বর্ষাকালে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে সাব্রুম মহকুমা প্রশাসন। এই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট সুমন রক্ষিতের নেতৃত্বে মনুঘাট এলাকার ফেনী ও মনু নদীর গুরুত্বপূর্ণ বাঁধগুলি সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনের সময় বাঁধের বিভিন্ন অংশে ইঁদুরের গর্ত এবং মাটির ক্ষয়ের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এই দুর্বল অংশগুলি চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট। প্রশাসনের দাবি, বর্ষা নামার আগেই এই সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে বাঁধগুলিকে আরও শক্তিশালী করে তোলা হবে, যাতে নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেলেও স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা বজায় থাকে। এই পরিদর্শনকালে বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন এবং প্রশাসনের এই আগাম উদ্যোগের ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।
বর্ষাকালে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে সাব্রুম মহকুমা প্রশাসন। এই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট সুমন রক্ষিতের নেতৃত্বে মনুঘাট এলাকার ফেনী ও মনু নদীর গুরুত্বপূর্ণ বাঁধগুলি সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনের সময় বাঁধের বিভিন্ন অংশে ইঁদুরের গর্ত এবং মাটির ক্ষয়ের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এই দুর্বল অংশগুলি চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট। প্রশাসনের দাবি, বর্ষা নামার আগেই এই সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে বাঁধগুলিকে আরও শক্তিশালী করে তোলা হবে, যাতে নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেলেও স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা বজায় থাকে। এই পরিদর্শনকালে বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন এবং প্রশাসনের এই আগাম উদ্যোগের ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।
- বর্ষাকালে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে সাব্রুম মহকুমা প্রশাসন। এই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট সুমন রক্ষিতের নেতৃত্বে মনুঘাট এলাকার ফেনী ও মনু নদীর গুরুত্বপূর্ণ বাঁধগুলি সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনের সময় বাঁধের বিভিন্ন অংশে ইঁদুরের গর্ত এবং মাটির ক্ষয়ের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এই দুর্বল অংশগুলি চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট। প্রশাসনের দাবি, বর্ষা নামার আগেই এই সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে বাঁধগুলিকে আরও শক্তিশালী করে তোলা হবে, যাতে নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেলেও স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা বজায় থাকে। এই পরিদর্শনকালে বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন এবং প্রশাসনের এই আগাম উদ্যোগের ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।1
- ত্রিপুরার গোমতী জেলার করবুকের গুণধর পাড়ায় নবনির্মিত একটি বহুমুখী কেন্দ্রের (মাল্টিপারপাস সেন্টার) উদ্বোধন করা হয়েছে। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটির শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয় মন্ত্রী শুক্লা চরণ নোয়াতিয়া। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে করবুক বিএসি-র ভাইস চেয়ারম্যান শ্রী প্রণব ত্রিপুরা একটি বিশেষ ভাষণ প্রদান করেন। এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তিরবাজারের বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, অতিন্দ্র রিয়াং, অসীম ত্রিপুরা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি আধিকারিক এবং এলাকার সাধারণ বাসিন্দারা। নিজের বক্তব্যে শ্রী প্রণব ত্রিপুরা স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য এই নতুন বহুমুখী কেন্দ্রের গুরুত্ব বিশদভাবে তুলে ধরেন। তিনি এলাকার গ্রামীণ উন্নয়ন, জনকল্যাণ এবং করবুকের মানুষের সুযোগ-সুবিধা ও জীবনমান উন্নত করতে অবকাঠামোগত উন্নয়নে সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।1
- সোনামুড়া মহকুমার অন্তর্গত মোহনভোগ আর.ডি. ব্লক এবং ধনপুর বিধানসভা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে অবস্থিত তেল কাজলা ঝুলন্ত সেতুটি বর্তমানে অত্যন্ত বেহাল ও বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। গোমতী নদীর দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা এই সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে চরম ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। খুব বেশি দিন আগে নয়, অত্যন্ত জাঁকজমকভাবে এই সেতুর সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সংস্কারের গুণগত মান নিয়ে এখন গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে, কারণ অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যেই সেতুর বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত ও ছিদ্র তৈরি হয়েছে। এতে স্পষ্ট যে সংস্কারকাজ অত্যন্ত নিম্নমানের ছিল এবং কোটি টাকার সরকারি অর্থ ব্যয়ের পরও আজ সেতুটি আবারও বিপজ্জনক অবস্থায় পৌঁছেছে। এই একটিমাত্র ঝুলন্ত সেতুর ওপর প্রায় ছয়টি পঞ্চায়েতের মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী এবং প্রতিদিন শত শত মোটরসাইকেল আরোহী নির্ভরশীল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই সেতু দিয়ে চলাচল করা মানেই নিজের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া, কারণ যেকোনো মুহূর্তে এখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। সংস্কারের নামে সরকারি অর্থের অপচয় এবং সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে এমন অবহেলার শেষ কোথায়—এখন সেই প্রশ্নই তুলছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।1
