Shuru
Apke Nagar Ki App…
ভাতাড় থেকে দুই প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের পর থানা চত্বরের মধ্যেই 'চোর চোর' স্লোগান তোলা হয়।
Bardhaman Tv
ভাতাড় থেকে দুই প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের পর থানা চত্বরের মধ্যেই 'চোর চোর' স্লোগান তোলা হয়।
More news from Hooghly and nearby areas
- ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর বাংলা জুড়ে ব্যাপক ভোট পরবর্তী হিংসার খবর পাওয়া যাচ্ছে। রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন স্থানে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটছে। এই সমস্ত ঘটনাগুলির পরিপ্রেক্ষিতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং এর সর্বশেষ খবর নজরে রাখা হচ্ছে।1
- রাম মন্দির অনুদান বিতর্ককে কেন্দ্র করে পবন পান্ডে ঐতিহাসিক মাহমুদ গজনভীর প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি '৪০ দিনে ৭০ বার লুট!' বলে মন্তব্য করেছেন।1
- আজ ভোর দুটো ২৫ নাগাদ ভাটপাড়া পৌরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মন্ডলপাড়া এলাকায় হঠাৎই কে বা কারা বোমাবাজি করেছে। বোমার আওয়াজ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা বাইরে বেরিয়ে এলেও কাউকে দেখতে পাননি, তবে এই অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ এলাকাটিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনার খবর পেয়ে জগদ্দল বিধায়ক ডক্টর রাজেশ কুমার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি জানান যে এই ঘটনার নেপথ্যে যে বা যারাই থাকুক না কেন, তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। এ বিষয়ে পুলিশকে সমস্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।2
- বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার ইন্দাস মন্ডল ২-এ মহিলা সংগঠনের উপর জোর কদমে একটি সাংগঠনিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।1
- নদীয়ার কৃষ্ণনগরের ম্যাক (MAC) সংগঠনের সদস্যরা হিমাচল প্রদেশের ৬০৬৯ মিটার উচ্চতার মুকার বে পর্বত শৃঙ্গ জয় করে এক ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছেন। গত ২৩শে জুন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে দলনেতা, ৬৫ বছর বয়সী এভারেস্ট জয়ী বসন্ত সিংহ রায়ের নেতৃত্বে বিশ্বনাথ সাহা, পার্থসারথি লাইক এবং প্রশান্ত সিংহ এই কঠিন শৃঙ্গে আরোহণ করেন। এই অভিযানের যাত্রা শুরু হয়েছিল গত ৬ই জুন, কৃষ্ণনগর থেকে। হাওড়া ও চন্ডিগড় হয়ে দলটি মানালি পৌঁছায়, সেখান থেকে হুন্ডার পর্যন্ত গাড়িতে এবং এরপর দুইদিন পায়ে হেঁটে বিয়াস কুন্ডু (বিপাশা নদীর উৎস) পৌঁছায়। হিমাচল প্রদেশের মানালি ও সোলাং ভ্যালি পেরিয়ে এই অভিযান শুরু হয়। জানা গেছে, মুকার বে শৃঙ্গটি ৬৫ বছর আগে আরোহণ করা হয়েছিল, যার পর আর সে অর্থে কোনো অভিযান হয়নি। কারণ এই শৃঙ্গে পৌঁছতে হলে প্রথমে শৃতিধর, দ্বিতীয়ত লাদাকি এবং তৃতীয়ত মানালি – এই তিনটি পর্বতশৃঙ্গ আরোহণ করতে হয়। ম্যাকের সদস্যরা সাফল্যের সাথে এই কঠিন, কষ্টকর ও ট্যাকনিক্যাল শৃঙ্গগুলি জয় করেছেন। অভিযানের সদস্য এবং নদীয়ার বামুনপুকুর হাই স্কুলের ভূগোল শিক্ষক, কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা প্রশান্ত সিংহ জানান যে, মুকার বে শৃঙ্গের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় প্রচণ্ড হিমবাহের ফাটল (ক্রেভাস) এবং বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে বরফ গলে পাথরের কর্নিস বেরিয়ে আসায় গত ৬০ বছরে শৃঙ্গটি এক ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। মানালি শৃঙ্গ অভিযান করতে তাদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে, প্রায় ২০০০ মিটার দড়ি ব্যবহার করে খাড়া কর্নিস ধরে বরফের ঢাল বেয়ে এবং আলগা পাথুরে অংশের মধ্যে দিয়ে রক ক্লাইমিং করে আরোহণ করতে হয়েছে। ভারী জুতোর তলায় লাগানো কাঁটার সাহায্যে আরোহণ করা কষ্টকর ছিল এবং আবহাওয়াও প্রতিকূল ছিল, যার ফলে সামিট ক্যাম্পে একটানা প্রায় ২৭ ঘণ্টা তাঁবুতে আটকে থাকতে হয়েছিল। তিনি জানান যে, তিনটি শৃঙ্গে বিদ্যালয়ের পতাকা তুলে ধরলেও চতুর্থ শৃঙ্গে (মুকার বে) পতাকা তোলা একরকম অধরা থেকে যায়। এই পর্বত শৃঙ্গ জয় করতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। ৬০৬৯ মিটারের মুকার বে পর্বত শৃঙ্গ জয় নদীয়ার নবদ্বীপের এই শিক্ষকের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রশান্ত সিংহ এর আগেও মাউন্ট কালানাগ, মাউন্ট চ্যাঙাব্যাঙ, কারাকোরামের সাসের কাঙরি- ৪, নেপালের মাউন্ট মানাসলু, হিমাচলের মাউন্ট রামজাক, অরুণাচল প্রদেশের গোরিচেন শৃঙ্গ, হিমাচলের কোয়ারং ২ সহ একাধিক শৃঙ্গ অভিযান করেছেন, যা তাদের এই কঠিন অভিযানে সফল হতে সহায়ক হয়েছে।1
- একটি সাধারণ ডিম কীভাবে বাংলার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পোস্টটিতে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে যে এই ডিমটি পুষ্টির উৎস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে নাকি প্রতিবাদের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পোস্টে দেওয়া হয়নি।1
- ছত্রিশগড়ে এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে একটি ঘাতক ট্রাক পুলিশের ব্যারিকেড উড়িয়ে দিয়ে পিষে দিয়েছে। এই ভয়াবহ ঘটনা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি, তবে এটি একটি ব্রেকিং নিউজ হিসেবে সামনে এসেছে।1
- প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির কারণে হাওড়া জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে হাওড়ার বিভিন্ন এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।1