নলহাটি পৌরসভার অন্তর্গত ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাল গুদামপাড়া এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থার বেহাল দশার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলমগ্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে তারা এই সমস্যায় জর্জরিত। এলাকাবাসীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নর্দমা এবং পাশেই থাকা হাইড্রেন নিয়মিতভাবে পরিষ্কার করা হয় না। এর ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই নর্দমার জল উপচে সরাসরি ঘরে ঢুকে পড়ে, যা এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগে ফেলে। এই এলাকায় বেশ কয়েকটি আদিবাসী পরিবার ও নিম্ন আয়ের মানুষ বসবাস করেন, তাদের জীবনযাপন সংকটে পড়েছে। স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন যে, পৌরসভার কর্মীরা প্রতি মাসে কুড়ি টাকা করে সংগ্রহ করলেও নিকাশি ব্যবস্থার সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় না। এর ফলস্বরূপ, প্রতি বর্ষাতেই মাল গুদামপাড়ার বাসিন্দাদের চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাই তারা দ্রুত এই এলাকায় একটি সুষ্ঠু নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন।
নলহাটি পৌরসভার অন্তর্গত ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাল গুদামপাড়া এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থার বেহাল দশার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলমগ্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে তারা এই সমস্যায় জর্জরিত। এলাকাবাসীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নর্দমা এবং পাশেই থাকা হাইড্রেন নিয়মিতভাবে পরিষ্কার করা হয় না। এর ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই নর্দমার জল উপচে সরাসরি ঘরে ঢুকে পড়ে, যা এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগে ফেলে। এই এলাকায় বেশ কয়েকটি আদিবাসী পরিবার ও নিম্ন আয়ের মানুষ বসবাস করেন, তাদের জীবনযাপন সংকটে পড়েছে। স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন যে, পৌরসভার কর্মীরা প্রতি মাসে কুড়ি টাকা করে সংগ্রহ করলেও নিকাশি ব্যবস্থার সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় না। এর ফলস্বরূপ, প্রতি বর্ষাতেই মাল গুদামপাড়ার বাসিন্দাদের চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাই তারা দ্রুত এই এলাকায় একটি সুষ্ঠু নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন।
- মালদা শহরে গরুর অবাধ বিচরণের কারণে সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা নিত্যদিন নাজেহাল হচ্ছেন, এবং এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সিভিক ভলান্টিয়ারদের কার্যত হিমশিম খেতে হচ্ছে। প্রতিদিন ভোর থেকেই পুরাতন মালদার সাহাপুর এলাকা থেকে গরুর পাল দলে দলে শহরে প্রবেশ করে, যা প্রধান রাস্তা থেকে শুরু করে বিভিন্ন অলিগলিতে ঘুরে বেড়ায়। এর ফলে যান চলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে এবং শহরবাসী সমস্যায় পড়েন। জেলা প্রশাসন এই সমস্যা মোকাবিলায় গরুর মালিকদের মাইকিং করে সতর্ক করেছে। পাশাপাশি, শহরে গরুর প্রবেশ আটকাতে সাহাপুর ব্রিজ এলাকায় একাধিক সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হয়েছে। তবে বাস্তবে গরুর আনাগোনা রোখা মোটেই সহজ হচ্ছে না; গরুর পাল নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে সিভিক ভলান্টিয়ারদের যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সাহাপুর দ্বিতীয় সেতুর কাছে এই চিত্রই স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে, যা মালদা শহরের স্তব্ধ হয়ে যাওয়ার উপদ্রবের এক অংশ।1
- বিধানসভার বাজেট অধিবেশন চলাকালীন রাজ্যপালের উদ্বোধনী বক্তৃতা শেষ হওয়ার পর ফারাক্কার বিধায়ক মোতাব শেখ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে ফারাক্কার একাধিক সমস্যা এবং একটি 'স্বাদ সমস্যা' সমাধানের জন্য তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বিধায়ক মোতাব শেখ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে যেসব দাবি তুলে ধরেছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো নিশিন্দ্রা কাটানে ব্রিজ নির্মাণ, গঙ্গা ভাঙন প্রতিরোধে পদক্ষেপ, স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং অর্জুনপুর হাইস্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ।1
- আজ সন্ধ্যায় বহরমপুর পুরসভা থেকে বের হওয়ার সময় নাড়ুগোপাল মুখার্জীর গাড়ি লক্ষ্য করে কিছু বিজেপি সমর্থক ডিম ছুঁড়েছেন। এই ঘটনাটি ঘটে বহরমপুর পৌরসভার পৌরপিতার পদ ছাড়ার পর নাড়ুগোপাল মুখার্জীর গাড়ি লক্ষ্য করে। যদিও সেই সময় পুরসভার সামনে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন থাকায় কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।1
