Shuru
Apke Nagar Ki App…
ফের জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনায় মৃত্যু ২ জাতীয় সড়কে পথ দুর্ঘটনা। মৃত্যু দু'জনের। ব্যাপক চাঞ্চল্য দুর্গাপুরের গান্ধী মোড়ে। মৃতদেহ উদ্ধার করলেও দুর্গাপুর ট্রাফিক গার্ডের পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে। ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি মোটর ভ্যানে যেতে বেশ কয়েকজন গান্ধী মোড়ের দিক হয়ে মুচিপাড়ার দিকে যাচ্ছিল। তখনই একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সকলকে উদ্ধার করে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা দুজনকে মৃত বলে ঘোষণা করে। মৃত দুজনের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
Sanatan Garai
ফের জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনায় মৃত্যু ২ জাতীয় সড়কে পথ দুর্ঘটনা। মৃত্যু দু'জনের। ব্যাপক চাঞ্চল্য দুর্গাপুরের গান্ধী মোড়ে। মৃতদেহ উদ্ধার করলেও দুর্গাপুর ট্রাফিক গার্ডের পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে। ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি মোটর ভ্যানে যেতে বেশ কয়েকজন গান্ধী মোড়ের দিক হয়ে মুচিপাড়ার দিকে যাচ্ছিল। তখনই একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সকলকে উদ্ধার করে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা দুজনকে মৃত বলে ঘোষণা করে। মৃত দুজনের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- দুর্গাপুরের জয় বালাজি গ্রুপের ম্যারাথন দৌড়। রবিবার সকালে কয়েকশো যুবক যুবতী ম্যারাথন দৌড়ে অংশ নেন। চতুর্থ বছরে পদার্পণ করল। উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক পন্নামবলাম এস, পুলিশ কমিশনার সুনীল চৌধুরী, আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান কবি দত্ত, দুর্গাপুর নগর নিগমের কমিশনার আবুল কালাম আজাদ ইসলাম, আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডেপুটি কমিশনার অভিষেক গুপ্তা প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারপার্সেন অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। জেলাশাসক বলেন,"শীতকালেও যেভাবে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ততা দেখলাম তাতে আমার খুব ভালো লাগলো। দুর্গাপুর এগিয়ে যাচ্ছে। এই ধরনের অনুষ্ঠান মাঝেমধ্যেই হয়ে থাকে। তার মধ্যে অন্যতম জয় বালাজি গ্রুপের ম্যারাথন দৌড়।"1
- দুর্গাপুরে তিন নম্বর প্লেট নিয়ে ধরা পড়ল পণ্যবাহী ট্রাক, উত্তেজনা গোল পার্ক এলাকায়।দুর্গাপুরের সগড়ভাঙা কলোনির গোল পার্ক এলাকায় শনিবার সকালে চাঞ্চল্য ছড়ায় একটি পণ্যবাহী ট্রাককে ঘিরে। অভিযোগ, একটি ট্রাকে ব্যবহার করা হচ্ছিল তিনটি নম্বর প্লেট—যার মধ্যে একটি বৈধ হলেও বাকি দুটি ছিল অবৈধ।ঘটনাটি ঘটে দুর্গাপুর পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের গোল পার্ক সংলগ্ন এলাকায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় একাধিক কারখানা থাকায় নিয়মিত ভারী যান চলাচল হয় এবং পণ্যবাহী ট্রাকের বেপরোয়া গতি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য বড়সড় ঝুঁকি হয়ে উঠেছে।শনিবার কলোনির স্থানীয় বাসিন্দা বিকাশ ঘটক লক্ষ্য করেন, ট্রাকের চালক একটি নম্বর প্লেট খুলে ভিন রাজ্যের অন্য একটি নম্বর প্লেট লাগাচ্ছেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় স্থানীয়রা ট্রাকটিকে ঘিরে ধরে চালককে হাতেনাতে আটক করেন। চালক পালানোর চেষ্টা করলে উত্তেজিত জনতা তাকে আটকে দেয়।স্থানীয়দের প্রশ্ন একটি ট্রাক অথচ একাধিক নম্বর প্লেট, কীভাবে সম্ভব? জিজ্ঞাসাবাদের সময় ট্রাক চালক ফাইন্যান্স সংক্রান্ত ঝামেলা এড়ানোর জন্য এই কাজ করেছেন বলে স্বীকার করেন বলে দাবি স্থানীয়দের। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কোকওভেন থানার পুলিশ এবং মুচিপাড়া সাব-ট্রাফিকের আধিকারিকরা। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে ট্রাক চালককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং ট্রাকটি আটক করা হয়। এক ট্রাফিক আধিকারিক জানান, নম্বর প্লেট পরিবর্তন করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।1
