পুর্বা বর্ধমানের বর্ধমান নেহেরু বিদ্যামন্দির হাই স্কুলে তাদের ৬৩তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এই বিশেষ দিনে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্কুলের নাম উজ্জ্বল করা শিক্ষার্থীদের সম্মান জানানো হয়। খেলাধুলা, পড়াশোনা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন বিষয়ে যারা এগিয়ে এসে নিজেদের এবং তাদের বাবা-মায়ের পাশাপাশি স্কুলের গৌরব বৃদ্ধি করেছে, সেই সব কৃতি ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহিত করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের নিয়েই বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়, যা দেখে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা অত্যন্ত আনন্দিত। প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপনের পাশাপাশি স্কুলের চতুর্থ তলায় নবনির্মিত 'নরেশ সভাকক্ষ'-এর প্রথম অনুষ্ঠানও এই দিনেই অনুষ্ঠিত হয়। এই নতুন সভাকক্ষটির নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রী উভয়ই খুশি, কারণ এখন থেকে স্কুলের সমস্ত অনুষ্ঠান এখানেই আয়োজিত হবে এবং বাইরে থেকে কোনও হল ভাড়া করার বা ক্লাসরুমে অনুষ্ঠান করার প্রয়োজন হবে না। স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র নরেশ রাজদেব এই কক্ষটি নির্মাণ করে দিয়েছেন, যার ফলস্বরূপ তাঁর নামেই সভাকক্ষটির নামকরণ করা হয়েছে। এছাড়া, স্কুলের প্রাক্তন সদস্য লাল রাজদেবও এই সভাকক্ষ নির্মাণে সহযোগিতা করেছেন। এই অনুষ্ঠানে সমাজসেবী ও আইনজীবী সশীনাথ মন্ডল, স্কুলের প্রধান শিক্ষক গণেশ রাজদেব, স্কুলের প্রাক্তনী মাধবেন্দু রায়সহ অন্যান্য প্রাক্তনী শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্রছাত্রীগণ উপস্থিত ছিলেন। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে এই সভাকক্ষে প্রায় ৮০০ জন ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং স্কুলের সমস্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এই নতুন কক্ষেই অনুষ্ঠিত হবে।
পুর্বা বর্ধমানের বর্ধমান নেহেরু বিদ্যামন্দির হাই স্কুলে তাদের ৬৩তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এই বিশেষ দিনে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্কুলের নাম উজ্জ্বল করা শিক্ষার্থীদের সম্মান জানানো হয়। খেলাধুলা, পড়াশোনা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন বিষয়ে যারা এগিয়ে এসে নিজেদের এবং তাদের বাবা-মায়ের পাশাপাশি স্কুলের গৌরব বৃদ্ধি করেছে, সেই সব কৃতি ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহিত করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের নিয়েই বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়, যা দেখে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা অত্যন্ত আনন্দিত। প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপনের পাশাপাশি স্কুলের চতুর্থ তলায় নবনির্মিত 'নরেশ সভাকক্ষ'-এর প্রথম অনুষ্ঠানও এই দিনেই অনুষ্ঠিত হয়। এই নতুন সভাকক্ষটির নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রী উভয়ই খুশি, কারণ এখন থেকে স্কুলের সমস্ত অনুষ্ঠান এখানেই আয়োজিত হবে এবং বাইরে থেকে কোনও হল ভাড়া করার বা ক্লাসরুমে অনুষ্ঠান করার প্রয়োজন হবে না। স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র নরেশ রাজদেব এই কক্ষটি নির্মাণ করে দিয়েছেন, যার ফলস্বরূপ তাঁর নামেই সভাকক্ষটির নামকরণ করা হয়েছে। এছাড়া, স্কুলের প্রাক্তন সদস্য লাল রাজদেবও এই সভাকক্ষ নির্মাণে সহযোগিতা করেছেন। এই অনুষ্ঠানে সমাজসেবী ও আইনজীবী সশীনাথ মন্ডল, স্কুলের প্রধান শিক্ষক গণেশ রাজদেব, স্কুলের প্রাক্তনী মাধবেন্দু রায়সহ অন্যান্য প্রাক্তনী শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্রছাত্রীগণ উপস্থিত ছিলেন। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে এই সভাকক্ষে প্রায় ৮০০ জন ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং স্কুলের সমস্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এই নতুন কক্ষেই অনুষ্ঠিত হবে।
