“জয় নিশ্চিত” — দিনহাটার রোড শো থেকে আত্মবিশ্বাসী অজয় রায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে শেষ দিনের প্রচারে দিনহাটা শহরে জোরদার শক্তি প্রদর্শন করল বিজেপি। এদিন দলের প্রার্থী অজয় রায়ের নেতৃত্বে একটি বিশাল রোড শো শহরের হিপার এলাকা থেকে শুরু হয়ে গোটা দিনহাটা শহর পরিক্রমা করে। খোলা ট্রাকে দাঁড়িয়ে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন বিজেপি প্রার্থী। পথে পথে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান এবং আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন তিনি। রোড শোকে ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। এদিন অজয় রায় বলেন, “আমাদের জয় নিশ্চিত। দিনহাটার মানুষ অত্যন্ত রাজনৈতিকভাবে সচেতন এবং তারা পরিবর্তন চায়। অতীতে যেভাবে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের কারণে অনেকেই ভোট দিতে পারেননি, এবার সেই পরিস্থিতি নেই। নির্বাচন কমিশন যথেষ্ট সক্রিয় ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে, ফলে মানুষ নির্বিঘ্নে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।” নির্বাচনের আগে শেষ মুহূর্তে এই রোড শো বিজেপির শক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি ভোটারদের কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
“জয় নিশ্চিত” — দিনহাটার রোড শো থেকে আত্মবিশ্বাসী অজয় রায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে শেষ দিনের প্রচারে দিনহাটা শহরে জোরদার শক্তি প্রদর্শন করল বিজেপি। এদিন দলের প্রার্থী অজয় রায়ের নেতৃত্বে একটি বিশাল রোড শো শহরের হিপার এলাকা থেকে শুরু হয়ে গোটা দিনহাটা শহর পরিক্রমা করে। খোলা ট্রাকে দাঁড়িয়ে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন বিজেপি প্রার্থী। পথে পথে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান এবং আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন তিনি। রোড শোকে ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। এদিন অজয় রায় বলেন, “আমাদের জয় নিশ্চিত। দিনহাটার মানুষ অত্যন্ত রাজনৈতিকভাবে সচেতন এবং তারা পরিবর্তন চায়। অতীতে যেভাবে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের কারণে অনেকেই ভোট দিতে পারেননি, এবার সেই পরিস্থিতি নেই। নির্বাচন কমিশন যথেষ্ট সক্রিয় ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে, ফলে মানুষ নির্বিঘ্নে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।” নির্বাচনের আগে শেষ মুহূর্তে এই রোড শো বিজেপির শক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি ভোটারদের কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
- বাঁশি ছেড়ে জোড়া ফুলে। আমজনতা উন্নয়ন পার্টির সীতাই বিধানসভার প্রার্থী যোগ দিলেন তৃণমূলে। সিতাই বিধানসভা কেন্দ্র প্রার্থী মানিক রায় এদিন তৃণমূল নেতা নুর আলম হোসেনের হাত ধরে যোগ দেয় তৃণমূল কংগ্রেসে বলে জানা গিয়েছে।1
- কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী রথীন্দ্রনাথ বোসের সমর্থনে কোচবিহার শহরে নির্বাচনে প্রচারে আসলেন হেমা মালিনী। এদিন কোচবিহার জেলা বিজেপি কার্যালয় থেকে তিনি রোড শো শুরু করে শহর পরিক্রমা করেন। মূলত এই রোড শো কেন্দ্র করে রাস্তার দু'ধারে উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা যায়।1
- বিধানসভা নির্বাচনের আগে শেষ দিনের প্রচারে দিনহাটা শহরে জোরদার শক্তি প্রদর্শন করল বিজেপি। এদিন দলের প্রার্থী অজয় রায়ের নেতৃত্বে একটি বিশাল রোড শো শহরের হিপার এলাকা থেকে শুরু হয়ে গোটা দিনহাটা শহর পরিক্রমা করে। খোলা ট্রাকে দাঁড়িয়ে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন বিজেপি প্রার্থী। পথে পথে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান এবং আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন তিনি। রোড শোকে ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। এদিন অজয় রায় বলেন, “আমাদের জয় নিশ্চিত। দিনহাটার মানুষ অত্যন্ত রাজনৈতিকভাবে সচেতন এবং তারা পরিবর্তন চায়। অতীতে যেভাবে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের কারণে অনেকেই ভোট দিতে পারেননি, এবার সেই পরিস্থিতি নেই। নির্বাচন কমিশন যথেষ্ট সক্রিয় ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে, ফলে মানুষ নির্বিঘ্নে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।” নির্বাচনের আগে শেষ মুহূর্তে এই রোড শো বিজেপির শক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি ভোটারদের কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।1
- coochbehar banchukamari te light nei1
- *কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী রথীন্দ্রনাথ বোসের সমর্থনে কোচবিহার শহরে নির্বাচনে প্রচারে আসলেন হেমা মালিনী।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিনে মাথাভাঙ্গা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সাবলু বর্মনের র্যালি1
- আট বছরের দাম্পত্য জীবনের পরিণতি এমন নৃশংসতায় গড়াবে, তা কল্পনাও করতে পারেননি প্রতিবেশীরা। পারিবারিক অশান্তিকে কেন্দ্র করে স্ত্রীকে কেচি দিয়ে বুকে আঘাত করে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই স্বামী- তার স্ত্রীর বিবাদ করতেন । কিন্তু মঙ্গলবার সেই অশান্তি চরম সীমা ছাড়ায়। অভিযোগ, সামান্য বচসার জেরে হঠাৎই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে স্বামী। পরবর্তীতে শ্বশুরবাড়িতে এসে বাড়িতে থাকা কেচি তুলে নিয়ে নির্বিচারে স্ত্রীর বুকে আঘাত করে সে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন মহিলা। চিৎকার শুনে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। গুরুতর জখম অবস্থায় মহিলাকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর অবস্থা সংকটজনক। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, দীর্ঘদিনের দাম্পত্য কলহই এই হিংস্র ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে। যদিও সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত চালানো হচ্ছে। এই নৃশংস ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের বক্তব্য, পারিবারিক বিবাদের জেরে এভাবে খুনের চেষ্টা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে সর্বত্র।1