- सेल आईएसपी स्कूलों के निजीकरण के डॉ सुकांत मजूमदार के जवाब पर तृणमूल का कटाक्ष, भाजपा को बताया फायदे की राजनीति करने वाला बर्नपुर : हाल ही में भाजपा के पूर्व प्रदेश अध्यक्ष और वर्तमान केंद्रीय शिक्षा राज्य मंत्री डॉ सुकांत मजूमदार भाजपा के कार्यक्रम में भाग लेने आसनसोल आए थे। उस दिन उन्होंने आसनसोल स्थित पार्टी के जिला कार्यालय में एक संवाददाता सम्मेलन में विभिन्न मुद्दों पर बात की। उस संवाददाता सम्मेलन में एक पत्रकार ने उनसे बर्नपुर सेल आईएसपी द्वारा चलाए जा रहे पांच स्कूलों के निजीकरण के बारे में पूछा। जवाब में उन्होंने कहा कि स्कूल चलाना सेल आईएसपी का काम नहीं है। जहां तक मेरी जानकारी है, इस्को कारखाने का काम इस्पात निर्माण करना है। बर्नपुर सेल आईएसपी के इस फैसले के विरुद्ध आसनसोल नगर निगम संख्या 78 के तृणमूल कांग्रेस पार्षद अशोक रुद्र सहित अभिभावकों ने मोर्चा खोल रखा है। वहीं इस बारे में केंद्रीय शिक्षा राज्य मंत्री डॉ सुकांत मजूमदार ने कहा कि उनके पास कोई दूसरा काम नहीं है। तृणमूल कांग्रेस के शासन में बंगाल में शिक्षा का क्या हुआ, यह कोई नहीं जानता. 8,000 स्कूल बंद हो गए हैं। वहीं नरेंद्र मोदी के नेतृत्व में पूरे देश के शिक्षा प्रणाली को दुनिया में अलग पहचान मिली है। केंद्रीय शिक्षा राज्य मंत्री के इस टिप्पणी से इस्पात नगरी बर्नपुर में हलचल मच गया है। तृणमूल कांग्रेस ने इस पर कड़ी प्रतिक्रिया दी है। आईएसपी द्वारा बर्नपुर में चलाए जा रहे स्कूलों के निजीकरण के विरोध मे पहले से विरोध कर रहे पार्षद अशोक रुद्र ने केंद्रीय शिक्षा राज्य मंत्री के इस टिप्पणी को बहुत दुर्भाग्यपूर्ण बताया। अशोक रुद्र ने इस संदर्भ में कहा कि लंबे समय से सेल आईएसपी इन स्कूलों को चला रहा है। लेकिन अचानक इन स्कूलों का निजीकरण करने की पहल की गई है और नए विद्यार्थियों के दाखिले रोक दिए गए हैं। उनके अनुसार, इससे यह साफ़ होता है कि भाजपा लोगों के हितों के बारे में नहीं सोचती। वे सिर्फ़ मुनाफ़े के बारे में सोचते हैं। उन्होंने सवाल किया, अगर स्कूल चलाना सेल आईएसपी की ज़िम्मेदारी नहीं है, तो इतने सालों से ये स्कूल क्यों चलाए जा रहे थे? तृणमूल कांग्रेस के पार्षद ने यह भी याद दिलाया कि पहले भी आसनसोल में स्कूल बंद करने का फैसला रेलवे ने लिया था। फिर आंदोलन की वजह से रेलवे अधिकारियों को अपना फैसला बदलना पड़ा और स्कूल खुले रखने का फैसला किया गया। उन्होंने साफ किया कि सेल आईएसपी के स्कूल किसी भी हालत में बंद नहीं होने दिए जाएंगे और उनका निजीकरण भी मंजूर नहीं किया जाएगा। हालांकि, अगर भविष्य में किसी भी वजह से निजीकरण होता है, तो उन्होंने यह भी मांग की कि गरीब और पिछड़े वर्ग के विद्यार्थियों के लिए विशेष सुविधाएं पक्की की जाएं। नहीं तो, उन्होंने चेतावनी दी कि इससे भी बड़ा आंदोलन किया जाएगा।1
