পারে। বরং প্রতিদিন নিজেকে আরও ভালো করার চেষ্টা করেছি। আগামী দিনে আবার এই রেকর্ড ভাঙতে চাই। ইতিমধ্যেই World Book of Records-এ নাম তোলার প্রস্তুতি শুরু করেছি। এখন লক্ষ্য ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে ৬৬টি বইয়ের নাম সম্পূর্ণ বলা।” শিলিগুড়ির সাংস্কৃতিক জগতের পরিচিত মুখ অনিন্দিতা চ্যাটার্জীর এই সাফল্য এখন শহরের গর্ব। শিল্প, সাধনা ও আত্মবিশ্বাসের মিশেলে তিনি দেখিয়ে দিলেন, ইচ্ছাশক্তি থাকলে অসম্ভবও সম্ভব হয়ে ওঠে। আগামী দিনে বিশ্বমঞ্চে আরও বড় সাফল্য নিয়ে তিনি ফিরবেন, সেই আশাতেই এখন অপেক্ষায় তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা।1
- পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে অনিত থাপা GTA-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি বিমল গুরুংকে ২০১১ সাল থেকে GTA-তে ঘটে যাওয়া সব ঘটনা সরকারকে জানাতে বলেছেন এবং ইঙ্গিত দিয়েছেন যে BGPM দল একটি 'বড় ব্যবস্থাতেও' নির্বাচনে লড়তে প্রস্তুত। থাপা আরও জোর দিয়েছেন যে রাজ্য সরকারের সহযোগিতা ছাড়া GTA কাজ করতে পারবে না।1
- দার্জিলিং জেলার নকশালবাড়িতে এক পারিবারিক বিবাদকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ, এই ব্যক্তিগত সংঘাতে রাজনৈতিক রঙ লাগানোর চেষ্টা হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও ঘোরালো করে তুলেছে।1
- পশ্চিমবঙ্গে একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির একটি আবেগঘন ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটিতে দাবি করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে প্রণাম জানানোর পরও কোনও জবাব না পেয়ে তাঁর চোখে জল এসে যায়, যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা চলছে। যদিও এই ঘটনার সত্যতা এখনও যাচাই করা হয়নি, তবু এটি রাজনৈতিক মহলে তীব্র কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।1
- জলপাইগুড়িতে একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। নির্মাতা দর্শকদের ভিডিওটি পছন্দ, শেয়ার এবং মন্তব্য করার অনুরোধ জানিয়েছেন, পাশাপাশি পেজটি ফলো করতেও বলেছেন।1
- বাংলায় বিজেপির ক্ষমতা দখল। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। অসামান্য এই জয়ের ফলে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন এলাকায় জয়ের উচ্ছ্বাস চোখে পড়েছে। রবিবার ময়নাগুড়ি বিধানসভার বার্নিশ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৬/ ১১৪ নং বুথে বিজয় মিছিল করলেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। বুথের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে গেরুয়া আবির খেলায় মাতলেন সমর্থকেরা।1
- সরকার গঠনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সেবক ব্রিজে বড় পদক্ষেপউত্তরবঙ্গের অন্যতম ঐতিহাসিক সেবক করোনেশন ব্রিজ তথা বাঘপুলকে ঘিরে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হলো।! নতুন সরকার গঠনের পরেই উত্তরবঙ্গের অন্যতম ঐতিহাসিক সেবক করোনেশন ব্রিজ তথা বাঘপুলকে ঘিরে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হলো। শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজেপির প্রথম সরকার গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। দায়িত্ব গ্রহণের পরই উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্যোগী হয় প্রশাসন। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই ডুয়ার্সের বিভিন্ন নদী থেকে অবৈধভাবে বালি ও পাথর উত্তোলন করে ভারী যানবাহনের মাধ্যমে সেগুলি উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় পাচার করা হচ্ছিল। অভিযোগ, সেই কাজের জন্য ব্যবহার করা হতো সেবক করোনেশন ব্রিজকে। এর আগেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভারী যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করতে সেতুর ওপর হাইট বার বসানো হয়েছিল। কিন্তু এক শ্রেণীর অসাধু বালি-পাথর মাফিয়া নিজেদের স্বার্থে সেই হাইট বার ভেঙে দেয় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। উল্লেখ্য, ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এই ঐতিহাসিক করোনেশন ব্রিজ বর্তমানে দুর্বল হয়ে পড়েছে। সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর প্রশাসন ভারী যান চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। সেই কারণেই পুনরায় সেতুর ওপর বসানো হলো হাইট বার, যাতে ভারী ট্রাক বা অতিরিক্ত ওজনের গাড়ি আর সহজে যাতায়াত করতে না পারে। নতুন সরকার গঠনের পরেই এই পদক্ষেপ ঘিরে এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অনেকের মতে, অবৈধ বালি-পাথর পাচার রুখতে এবং ঐতিহাসিক সেতুকে রক্ষা করতেই এই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।1