শীতলকুচি বিধানসভার প্রার্থী হরিহর এর সমর্থনে এবং মাথাভাঙ্গায় মুখ্যমন্ত্রীর জনসভার সফল করতে, শীতল কুচি বাজারে তৃণমূলের মিছিল আগামী ১৬ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় মাথাভাঙ্গা বিধানসভা কেন্দ্রের গুমানিহাটে জনসভা করতে আসবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য। প্রার্থীর সমর্থনে এই জনসভাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এরই প্রেক্ষিতে সোমবার সন্ধ্যা প্রায় সাতটা নাগাদ শীতলকুচি ব্লকের শীতলকুচি বাজারে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি মিছিল সংগঠিত হয়। আসন্ন ২৬-এর নির্বাচনে ‘জোড়া ফুল’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে এই মিছিল করা হয়। মিছিল থেকে স্লোগান ওঠে খেলা হবে। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন গোলেনাওহাটি অঞ্চলের তৃণমূলের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, শীতলকুচি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি গৌরী শঙ্কর অধিকারী, শীতলকুচি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি একরামুল হক সহ অন্যান্য নেতারা। জনসভা সফল করতে এবং দলীয় সমর্থন জোরদার করতে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
শীতলকুচি বিধানসভার প্রার্থী হরিহর এর সমর্থনে এবং মাথাভাঙ্গায় মুখ্যমন্ত্রীর জনসভার সফল করতে, শীতল কুচি বাজারে তৃণমূলের মিছিল আগামী ১৬ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় মাথাভাঙ্গা বিধানসভা কেন্দ্রের গুমানিহাটে জনসভা করতে আসবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য। প্রার্থীর সমর্থনে এই জনসভাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এরই প্রেক্ষিতে সোমবার সন্ধ্যা প্রায় সাতটা নাগাদ শীতলকুচি ব্লকের শীতলকুচি বাজারে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি মিছিল সংগঠিত হয়। আসন্ন ২৬-এর নির্বাচনে ‘জোড়া ফুল’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে এই মিছিল করা হয়। মিছিল থেকে স্লোগান ওঠে খেলা হবে। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন গোলেনাওহাটি অঞ্চলের তৃণমূলের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, শীতলকুচি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি গৌরী শঙ্কর অধিকারী, শীতলকুচি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি একরামুল হক সহ অন্যান্য নেতারা। জনসভা সফল করতে এবং দলীয় সমর্থন জোরদার করতে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
- Anjali Barmanসিতাইকুচি, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গwow8 hrs ago
- নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধনী (sir) এ ২০০২ তালিকা অনুপাতে ২০২৫ এর নথিভুক্ত ভোটারদের বৈধ নাগরিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এত সত্বেও লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির নামে একশ্রেণীর মানুষকে হয়রানির মধ্যে ফেলে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যদিও সুপ্রিম কোর্টের রায় ট্রাইবুনালের মাধ্যমে সেই ভোটারদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেবার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ৬ই এপ্রিল ছিল তার শেষ তারিখ। তাই বিভিন্ন ভিডিও অফিসে মানুষের ভিড় চোখে পড়ার মতো।1
- আগামী ১৬ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় মাথাভাঙ্গা বিধানসভা কেন্দ্রের গুমানিহাটে জনসভা করতে আসবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য। প্রার্থীর সমর্থনে এই জনসভাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এরই প্রেক্ষিতে সোমবার সন্ধ্যা প্রায় সাতটা নাগাদ শীতলকুচি ব্লকের শীতলকুচি বাজারে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি মিছিল সংগঠিত হয়। আসন্ন ২৬-এর নির্বাচনে ‘জোড়া ফুল’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে এই মিছিল করা হয়। মিছিল থেকে স্লোগান ওঠে খেলা হবে। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন গোলেনাওহাটি অঞ্চলের তৃণমূলের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, শীতলকুচি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি গৌরী শঙ্কর অধিকারী, শীতলকুচি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি একরামুল হক সহ অন্যান্য নেতারা। জনসভা সফল করতে এবং দলীয় সমর্থন জোরদার করতে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।1
