Shuru
Apke Nagar Ki App…
আজ ভোর দুটো ২৫ নাগাদ ভাটপাড়া পৌরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মন্ডলপাড়া এলাকায় হঠাৎই কে বা কারা বোমাবাজি করেছে। বোমার আওয়াজ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা বাইরে বেরিয়ে এলেও কাউকে দেখতে পাননি, তবে এই অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ এলাকাটিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনার খবর পেয়ে জগদ্দল বিধায়ক ডক্টর রাজেশ কুমার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি জানান যে এই ঘটনার নেপথ্যে যে বা যারাই থাকুক না কেন, তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। এ বিষয়ে পুলিশকে সমস্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
DEB SARKAR
আজ ভোর দুটো ২৫ নাগাদ ভাটপাড়া পৌরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মন্ডলপাড়া এলাকায় হঠাৎই কে বা কারা বোমাবাজি করেছে। বোমার আওয়াজ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা বাইরে বেরিয়ে এলেও কাউকে দেখতে পাননি, তবে এই অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ এলাকাটিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনার খবর পেয়ে জগদ্দল বিধায়ক ডক্টর রাজেশ কুমার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি জানান যে এই ঘটনার নেপথ্যে যে বা যারাই থাকুক না কেন, তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। এ বিষয়ে পুলিশকে সমস্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- হুগলির শ্রীরামপুর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের টেক্সটাইল কলেজের বিপরীতে অবস্থিত একটি পার্কে সন্ধ্যা নামলেই ছেলে ও মেয়েদের অশালীন কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, পার্কটিতে 'চুম্মা চাটি' থেকে শুরু করে আরও জঘন্যতম কাজ চলে। পার্কটিতে আলোর কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এটি সর্বদা অন্ধকারে ডুবে থাকে, যা এই ধরনের কার্যকলাপের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে বলে অভিযোগকারীরা মনে করছেন। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই এবং তারা সম্পূর্ণ নির্বিকার। এমনকি, পুলিশ সন্ধ্যাবেলা এসে একবার চক্কর দিয়ে চলে যাওয়ার পর অশালীন কার্যকলাপ পুনরায় শুরু হয়ে যায়। এই কারণে পরিবার এবং ছোট বাচ্চাদের নিয়ে পার্কে আসা সাধারণ মানুষকে চরম বিব্রত হতে হয় এবং তারা এই নোংরামোর জন্য তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছেন। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ সম্মিলিতভাবে আগামী দিনে থানায় লিখিত অভিযোগ জানানোর উদ্দেশ্যে আলোচনা করেছেন।1
- এক বিজেপি বিধায়ক সোশ্যাল মিডিয়ায় খু*নে*র হুমকি দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।1
- হাওড়া জেলার জগৎবল্লভপুর ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান নোটিশের চাপের মুখে একটি অবৈধ নির্মাণ ভেঙে দিয়েছেন। এই পদক্ষেপটি নোটিশ জারির পর গ্রহণ করা হয়েছে।1
- ভাতাড় থেকে দুই প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের পর থানা চত্বরের মধ্যেই 'চোর চোর' স্লোগান তোলা হয়।1
- বিধাননগর তৃণমূল কার্যালয়কে 'আমাদের করের টাকায় তৈরি আড্ডার ঠেক' হিসেবে তীব্র কটাক্ষ করে একটি বার্তা দেওয়া হয়েছে। এই কার্যালয়ে সকলকে 'স্বাগত' জানিয়ে বলা হয়েছে যে এটি জনগণের দেওয়া করের টাকায় নির্মিত। এই বার্তার সাথে সুমিত কুমার বসু-এর নাম যুক্ত।1
- যন্তর মন্তরে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন অষ্টম দিনে প্রবেশ করেছে। এই প্রতিবাদে আরশোলারা ধারাবাহিকভাবে ধর্নায় বসে আছেন। আন্দোলনকারীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যরা তাদের জন্য জল ও খাবারের ব্যবস্থা করছেন।1
- মুসলমান সম্প্রদায়ের ভক্তি, শ্রদ্ধা এবং প্রার্থনার দিন পবিত্র মহরম ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পালিত হয়েছে। এই দিনে মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষজন এটিকে শোকের দিন হিসেবে পালন করে থাকে। সেই কারণেই শোকের প্রতীক হিসেবে লাঠি খেলা সহ নানান শারীরিক কসরত করে দিনটি উদ্যাপন করা হয়। শিল্পাঞ্চলের নৈহাটির হাজিনগর, ভাটপাড়া, কাঁকিনাড়া সহ বিভিন্ন জায়গায় মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষজন এই পবিত্র মহরম দিনটি পালন করেছেন।1
- পশ্চিমবঙ্গের বান্দোয়ানে এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় একজন প্রৌঢ়ের মৃত্যু হয়েছে। এই দুঃখজনক ঘটনার পর তার পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।1
- পুর্বা বর্ধমানের বর্ধমান নেহেরু বিদ্যামন্দির হাই স্কুলে তাদের ৬৩তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এই বিশেষ দিনে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্কুলের নাম উজ্জ্বল করা শিক্ষার্থীদের সম্মান জানানো হয়। খেলাধুলা, পড়াশোনা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন বিষয়ে যারা এগিয়ে এসে নিজেদের এবং তাদের বাবা-মায়ের পাশাপাশি স্কুলের গৌরব বৃদ্ধি করেছে, সেই সব কৃতি ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহিত করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের নিয়েই বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়, যা দেখে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা অত্যন্ত আনন্দিত। প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপনের পাশাপাশি স্কুলের চতুর্থ তলায় নবনির্মিত 'নরেশ সভাকক্ষ'-এর প্রথম অনুষ্ঠানও এই দিনেই অনুষ্ঠিত হয়। এই নতুন সভাকক্ষটির নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রী উভয়ই খুশি, কারণ এখন থেকে স্কুলের সমস্ত অনুষ্ঠান এখানেই আয়োজিত হবে এবং বাইরে থেকে কোনও হল ভাড়া করার বা ক্লাসরুমে অনুষ্ঠান করার প্রয়োজন হবে না। স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র নরেশ রাজদেব এই কক্ষটি নির্মাণ করে দিয়েছেন, যার ফলস্বরূপ তাঁর নামেই সভাকক্ষটির নামকরণ করা হয়েছে। এছাড়া, স্কুলের প্রাক্তন সদস্য লাল রাজদেবও এই সভাকক্ষ নির্মাণে সহযোগিতা করেছেন। এই অনুষ্ঠানে সমাজসেবী ও আইনজীবী সশীনাথ মন্ডল, স্কুলের প্রধান শিক্ষক গণেশ রাজদেব, স্কুলের প্রাক্তনী মাধবেন্দু রায়সহ অন্যান্য প্রাক্তনী শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্রছাত্রীগণ উপস্থিত ছিলেন। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে এই সভাকক্ষে প্রায় ৮০০ জন ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং স্কুলের সমস্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এই নতুন কক্ষেই অনুষ্ঠিত হবে।1