বাঁধ উঁচু হয়েছে ঠিকই, কিন্তু বাড়েনি স্বস্তি। বরং অপরিকল্পিত নির্মাণের জেরে এখন চরম দুর্ভোগে কৈলাসহরের গোবিন্দপুর এলাকার বাসিন্দারা। সামান্য বৃষ্টিতেই ঘরের ভেতর ঢুকে পড়ছে কাদা জল। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে সম্প্রতি এখানে নবনির্মিত বাঁধের উচ্চতা বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু এই উন্নয়নের জোয়ারই এখন অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে এলাকাবাসীর কাছে। অভিযোগ, বাঁধ নির্মাণের সময় জল নিষ্কাশনের জন্য কোনো কার্যকর ড্রেনেজ বা নিকাশি ব্যবস্থা রাখা হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সঠিক পরিকল্পনা ছাড়াই এই বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে বৃষ্টির জল বের হতে না পেরে বাঁধের পাশের বাড়িগুলোকে কার্যত জলবন্দি করে ফেলছে। এতে বিঘ্নিত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। এলাকার মানুষের দাবি, সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বারবার জানানো সত্ত্বেও কোনো কাজ হয়নি। আশ্বাস মিললেও জোটেনি স্থায়ী সমাধান। সামনেই বর্ষাকাল আর বর্ষার মরসুম শুরু হলে পরিস্থিতি যে আরও ভয়াবহ হবে, তা বলাই বাহুল্য। এখন দেখার, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কি কুম্ভনিদ্রা ভেঙে দ্রুত কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলে, নাকি গোবিন্দপুরবাসীর এই ভোগান্তিই নিয়তি হয়ে দাঁড়ায়।
বাঁধ উঁচু হয়েছে ঠিকই, কিন্তু বাড়েনি স্বস্তি। বরং অপরিকল্পিত নির্মাণের জেরে এখন চরম দুর্ভোগে কৈলাসহরের গোবিন্দপুর এলাকার বাসিন্দারা। সামান্য বৃষ্টিতেই ঘরের ভেতর ঢুকে পড়ছে কাদা জল। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে সম্প্রতি এখানে নবনির্মিত বাঁধের উচ্চতা বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু এই উন্নয়নের জোয়ারই এখন অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে এলাকাবাসীর কাছে। অভিযোগ, বাঁধ নির্মাণের সময় জল নিষ্কাশনের জন্য কোনো কার্যকর ড্রেনেজ বা নিকাশি ব্যবস্থা রাখা হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সঠিক পরিকল্পনা ছাড়াই এই বাঁধ নির্মাণ করা
হয়েছে। ফলে বৃষ্টির জল বের হতে না পেরে বাঁধের পাশের বাড়িগুলোকে কার্যত জলবন্দি করে ফেলছে। এতে বিঘ্নিত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। এলাকার মানুষের দাবি, সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বারবার জানানো সত্ত্বেও কোনো কাজ হয়নি। আশ্বাস মিললেও জোটেনি স্থায়ী সমাধান। সামনেই বর্ষাকাল আর বর্ষার মরসুম শুরু হলে পরিস্থিতি যে আরও ভয়াবহ হবে, তা বলাই বাহুল্য। এখন দেখার, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কি কুম্ভনিদ্রা ভেঙে দ্রুত কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলে, নাকি গোবিন্দপুরবাসীর এই ভোগান্তিই নিয়তি হয়ে দাঁড়ায়।
- Post by Raju deb2
- Post by Unakoti Hadlin1
- ২০ এপ্রিলঃ উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় ফের বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ। মোবাইল নম্বরের লোকেশন-বেসড সার্ভিস (LBS) ব্যবহার করে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে মামলার ভুক্তভোগীকেও। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার গভীর রাতে এক গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অফিসারদের একটি বিশেষ দল অভিযান চালায়। অভিযানটি পরিচালিত হয় রতাবাড়ি থানার অন্তর্গত গোবিরা এলাকায়। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি LBS-এর সাহায্যে অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে দ্রুত পদক্ষেপ নেয় পুলিশ। এই অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় আসামের শ্রীভূমি জেলার রতাবাড়ি থানার অন্তর্গত গাম্ভারিয়া এলাকার বাসিন্দা অবন্তিনাথের পুত্র আশু দেবনাথ (২৬)-কে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চুড়াইবাড়ি থানায় দায়ের হওয়া মামলা নং ২০২৫ সিআরবি ০২৫-এর অধীনে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর একাধিক গুরুতর ধারায় অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ধারা ১৩৭(২), ৭৫(১)(iv), ৭৯, ৭৮(১)(ii), ৩৫১(১) এবং এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ধারা ৬৫(১)। পাশাপাশি, পকসো (POCSO) আইনের ৪(২) ধারাও প্রযোজ্য করা হয়েছে, যা ঘটনাটির গুরুতরতা আরও স্পষ্ট করে। পুলিশ আরও জানায়, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি মামলার ভুক্তভোগীকেও নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে ভুক্তভোগীর শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এই সফল অভিযানের ফলে এলাকায় স্বস্তির পরিবেশ ফিরে এসেছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতেও প্রযুক্তির সহায়তায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তকে আইন অনুযায়ী আদালতে পেশ করা হবে বলে জানা গেছে।1
