Shuru
Apke Nagar Ki App…
Islami Muharram Zamane Ke Liye 26 Aaya Hai hogazzzzzzzzz
Raja Babu
Islami Muharram Zamane Ke Liye 26 Aaya Hai hogazzzzzzzzz
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- কালিয়াচক থানার গোলাপগঞ্জ এলাকায় এক গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মী ও স্থানীয় তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে এক কৃষক পরিবার থেকে ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী, পেশায় কৃষিজীবী খগেন মণ্ডল দাবি করেছেন যে, প্রায় ছয় বছর আগে তাঁর দুই ছেলেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এই টাকা নেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চাকরি না মেলায় টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ। খগেন মণ্ডলের দাবি অনুযায়ী, অভিযুক্ত অমল কান্তি সরকার, যিনি হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের এক গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মী এবং স্থানীয় তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত, প্রথমে ২০ লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন। পরে জমি বিক্রি করে নগদ ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা অমল কান্তি সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। অভিযোগকারী আরও দাবি করেছেন যে, টাকা দেওয়ার সময় গোপনে একটি ভিডিও রেকর্ড করা হয়েছিল, যা বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যদিও রিপাবলিক বাংলা এই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করেনি। ২০২৪ সালে কালিয়াচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও, দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে খগেন মণ্ডল জানিয়েছেন। তবে, সম্প্রতি রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর তিনি ফের জেলা শাসক ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। জানা গেছে, প্রশাসন ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেছেন যে, প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করুক এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অন্যদিকে, রাজ্য বিজেপির সদস্য অজিত রায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেছেন যে, সরকার কোনো অন্যায় বরদাস্ত করবে না এবং সরকারি কর্মচারী চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিয়ে থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসনের তদন্ত শেষ হওয়ার পরই অভিযোগের সত্যতা এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে স্পষ্ট চিত্র সামনে আসবে।1
- মালদার গাজোলের কাটিকান্দরে পবিত্র মহরম উপলক্ষে বৃহস্পতিবার হাটখোলা ময়দানে এক ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা ও মেলার আয়োজন করা হয়। কারবালার শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এই আয়োজনে বিভিন্ন এলাকার লাঠিয়াল দল তাদের কসরত ও লাঠি খেলার প্রদর্শনী করে। এর পাশাপাশি, সুসজ্জিত তাজিয়া শোভাযাত্রাও ছিল অনুষ্ঠানটির অন্যতম আকর্ষণ। আয়োজকদের দাবি, পূর্বপুরুষদের সময় থেকে চলে আসা এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতেই প্রতি বছর এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। লাঠি খেলা, তাজিয়া এবং মেলাকে কেন্দ্র করে গোটা কাটিকান্দর এলাকা উৎসবের আমেজে মুখরিত হয়ে ওঠে।1
- রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল চিকিৎসার ক্ষেত্রে গাফিলতির অভিযোগ তুলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি কড়া ভাষায় মন্তব্য করে বলেছেন যে, সংশ্লিষ্টদের 'পেটে দড়ি বেঁধে নিয়ে আসা উচিত'। তাঁর এই মন্তব্য চিকিৎসায় অব্যবস্থা এবং অবহেলা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।1
- আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে সাধারণ মানুষের মধ্যে মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে ইসলামপুর পুলিশ জেলা একটি বিশেষ পদযাত্রার আয়োজন করেছে। শুক্রবার ইসলামপুর থানা থেকে শুরু হয়ে এই সচেতনতামূলক পদযাত্রা রাজ্য সড়ক ধরে ইসলামপুর বাস টার্মিনাস পর্যন্ত অতিক্রম করে। এই পদযাত্রার নেতৃত্ব দেন ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার রাকেশ সিং। তাঁর সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডেনডুপ শেরপা, ডিএসপি (ডিএনটি) সোম শুভ্র কাপড়ি, ইসলামপুর থানার আইসি-সহ পুলিশ জেলার একাধিক আধিকারিকও উপস্থিত ছিলেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার বার্তা দেওয়া হয়।1