- সিপাহিজলার চড়িলাম ব্লকের অন্তর্গত চেছুড়িমাই গ্রাম পঞ্চায়েতের বালুয়াছড়ি রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে শনিবার সকালে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন স্থানীয় এলাকাবাসী। বিশেষ করে এলাকার মহিলারা এই দীর্ঘকালীন সমস্যা নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ। বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিগত ২০ বছর ধরে এই রাস্তাটি সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং এর কোনো সুরাহা করা হয়নি। রাস্তার করুণ অবস্থার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বর্ষার দিনে রাস্তাটি এতটাই যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে পড়ে যে জুতো হাতে নিয়ে পথ চলতে হয় এবং ওই অবস্থায় বাজারে যেতে হয়। চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা জানান, রাস্তার এই বেহাল দশার কারণে কোনো আত্মীয়-স্বজনকে নিমন্ত্রণ করলেও তারা এই গ্রামে আসতে চান না। এই পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে অতি দ্রুত রাস্তাটি সারাইয়ের জোরালো দাবি জানিয়েছেন এলাকার ক্ষুব্ধ মহিলারা ও বাসিন্দারা।1
- মান্দাইয়ের ভদ্রাই সেনাপতি পাড়া জে.বি স্কুলের চরম অব্যবস্থার চিত্র সামনে এসেছে। এই বিদ্যালয়ে ইএমআইএস থাকলেও মাথার ওপর কোনো ছাদ নেই। সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো স্কুলটি বৃষ্টির জলে ভেসে যাচ্ছে।1
- দক্ষিণ ত্রিপুরার সাবরুমের পোয়াংবাড়ি আরডি ব্লক কার্যালয়ে শুক্রবার বিকেলে সিপিআই(এম)-এর পক্ষ থেকে একটি ডেপুটেশন প্রদান করা হয়েছে। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল প্রত্যাহার, ঘন ঘন লোডশেডিং বন্ধ করা, মনু থেকে পোয়াংবাড়ি পর্যন্ত সড়ক সংস্কার, কৃষিজমির সেচ নালা মেরামত এবং বকেয়া সামাজিক ভাতা অবিলম্বে প্রদানের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এই কর্মসূচিতে দলের রাজ্য কমিটির সদস্য মিহির পাটোয়ারি, জগদীশ দেবনাথ, হারাধন দাস, রঞ্জিত ভৌমিক এবং তপন ত্রিপুরাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ব্লক এলাকার বিভিন্ন পঞ্চায়েত থেকে আসা বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।1
- দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুম মহকুমার রূপাইছড়ি ব্লকের অন্তর্গত সোনাই থাইচরন পাড়ার একমাত্র চলাচলের রাস্তাটি বর্তমানে অত্যন্ত বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এই পাড়ায় প্রায় ৭০ থেকে ৮০টি পরিবার বসবাস করে এবং যাতায়াতের জন্য এই একটি মাত্র সড়কের ওপরই তাদের নির্ভর করতে হয়। দীর্ঘদিনের এই অবহেলিত রাস্তার দুর্দশার কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তাই জনস্বার্থে গ্রামবাসী প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সড়কটি দ্রুত সংস্কার করার জোর দাবি জানিয়েছেন।1
- গোমতী জেলার করবুক আর.ডি. ব্লকের অন্তর্গত গুনাধর পাড়ায় এক নতুন মাল্টিপারপাস সেন্টারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজ্যের মন্ত্রী শুক্লা চরণ নোয়াতিয়া এই নতুন সেন্টারটির শুভ উদ্বোধন করেন। এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন করবুক আর.ডি. ব্লকের বিএসি (BAC) ভাইস চেয়ারম্যান প্রণব ত্রিপুরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শান্তিরবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, অতীন্দ্র রিয়াং এবং অসীম ত্রিপুরা। এ ছাড়া স্থানীয় বাসিন্দা, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন এলাকার প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠানের বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন যে, নতুন এই মাল্টিপারপাস সেন্টারটি এলাকার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত অতিথিরা স্থানীয় এলাকাবাসীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সমস্ত উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের স্বার্থে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।1
- গোমতী জেলার করবুক আর.ডি ব্লকের বিডিও-র পক্ষ থেকে ‘প্রজেক্ট লক্ষ্য’ নামে একটি বিশেষ উদ্যোগের ঘোষণা করা হয়েছে। এই প্রকল্পটি মূলত দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রী, গ্রামীণ এলাকার যুবক-যুবতী এবং করবুক আর.ডি ব্লকের অধীন বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিক ও কর্মীদের জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও যুব সমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি, ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের পথ সুগম করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি লাইন ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা ও কর্মীদেরও এই উদ্যোগের আওতায় আনা হয়েছে। করবুক এলাকার মানুষের সার্বিক উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘প্রজেক্ট লক্ষ্য’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।1