নদিয়ার করিমপুর ২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত সাহেবপাড়া গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দু'পক্ষের মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এই সংঘর্ষে একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই সাহেবপাড়া গ্রামজুড়ে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে এবং সাধারণ মানুষ ভয়ে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় টহলদারি বাড়ানো হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সংঘর্ষের জন্য উভয় রাজনৈতিক শিবির একে অপরের বিরুদ্ধে দোষারোপ করছে। সাহেবপাড়ার এই রাজনৈতিক সংঘর্ষ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
নদিয়ার করিমপুর ২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত সাহেবপাড়া গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দু'পক্ষের মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এই সংঘর্ষে একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই সাহেবপাড়া গ্রামজুড়ে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে এবং সাধারণ মানুষ ভয়ে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় টহলদারি বাড়ানো হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সংঘর্ষের জন্য উভয় রাজনৈতিক শিবির একে অপরের বিরুদ্ধে দোষারোপ করছে। সাহেবপাড়ার এই রাজনৈতিক সংঘর্ষ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
- মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরপাড়া থানা নওদাপাড়া বাজার এলাকার একটি মন্দিরে তালা ভেঙে চুরি হওয়া গহনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার করেছে। গত পরশু রাতে নওদাপাড়া এলাকার মন্দিরে এই চুরির ঘটনা ঘটেছিল। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় দুই যুবক সন্দীপ মণ্ডল ও টোটন দাস মন্দিরের তালা ভেঙে গহনা সহ বিভিন্ন সামগ্রী চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল। ঘটনার পর গ্রামবাসীদের সন্দেহ হলে তারা ওই দুই যুবককে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। এরপর সাগরপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক রাকেশ কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে একটি ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। পুলিশের দ্রুত তৎপরতায় মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মন্দিরের সমস্ত চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধার করা সম্ভব হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ওই দুই যুবকের বিরুদ্ধে সাগরপাড়া থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাদের জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে। এই দ্রুত ও সফল অভিযানের জন্য সাগরপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক রাকেশ কুমার বিশ্বাস এবং তাঁর টিমকে এলাকার বাসিন্দারা সাধুবাদ জানিয়েছেন।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবসকে সামনে রেখে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার মাঠে একটি যোগব্যায়াম প্রশিক্ষণ ও অনুশীলন শিবির শুরু হয়েছে। উপযুক্ত প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই শিবিরে প্রথম দিনেই প্রায় ২৫০ জন উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে ৭০ জন সাধারণ মানুষ। হরিহরপাড়া থানার আইসি অরূপ কুমার রায় জানিয়েছেন যে, শরীর ও মন সুস্থ রাখতে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। এই প্রশিক্ষণ শিবির আগামী ২১ জুন পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৬টায় থানার মাঠে চলবে এবং যে কোনো আগ্রহী ব্যক্তি এতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।1
- মুর্শিদাবাদের ডোমকল পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের জিতপুর নতুনপাড়া শাল বাগানের একটি পুকুরে কীটনাশক দিয়ে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় প্রায় ২ লক্ষ টাকার মাছ নষ্ট হয়েছে। মাছ চাষী ও SDPI কর্মী হাপিজুর রহমান দাবি করেছেন যে শুধুমাত্র SDPI সমর্থিত CPIM-কে ভোট দেওয়ার কারণে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এই ঘটনা ঘটার পরপরই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। হাপিজুর রহমান জানান, ভোটের আগে থেকেই তাকে ভয় দেখানো হচ্ছিলো ও হুমকি দেওয়া হয়েছিলো। তৃণমূলের পরাজয়ের পরেও ভোট-পরবর্তী হিংসায় এলাকা রীতিমতো সরগরম ছিলো। মাছ চাষী সকালে পুকুরে এসে মাছ ভাসতে দেখে সন্দেহ করেন এবং কাছে গিয়ে বুঝতে পারেন যে পুকুরে কীটনাশক দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ তদন্তে নেমেছে।2
- মুর্শিদাবাদের ডোমকলের জিতপুর নতুন পাড়ায় একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে প্রায় ২ লক্ষ টাকার মাছ নষ্ট করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।1
- রাস্তায় ঈদ নমাজ বন্ধ করা এবং প্রধানমন্ত্রীর যোগ দিবস পালন ঘিরে অধীর চৌধুরী কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এই দুটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি তাঁর মতামত ব্যক্ত করেছেন।1
- মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা II-এ বড় বড় ইনজিল কীভাবে খোলা হচ্ছে, তা দেখা যাচ্ছে। পোস্টটিতে প্রক্রিয়াটি প্রদর্শিত হয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদ পৌরসভার পৌরপিতা ইন্দ্রজিৎ ধরের পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বুধবার সন্ধ্যায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা পৌরসভার সামনে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। তাঁরা পৌরসভার সামনে তুবড়ি ফাটিয়ে, স্লোগান তুলে এবং বিক্ষোভ প্রদর্শনের মাধ্যমে তাঁদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, পৌরপিতা হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ইন্দ্রজিৎ ধরের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। তাঁরা সেই সমস্ত অভিযোগের যথাযথ তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি জানিয়ে বলেন যে, শুধুমাত্র পদত্যাগ করলেই দায় এড়ানো যাবে না। পৌরসভার বিভিন্ন কাজকর্মে যে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে, তারও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে তাঁরা মতপ্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের দাবি, রাজ্যের গ্রন্থাগার ও অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষকে বিভিন্ন সময়ে যে ভাবে অপমান ও কটাক্ষ করা হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ, তার জন্য ইন্দ্রজিৎ ধরকে প্রকাশ্যে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে নিজের ভুল স্বীকার করতে হবে। তাঁরা মনে করেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু একজন জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীর প্রতি অসম্মানজনক আচরণ কখনও গ্রহণযোগ্য নয়। পৌরপিতার পদত্যাগের খবর প্রকাশ্যে আসতেই সন্ধ্যার পর থেকে পৌরসভার সামনে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ভিড় বাড়তে থাকে এবং তাঁরা স্লোগান, বিক্ষোভ ও আতশবাজির মধ্য দিয়ে নিজেদের ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। তবে ইন্দ্রজিৎ ধরের পদত্যাগের কারণ এবং বিজেপির উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বা পৌরসভার পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।1
- নদিয়ার করিমপুর ২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত সাহেবপাড়া গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দু'পক্ষের মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এই সংঘর্ষে একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই সাহেবপাড়া গ্রামজুড়ে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে এবং সাধারণ মানুষ ভয়ে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় টহলদারি বাড়ানো হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সংঘর্ষের জন্য উভয় রাজনৈতিক শিবির একে অপরের বিরুদ্ধে দোষারোপ করছে। সাহেবপাড়ার এই রাজনৈতিক সংঘর্ষ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।1