- মেখলিগঞ্জ মহকুমার হলদিবাড়ি ব্লকের দক্ষিণবড় হলদিবাড়ি অঞ্চলের ১৫১ নম্বর বুথে রাজনৈতিক পালাবদলের ছবি দেখা গেল। সোমবার স্থানীয় এক অনুষ্ঠানে মোট ১৭টি পরিবার বিজেপি ও সিপিএম ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। আয়োজকের বাসভবনে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। দলীয় নেতৃত্বের দাবি, রাজ্যের উন্নয়নমূলক কাজ ও জনমুখী প্রকল্পে অনুপ্রাণিত হয়েই এই যোগদান। একইসঙ্গে তারা জানান, সাধারণ মানুষের ক্রমবর্ধমান সমর্থন তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। আগামী দিনে সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশাবাদী নেতৃত্ব।1
- কোচবিহারের নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের তুফানগঞ্জ কালীবাড়ি আরএমপি মাঠে আয়োজিত জনসভা থেকে মঙ্গলবার তীব্র ভাষায় কেন্দ্র সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী -কে আক্রমণ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জী । সভা থেকে তিনি বিজেপির ধর্মীয় রাজনীতির কৌশল নিয়ে কড়া সমালোচনা করে বলেন, রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে না পেরে ভারতীয় জনতা পার্টি ধর্মকে হাতিয়ার করছে। তাঁর কথায়, “যারা নিজেদের হিন্দু ধর্মের ধারক-বাহক বলে দাবি করে, তারা ভোটের সময় ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে।” গত ৫ এপ্রিল কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা প্রসঙ্গ টেনে অভিষেক অভিযোগ করেন, সভাস্থলের খুব কাছেই থাকা মদন মোহন মন্দির -এ প্রধানমন্ত্রী পুজো দিতে যাননি। তিনি বলেন, “কোচবিহারে এলে আমাদের সবার উচিত মদনমোহন মন্দিরে প্রণাম করা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ধর্মের কথা বললেও সেই অনুভূতিটুকু দেখাননি।” এদিন কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়েও সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন অভিষেক। তাঁর দাবি, যদি প্রমাণ করা যায় যে কোচবিহারের কোনও গরিব মানুষের অ্যাকাউন্টে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা পৌঁছেছে, তাহলে তিনি আর রাজ্যে প্রচার করবেন না। একই সঙ্গে তিনি গত ১২ বছরে কেন্দ্রীয় সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবিও জানান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে কেন্দ্রের উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন তোলা এবং অন্যদিকে ধর্মীয় ইস্যুতে বিজেপিকে চাপে ফেলার কৌশল—এই দুই দিক থেকেই চাপ তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল নেতৃত্ব। উল্লেখ্য, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কোচবিহার জেলায় রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। ধারাবাহিক জনসভা, পাল্টা অভিযোগ এবং প্রচারের লড়াইয়ে জমে উঠেছে ভোটের ময়দান। নাটাবাড়ির এই সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য সেই রাজনৈতিক তরজাকে আরও উস্কে দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।1
- sikkim Rangila Borop Brishti 0⁴/072026 1.30pm2
- Post by Jakir Islam1
- সাংবাদিক বৈঠকে বিস্ফোরক অভিযোগ দিনহাটা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়ের1
- ভোট যত এগোচ্ছে, ততই জোরদার হচ্ছে রাজনৈতিক প্রচার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জোর কদমে প্রচার চালাচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এদিন বিজেপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকায় ফ্লেক্স, ফেস্টুন ও দলীয় পতাকা লাগাতে দেখা যায়। জানা যায়, শীতলখুচি বিধানসভার ৫ নং মণ্ডল সভাপতির নেতৃত্বে একাধিক এলাকায় বিজেপির প্রচার কর্মসূচি সংগঠিত হয়। এদিন মণ্ডল সভাপতি পবিত্র বর্মন দাবি করেন, “এবার আমাদের প্রার্থী সাবিত্রী বর্মন জয়ী হবেন, এটা শুধু সময়ের অপেক্ষা। চার তারিখ ফল প্রকাশের দিনই আমরা জয়ের সার্টিফিকেট হাতে নেব, আমরা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত।” অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসও প্রচারে পিছিয়ে নেই। তারাও বিভিন্ন এলাকায় জোর কদমে প্রচার চালাচ্ছে এবং জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, “ফল প্রকাশের দিনই স্পষ্ট হবে, আমরাই জয়ী হব।” সব মিলিয়ে নির্বাচনের দিন যতই এগিয়ে আসছে, রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা ততই বাড়ছে। এখন দেখার, শেষ হাসি কে হাসে।1