Shuru
Apke Nagar Ki App…
জিয়াগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় এক তীব্র বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বিক্ষোভে প্রতিবাদকারীরা ডিম নিক্ষেপ করে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে। ঘটনার জেরে জিয়াগঞ্জ আজিমগঞ্জের চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
Chiranjit ghosh
জিয়াগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় এক তীব্র বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বিক্ষোভে প্রতিবাদকারীরা ডিম নিক্ষেপ করে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে। ঘটনার জেরে জিয়াগঞ্জ আজিমগঞ্জের চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- জিয়াগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় এক তীব্র বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বিক্ষোভে প্রতিবাদকারীরা ডিম নিক্ষেপ করে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে। ঘটনার জেরে জিয়াগঞ্জ আজিমগঞ্জের চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদ পৌরসভার পৌরপিতা ইন্দ্রজিৎ ধরের পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বুধবার সন্ধ্যায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা পৌরসভার সামনে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। তাঁরা পৌরসভার সামনে তুবড়ি ফাটিয়ে, স্লোগান তুলে এবং বিক্ষোভ প্রদর্শনের মাধ্যমে তাঁদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, পৌরপিতা হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ইন্দ্রজিৎ ধরের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। তাঁরা সেই সমস্ত অভিযোগের যথাযথ তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি জানিয়ে বলেন যে, শুধুমাত্র পদত্যাগ করলেই দায় এড়ানো যাবে না। পৌরসভার বিভিন্ন কাজকর্মে যে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে, তারও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে তাঁরা মতপ্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের দাবি, রাজ্যের গ্রন্থাগার ও অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষকে বিভিন্ন সময়ে যে ভাবে অপমান ও কটাক্ষ করা হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ, তার জন্য ইন্দ্রজিৎ ধরকে প্রকাশ্যে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে নিজের ভুল স্বীকার করতে হবে। তাঁরা মনে করেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু একজন জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীর প্রতি অসম্মানজনক আচরণ কখনও গ্রহণযোগ্য নয়। পৌরপিতার পদত্যাগের খবর প্রকাশ্যে আসতেই সন্ধ্যার পর থেকে পৌরসভার সামনে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ভিড় বাড়তে থাকে এবং তাঁরা স্লোগান, বিক্ষোভ ও আতশবাজির মধ্য দিয়ে নিজেদের ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। তবে ইন্দ্রজিৎ ধরের পদত্যাগের কারণ এবং বিজেপির উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বা পৌরসভার পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবসকে সামনে রেখে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার মাঠে একটি যোগব্যায়াম প্রশিক্ষণ ও অনুশীলন শিবির শুরু হয়েছে। উপযুক্ত প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই শিবিরে প্রথম দিনেই প্রায় ২৫০ জন উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে ৭০ জন সাধারণ মানুষ। হরিহরপাড়া থানার আইসি অরূপ কুমার রায় জানিয়েছেন যে, শরীর ও মন সুস্থ রাখতে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। এই প্রশিক্ষণ শিবির আগামী ২১ জুন পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৬টায় থানার মাঠে চলবে এবং যে কোনো আগ্রহী ব্যক্তি এতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।1
- মুর্শিদাবাদের ডোমকল পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের জিতপুর নতুনপাড়া শাল বাগানের একটি পুকুরে কীটনাশক দিয়ে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় প্রায় ২ লক্ষ টাকার মাছ নষ্ট হয়েছে। মাছ চাষী ও SDPI কর্মী হাপিজুর রহমান দাবি করেছেন যে শুধুমাত্র SDPI সমর্থিত CPIM-কে ভোট দেওয়ার কারণে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এই ঘটনা ঘটার পরপরই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। হাপিজুর রহমান জানান, ভোটের আগে থেকেই তাকে ভয় দেখানো হচ্ছিলো ও হুমকি দেওয়া হয়েছিলো। তৃণমূলের পরাজয়ের পরেও ভোট-পরবর্তী হিংসায় এলাকা রীতিমতো সরগরম ছিলো। মাছ চাষী সকালে পুকুরে এসে মাছ ভাসতে দেখে সন্দেহ করেন এবং কাছে গিয়ে বুঝতে পারেন যে পুকুরে কীটনাশক দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ তদন্তে নেমেছে।2
- মুর্শিদাবাদের ডোমকলের জিতপুর নতুন পাড়ায় একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে প্রায় ২ লক্ষ টাকার মাছ নষ্ট করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।1
- রাস্তায় ঈদ নমাজ বন্ধ করা এবং প্রধানমন্ত্রীর যোগ দিবস পালন ঘিরে অধীর চৌধুরী কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এই দুটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি তাঁর মতামত ব্যক্ত করেছেন।1
- মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা II-এ বড় বড় ইনজিল কীভাবে খোলা হচ্ছে, তা দেখা যাচ্ছে। পোস্টটিতে প্রক্রিয়াটি প্রদর্শিত হয়েছে।1
- জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ পৌরসভার প্রাক্তন এক্সিকিউটিভ অফিসার ভাস্বর জ্যোতি রায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হওয়া পৌরপিতা প্রসেনজিৎ ঘোষকে বৃহস্পতিবার লালবাগ আদালতে তোলা হলে আদালত তাঁকে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভাস্বর জ্যোতি রায়ের অভিযোগ, পৌর এলাকার মধ্যে অবৈধভাবে ছয়তলা ভবন নির্মাণ-সহ একাধিক অনিয়ম ও বেআইনি কাজ সংঘটিত হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন যে, এই সমস্ত বিষয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিতে গিয়ে তাঁকে বিভিন্নভাবে হেনস্থা ও শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। অন্যদিকে, বুধবার রাতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ উঠেছে, একদল মানুষ পৌরসভার ভিতরে ভাস্বর জ্যোতি রায়কে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়। পরবর্তীতে জিয়াগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ওই সময়ে উত্তেজিত জনতার একাংশ তাঁর দিকে ডিম নিক্ষেপ করেছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে রবি খোয়াস, ইন্দ্রজিৎ, প্রেমাঙ্কুর দাস-সহ মোট চারজনকে গ্রেফতার করেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ভাস্বর জ্যোতি রায় জিয়াগঞ্জ থানায় এসআর কপিতে স্বাক্ষর করতে এলেও সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। পৌরপিতা প্রসেনজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্তে নেমেছে পুলিশ। আদালতের নির্দেশে তাঁকে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। একইসঙ্গে ভাস্বর জ্যোতি রায়কে ঘিরে বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ এবং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সংক্রান্ত ঘটনাগুলিরও পৃথক তদন্ত চলছে। পুরো ঘটনার দিকে প্রশাসন, রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের নজর রয়েছে।1