মঙ্গলবার গভীর রাতে নবদ্বীপ গৌরাঙ্গ সেতু রোড সংলগ্ন কেশবজী গৌড়ীয় মঠের কাছে গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৩৫ কেজি নিষিদ্ধ গাঁজা উদ্ধার করেছে নবদ্বীপ থানার পুলিশ। এই ঘটনায় একটি লরি এবং একটি স্করপিও গাড়ি আটক করা হয়েছে এবং মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উড়িষ্যা থেকে এরাজ্যে গাঁজা পাচারের ছক ভেস্তে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে গৌরাঙ্গ সেতু রোড এলাকায় নজরদারি শুরু করার পর একটি সন্দেহভাজন লরি এবং তার সঙ্গে থাকা একটি স্করপিও গাড়িকে আটক করা হয়। লরিতে তল্লাশি চালিয়ে শতাধিক তুষের বস্তার আড়ালে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা গাঁজার প্যাকেট পাওয়া যায়, যেগুলি উদ্ধার করে ওজন করলে প্রায় ১৩৫ কেজি নিষিদ্ধ গাঁজা পাওয়া যায়। তদন্তে প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, উদ্ধার হওয়া গাঁজার চালানটি উড়িষ্যা থেকে নদীয়ার উপর দিয়ে মুর্শিদাবাদের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। লরিটিকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে স্করপিও গাড়িটি এসকর্ট হিসেবে সামনে-পেছনে ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিক অনুমান। ঘটনাস্থল থেকে লরিতে থাকা তিনজন এবং স্করপিওতে থাকা চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার ধৃতদের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে আদালতে পেশ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের মধ্যে নদীয়ার থানারপাড়া এলাকার মিঠুন খান, শাহাদাত মণ্ডল, মনোহর বিশ্বাস ও মানারুল শেখ রয়েছেন। এছাড়া, মুর্শিদাবাদ জেলার নওদা থানা এলাকার আমির, সোহেল খান, রাহুল মণ্ডল ও শোয়েব মণ্ডলের নামও ধৃতদের তালিকায় রয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনার খবর পেয়ে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। তদন্তকারী আধিকারিকরা এই মাদক পাচারচক্রের মূল হোতাদের খুঁজছেন এবং এর সাথে কোনও আন্তঃরাজ্য মাদকচক্রের যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন।
মঙ্গলবার গভীর রাতে নবদ্বীপ গৌরাঙ্গ সেতু রোড সংলগ্ন কেশবজী গৌড়ীয় মঠের কাছে গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৩৫ কেজি নিষিদ্ধ গাঁজা উদ্ধার করেছে নবদ্বীপ থানার পুলিশ। এই ঘটনায় একটি লরি এবং একটি স্করপিও গাড়ি আটক করা হয়েছে এবং মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উড়িষ্যা থেকে এরাজ্যে গাঁজা পাচারের ছক ভেস্তে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে গৌরাঙ্গ সেতু রোড এলাকায় নজরদারি শুরু করার পর একটি সন্দেহভাজন লরি এবং তার সঙ্গে থাকা একটি স্করপিও গাড়িকে আটক করা হয়। লরিতে তল্লাশি চালিয়ে শতাধিক তুষের বস্তার আড়ালে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা গাঁজার প্যাকেট পাওয়া যায়, যেগুলি উদ্ধার করে ওজন করলে প্রায় ১৩৫ কেজি নিষিদ্ধ গাঁজা পাওয়া যায়। তদন্তে প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, উদ্ধার হওয়া গাঁজার চালানটি উড়িষ্যা থেকে নদীয়ার উপর দিয়ে মুর্শিদাবাদের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। লরিটিকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে স্করপিও গাড়িটি এসকর্ট হিসেবে সামনে-পেছনে ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিক অনুমান। ঘটনাস্থল থেকে লরিতে থাকা তিনজন এবং স্করপিওতে থাকা চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার ধৃতদের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে আদালতে পেশ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের মধ্যে নদীয়ার থানারপাড়া এলাকার মিঠুন খান, শাহাদাত মণ্ডল, মনোহর বিশ্বাস ও মানারুল শেখ রয়েছেন। এছাড়া, মুর্শিদাবাদ জেলার নওদা থানা এলাকার আমির, সোহেল খান, রাহুল মণ্ডল ও শোয়েব মণ্ডলের নামও ধৃতদের তালিকায় রয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনার খবর পেয়ে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। তদন্তকারী আধিকারিকরা এই মাদক পাচারচক্রের মূল হোতাদের খুঁজছেন এবং এর সাথে কোনও আন্তঃরাজ্য মাদকচক্রের যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন।
