Shuru
Apke Nagar Ki App…
রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণকে ঘিরে নদীয়ার নবদ্বীপে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। বিজেপি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি মিষ্টি বিতরণ করেছেন এবং বিভিন্ন এলাকায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। এই ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পালাবদল ঘিরে জেলাজুড়ে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে।
Gopal Biswas
রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণকে ঘিরে নদীয়ার নবদ্বীপে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। বিজেপি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি মিষ্টি বিতরণ করেছেন এবং বিভিন্ন এলাকায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। এই ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পালাবদল ঘিরে জেলাজুড়ে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্য ও লোকবিশ্বাসকে ধারণ করে বুধবার নবদ্বীপে পালিত হলো ঐতিহ্যবাহী দশহরা গঙ্গাপুজো। জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের দশমী তিথিতে গঙ্গার মর্ত্যে অবতরণকে স্মরণ করে পালিত এই পুজোয় বিভিন্ন ঘাটে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ঢল নামে, যা দিনভর নবদ্বীপকে উৎসবমুখর করে তোলে। ইতিহাসবিদদের মতে, সেন যুগ থেকেই নবদ্বীপে দশহরা উপলক্ষে গঙ্গাপুজোর প্রচলন রয়েছে। সে সময় নদীপথ বাণিজ্যের প্রধান মাধ্যম হওয়ায় বণিকেরা নিরাপদ যাত্রা ও ব্যবসার সাফল্য কামনায় গঙ্গামাতার আরাধনা করতেন। পৌরাণিক বিশ্বাস ও এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটই নবদ্বীপের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে রয়েছে। এ বছরও নবদ্বীপের রানীর ঘাট, শ্রীবাস অঙ্গন ঘাট, দেয়ারাপাড়া, ফাঁসিতলা-সহ একাধিক গঙ্গার ঘাটে গঙ্গামাতার পুজোর আয়োজন করা হয়। সুদৃশ্য প্রতিমা, ধর্মীয় আচার, ঢাকের বাদ্যি এবং ভক্তদের ভিড়ে ঘাটগুলি উৎসবের আমেজে ভরে ওঠে। পুজোকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ঘাটে বসেছিল অস্থায়ী মেলা, যেখানে খেলনা, মিষ্টি, গৃহস্থালীর সামগ্রী ও নানা পণ্যের দোকানে ছিল চোখে পড়ার মতো ভিড়। বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্র ছিল শ্রীবাস অঙ্গন ঘাটের সবজি ব্যবসায়ীদের আয়োজিত গঙ্গাপুজো, যার ঐতিহ্য ৬৯ বছরেরও বেশি পুরনো। এই পুজোয় এবারও সু-উচ্চ গঙ্গামাতার প্রতিমা, ঢাক ও ব্যান্ডপার্টির আয়োজন ছিল। পুজো কমিটির সদস্য প্রসেনজিৎ সাহা জানান যে, গৌরাঙ্গ সেতু নির্মাণের আগে সবজি ব্যবসায়ীরা নৌকায় করেই গঙ্গা পারাপার করতেন এবং নদীপথে বিপদ এড়ানোর প্রার্থনাতেই এই পুজোর সূচনা হয়েছিল। আজও সেই ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রয়েছে। এই উৎসবকে ঘিরে শহরের বিভিন্ন গঙ্গার ঘাটে কড়া প্রশাসনিক নজরদারি ছিল। পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সমস্ত অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। নবদ্বীপের দশহরা গঙ্গাপুজো কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, এটি শহরের ইতিহাস, নদীকেন্দ্রিক জীবনযাত্রা এবং লোকঐতিহ্যের এক জীবন্ত স্মারক, যা প্রতি বছর হাজারো মানুষকে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবের আনন্দে মাতিয়ে তোলে।1
- গতকাল, নিজের কন্যার খুনের বিচার চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছিলেন তামান্নার মা। এই সাক্ষাতের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই এই ঘটনায় আরও দুজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তামান্নার মায়ের সাথে 'ডিজি'র সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে দেন। সদ্য গ্রেপ্তার হওয়া এই দুই অভিযুক্তের নাম সাবির শেখ ও জিয়ারুল শেখ। তাদেরকে আজ কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে পেশ করা হয় এবং দশদিনের পুলিশি হেফাজত চাওয়া হয়। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যদিও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল মোট ২৪ জনের বিরুদ্ধে। তামান্নার মায়ের মুখ্যমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎকারের ভিডিও এবং তামান্না ও তার মায়ের ছবি এই খবরের সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে, যা সংগৃহীত।1
