কালনা দু'নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা প্রণব রায়ের পার্টি অফিস থেকে জনগণের জন্য সরকারি ত্রাণের ত্রিপলসহ প্রতিবন্ধীদের জন্য ট্রাই সাইকেল ও ক্রাচারের মতো অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে প্রণব রায় দীর্ঘদিন ধরে এই সরকারি সামগ্রী নিজের পার্টি অফিসে মজুত করে রেখেছিলেন, যা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়নি। কালনার সিংয়ের কোণে অবস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের ওই পার্টি অফিসে একটি অভিযোগ পাওয়ার পর রবিবার দুপুরের পর পুলিশ হানা দেয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বহু গরিব মানুষ এই সরকারি ত্রাণ সামগ্রী থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, কারণ নেতা প্রণব রায় সেগুলি কাউকেই দেননি এবং নিজের পার্টি অফিসেই জমিয়ে রেখেছিলেন। এই অভিযানে বিপুল পরিমাণে ত্রিপল, ট্রাই সাইকেল এবং ক্রাচার উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পর রবিবার বিকেলের দিকে তৃণমূল নেতা প্রণব রায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
কালনা দু'নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা প্রণব রায়ের পার্টি অফিস থেকে জনগণের জন্য সরকারি ত্রাণের ত্রিপলসহ প্রতিবন্ধীদের জন্য ট্রাই সাইকেল ও ক্রাচারের মতো অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে প্রণব রায় দীর্ঘদিন ধরে এই সরকারি সামগ্রী নিজের পার্টি অফিসে মজুত করে রেখেছিলেন, যা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়নি। কালনার সিংয়ের কোণে অবস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের ওই পার্টি অফিসে একটি অভিযোগ পাওয়ার পর রবিবার দুপুরের পর পুলিশ হানা দেয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বহু গরিব মানুষ এই সরকারি ত্রাণ সামগ্রী থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, কারণ নেতা প্রণব রায় সেগুলি কাউকেই দেননি এবং নিজের পার্টি অফিসেই জমিয়ে রেখেছিলেন। এই অভিযানে বিপুল পরিমাণে ত্রিপল, ট্রাই সাইকেল এবং ক্রাচার উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পর রবিবার বিকেলের দিকে তৃণমূল নেতা প্রণব রায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
- অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ফর্ম সংগ্রহ করতে গিয়ে এক ব্যক্তি দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করার পরেও তা হাতে পাননি। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সত্ত্বেও ফর্ম না পাওয়ার পর ঠিক কী ঘটনা ঘটল, সেই বিষয়ে মানুষকে দেখার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- স্কুল বা কলেজের এক কিলোমিটারের মধ্যে থাকা মদের দোকানগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।1
- দশঘড়া ২ নম্বর পঞ্চায়েতে বিজেপির বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মিছিলে বহু সংখ্যক নাগরিক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। নাগরিকদের অফুরন্ত ভালোবাসা ও সমর্থনের ফলেই বিজেপি আজ দশঘড়া ২ নম্বর পঞ্চায়েতে জয়লাভ করেছে।1
- আজ রবিবার জিরাটে 'পাশে আছি, সাথে আছি' নামক সমাজসেবী সংস্থার উদ্যোগে একটি জলসত্র আয়োজন করা হয়েছে। এই জলসত্রটির সরাসরি সম্প্রচার জিরাট থেকে চলছে, এবং দর্শকদের এটি দেখতে থাকার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- নদিয়ার নবদ্বীপের বড়ালঘাটে একটি ক্লাবঘর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত জনবিক্ষোভ, পুলিশি তৎপরতা এবং রাজনৈতিক তরজায় নবদ্বীপ সরগরম ছিল। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা নাগাদ নবদ্বীপ থানার পুলিশ বড়ালঘাট স্পোর্টিং ক্লাবে অভিযান চালায়। অভিযোগের ভিত্তিতে ক্লাবের প্রায় দশটি ঘরে তল্লাশি চালিয়ে সরকারি ত্রাণের ত্রিপল, শীতবস্ত্র হিসেবে বিতরণের কম্বল এবং তন্তুজের বিভিন্ন প্রকল্পের শাড়ি সহ বিপুল পরিমাণ সরকারি সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া শাড়িগুলির মধ্যে ২০২৩-২৪, ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের সরকারি প্রকল্পের শাড়িও ছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এছাড়াও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য সংরক্ষিত একাধিক সামগ্রী সেখানে মজুত অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এই ক্লাবঘরটি নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহার পাড়াতেই অবস্থিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের আবাসনের পাশের ওই ক্লাব দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি সামগ্রী মজুত