আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠকের মধ্য দিয়ে পুনর্গঠিত হলো কৈলাসহর জার্নালিস্টস ক্লাব। ক্লাবের গঠনতন্ত্র বা বাইলো মেনে ২০২৫ সালের পুরনো কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে আগামী এক বছরের জন্য নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটির পদাধিকারীগণ বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে মনোনীত হয়েছেন সভাপতি উত্তম দেব, সহ-সভাপতি সুজাতা পাল সাহা ও অধীপ দেব, সম্পাদক আজির মিয়া, সহ সম্পাদ শুভঙ্কর দাস, অফিস সম্পাদ মোহাম্মদ আবদুল সুফান, কোষাধক্ষ্য উদয় নারায়ন চক্রবর্তী, কার্যনির্বাহী সদস্য রাজু দেব ও নারায়ণ সাহা। কমিটির সাধারণ সদস্য হিসেবে রয়েছেন— দীপেন দেব, উত্তম সিনহা, অভিজিৎ সিনহা, লীলাবতী সিনহা এবং দিগবিজয় মালাকার। কমিটি গঠন ছাড়াও আজকের এই বৈঠকে ক্লাবের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। মূলত দুটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে (১) ক্লাবের পরিকাঠামো এবং সাংবাদিক স্বার্থে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণ। (২) ক্লাবের দৈনন্দিন কাজ এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে সুন্দরভাবে ক্লাব পরিচালনার অঙ্গীকার। নতুন এই কমিটির হাত ধরে কৈলাসহর জার্নালিস্টস ক্লাব আগামী দিনে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ করতে এবং এলাকার সামাজিক উন্নয়নে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন উপস্থিত সদস্য
আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠকের মধ্য দিয়ে পুনর্গঠিত হলো কৈলাসহর জার্নালিস্টস ক্লাব। ক্লাবের গঠনতন্ত্র বা বাইলো মেনে ২০২৫ সালের পুরনো কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে আগামী এক বছরের জন্য নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটির পদাধিকারীগণ বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে মনোনীত হয়েছেন সভাপতি উত্তম দেব, সহ-সভাপতি সুজাতা পাল সাহা ও অধীপ দেব, সম্পাদক আজির মিয়া, সহ সম্পাদ শুভঙ্কর দাস, অফিস সম্পাদ মোহাম্মদ আবদুল সুফান, কোষাধক্ষ্য উদয় নারায়ন চক্রবর্তী, কার্যনির্বাহী সদস্য রাজু দেব ও নারায়ণ সাহা। কমিটির সাধারণ সদস্য হিসেবে রয়েছেন— দীপেন দেব,
উত্তম সিনহা, অভিজিৎ সিনহা, লীলাবতী সিনহা এবং দিগবিজয় মালাকার। কমিটি গঠন ছাড়াও আজকের এই বৈঠকে ক্লাবের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। মূলত দুটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে (১) ক্লাবের পরিকাঠামো এবং সাংবাদিক স্বার্থে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণ। (২) ক্লাবের দৈনন্দিন কাজ এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে সুন্দরভাবে ক্লাব পরিচালনার অঙ্গীকার। নতুন এই কমিটির হাত ধরে কৈলাসহর জার্নালিস্টস ক্লাব আগামী দিনে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ করতে এবং এলাকার সামাজিক উন্নয়নে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন উপস্থিত সদস্য
- Post by Raju deb2
- Post by Unakoti Hadlin1
- ধর্মনগরের এ.বি রোডের বাবুবাজার এলাকায় আগামীকাল অর্থাৎ ২০ এপ্রিল সোমবার সকাল ১১টায় শুভ উদ্বোধন হতে চলেছে নতুন রূপে সম্পূর্ণ নিজস্ব ‘হরে কৃষ্ণ জুয়েলারি’ শোরুমের। পূর্বে পরিচিত ‘রাধাকৃষ্ণ জুয়েলারি’র শোরুমেই এবার নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করছে এই প্রতিষ্ঠান।পবিত্র অক্ষয় তৃতীয়ার শুভক্ষণে শোরুম উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে একাধিক আকর্ষণীয় অফার। উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়,প্রতি গ্রাম সোনার গহনায় মজুরিতে থাকছে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ছাড়,যা ত্রিপুরায় সর্বপ্রথম।এছাড়াও রুপোর গহনায় দেওয়া হবে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড়। পাশাপাশি স্বল্প মজুরিতে গহনা তৈরির বিশেষ সুবিধাও পাবেন গ্রাহকরা।শোরুমে হালকা ও ভারী গহনার বিশাল সংগ্রহের পাশাপাশি ভারী ও হালকা আকর্ষণীয় নানা ডিজাইনের গহনাও পাওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে।প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার বুদ্ধগুপ্ত জানান,গ্রাহকদের প্রতি স্বচ্ছতা, বিশ্বাস ও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই ‘হরে কৃষ্ণ জুয়েলারি’র পথচলা শুরু হচ্ছে।1
- রানাঘাটে ভোট কারচুপি নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ: দুই বিধানসভার ভোট এক বাক্সে!1
- Post by কালিদাস ভৌমিক4
- নির্বাচন-পরবর্তী অশান্তির আবহে ফের উত্তপ্ত তেলিয়ামুড়া। ১১ মহারানী–তেলিয়ামুড়া বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির শক্তিকেন্দ্র এবং সংখ্যালঘু মোর্চার খোয়াই জেলা সভাপতি রশিদ মিয়ার বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল তিপ্রা মথা সমর্থিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতির চাপে একাধিক বিজেপি কর্মী-সমর্থক বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন তেলিয়ামুড়া থানার অন্তর্গত জারুইলং গেস্ট হাউসে। সোমবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যান রাজ্যের মন্ত্রী টিংকু রায় ও মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি প্রদেশ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা এবং ২৯ কৃষ্ণপুর মণ্ডলের সভাপতি ধনঞ্জয় দাস। প্রথমে তাঁরা চাকমাঘাটের তুইমধু এলাকায় রশিদ মিয়ার বাড়িতে গিয়ে ক্ষয়ক্ষতির খোঁজ নেন। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি আতঙ্ক ছড়ায় এলাকাজুড়ে। এরপর প্রতিনিধি দলটি তুইমধু এলাকায় বিজেপির একটি শক্তিকেন্দ্র কার্যালয়ে হামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন তাঁরা। পরবর্তী পর্যায়ে জারুইলং গেস্ট হাউসে আশ্রয় নেওয়া কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন মন্ত্রীরা। মন্ত্রী টিংকু রায় জানান, “গণতন্ত্রে মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু সহিংসতার কোনও স্থান নেই। রাজ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা আমাদের অগ্রাধিকার।” একই সঙ্গে তিনি প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে বলে সূত্রের খবর।6
- Post by Gouranga Majumder1
- Post by Raju deb2