- ২০২৬ সালের সিতাই বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী আশুতোষ বর্মা সিতাই ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) কার্তিক চক্রবর্তী মহাশয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এই সাক্ষাতে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সিতাই ১ নং মণ্ডল সভাপতি সুকুমার বর্মন এবং অন্যান্য বিজেপি কার্যকর্তারা। এদিন বিজেপি নেতারা সিতাই বিডিও অফিস ও সিতাই থানা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের পর তাঁরা দলবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন। এই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ভরসা ইন, ভয় আউট’ স্লোগানকে সামনে রেখে ইতিবাচক বার্তা দেন তাঁরা।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার জনপথ (PWD) রাস্তার দু'পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ নির্মাণ ও দখলদারি উচ্ছেদে প্রশাসন কড়া অবস্থান নিয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, PWD রাস্তার দুই ধারে থাকা সমস্ত বেআইনি নির্মাণ ও দখলদারি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিজেদের উদ্যোগে সরিয়ে ফেলতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে এই অপসারণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় অবৈধ নির্মাণ অপসারণ করা না হলে, আইন অনুযায়ী প্রশাসনের পক্ষ থেকে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশাসনের দাবি, রাস্তার দু'পাশে বেআইনি নির্মাণের কারণে যান চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে রাস্তা সম্প্রসারণ ও উন্নয়নমূলক কাজে বাধা তৈরি হতে পারে। এই কারণেই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও জনস্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন সকলকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নির্দেশ মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে এবং সতর্ক করেছে যে, পরবর্তীতে কোনও অবৈধ নির্মাণ বা দখলদারি বরদাস্ত করা হবে না। প্রশাসনের এই উদ্যোগকে ঘিরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ইতিমধ্যেই ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।1
- সীমান্তবর্তী হিলিতে 'নেশামুক্ত ভারত অভিযান' পরিচালিত হয়েছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে একটি সচেতনতা মিছিল বের করা হয় এবং পথনাটিকার আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচির মাধ্যমে মাদকবিরোধী বার্তা প্রচার করা হয়েছে।1
- রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শেষ করে মালদায় ফিরে ইংরেজবাজার বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতক অম্লান ভাদুড়ি এক বড় ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, ইংরেজবাজারে সমস্ত প্ল্যান-বহির্ভূত অবৈধ বিল্ডিং খতিয়ে দেখতে একটি তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সব বিল্ডিং প্ল্যান যাচাই করবে এবং প্ল্যান-বহির্ভূত বিল্ডিংগুলো হয় ভেঙে দেওয়া হবে অথবা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নেবে এবং কাউকে রেয়াত করা হবে না। পৌরসভার যে সমস্ত দুর্নীতিতে বিভিন্ন কাউন্সিলররা যুক্ত আছেন এবং যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে, সেগুলোও খতিয়ে দেখা হবে। দোষী ব্যক্তিদের জেল খাটতে হবে বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন। এছাড়াও, অবৈধ হকারদের ফুটপাত থেকে তুলে দেওয়া হবে, তবে ভবিষ্যতে তাদের পুনর্বাসন নিয়েও ভাবা হবে। অম্লান ভাদুড়ি আরও বলেছেন যে, তাদের অগ্রাধিকার হল একটি পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলা এবং মানুষ যাতে স্বচ্ছন্দে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখা। একই সঙ্গে, গরিব হকাররা যাতে পুনর্বাসন পান, সেই ব্যাপারেই ভাবা হচ্ছে।1
- মুর্শিদাবাদের বহরমপুর থানার অন্তর্গত ফতেপুর সংলগ্ন এলাকায় একটি সরকারি বাসের সঙ্গে একটি ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষে আরও একটি ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় বাসে থাকা বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন এবং এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সরকারি বাসটি বহরমপুরের দিক থেকে পলসনডার দিকে যাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাক্টর আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি বাসটিতে এসে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের তীব্রতার কারণে বাসের আরোহীরা কম-বেশি চোট পান। দুর্ঘটনাটি ঘটার সাথে সাথেই স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহত যাত্রীদের উদ্ধারে হাত লাগান। খবর পেয়ে টোল প্লাজা কর্তৃপক্ষ এবং বহরমপুর থানার পুলিশকে জানানো হয়। এই সংঘর্ষের ফলে জাতীয় সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।1