রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভায় পদ্মার ভয়াল ভাঙন, লালগোলা থানার রাধাকৃষ্ণপুরে শুরু সেচ দপ্তরের কাজ—তলিয়ে গেল পাটক্ষেত, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ নিজস্ব প্রতিনিধি, মুর্শিদাবাদ: রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত হলেও প্রশাসনিকভাবে লালগোলা থানার অধীনে থাকা রাধাকৃষ্ণপুর এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে এ বছরের প্রথম বড় পদ্মা ভাঙনের ঘটনা ঘটে। ভাঙনের পর শুক্রবার সকাল থেকেই সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন রোধের কাজ শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে দপ্তরের কর্মীরা পৌঁছে বোল্ডার ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে ভাঙন আটকানোর উদ্যোগ নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অতীতে যে অংশে নদীর পাড় বাঁধানোর কাজ করা হয়েছিল, সেই অংশ এখনও অক্ষত রয়েছে। কিন্তু যে অংশে কোনও প্রতিরোধমূলক কাজ করা হয়নি, সেখানেই পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ওই অংশেও আগে থেকেই বাঁধ নির্মাণ করা হলে এত বড় ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হতো। ভাঙনের জেরে একাধিক কৃষকের পাটক্ষেত পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। বহু দিনের পরিশ্রমে ফলানো ফসল চোখের সামনে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় হতাশ কৃষকরা। পাশাপাশি নদীর ধার ঘেঁষে থাকা বসতবাড়ির বাসিন্দারাও চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁদের আশঙ্কা, ভাঙন অব্যাহত থাকলে আগামী দিনে আরও কৃষিজমি ও বসতভিটে নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এলাকাবাসীর দাবি, শুধু জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করলেই হবে না, দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। বর্তমানে এলাকায় সেচ দপ্তর পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং ভাঙন রোধে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভায় পদ্মার ভয়াল ভাঙন, লালগোলা থানার রাধাকৃষ্ণপুরে শুরু সেচ দপ্তরের কাজ—তলিয়ে গেল পাটক্ষেত, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ নিজস্ব প্রতিনিধি, মুর্শিদাবাদ: রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত হলেও প্রশাসনিকভাবে লালগোলা থানার অধীনে থাকা রাধাকৃষ্ণপুর এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে এ বছরের প্রথম বড় পদ্মা ভাঙনের ঘটনা ঘটে। ভাঙনের পর শুক্রবার সকাল থেকেই সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন রোধের কাজ শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে দপ্তরের কর্মীরা পৌঁছে বোল্ডার ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে ভাঙন আটকানোর উদ্যোগ নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অতীতে যে অংশে নদীর পাড় বাঁধানোর কাজ করা হয়েছিল, সেই অংশ এখনও অক্ষত রয়েছে। কিন্তু যে অংশে কোনও প্রতিরোধমূলক কাজ করা হয়নি, সেখানেই পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ওই অংশেও আগে থেকেই বাঁধ নির্মাণ করা হলে এত বড় ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হতো। ভাঙনের জেরে একাধিক কৃষকের পাটক্ষেত পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। বহু দিনের পরিশ্রমে ফলানো ফসল চোখের সামনে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় হতাশ কৃষকরা। পাশাপাশি নদীর ধার ঘেঁষে থাকা বসতবাড়ির বাসিন্দারাও চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁদের আশঙ্কা, ভাঙন অব্যাহত থাকলে আগামী দিনে আরও কৃষিজমি ও বসতভিটে নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এলাকাবাসীর দাবি, শুধু জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করলেই হবে না, দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। বর্তমানে এলাকায় সেচ দপ্তর পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং ভাঙন রোধে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
- রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভার বিধায় আখরুজ্জামান পরিদর্শনে গিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি নিজস্ব প্রতিনিধি, মুর্শিদাবাদ: রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত হলেও প্রশাসনিকভাবে লালগোলা থানার অধীনে থাকা রাধাকৃষ্ণপুর এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে এ বছরের প্রথম বড় পদ্মা ভাঙনের ঘটনা ঘটে। ভাঙনের পর শুক্রবার সকাল থেকেই সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন রোধের কাজ শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে দপ্তরের কর্মীরা পৌঁছে বোল্ডার ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে ভাঙন আটকানোর উদ্যোগ নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অতীতে যে অংশে নদীর পাড় বাঁধানোর কাজ করা হয়েছিল, সেই অংশ এখনও অক্ষত রয়েছে। কিন্তু যে অংশে কোনও প্রতিরোধমূলক কাজ করা হয়নি, সেখানেই পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ওই অংশেও আগে থেকেই বাঁধ নির্মাণ করা হলে এত বড় ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হতো। ভাঙনের জেরে একাধিক কৃষকের পাটক্ষেত পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। বহু দিনের পরিশ্রমে ফলানো ফসল চোখের সামনে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় হতাশ কৃষকরা। পাশাপাশি নদীর ধার ঘেঁষে থাকা বসতবাড়ির বাসিন্দারাও চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁদের আশঙ্কা, ভাঙন অব্যাহত থাকলে আগামী দিনে আরও কৃষিজমি ও বসতভিটে নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এলাকাবাসীর দাবি, শুধু জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করলেই হবে না, দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। বর্তমানে এলাকায় সেচ দপ্তর পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং ভাঙন রোধে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।1
- লালগোলায় দেদার চলছে মাটি মাফিয়াদের দৌরাত্ম! আতঙ্কে স্থানীয়রা। জনহিতকর নতুন সরকারের নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের একাংশ মাটি মাফিয়াদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সীমান্ত শহর মুর্শিদাবাদের লালগোলার বুকে দেদার চালাচ্ছে দৌরাত্ম! আর তাতেই আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে স্থানীয়দের। প্রতিবাদ করলেই পাল্টা হুমকি আর সাশনী। সব মিলিয়ে সীমান্ত শহর লালগোলার বুকে চলতে থাকা মাটি মাফিদের দাপাদাপিতে স্থানীয়দের জীবন রীতিমতো আতঙ্কগ্রস্থ বলেই অভিযোগ । সেক্ষেত্রে এলাকাবাসীরা জানান, স্থানীয় প্রশাসনকে বারংবার জানিয়েও কোনো কাজ হচ্ছেনা। এমনকি সরকারের দুর্নীতি দমন সংক্রান্ত যে নির্দেশ রয়েছে যে কোনো রকমের মাফিয়া রাজ রুখবার জন্য তাতেও কর্ণপাত করছে না স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ,বলেই নিজেদের ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন গ্রামবাসীরা।1
- বিকট শব্দে আর নয়! মডিফাইড সাইলেন্সারের বিরুদ্ধে হরিহরপাড়া পুলিশের কড়া অভিযান বিকট শব্দে আর নয়! মডিফাইড সাইলেন্সারের বিরুদ্ধে হরিহরপাড়া পুলিশের কড়া অভিযান হরিহরপাড়ায় মডিফাইড সাইলেন্সারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিল পুলিশ। চাঁদপুর থেকে বহরমপুরগামী এক মোটরসাইকেল থেকে বিকট শব্দ বের হতে দেখে ধাওয়া করে রাকিব শেখ নামে এক যুবককে আটক করা হয়। পরে থানায় নিয়ে গিয়ে মডিফাইড সাইলেন্সার খুলে নিয়ম অনুযায়ী নতুন সাইলেন্সার লাগিয়ে বাইকটি ছেড়ে দেয় পুলিশ। শব্দদূষণ রোধে ভবিষ্যতেও এমন অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে হরিহরপাড়া থানার পুলিশ।1
