Shuru
Apke Nagar Ki App…
২০২৬ সালের সিতাই বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী আশুতোষ বর্মা সিতাই ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) কার্তিক চক্রবর্তী মহাশয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এই সাক্ষাতে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সিতাই ১ নং মণ্ডল সভাপতি সুকুমার বর্মন এবং অন্যান্য বিজেপি কার্যকর্তারা। এদিন বিজেপি নেতারা সিতাই বিডিও অফিস ও সিতাই থানা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের পর তাঁরা দলবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন। এই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ভরসা ইন, ভয় আউট’ স্লোগানকে সামনে রেখে ইতিবাচক বার্তা দেন তাঁরা।
SITAI UPDATE সিতাই আপডেট
২০২৬ সালের সিতাই বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী আশুতোষ বর্মা সিতাই ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) কার্তিক চক্রবর্তী মহাশয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এই সাক্ষাতে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সিতাই ১ নং মণ্ডল সভাপতি সুকুমার বর্মন এবং অন্যান্য বিজেপি কার্যকর্তারা। এদিন বিজেপি নেতারা সিতাই বিডিও অফিস ও সিতাই থানা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের পর তাঁরা দলবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন। এই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ভরসা ইন, ভয় আউট’ স্লোগানকে সামনে রেখে ইতিবাচক বার্তা দেন তাঁরা।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মাথাভাঙ্গার ঘটনার পর এবার ঘুঘুমারি এলাকায় অঞ্চল সভাপতি দীপক দে ঘনিষ্ঠ ফজলু হককে কোমরে দড়ি বেঁধে বাজারের মধ্যে দিয়ে ঘোরানো হয়েছে।1
- Ami Amar Badshah Maharashtra Kas kurte SSC 🤩🤩🤩🤩🤩😔😔🥀🥀1
- বালির প্রাক্তন তৃণমূল ব্লক সভাপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে তাঁর বাড়ির মধ্যেই 'ডিম থেরাপি'র ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, একদল বিক্ষোভকারী তাঁর বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে দুর্নীতি, কাটমানি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এই বিক্ষোভ চলাকালীনই বাড়ির ভেতরের দিকে লক্ষ্য করে একাধিক ডিম ছোড়া হয়, যাকে বিক্ষোভকারীরা ‘ডিম থেরাপি’ বলে দাবি করেছেন। এই ঘটনার সময় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। অন্যদিকে, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে। তবে, উল্লেখ্য যে এই অভিযোগগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এগুলো কেবল অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হবে।1
- উদয়নের ঘনিষ্ঠ বিশু ধর গ্রেপ্তার হওয়ার পরপরই একজন বিজেপি নেতা বিস্ফোরক উক্তি করেছেন।1
- শনিবার থেকে হলদিবাড়ি পোস্ট অফিসে আধার কার্ড সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে একটি বিশেষ নাম নথিভুক্তিকরণ ও সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন আধার নিবন্ধন, নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, জন্মতারিখ সংশোধন এবং বায়োমেট্রিক হালনাগাদসহ বিভিন্ন পরিষেবা গ্রহণ করতে প্রথম দিন থেকেই ভোরবেলা থেকে পোস্ট অফিস চত্বরে সাধারণ মানুষের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। দূর-দূরান্ত থেকে বহু আবেদনকারী এই পরিষেবা নিতে উপস্থিত হন। পোস্ট অফিসের কর্মীরা নির্ধারিত নিয়ম মেনে দূর-দূরান্ত থেকে আসা আবেদনকারীদের ভিড় সামাল দিয়ে পরিষেবা প্রদান করেন। এই উদ্যোগে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের আধার-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হবে বলে সাধারণ মানুষ আশা প্রকাশ করেছেন।1
- আলিপুরদুয়ারের কামাখ্যাগুড়ি মরা রায়ডাক নদীতে প্রায় দুই ঘন্টা ধরে জলে নিখোঁজ ছিলেন এক বছর চোদ্দোর কিশোর। দীর্ঘক্ষণ নিখোঁজ থাকার পর নদী থেকে ওই কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের পর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।1