- মুর্শিদাবাদ পৌরসভার পৌরপিতা ইন্দ্রজিৎ ধরের পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বুধবার সন্ধ্যায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা পৌরসভার সামনে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। তাঁরা পৌরসভার সামনে তুবড়ি ফাটিয়ে, স্লোগান তুলে এবং বিক্ষোভ প্রদর্শনের মাধ্যমে তাঁদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, পৌরপিতা হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ইন্দ্রজিৎ ধরের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। তাঁরা সেই সমস্ত অভিযোগের যথাযথ তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি জানিয়ে বলেন যে, শুধুমাত্র পদত্যাগ করলেই দায় এড়ানো যাবে না। পৌরসভার বিভিন্ন কাজকর্মে যে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে, তারও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে তাঁরা মতপ্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের দাবি, রাজ্যের গ্রন্থাগার ও অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষকে বিভিন্ন সময়ে যে ভাবে অপমান ও কটাক্ষ করা হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ, তার জন্য ইন্দ্রজিৎ ধরকে প্রকাশ্যে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে নিজের ভুল স্বীকার করতে হবে। তাঁরা মনে করেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু একজন জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীর প্রতি অসম্মানজনক আচরণ কখনও গ্রহণযোগ্য নয়। পৌরপিতার পদত্যাগের খবর প্রকাশ্যে আসতেই সন্ধ্যার পর থেকে পৌরসভার সামনে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ভিড় বাড়তে থাকে এবং তাঁরা স্লোগান, বিক্ষোভ ও আতশবাজির মধ্য দিয়ে নিজেদের ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। তবে ইন্দ্রজিৎ ধরের পদত্যাগের কারণ এবং বিজেপির উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বা পৌরসভার পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।1
- বীরভূমের দ্বারকা নদীতে বালি দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই দুর্নীতির জেরে নদীর বাঁধ কেটে বড় বড় গর্ত তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও, রাস্তার ধারে একটি তালগাছের চারপাশে বিশাল একটি গোল খালি গর্ত তৈরি হয়েছে। এই ধরণের কার্যকলাপের ফলে রাস্তার ধারে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা সাধারণ মানুষজনের জন্য মারাত্মক হতে পারে।1
- জিয়াগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় এক তীব্র বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বিক্ষোভে প্রতিবাদকারীরা ডিম নিক্ষেপ করে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে। ঘটনার জেরে জিয়াগঞ্জ আজিমগঞ্জের চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।1
- নলহাটি পৌরসভার অন্তর্গত ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাল গুদামপাড়া এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থার বেহাল দশার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলমগ্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে তারা এই সমস্যায় জর্জরিত। এলাকাবাসীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নর্দমা এবং পাশেই থাকা হাইড্রেন নিয়মিতভাবে পরিষ্কার করা হয় না। এর ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই নর্দমার জল উপচে সরাসরি ঘরে ঢুকে পড়ে, যা এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগে ফেলে। এই এলাকায় বেশ কয়েকটি আদিবাসী পরিবার ও নিম্ন আয়ের মানুষ বসবাস করেন, তাদের জীবনযাপন সংকটে পড়েছে। স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন যে, পৌরসভার কর্মীরা প্রতি মাসে কুড়ি টাকা করে সংগ্রহ করলেও নিকাশি ব্যবস্থার সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় না। এর ফলস্বরূপ, প্রতি বর্ষাতেই মাল গুদামপাড়ার বাসিন্দাদের চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাই তারা দ্রুত এই এলাকায় একটি সুষ্ঠু নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন।1
- বীরভূমের রামপুরহাট পৌরসভায় তৃণমূলের দাপুটে কাউন্সিলর অষ্টম মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গভীর রাতে শ্রীফলার একটি বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এই ঘটনায় জেলাজুড়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ২০২২ সালের পৌরসভা নির্বাচনের দিন বিজেপি প্রার্থী নির্মল মালকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ ওঠে অষ্টম মণ্ডলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রকাশ্য রাস্তায় বিজেপি প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছিল। এই ঘটনার দীর্ঘ সময় পর, গত ১৬ জুন রামপুরহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং গতকাল গভীর রাতে অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করে। আজ ধৃত কাউন্সিলরকে রামপুরহাট আদালতে তোলা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হতে পারে। কাউন্সিলরের এই গ্রেফতারির ঘটনা রামপুরহাটের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।1