- ভাতাড় থেকে দুই প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের পর থানা চত্বরের মধ্যেই 'চোর চোর' স্লোগান তোলা হয়।1
- আবাস যোজনা সম্পর্কিত তথ্যের জন্য একটি টোল ফ্রি নম্বর উপলব্ধ করা হয়েছে।1
- বিধাননগর তৃণমূল কার্যালয়কে 'আমাদের করের টাকায় তৈরি আড্ডার ঠেক' হিসেবে তীব্র কটাক্ষ করে একটি বার্তা দেওয়া হয়েছে। এই কার্যালয়ে সকলকে 'স্বাগত' জানিয়ে বলা হয়েছে যে এটি জনগণের দেওয়া করের টাকায় নির্মিত। এই বার্তার সাথে সুমিত কুমার বসু-এর নাম যুক্ত।1
- আরামবাগ টাউন এলাকায় এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে দুই মহিলাকে বেধড়ক মারধর, গলা টিপে শ্লীলতাহানি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এমনকি এই ঘটনার ভিডিও রেকর্ডিং করতে গেলে অভিযুক্ত যুবক মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন অভিযুক্তের পেশাগত পরিচয় ও কাজে একটি বড়সড় দুর্নীতির বিষয়টিও সামনে এসেছে। অভিযুক্ত যুবকের নাম অর্ঘ, যিনি নিজেকে বিজেপির সক্রিয় নেতা হিসাবে পরিচয় দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্ত এক মহিলা জানিয়েছেন যে, পূর্বের একটি ঘটনার জেরে অভিযুক্ত অর্ঘ তাঁদের বাড়িতে চড়াও হয়। বাড়িতে ঢুকেই সে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে এবং ধারালো ছুরি দেখিয়ে পুরো পরিবারকে খুনের হুমকি দেয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিবাদ করার পর এক মহিলার গলা টিপে ধরে তাঁকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করা হয়, এবং দ্বিতীয় মহিলাকেও গলা টিপে মারধর করা হয়। পরিবারের অন্য সদস্যরা যখন এই অত্যাচারের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করার চেষ্টা করছিলেন, তখন অভিযুক্ত অর্ঘ প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে জোরপূর্বক তাঁদের ফোন কেড়ে নেয়। এই মারধরের ফলে আক্রান্ত এক মহিলার বাবাও গুরুতর জখম হয়েছেন এবং তিনি বর্তমানে আরামবাগ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আক্রান্ত মহিলা আরও উল্লেখ করেন যে, অভিযুক্ত অর্ঘ একটি লোন রিকভারি কোম্পানিতে কাজ করেন। তবে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, ঐ কোম্পানিতে অর্ঘের নিজের কোনো বৈধ আইডি নেই; তিনি তাঁর স্ত্রীর আইডির আড়ালে বেআইনিভাবে লোন রিকভারির কাজ চালাতেন। আক্রান্তদের দাবি, এই লোন রিকভারির নাম করেই অর্ঘ এলাকায় ক্ষমতার দাপট দেখাতেন এবং নিজেকে বিজেপি নেতা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে হুমকি দিতেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আরামবাগ টাউনের বিজেপির নেতা সুমন তেওয়ারি জানিয়েছেন যে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, "আইন সবার জন্য সমান। পুলিশ নিরপেক্ষভাবে ঘটনার তদন্ত করুক। কোনো অন্যায়কারীকে ভারতীয় জনতা পার্টি প্রশ্রয় দেয় না। অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে পুলিশ যেন তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়, সে তিনি যে দলেরই হোন না কেন।" ইতিমধ্যেই আক্রান্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ বেআইনিভাবে অন্যের আইডি ব্যবহার করে লোন রিকভারির বিষয়টি এবং মোবাইল ফোন উদ্ধারের জন্য অভিযুক্তের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে।1