- ২৬ জুন, শুক্রবার, কুচলিবাড়ির তিনবিঘা করিডর সংলগ্ন এলাকায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো তিনবিঘা শহীদ দিবস। এই উপলক্ষে শহীদ বেদিতে মাল্যদান ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক দধিরাম রায়, বিজেপির নেতৃত্ব, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্য এবং এলাকার বহু মানুষ। বক্তারা এই আন্দোলনকে শুধুমাত্র একটি ভূখণ্ড রক্ষার নয়, বরং দেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্তবর্তী মানুষের অধিকার এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার সংগ্রাম হিসেবে উল্লেখ করেন। বক্তারা তিনবিঘা আন্দোলনের বিস্তারিত ইতিহাস তুলে ধরেন, যেখানে ১৯৭৪ সালের ইন্দিরা–মুজিব চুক্তির পর করিডরটি বাংলাদেশের ব্যবহারের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে জমি হস্তান্তরের প্রস্তুতি শুরু হলে কুচলিবাড়ি এলাকার মানুষ এর বিরোধিতায় আন্দোলনে নামেন। এই আন্দোলনের সময়, ১৯৮১ সালের ৮ জুলাই পুলিশের গুলিতে শহীদ হন সুধীর রায়। এর এক দশক পর, ১৯৯২ সালের ২৬ জুন তিনবিঘা করিডর চালুর দিন ফের পুলিশের গুলিতে শহীদ হন জিতেন রায় ও ক্ষিতেন অধিকারী। তাঁদের এই আত্মত্যাগ কুচলিবাড়ি-সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে আজও সংগ্রাম, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক দধিরাম রায় শহীদ পরিবারগুলোর পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তিনি জানান যে, শহীদ পরিবারদের সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং এই বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা মন্তব্য করেন যে, তিনবিঘা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ আগামী প্রজন্মের কাছে দেশপ্রেমের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। সে কারণেই প্রতি বছরের মতো এ বছরও পূর্ণ শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে তিনবিঘা শহীদ দিবস পালন করা হলো।1
- আলিপুরদুয়ার জেলার একটি গ্রামে এক নয় বছরের নাবালিকাকে ধ*র্ষ*ণ করার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে। পুলিশ এই ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে।1
- তুফানগঞ্জ শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন ওয়ার্ড সভাপতি সুব্রত দাস ওরফে লিটনের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসিন্দারা কাটমানি আদায়, রাজনৈতিক হিংসায় মদত এবং সাধারণ মানুষের বাড়িঘর ভাঙচুরে যুক্ত থাকার অভিযোগে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। শুক্রবার তুফানগঞ্জ শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মদন মোহনপাড়া এলাকায় তাঁর ওপর 'ডিম থেরাপি' চালানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, সুব্রত দাস দীর্ঘদিন ধরে কাটমানি আদায়, রাজনৈতিক হিংসায় মদত দেওয়া এবং বিরোধী মতের মানুষের বাড়িঘর ভাঙচুরে জড়িত ছিলেন। এই দীর্ঘদিনের চাপা ক্ষোভ থেকেই এদিন স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁর বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিক্ষোভকারীরা প্রতিবাদস্বরূপ তাঁর দিকে ডিম ছুঁড়ে মারেন। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভবিষ্যতে আর কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিজেপির তুফানগঞ্জ বিধানসভা কো-কনভেনার নিখিল গাবুয়া এই ঘটনাকে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের চাপা জনরোষের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর মতে, কাটমানি, অত্যাচার ও রাজনৈতিক হিংসার বিরুদ্ধে মানুষ এখন রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এই ঘটনা তুফানগঞ্জের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং পুলিশ পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে ও স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।1