- উলুবেড়িয়ার বিধায়ক ঋতব্রত ব্যানার্জীর হাত ধরে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরে নাম লেখানোর পর এবার চাপড়ার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক জেবের শেখও একই পথে হেঁটেছেন। মহুয়া মৈত্রের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত জেবের শেখের এই যোগদানকে বিজেপির দিকে তার যাত্রার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে, উলুবেড়িয়ার বিধায়ক ঋতব্রত ব্যানার্জী বহু তৃণমূল বিধায়ককে নিয়ে বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। এই ধারাবাহিক ঘটনায় চাপড়ার বিধায়কের এই পদক্ষেপ বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। কৃষ্ণনগরের সংসদ সদস্য মহুয়া মৈত্র এই বিষয়ে কী বলেছেন, এমন প্রশ্ন উঠলেও, মূল খবরে এই প্রসঙ্গে তার কোনো বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি।1
- প্রতিবছরের মতো এই বছরও পবিত্র দশহরা তিথিতে গুপ্তিপাড়ায় গঙ্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই পবিত্র গঙ্গাপূজা গুপ্তিপাড়ার খেয়াঘাট এলাকায় আয়োজিত হয়।1
- এখন সগুনা বাজারে সরকার অনুমোদিত 'প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জন ঔষধি কেন্দ্র' চালু হয়েছে। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রয়োজনীয় সমস্ত জীবনদায়ী ওষুধ বাজার মূল্যের তুলনায় ৫০% থেকে ৯০% পর্যন্ত কম দামে সংগ্রহ করতে পারবেন, যা তাদের জন্য আশার আলো নিয়ে এসেছে। এখানে ২০০০-র বেশি গুণমানসম্পন্ন ওষুধ এবং ৩০০-র বেশি উন্নতমানের অস্ত্রোপচারের সামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে। নিশ্চিত করা হয়েছে যে প্রতিটি ওষুধই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) দ্বারা সার্টিফাইড এবং উচ্চমানের ল্যাবরেটরি দ্বারা পরীক্ষিত।1
- মঙ্গলবার গভীর রাতে নবদ্বীপ গৌরাঙ্গ সেতু রোড সংলগ্ন কেশবজী গৌড়ীয় মঠের কাছে গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৩৫ কেজি নিষিদ্ধ গাঁজা উদ্ধার করেছে নবদ্বীপ থানার পুলিশ। এই ঘটনায় একটি লরি এবং একটি স্করপিও গাড়ি আটক করা হয়েছে এবং মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উড়িষ্যা থেকে এরাজ্যে গাঁজা পাচারের ছক ভেস্তে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে গৌরাঙ্গ সেতু রোড এলাকায় নজরদারি শুরু করার পর একটি সন্দেহভাজন লরি এবং তার সঙ্গে থাকা একটি স্করপিও গাড়িকে আটক করা হয়। লরিতে তল্লাশি চালিয়ে শতাধিক তুষের বস্তার আড়ালে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা গাঁজার প্যাকেট পাওয়া যায়, যেগুলি উদ্ধার করে ওজন করলে প্রায় ১৩৫ কেজি নিষিদ্ধ গাঁজা পাওয়া যায়। তদন্তে প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, উদ্ধার হওয়া গাঁজার চালানটি উড়িষ্যা থেকে নদীয়ার উপর দিয়ে মুর্শিদাবাদের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। লরিটিকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে স্করপিও গাড়িটি এসকর্ট হিসেবে সামনে-পেছনে ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিক অনুমান। ঘটনাস্থল থেকে লরিতে থাকা তিনজন এবং স্করপিওতে থাকা চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার ধৃতদের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে আদালতে পেশ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের মধ্যে নদীয়ার থানারপাড়া এলাকার মিঠুন খান, শাহাদাত মণ্ডল, মনোহর বিশ্বাস ও মানারুল শেখ রয়েছেন। এছাড়া, মুর্শিদাবাদ জেলার নওদা থানা এলাকার আমির, সোহেল খান, রাহুল মণ্ডল ও শোয়েব মণ্ডলের নামও ধৃতদের তালিকায় রয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনার খবর পেয়ে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। তদন্তকারী আধিকারিকরা এই মাদক পাচারচক্রের মূল হোতাদের খুঁজছেন এবং এর সাথে কোনও আন্তঃরাজ্য মাদকচক্রের যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন।1
- গয়েশপুর অঞ্চলে একসময় তৃণমূলের ত্রাস হিসেবে পরিচিত প্রাক্তন টাউন সভাপতি মিন্টু দে-কে তৃণমূলের যুব অফিসে বসে থাকতে দেখে সাধারণ মানুষ ও বিজেপি কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ জনতা তাকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায়, চর-থাপ্পড় মারা হয়, মারধর করে তার গেঞ্জি খুলে নেওয়া হয় এবং শুরু হয় 'ডিম থেরাপি'। মিন্টু দে-র বিরুদ্ধে মানুষকে ভয় দেখানো, মারধর করা এবং সরকারি জমি বিক্রি করে লোক বসানোর মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তিনি গয়েশপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মরণ দে-র ভাই। এই ঘটনায় তৃণমূলের নেপাল নামে আরেকজনকেও সাধারণ মানুষ মারধর করে, তবে সে কোনোমতে সেখান থেকে পালিয়ে বাঁচেন। অন্যদিকে, গতকাল রাতে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর টুম্পার বাড়িতে চড়াও হয় এলাকার প্রায় ৫০-৬০ জন লোক। পম্পার অভিযোগ, জনতা বাড়ি ঘেরাও করে ভাঙচুর চালায়, জানালার কাঁচ ভেঙে দেয় এবং বাইরে রাখা মোটর বাইকও ভাঙচুর করে। সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও সেগুলিও ভেঙে ফেলা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বিক্ষোভকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।1