- ছন্দে ছন্দে মধুর আনন্দে গুটিগুটি পায়ে বৈতল গোপেশ্বর পাল বিদ্যাপীঠ সগৌরবে একশত বছর অতিক্রম করেলো। সেই উপলক্ষে 10 থেকে 12 জানুয়ারি২০২৬ তিন দিনব্যাপী বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন ও পুনর্মিলন উৎসবের শুভ সূচনা হয়ে গেল। ১০ই জানুয়ারি ২০২৬ সকাল ৮ টায় পতাকা উত্তোলন এবং বর্নাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়।পরে প্রদীপ প্রোজ্জ্ব্যলন অতিথি বরন এবং নৃত্য গীতে মুখরিত হয়ে ওঠে স্কুল প্রাঙ্গণ বর্তমান এবং প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা এবং বরণ ছাড়াও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে মনোগ্রাহী ভিন্ন স্বাদের সংগীত এবং নৃত্য ও বিচিত্রা অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল। এছাড়াও তিন দিন ধরে রয়েছে চলচ্চিত্র এবং দূরদর্শনের শিল্পীদের দ্বারা বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।এছাড়াও কচিকাঁচাদের জন্য রয়েছে ম্যাজিক শো প্রবীণ দের জন্য রয়েছে যাত্রাপালা ও নানান অনুষ্ঠান । স্কুলের প্রধান শিক্ষক স্বরূপ কুমার ঘোষ আমাদের জানান বেলুড় মঠের মহারাজ স্বামী অচ্যুতানন্দজী প্রদীপ প্রজ্জালন এবং স্বামী বিবেকানন্দের আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন এর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ করেন।বিভিন্ন গুণী ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানগুলি সর্বাঙ্গ সুন্দর হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানগুলি বর্তমান এবং প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের স্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকবে।3
- ২০২৬ প্রাইমারি গেমসে আবারো রাজ্য champion বাংলার তথা গোঘাটের গর্ব সাওরাগেরিয়া আদিবাসী প্রাথমিক বিদ্যালয় তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী তৃষা মুর্মু1
- পুঞ্চা:আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গেলো আস্ত একটা দোকান1
- চন্দ্রকোনা রোড পুলিশ বিট হাউসে বসে রইলেন ছয় ঘন্টা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা , পশ্চিম মেদিনীপুরে1
- অসামাজিক কাজকর্ম আর কুসংস্কারে যখন সমাজ আবদ্ধ হয়ে পড়ে, তখন মানুষের মধ্যে জাগরণের বার্তা নিয়ে মঞ্চে উঠে আসে যাত্রা। যাত্রার সংলাপ, গান ও অভিননের মধ্য দিয়েই প্রশ্ন তোলা হয় সামাজিক অবক্ষয়, কুসংস্কার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে। লোকসংস্কৃতির এই শক্তিশালী মাধ্যম আবারও প্রমাণ করল যাত্রা শুধু বিনোদন নয়, সমাজকে পথ দেখানোর এক অস্ত্র। এই সামাজিক জাগরণের ধারাবাহিকতায় শুরু হল জেলা লোকসংস্কৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতি এবং যাত্রা উৎসব। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজ্যজুড়ে লোকশিল্প ও যাত্রাশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার পাশাপাশি সমাজ সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিতেই এই আয়োজন বলে জানান আয়োজকেরা।পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকের লাউদোহা পঞ্চায়েতের সামনে ফুটবল ময়দানে শনিবার এই উৎসবের সূচনা হয়। জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর, পশ্চিম বর্ধমানের ব্যবস্থাপনায় এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে লোকসংগীত, লোকনৃত্য ও যাত্রাশিল্পের পরিবেশনা দর্শকদের মন কেড়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিশ্বনাথ বাউরি, পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান কবি দত্ত, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়, অনুভা চক্রবর্তী ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা। তাঁদের বক্তব্যে সমাজ সংস্কারে লোকসংস্কৃতির ভূমিকা এবং যাত্রার প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরা হয়। রবিবার থেকে পরপর দুদিন ধরে এই ময়দানে যাত্রাপালা অনুষ্ঠিত হবে। সামাজিক বার্তায় ভর করে যাত্রার মঞ্চে উঠে আসবে প্রতিবাদ, সচেতনতা ও জাগরণের গল্প। সব মিলিয়ে লোকজ সংস্কৃতির ছোঁয়ায় নতুন করে জেগে উঠছে গ্রামীণ এলাকা।1