- উত্তর ত্রিপুরা জেলার হাফলং এলাকায় ত্রিপুরা ফ্লাওয়ার মিলের একটি অত্যাধুনিক আটা মিল ইউনিটের শুভ উদ্বোধন করলেন রাজ্যের কেবিনেট মন্ত্রী টিংকু রায়। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ মিশনের শিলচর ও কৈলাশহরের মহারাজগণসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। ত্রিপুরা ফ্লাওয়ার মিলের এক কর্মকর্তা জানান, গ্রাহকদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে এই ইউনিটে আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন সম্পূর্ণ অটোম্যাটিক মেশিন স্থাপন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সহজেই আটা প্রস্তুত করা সম্ভব হবে । উল্লেখযোগ্যভাবে, এই মিলের পরিষেবা শুধু উত্তর ত্রিপুরা জেলায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং সমগ্র ত্রিপুরা রাজ্যের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী আসাম রাজ্যেও তাদের আটা সরবরাহ করা হয়ে থাকে। নতুন এই ইউনিট চালু হওয়ার ফলে উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং গ্রাহকদের আরও উন্নত পরিষেবা প্রদান করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।4
- বিজেপি বিধায়কের গাড়িতে হা ম লা র ঘটনায় গ্রেফতার তিন অভিযুক্ত, এডিসি ভোটের দিনেই চাঞ্চল্য1
- Post by কালিদাস ভৌমিক4
- খোয়াই জেলা, কল্যাণপুর; শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে এবং যুবসমাজকে কারিগরি শিক্ষায় স্বাবলম্বী করতে খোয়াই জেলার কল্যাণপুরে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। আজ বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে UPGRITE COMPUTER ACADEMY-এর ১১তম বর্ষপূর্তি পালিত হয় এবং একই সাথে সেন্টারটির একটি নতুন শাখার শুভ উদ্বোধন করা হয়। এদিন ফিতা কেটে এই নতুন যাত্রার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন কল্যাণপুরের জনপ্রিয় বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক বলেন, "ডিজিটাল কল্যাণপুর গড়ার লক্ষ্যে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমাদের এলাকার ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষায় পিছিয়ে না পড়ে, তার জন্য এই একাডেমি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।" অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অসংখ্য উৎসাহী ছাত্র-ছাত্রী। একাডেমির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আধুনিক পরিকাঠামো সমৃদ্ধ এই সেন্টারে উন্নত মানের কম্পিউটার শিক্ষার সুযোগ মিলবে। নববর্ষের আবহে এই নতুন শাখার উদ্বোধন এলাকার শিক্ষানুরাগী মহলে ব্যাপক খুশির হাওয়া বইয়ে দিয়েছে।1
- ধর্মনগরের এ.বি রোডের বাবুবাজার এলাকায় আগামীকাল অর্থাৎ ২০ এপ্রিল সোমবার সকাল ১১টায় শুভ উদ্বোধন হতে চলেছে নতুন রূপে সম্পূর্ণ নিজস্ব ‘হরে কৃষ্ণ জুয়েলারি’ শোরুমের। পূর্বে পরিচিত ‘রাধাকৃষ্ণ জুয়েলারি’র শোরুমেই এবার নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করছে এই প্রতিষ্ঠান।পবিত্র অক্ষয় তৃতীয়ার শুভক্ষণে শোরুম উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে একাধিক আকর্ষণীয় অফার। উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়,প্রতি গ্রাম সোনার গহনায় মজুরিতে থাকছে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ছাড়,যা ত্রিপুরায় সর্বপ্রথম।এছাড়াও রুপোর গহনায় দেওয়া হবে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড়। পাশাপাশি স্বল্প মজুরিতে গহনা তৈরির বিশেষ সুবিধাও পাবেন গ্রাহকরা।শোরুমে হালকা ও ভারী গহনার বিশাল সংগ্রহের পাশাপাশি ভারী ও হালকা আকর্ষণীয় নানা ডিজাইনের গহনাও পাওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে।প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার বুদ্ধগুপ্ত জানান,গ্রাহকদের প্রতি স্বচ্ছতা, বিশ্বাস ও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই ‘হরে কৃষ্ণ জুয়েলারি’র পথচলা শুরু হচ্ছে।1