মুর্শিদাবাদ পৌরসভার পৌরপিতা ইন্দ্রজিৎ ধরের পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বুধবার সন্ধ্যায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা পৌরসভার সামনে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। তাঁরা পৌরসভার সামনে তুবড়ি ফাটিয়ে, স্লোগান তুলে এবং বিক্ষোভ প্রদর্শনের মাধ্যমে তাঁদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, পৌরপিতা হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ইন্দ্রজিৎ ধরের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। তাঁরা সেই সমস্ত অভিযোগের যথাযথ তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি জানিয়ে বলেন যে, শুধুমাত্র পদত্যাগ করলেই দায় এড়ানো যাবে না। পৌরসভার বিভিন্ন কাজকর্মে যে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে, তারও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে তাঁরা মতপ্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের দাবি, রাজ্যের গ্রন্থাগার ও অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষকে বিভিন্ন সময়ে যে ভাবে অপমান ও কটাক্ষ করা হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ, তার জন্য ইন্দ্রজিৎ ধরকে প্রকাশ্যে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে নিজের ভুল স্বীকার করতে হবে। তাঁরা মনে করেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু একজন জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীর প্রতি অসম্মানজনক আচরণ কখনও গ্রহণযোগ্য নয়। পৌরপিতার পদত্যাগের খবর প্রকাশ্যে আসতেই সন্ধ্যার পর থেকে পৌরসভার সামনে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ভিড় বাড়তে থাকে এবং তাঁরা স্লোগান, বিক্ষোভ ও আতশবাজির মধ্য দিয়ে নিজেদের ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। তবে ইন্দ্রজিৎ ধরের পদত্যাগের কারণ এবং বিজেপির উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বা পৌরসভার পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
মুর্শিদাবাদ পৌরসভার পৌরপিতা ইন্দ্রজিৎ ধরের পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বুধবার সন্ধ্যায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা পৌরসভার সামনে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। তাঁরা পৌরসভার সামনে তুবড়ি ফাটিয়ে, স্লোগান তুলে এবং বিক্ষোভ প্রদর্শনের মাধ্যমে তাঁদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, পৌরপিতা হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ইন্দ্রজিৎ ধরের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। তাঁরা সেই সমস্ত অভিযোগের যথাযথ তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি জানিয়ে বলেন যে, শুধুমাত্র পদত্যাগ করলেই দায় এড়ানো যাবে না। পৌরসভার বিভিন্ন কাজকর্মে যে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে, তারও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে তাঁরা মতপ্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের দাবি, রাজ্যের গ্রন্থাগার ও অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষকে বিভিন্ন সময়ে যে ভাবে অপমান ও কটাক্ষ করা হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ, তার জন্য ইন্দ্রজিৎ ধরকে প্রকাশ্যে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে নিজের ভুল স্বীকার করতে হবে। তাঁরা মনে করেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু একজন জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীর প্রতি অসম্মানজনক আচরণ কখনও গ্রহণযোগ্য নয়। পৌরপিতার পদত্যাগের খবর প্রকাশ্যে আসতেই সন্ধ্যার পর থেকে পৌরসভার সামনে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ভিড় বাড়তে থাকে এবং তাঁরা স্লোগান, বিক্ষোভ ও আতশবাজির মধ্য দিয়ে নিজেদের ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। তবে ইন্দ্রজিৎ ধরের পদত্যাগের কারণ এবং বিজেপির উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বা পৌরসভার পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
- বিধানসভার বাজেট অধিবেশন চলাকালীন রাজ্যপালের উদ্বোধনী বক্তৃতা শেষ হওয়ার পর ফারাক্কার বিধায়ক মোতাব শেখ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে ফারাক্কার একাধিক সমস্যা এবং একটি 'স্বাদ সমস্যা' সমাধানের জন্য তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বিধায়ক মোতাব শেখ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে যেসব দাবি তুলে ধরেছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো নিশিন্দ্রা কাটানে ব্রিজ নির্মাণ, গঙ্গা ভাঙন প্রতিরোধে পদক্ষেপ, স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং অর্জুনপুর হাইস্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ।1
- নলহাটি পৌরসভার অন্তর্গত ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাল গুদামপাড়া এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থার বেহাল দশার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলমগ্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে তারা এই সমস্যায় জর্জরিত। এলাকাবাসীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নর্দমা এবং পাশেই থাকা হাইড্রেন নিয়মিতভাবে পরিষ্কার করা হয় না। এর ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই নর্দমার জল উপচে সরাসরি ঘরে ঢুকে পড়ে, যা এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগে ফেলে। এই এলাকায় বেশ কয়েকটি আদিবাসী পরিবার ও নিম্ন আয়ের মানুষ বসবাস করেন, তাদের জীবনযাপন সংকটে পড়েছে। স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন যে, পৌরসভার কর্মীরা প্রতি মাসে কুড়ি টাকা করে সংগ্রহ করলেও নিকাশি ব্যবস্থার সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় না। এর ফলস্বরূপ, প্রতি বর্ষাতেই মাল গুদামপাড়ার বাসিন্দাদের চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাই তারা দ্রুত এই এলাকায় একটি সুষ্ঠু নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন।1
- মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার উদ্যোগে এবং ভরতপুর থানার ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক যোগ সপ্তাহের সূচনা হয়েছে। 'যোগাসনে সুস্থ জীবন, নিয়মিত যোগাভ্যাস করুন সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন লাভ করুন' এই বার্তা নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে ভরতপুর থানা চত্বরে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির শুভ সূচনা করা হয়। এই যোগ সেশনে উপস্থিত ছিলেন ভরতপুর এসডিপিও বরুণ বৈদ্য, সালার সার্কেল ইন্সপেক্টর সমরেন্দ্র পাল এবং ভরতপুর থানার ওসি বিশ্বজিৎ মন্ডল। এছাড়াও থানার অন্যান্য উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক, সমস্ত পুলিশ কর্মী এবং এলাকার বহু বিশিষ্টজন ও সাধারণ মানুষ যোগ দেন। একজন অভিজ্ঞ যোগ শিক্ষকের পরিচালনায় সকলে বিভিন্ন আসন, প্রাণায়াম ও ধ্যানের চর্চা করেন। দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মাঝে শরীর ও মনকে সুস্থ ও সতেজ রাখার বিষয়েও আলোকপাত করা হয়। থানা সূত্রে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষ ও পুলিশ কর্মীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে শুরু হওয়া এই যোগাভ্যাস ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি আগামী ২১ তারিখ পর্যন্ত লাগাতার চলবে। পুলিশের এই ব্যতিক্রমী ও কল্যাণমুখী উদ্যোগকে এলাকার সাধারণ মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরপাড়া থানা নওদাপাড়া বাজার এলাকার একটি মন্দিরে তালা ভেঙে চুরি হওয়া গহনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার করেছে। গত পরশু রাতে নওদাপাড়া এলাকার মন্দিরে এই চুরির ঘটনা ঘটেছিল। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় দুই যুবক সন্দীপ মণ্ডল ও টোটন দাস মন্দিরের তালা ভেঙে গহনা সহ বিভিন্ন সামগ্রী চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল। ঘটনার পর গ্রামবাসীদের সন্দেহ হলে তারা ওই দুই যুবককে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। এরপর সাগরপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক রাকেশ কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে একটি ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। পুলিশের দ্রুত তৎপরতায় মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মন্দিরের সমস্ত চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধার করা সম্ভব হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ওই দুই যুবকের বিরুদ্ধে সাগরপাড়া থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাদের জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে। এই দ্রুত ও সফল অভিযানের জন্য সাগরপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক রাকেশ কুমার বিশ্বাস এবং তাঁর টিমকে এলাকার বাসিন্দারা সাধুবাদ জানিয়েছেন।1
- রাস্তায় ঈদ নমাজ বন্ধ করা এবং প্রধানমন্ত্রীর যোগ দিবস পালন ঘিরে অধীর চৌধুরী কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এই দুটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি তাঁর মতামত ব্যক্ত করেছেন।1
- একটি সাম্প্রতিক পোস্টে 'ভোট চোর গোদি ছোঁর' স্লোগান তুলে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ করা হয়েছে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি সুস্পষ্ট সমর্থন প্রকাশ পেয়েছে। এই পোস্টটি সমাজ মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে ভাইরাল হয়েছে। পোস্টটিতে প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ্য করে 'কক্রোচ' এবং 'কক্রোচ জনতা পার্টি'র মতো অত্যন্ত কটাক্ষপূর্ণ ও অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিরোধী শিবিরের প্রতি তীব্র ক্ষোভ ও বিদ্রূপ প্রকাশ করে। পোস্টের সাথে সম্পর্কিত হ্যাশট্যাগে অভিজিৎ দীপকে এবং সারমিন নাম দুটিও উল্লেখ করা হয়েছে, যা এই রাজনৈতিক বার্তার সাথে যুক্ত। সামগ্রিকভাবে, এই পোস্টটি একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সুর স্পষ্ট প্রতীয়মান করেছে।1
- মুর্শিদাবাদের নিমতিতা বিড়ি শ্রমিক হাসপাতালের জমি জমি মাফিয়ারা দখল করে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা মহাবীর ঘোষ।1
- নদিয়ার করিমপুর ২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত সাহেবপাড়া গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দু'পক্ষের মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এই সংঘর্ষে একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই সাহেবপাড়া গ্রামজুড়ে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে এবং সাধারণ মানুষ ভয়ে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় টহলদারি বাড়ানো হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সংঘর্ষের জন্য উভয় রাজনৈতিক শিবির একে অপরের বিরুদ্ধে দোষারোপ করছে। সাহেবপাড়ার এই রাজনৈতিক সংঘর্ষ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।1