- আজ হুগলি জেলার গোঘাট থানার পক্ষ থেকে একটি মাদকবিরোধী প্রচার অভিযান চালানো হয়েছে। এই প্রচারাভিযানে গোঘাট থানার পুলিশ কর্মীরা এবং সিভিক ভলেন্টিয়াররা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।1
- আজ ভোর দুটো ২৫ নাগাদ ভাটপাড়া পৌরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মন্ডলপাড়া এলাকায় হঠাৎই কে বা কারা বোমাবাজি করেছে। বোমার আওয়াজ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা বাইরে বেরিয়ে এলেও কাউকে দেখতে পাননি, তবে এই অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ এলাকাটিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনার খবর পেয়ে জগদ্দল বিধায়ক ডক্টর রাজেশ কুমার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি জানান যে এই ঘটনার নেপথ্যে যে বা যারাই থাকুক না কেন, তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। এ বিষয়ে পুলিশকে সমস্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।2
- পুর্বা বর্ধমানের বর্ধমান নেহেরু বিদ্যামন্দির হাই স্কুলে তাদের ৬৩তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এই বিশেষ দিনে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্কুলের নাম উজ্জ্বল করা শিক্ষার্থীদের সম্মান জানানো হয়। খেলাধুলা, পড়াশোনা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন বিষয়ে যারা এগিয়ে এসে নিজেদের এবং তাদের বাবা-মায়ের পাশাপাশি স্কুলের গৌরব বৃদ্ধি করেছে, সেই সব কৃতি ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহিত করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের নিয়েই বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়, যা দেখে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা অত্যন্ত আনন্দিত। প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপনের পাশাপাশি স্কুলের চতুর্থ তলায় নবনির্মিত 'নরেশ সভাকক্ষ'-এর প্রথম অনুষ্ঠানও এই দিনেই অনুষ্ঠিত হয়। এই নতুন সভাকক্ষটির নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রী উভয়ই খুশি, কারণ এখন থেকে স্কুলের সমস্ত অনুষ্ঠান এখানেই আয়োজিত হবে এবং বাইরে থেকে কোনও হল ভাড়া করার বা ক্লাসরুমে অনুষ্ঠান করার প্রয়োজন হবে না। স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র নরেশ রাজদেব এই কক্ষটি নির্মাণ করে দিয়েছেন, যার ফলস্বরূপ তাঁর নামেই সভাকক্ষটির নামকরণ করা হয়েছে। এছাড়া, স্কুলের প্রাক্তন সদস্য লাল রাজদেবও এই সভাকক্ষ নির্মাণে সহযোগিতা করেছেন। এই অনুষ্ঠানে সমাজসেবী ও আইনজীবী সশীনাথ মন্ডল, স্কুলের প্রধান শিক্ষক গণেশ রাজদেব, স্কুলের প্রাক্তনী মাধবেন্দু রায়সহ অন্যান্য প্রাক্তনী শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্রছাত্রীগণ উপস্থিত ছিলেন। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে এই সভাকক্ষে প্রায় ৮০০ জন ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং স্কুলের সমস্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এই নতুন কক্ষেই অনুষ্ঠিত হবে।1
- সম্প্রতি একটি ঘটনায় তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার খবর সামনে এসেছে। এই ঘটনার একটি এক্সক্লুসিভ ছবি সরাসরি ডিজিটাল মাধ্যমে দেখার জন্য উপলব্ধ করা হয়েছে।1