রাখার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, সাধারণ মানুষ ও বিজেপির নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভ দেখান। রাত বাড়ার সাথে সাথে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয় এবং অতিরিক্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। অবশেষে শনিবার ভোররাত আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিট নাগাদ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিশাল দল চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহার বাসভবনে পৌঁছে তাঁকে আটক করে। একইসঙ্গে অপর অভিযুক্ত সৌরভ বাবুকেও আটক করা হয়। চেয়ারম্যানকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার একাংশের বাসিন্দা ক্ষোভে ফেটে পড়েন, তাঁকে লক্ষ্য করে জলের বোতল ও জুতো ছোড়া হয় এবং 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মৃদু লাঠিচার্জও করতে হয় বলে অভিযোগ। তবে গ্রেপ্তারের সময় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিমানকৃষ্ণ সাহা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন যে, তিনি রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার হয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া ত্রাণসামগ্রী বিধায়ক তহবিলের আওতায় ছিল এবং তাঁকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। শনিবার ধৃত চেয়ারম্যানকে কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে পেশ করা হলে সেখানেও উত্তেজনার আবহ দেখা যায় এবং 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা এবং অপর অভিযুক্ত সৌরভ বাবুকে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে, যদিও তদন্তকারী সংস্থা ১০ দিনের হেফাজত চেয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ৩১৪, ৩১৬ সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। বর্তমানে তদন্তকারীরা উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর উৎস, কীভাবে সেগুলি ক্লাবঘরে এলো এবং কার নির্দেশে মজুত রাখা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন। এছাড়াও সরকারি ত্রাণ বণ্টন ব্যবস্থায় কোনও দুর্নীতি বা অনিয়মের যোগ রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। বড়ালঘাটের এই ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার কাণ্ড নবদ্বীপের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যেখানে বিরোধীরা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ তুলছে এবং চেয়ারম্যান নিজেকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বলে দাবি করছেন। ফলে তদন্তের পরবর্তী ধাপে কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন প্রশাসন, রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের নজর।1
- পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক চট্টোপাধ্যায়ের পূর্বস্থলীর বাড়ি থেকে রবিবার সাতসকালে সরকারি ত্রিপল, ফুটবল ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে রাজ্য পুলিশ এই তল্লাশি অভিযান চালায়, যেখানে বেশ কিছু সরকারি ত্রিপল এবং বাচ্চাদের খেলার ফুটবলসহ অন্যান্য জিনিসপত্র পাওয়া যায়। এই ঘটনার পর পুলিশ প্রাক্তন বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। তাকে গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়ার সময় উপস্থিত জনতা তাকে ঘিরে 'চোর চোর' স্লোগান দিতে শুরু করে। তবে, ঠিক কত পরিমাণ ত্রিপল, ফুটবল বা অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।1
- কালনা দু'নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা প্রণব রায়ের পার্টি অফিস থেকে জনগণের জন্য সরকারি ত্রাণের ত্রিপলসহ প্রতিবন্ধীদের জন্য ট্রাই সাইকেল ও ক্রাচারের মতো অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে প্রণব রায় দীর্ঘদিন ধরে এই সরকারি সামগ্রী নিজের পার্টি অফিসে মজুত করে রেখেছিলেন, যা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়নি। কালনার সিংয়ের কোণে অবস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের ওই পার্টি অফিসে একটি অভিযোগ পাওয়ার পর রবিবার দুপুরের পর পুলিশ হানা দেয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বহু গরিব মানুষ এই সরকারি ত্রাণ সামগ্রী থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, কারণ নেতা প্রণব রায় সেগুলি কাউকেই দেননি এবং নিজের পার্টি অফিসেই জমিয়ে রেখেছিলেন। এই অভিযানে বিপুল পরিমাণে ত্রিপল, ট্রাই সাইকেল এবং ক্রাচার উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পর রবিবার বিকেলের দিকে তৃণমূল নেতা প্রণব রায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।1