- মঙ্গলবার গভীর রাতে নবদ্বীপ গৌরাঙ্গ সেতু রোড সংলগ্ন কেশবজী গৌড়ীয় মঠের কাছে গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৩৫ কেজি নিষিদ্ধ গাঁজা উদ্ধার করেছে নবদ্বীপ থানার পুলিশ। এই ঘটনায় একটি লরি এবং একটি স্করপিও গাড়ি আটক করা হয়েছে এবং মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উড়িষ্যা থেকে এরাজ্যে গাঁজা পাচারের ছক ভেস্তে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে গৌরাঙ্গ সেতু রোড এলাকায় নজরদারি শুরু করার পর একটি সন্দেহভাজন লরি এবং তার সঙ্গে থাকা একটি স্করপিও গাড়িকে আটক করা হয়। লরিতে তল্লাশি চালিয়ে শতাধিক তুষের বস্তার আড়ালে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা গাঁজার প্যাকেট পাওয়া যায়, যেগুলি উদ্ধার করে ওজন করলে প্রায় ১৩৫ কেজি নিষিদ্ধ গাঁজা পাওয়া যায়। তদন্তে প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, উদ্ধার হওয়া গাঁজার চালানটি উড়িষ্যা থেকে নদীয়ার উপর দিয়ে মুর্শিদাবাদের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। লরিটিকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে স্করপিও গাড়িটি এসকর্ট হিসেবে সামনে-পেছনে ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিক অনুমান। ঘটনাস্থল থেকে লরিতে থাকা তিনজন এবং স্করপিওতে থাকা চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার ধৃতদের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে আদালতে পেশ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের মধ্যে নদীয়ার থানারপাড়া এলাকার মিঠুন খান, শাহাদাত মণ্ডল, মনোহর বিশ্বাস ও মানারুল শেখ রয়েছেন। এছাড়া, মুর্শিদাবাদ জেলার নওদা থানা এলাকার আমির, সোহেল খান, রাহুল মণ্ডল ও শোয়েব মণ্ডলের নামও ধৃতদের তালিকায় রয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনার খবর পেয়ে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। তদন্তকারী আধিকারিকরা এই মাদক পাচারচক্রের মূল হোতাদের খুঁজছেন এবং এর সাথে কোনও আন্তঃরাজ্য মাদকচক্রের যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন।1
- উলুবেড়িয়ার বিধায়ক ঋতব্রত ব্যানার্জীর হাত ধরে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরে নাম লেখানোর পর এবার চাপড়ার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক জেবের শেখও একই পথে হেঁটেছেন। মহুয়া মৈত্রের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত জেবের শেখের এই যোগদানকে বিজেপির দিকে তার যাত্রার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে, উলুবেড়িয়ার বিধায়ক ঋতব্রত ব্যানার্জী বহু তৃণমূল বিধায়ককে নিয়ে বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। এই ধারাবাহিক ঘটনায় চাপড়ার বিধায়কের এই পদক্ষেপ বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। কৃষ্ণনগরের সংসদ সদস্য মহুয়া মৈত্র এই বিষয়ে কী বলেছেন, এমন প্রশ্ন উঠলেও, মূল খবরে এই প্রসঙ্গে তার কোনো বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি।1
- নদীয়ার করিমপুরে তৃণমূল নেত্রী ও নদীয়া জেলা পরিষদের সদস্য টিনা ভৌমিক সাহার পৈত্রিক গৃহ থেকে তিন কেজিরও বেশি সোনা উদ্ধার হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ সোনার বর্তমান বাজার মূল্য চার কোটি টাকারও বেশি। পূর্বের তোলাবাজির অভিযোগে ধৃত, বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র ও তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তকে জেরা করে এই সোনার সন্ধান পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, মহিলা সব্যসাচী দত্তের বান্ধবী। গতকাল, অর্থাৎ ২২/০৬/২৬ তারিখে সারা রাত ধরে বিধাননগর এবং করিমপুর থানার পুলিশ যৌথভাবে টিনা ভৌমিক সাহার বাড়িতে তল্লাশি চালায়। তল্লাশির সময় সব্যসাচী দত্তকেও ওই বাড়িতে আনা হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া সোনার ভিডিও এবং অন্যান্য ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে। এই লেখনী ও ভিডিও এডিটিং করেছেন অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1
- নাকাশিপাড়ায় সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সংঘের পক্ষ থেকে সরকারকে জাতীয়তাবাদী অভিনন্দন জানানো হয়েছে। এই অভিনন্দন জানানো হয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০% ডিএ (ডিয়ারনেস অ্যালাউন্স) বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের পর।1
