Shuru
Apke Nagar Ki App…
জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি এলাকায় ধারাবাহিকভাবে চুরির ঘটনা ঘটে চলেছে। সর্বশেষ এমন একটি ঘটনা স্থানীয় মাছ বাজারে ঘটেছে।
জনতার খবর - Janatar Khabar
জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি এলাকায় ধারাবাহিকভাবে চুরির ঘটনা ঘটে চলেছে। সর্বশেষ এমন একটি ঘটনা স্থানীয় মাছ বাজারে ঘটেছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি এলাকায় ধারাবাহিকভাবে চুরির ঘটনা ঘটে চলেছে। সর্বশেষ এমন একটি ঘটনা স্থানীয় মাছ বাজারে ঘটেছে।1
- জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়িতে একটি বাস দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। এই দুর্ঘটনার জন্য কে বা কারা দায়ী, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।1
- পাহাড়ে লাগাতার বৃষ্টির কারণে জলঢাকা নদীর জলস্তর বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করায় ময়নাগুড়ি ব্লকের বন্যা কবলিত এলাকার বাসিন্দারা গভীর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। নদী থেকে জল বিভিন্ন নিচু এলাকায় ঢুকে পড়ায় স্থানীয়দের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সোমবার, অর্থাৎ ২২শে জুন, আমগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের খাটোরবাড়ি এলাকার নতুন বাঁধে একটি গর্ত তৈরি হয়, যেখান দিয়ে দ্রুত জল বের হতে শুরু করে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকাবাসীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে, গ্রামবাসীরাই দ্রুত মাটি এবং প্লাস্টিকের বস্তা ব্যবহার করে অস্থায়ীভাবে গর্তটি মেরামত করেন। উল্লেখ্য, গত বছরের ভয়াবহ বন্যায় এই এলাকার বাঁধ ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই মর্মান্তিক স্মৃতি এখনও মানুষের মনে টাটকা থাকায় নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় আতঙ্ক বহুগুণ বেড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বহু পরিবার এখনও তাদের ঘর সম্পূর্ণভাবে তৈরি করতে পারেনি বলেও অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এরপর ময়নাগুড়ি ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এবং সিভিল ডিফেন্স কর্মীরাও এলাকায় পৌঁছান। স্থানীয় বাসিন্দারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন যে, জলস্তর আরও বাড়লে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে। তাই, তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত বাঁধ মজবুত করা এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।1
- রাহুল গান্ধী রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন।1
- এই পোস্টে দর্শকদের একটি ভিডিও দেখার জন্য এবং তাতে লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, পোস্টটিতে বলা হয়েছে যে সবাই যেন পেজটি ফলো করেন।1
- ধূপগুড়ি থানা সাধারণ মানুষের হারিয়ে যাওয়া সম্পদ এবং অনলাইন প্রতারণার শিকার হয়ে খোয়া যাওয়া অর্থ উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিয়ে এক মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। রবিবার বিকেলে ধূপগুড়ি থানার কনফারেন্স হলে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন ও প্রতারণার শিকার হওয়া গ্রাহকদের অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত দেওয়া হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত এক মাসে বিভিন্ন সময়ে চুরি যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া মোট ২০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। এর পাশাপাশি, অনলাইন প্রতারণার শিকার হওয়া ৯ জন গ্রাহকের মোট ২ লক্ষ ৪১ হাজার টাকা উদ্ধার করে তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রবিবারের অনুষ্ঠানে থানার পুলিশ আধিকারিকেরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হাতে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন এবং অর্থের নথিপত্র তুলে দেন। বর্তমানে অনলাইন জালিয়াতি ও মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ধূপগুড়ি থানার এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়িয়েছে। অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। একইভাবে, অনলাইন প্রতারণার শিকার হয়ে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়া গ্রাহকরাও টাকা ফেরত পাওয়ার কথা কল্পনা করতে পারেননি। কিন্তু পুলিশের তৎপরতা ও প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের মাধ্যমে সেই হারানো সম্পদ এবং অর্থ পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন ও প্রতারিত অর্থ ফিরে পেয়ে উপকৃত ব্যক্তিরা ধূপগুড়ি থানার পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁরা বলেন, পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ এবং আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই তাঁদের হারিয়ে যাওয়া মূল্যবান সামগ্রী ও অর্থ পুনরায় ফিরে পাওয়া সম্ভব হয়েছে।1
- ধুপগুড়ি পৌর বাস টার্মিনাস আবারও খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে, যেখানে সোমবার টাকা তোলাকে কেন্দ্র করে দুই সংগঠনের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এর আগেও এই টার্মিনাস বাস থেকে অযৌক্তিকভাবে টাকা তোলা এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলনের খুঁটিতে দলীয় পতাকা টাঙানোর অভিযোগকে ঘিরে বিতর্কের কেন্দ্র ছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধুপগুড়ি পৌর বাস টার্মিনাসে বাস মালিকদের দুটি সংগঠন সক্রিয় রয়েছে। অভিযোগ ওঠে যে, ইন্টার ডিস্ট্রিক্ট বাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর কয়েকজন সদস্য ধুপগুড়ি বাস ও মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর কার্যালয়ে ঢুকে টাকা তোলার হিসাব দাবি করেন। অপর সংগঠনের পক্ষ থেকে সেই হিসাব দিতে অস্বীকার করা হলে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়, যা দ্রুত উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে পরিণত হয় এবং মারধরের ঘটনাও ঘটে। ঘটনার খবর পেয়ে ধুপগুড়ি থানার একটি বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ এক পক্ষের সদস্যদের সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাস টার্মিনাস এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি।1