Shuru
Apke Nagar Ki App…
ব্রজপুরে ইয়াকুবিয়া টাইটাল মাদ্রাসার শৈক্ষিক পরিবেশ ও পাঠদানে সন্তোষ ব্যক্ত করল পড়ুয়ারা ব্রজপুরে ইয়াকুবিয়া টাইটাল মাদ্রাসার শৈক্ষিক পরিবেশ ও পাঠদানে সন্তোষ ব্যক্ত করল পড়ুয়ারা
BAHAR UDDIN LASKAR
ব্রজপুরে ইয়াকুবিয়া টাইটাল মাদ্রাসার শৈক্ষিক পরিবেশ ও পাঠদানে সন্তোষ ব্যক্ত করল পড়ুয়ারা ব্রজপুরে ইয়াকুবিয়া টাইটাল মাদ্রাসার শৈক্ষিক পরিবেশ ও পাঠদানে সন্তোষ ব্যক্ত করল পড়ুয়ারা
More news from অসম and nearby areas
- ব্রজপুরে ইয়াকুবিয়া টাইটাল মাদ্রাসার শৈক্ষিক পরিবেশ ও পাঠদানে সন্তোষ ব্যক্ত করল পড়ুয়ারা1
- Post by Amir Hussain Mazumder1
- বলদাবলদিতে চাঞ্চল্যকর মোড়: ‘মিথ্যা ধর্ষণ মামলা’য় গ্রেফতার—অভিযোগকারীরই বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি, টাকার লোভে সাজানো ষড়যন্ত্র!1
- Post by Alim Uddin1
- একই গ্রামের প্রতিবেশীদের হামলায় গুরুতর জখম হলেন এক মহিলা। ঘটনায় তার হাত ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে। আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে কাটিগড়া মডেল হাসপাতালে কাটিগড়া পুলিশের সহায়তায় নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য শিলচর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ঘটনাটি ঘটেছে কাটিগড়া থানার আওতাধীন তিনটিকরি গ্রামে।1
- মাধ্যমিক পরীক্ষায় উধারবন্দ ডিএনএইচএস (DNHS) স্কুলের হতাশাজনক ফলাফলের কারণ নিয়ে সংবাদিকদের মুখামুখি হয়ে একাডেমিক ইনচার্জ ক্যাতায়নী দত্ত চৌধুরী। সোমবার তিনি জানান, ২২০০ জন ছাত্রছাত্রীর বিপরীতে মাত্র ১২ জন শিক্ষক এবং স্কুল ভবনের নির্মাণকাজের জন্য বসার স্থানের তীব্র অভাবই এই বিপর্যয়ের মূল কারণ। পরিকাঠামোগত এই সংকটের জেরেই শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।1
- news banaa do1
- শিলচর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এক প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে গভীর রাতে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রসূতির মৃত্যুর খবর চাউর হতেই উত্তেজিত পরিবারের সদস্যরা কর্তব্যরত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে চরম গাফিলতি ও ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। জানা গেছে, মৃত প্রসূতির নাম সুজলা দাস, বাড়ি কাছাড় জেলার গুমড়া চরচপুরে। প্রসব যন্ত্রণার কারণে গত শনিবার তাঁকে শিলচর মেডিকেল কলেজে ভর্তি করানো হয়েছিল। রবিবার সকালে তিনি একটি সন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু সন্তান প্রসবের কিছু সময় পরেই প্রসূতির শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাঁকে দ্রুত আই.সি.ইউ. তে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃতার স্বামীর অভিযোগ, সন্তান জন্মের আগে তিনি বারবার চিকিৎসকদের কাছে 'সিজারিয়ান' করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, চিকিৎসকরা তাঁর অনুরোধকে পাত্তা না দিয়ে 'নরমাল ডেলিভারি' করান। এছাড়াও, সন্তান প্রসবের পর স্ত্রী ও সন্তানকে দেখার জন্য বারবার অনুমতি চাইলেও চিকিৎসকরা তাঁকে অনুমতি দেননি বলে তিনি দাবি করেছেন। পরিবারের দাবি, চিকিৎসকদের চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা এবং ভুল চিকিৎসার জেরেই এই মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।হাসপাতাল চত্বরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে খবর পেয়েই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে এলেও এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে। মৃতার স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।1