- ডোমকলের মধুরকুল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হলেন সঞ্জনা খাতুন বিবি। ডোমকলের মধুরকুল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হলেন সঞ্জনা খাতুন বিবি। তৎকালীন তৃণমূলের প্রধান সামসুজ্জোহা মন্ডল ইস্তফা দেওয়ার পর অনস্থায় প্রধান হন কংগ্রেসের সঞ্জনা। অনস্থায় ১১-০ ভোটে মধুরকুল পঞ্চায়েত দখল নিল কংগ্রেস। শুক্রবার ঐ প্রধান গঠন ঘিরে পুলিশের নিরাপত্তা শূণ্য। পুলিশের নিরাপত্তা ছাড়ায় প্রধান গঠন করে কংগ্রেস। উল্লেখ্য, ডোমকল ব্লকের মধুরকুল পঞ্চায়েতের মোট সদস্য সংখ্যা ১৬ জন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় তৃণমূলের ৮ টি কংগ্রেসের ৭ এবং সিপিআইএম একটি আসন দখল নেই। যেহেতু সেসময় বাম কংগ্রেস জোট থাকায় ৮ টি আসন ও তৃণমূলের ৮ টি আসন হওয়ায় প্রধান গঠনে ড্র হওয়ায় কংগ্রেসের একটি সদস্য তৃণমূলে যোগ দেই। যার ফলে প্রধান হন তৃণমূলের সামসুজ্জোহা মন্ডল ওরফে বাবা। তারপরেই বছর তিনেক পর রাজ্য থেকে তৃণমূলের পতন পর কংগ্রেস অনস্থা আনার প্রক্রিয়া শুরু করে। তার আগেই প্রধান পদ থেকে ইস্তফা দেন তৎকালীন তৃণমূলের প্রধান সামসুজ্জোহা মন্ডল ওরফে বাবু। অবশেষে অনস্থা এনে ১১-০ ভোটে প্রধান হয় কংগ্রেসের। কংগ্রেসের ৬ টি সদস্য ও বাকি তৃণমূলের ৫ সদস্যের সমর্থনে অবশেষে প্রধানের চেয়ার পান কংগ্রেস সদস্য। আর শুক্রবার সকাল থেকে কর্মীদের উচ্ছাস ছিলো পঞ্চায়েত চত্তরে। কিন্তু প্রধান গঠন হলেও কোনো পুলিশের নিরাপত্তা ছিলো না এদিন। প্রধান গঠন হবার পরেই ফুলের মালা পরিয়ে বরন করা হয়। হয় মিছিল ও। নবগঠিত প্রধান থেকে ব্লক সভাপতি কি বললেন শুনুন।1
- মন্ত্রীর হুঁশিয়ারির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযান! মুর্শিদাবাদ স্টেশন সংলগ্ন হোটেলে দেহব্যবসার অভিযোগে ৮ জন আটক মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদাবাদ স্টেশন সংলগ্ন একটি বেসরকারি হোটেলে অভিযান চালিয়ে দেহব্যবসার অভিযোগে চারজন মহিলা, তিনজন পুরুষ (খদ্দের) এবং হোটেলের ম্যানেজারকে আটক করেছে মুর্শিদাবাদ থানার পুলিশ। অভিযানের সময় হোটেল থেকে দেহব্যবসায় ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রীও উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, গতকাল পাচরাহা মোড়ে অনুষ্ঠিত একটি ধন্যবাদ সভায় রাজ্যের মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ শহরে বেআইনি কার্যকলাপ, বিশেষ করে হোটেলে দেহব্যবসা চলতে দেওয়া হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।তার ওই বক্তব্যের পরদিনই বিকেলে পুলিশের এই অভিযানে মোট আটজনকে আটক করা হয়।1
- রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভায় পদ্মার ভয়াল ভাঙন, লালগোলা থানার রাধাকৃষ্ণপুরে শুরু সেচ দপ্তরের কাজ—তলিয়ে গেল পাটক্ষেত, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ নিজস্ব প্রতিনিধি, মুর্শিদাবাদ: রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত হলেও প্রশাসনিকভাবে লালগোলা থানার অধীনে থাকা রাধাকৃষ্ণপুর এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে এ বছরের প্রথম বড় পদ্মা ভাঙনের ঘটনা ঘটে। ভাঙনের পর শুক্রবার সকাল থেকেই সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন রোধের কাজ শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে দপ্তরের কর্মীরা পৌঁছে বোল্ডার ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে ভাঙন আটকানোর উদ্যোগ নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অতীতে যে অংশে নদীর পাড় বাঁধানোর কাজ করা হয়েছিল, সেই অংশ এখনও অক্ষত রয়েছে। কিন্তু যে অংশে কোনও প্রতিরোধমূলক কাজ করা হয়নি, সেখানেই পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ওই অংশেও আগে থেকেই বাঁধ নির্মাণ করা হলে এত বড় ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হতো। ভাঙনের জেরে একাধিক কৃষকের পাটক্ষেত পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। বহু দিনের পরিশ্রমে ফলানো ফসল চোখের সামনে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় হতাশ কৃষকরা। পাশাপাশি নদীর ধার ঘেঁষে থাকা বসতবাড়ির বাসিন্দারাও চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁদের আশঙ্কা, ভাঙন অব্যাহত থাকলে আগামী দিনে আরও কৃষিজমি ও বসতভিটে নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এলাকাবাসীর দাবি, শুধু জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করলেই হবে না, দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। বর্তমানে এলাকায় সেচ দপ্তর পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং ভাঙন রোধে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার নবগ্রামে চানক বাসস্ট্যান্ড থেকে ৩জন গ্রেপ্তার এবং অস্ত্র উদ্ধার মুর্শিদাবাদ জেলার নবগ্রামে অস্ত্র উদ্ধার1