- প্রতিবছরের মতো এই বছরও পবিত্র দশহরা তিথিতে গুপ্তিপাড়ায় গঙ্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই পবিত্র গঙ্গাপূজা গুপ্তিপাড়ার খেয়াঘাট এলাকায় আয়োজিত হয়।1
- বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে বুধবার হরিহরপাড়ার অটোচালকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। চালকদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এই হঠাৎ সিদ্ধান্তে বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়বে, বিশেষ করে ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনা চালকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কিষাণ মান্ডি মাঠে শতাধিক অটো দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ দেখান চালকরা, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদেরও ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। চালকরা হরিহরপাড়া-বহরমপুর রুটের অটোগুলিকে শহরে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। এই পরিস্থিতির উপর হরিহরপাড়া থানার পুলিশ নজর রাখছে।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার রেজিনগর থেকে বেলডাঙা এবং বহরমপুর পর্যন্ত NH12-এর উপর প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে ট্যাক্সি, লরি, বাস, মোটর ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। এত ব্যাপক যানচলাচল সত্ত্বেও, এই দীর্ঘ পথে সিগন্যাল লাইট জ্বালানোর জন্য কোনো ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন নেই। এই চরম অব্যবস্থার ফলস্বরূপ প্রতিদিন এক-দু'জন মানুষ পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন। এই গুরুতর পরিস্থিতি মোকাবিলায় NH12-এ ট্রাফিক পুলিশ ও সিগন্যাল লাইটের ব্যবহার অবিলম্বে শুরু করা অত্যন্ত প্রয়োজন।1
- নদীয়ার নবদ্বীপে গৌরাঙ্গ সেতুর কাছে মঙ্গলবার রাতে এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় বালিবোঝাই লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে এক তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। দ্রুতগতির লরির ধাক্কায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ওই তরুণী, যেখানে মোটরসাইকেল চালক গুরুতর আতঙ্কিত ও আহত হন। এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং খবর পেয়ে নবদ্বীপ থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে মৃত তরুণীর নাম মধু হালদার বলে জানা গেছে, যাঁর বাড়ি নবদ্বীপের ভরপাড়া এলাকায়। তাঁর বাবা পেশায় মাছ বিক্রেতা। আহত যুবকের নাম অনিকেত রায়, যিনি নবদ্বীপের প্রফুল্লনগর এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, অনিকেত ও মধু মোটরসাইকেলে করে গৌরাঙ্গ সেতু এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেতুর পাশে কিছু সময় কাটিয়ে চা পান করার পর তাঁরা বাড়ির পথে রওনা হন। নবদ্বীপের তোরণ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছানোর পরই কৃষ্ণনগরের দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির বালিবোঝাই লরি তাঁদের মোটরসাইকেলে সজোরে ধাক্কা মারে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধাক্কার জেরে মোটরসাইকেল চালক অনিকেত রায় রাস্তার বাঁদিকে ছিটকে পড়ে যান, কিন্তু মধু হালদার চলন্ত লরির নিচে পড়ে যান। স্থানীয়রা লরিটিকে থামানোর চেষ্টা করলেও ততক্ষণে লরির পরপর চারটি চাকা তরুণীর শরীরের উপর দিয়ে চলে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর লরিটি দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া করে সেটিকে আটক করে। মৃতদেহ উদ্ধার করে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পাশাপাশি, ঘাতক লরির চালকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কাজও শুরু করেছে পুলিশ এবং ঘটনার তদন্ত চলছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের অভিযোগ, গৌরাঙ্গ সেতু থেকে নামার মুখে কোনও স্পিড ব্রেকার বা বাম্পার না থাকায় অধিকাংশ ভারী যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। তাঁরা আরও দাবি করেন যে এর আগেও ওই এলাকায় একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। অবিলম্বে দুর্ঘটনাপ্রবণ ওই অংশে স্পিড ব্রেকার, গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড বসানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত তরুণীর পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।1