logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

মোবাইলের টর্চের আলোয় ইমার্জেন্সি চিকিৎসা! ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, রোগী-পরিজনদের মধ্যে উদ্বেগ। জরুরি মুহূর্তে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জেরে মোবাইল ফোনের টর্চের আলো ব্যবহার করে চিকিৎসা পরিষেবা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় এমন দৃশ্য ধরা পড়ার পর হাসপাতালের জরুরি পরিষেবা ও বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ইমার্জেন্সি বিভাগে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর পর্যাপ্ত বিকল্প আলোর ব্যবস্থা না থাকায় মোবাইল ফোনের টর্চের আলো ব্যবহার করে রোগী দেখাশোনা ও চিকিৎসা পরিষেবা চালাতে হয়। হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের জরুরি বিভাগে এমন পরিস্থিতি কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রোগীর পরিজন ও স্থানীয়রা। ইমার্জেন্সি বিভাগে রোগীর শারীরিক পরীক্ষা, চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত আলোর প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর যদি বিকল্প আলোর ব্যবস্থা কার্যকর না থাকে, তাহলে জরুরি পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা নতুন নয়। মাঝেমধ্যেই বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা দেখা দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে জরুরি পরিষেবা সচল রাখার জন্য হাসপাতালের জেনারেটর বা অন্যান্য ব্যাকআপ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়ভাবে এমন অভিযোগও উঠেছে যে, হাসপাতালের অভ্যন্তরে থাকা কিছু ব্যক্তি বর্তমান বিধায়ক জহর চক্রবর্তীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে পরিস্থিতিকে ব্যবহার করছেন। তবে এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও প্রশাসনিক তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। তবে রাজনৈতিক অভিযোগের বাইরে রোগী ও পরিজনদের মূল প্রশ্ন—হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে চিকিৎসা পরিষেবা যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, তার জন্য কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা কোথায়? সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় মোবাইলের টর্চের আলোয় চিকিৎসা পরিষেবা চালানোর ছবি সামনে আসার পর বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতের সময়ে গুরুতর অবস্থায় কোনো রোগী ইমার্জেন্সিতে এলে পর্যাপ্ত আলো ও বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকলে পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, সেই প্রশ্নও উঠছে। ঘটনার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ, কতক্ষণ পরিষেবা ব্যাহত হয়েছিল এবং বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কেন কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়নি—এসব বিষয় এখন স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধে হাসপাতালের জরুরি বিদ্যুৎ ও ব্যাকআপ ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হবে কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে সাধারণ মানুষের। কারণ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে বিদ্যুৎ বিভ্রাট কোনো সাধারণ বিষয় নয়। জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে পর্যাপ্ত আলো ও কার্যকর ব্যাকআপ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি।

1 hr ago
user_Amlan Das
Amlan Das
Photographer Dharmanagar, North Tripura•
1 hr ago

মোবাইলের টর্চের আলোয় ইমার্জেন্সি চিকিৎসা! ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, রোগী-পরিজনদের মধ্যে উদ্বেগ। জরুরি মুহূর্তে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জেরে মোবাইল ফোনের টর্চের আলো ব্যবহার করে চিকিৎসা পরিষেবা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় এমন দৃশ্য ধরা পড়ার পর হাসপাতালের জরুরি পরিষেবা ও বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ইমার্জেন্সি বিভাগে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর পর্যাপ্ত বিকল্প আলোর ব্যবস্থা না থাকায় মোবাইল ফোনের টর্চের আলো ব্যবহার করে রোগী দেখাশোনা ও চিকিৎসা পরিষেবা চালাতে হয়। হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের জরুরি বিভাগে এমন পরিস্থিতি কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ

করেছেন রোগীর পরিজন ও স্থানীয়রা। ইমার্জেন্সি বিভাগে রোগীর শারীরিক পরীক্ষা, চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত আলোর প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর যদি বিকল্প আলোর ব্যবস্থা কার্যকর না থাকে, তাহলে জরুরি পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা নতুন নয়। মাঝেমধ্যেই বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা দেখা দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে জরুরি পরিষেবা সচল রাখার জন্য হাসপাতালের জেনারেটর বা অন্যান্য ব্যাকআপ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়ভাবে

এমন অভিযোগও উঠেছে যে, হাসপাতালের অভ্যন্তরে থাকা কিছু ব্যক্তি বর্তমান বিধায়ক জহর চক্রবর্তীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে পরিস্থিতিকে ব্যবহার করছেন। তবে এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও প্রশাসনিক তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। তবে রাজনৈতিক অভিযোগের বাইরে রোগী ও পরিজনদের মূল প্রশ্ন—হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে চিকিৎসা পরিষেবা যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, তার জন্য কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা কোথায়? সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় মোবাইলের টর্চের আলোয় চিকিৎসা পরিষেবা চালানোর ছবি সামনে আসার পর বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতের সময়ে গুরুতর অবস্থায় কোনো রোগী

ইমার্জেন্সিতে এলে পর্যাপ্ত আলো ও বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকলে পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, সেই প্রশ্নও উঠছে। ঘটনার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ, কতক্ষণ পরিষেবা ব্যাহত হয়েছিল এবং বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কেন কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়নি—এসব বিষয় এখন স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধে হাসপাতালের জরুরি বিদ্যুৎ ও ব্যাকআপ ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হবে কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে সাধারণ মানুষের। কারণ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে বিদ্যুৎ বিভ্রাট কোনো সাধারণ বিষয় নয়। জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে পর্যাপ্ত আলো ও কার্যকর ব্যাকআপ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি।

More news from North Tripura and nearby areas
  • মোবাইলের টর্চের আলোয় ইমার্জেন্সি চিকিৎসা! ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, রোগী-পরিজনদের মধ্যে উদ্বেগ। জরুরি মুহূর্তে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জেরে মোবাইল ফোনের টর্চের আলো ব্যবহার করে চিকিৎসা পরিষেবা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় এমন দৃশ্য ধরা পড়ার পর হাসপাতালের জরুরি পরিষেবা ও বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ইমার্জেন্সি বিভাগে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর পর্যাপ্ত বিকল্প আলোর ব্যবস্থা না থাকায় মোবাইল ফোনের টর্চের আলো ব্যবহার করে রোগী দেখাশোনা ও চিকিৎসা পরিষেবা চালাতে হয়। হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের জরুরি বিভাগে এমন পরিস্থিতি কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রোগীর পরিজন ও স্থানীয়রা। ইমার্জেন্সি বিভাগে রোগীর শারীরিক পরীক্ষা, চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত আলোর প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর যদি বিকল্প আলোর ব্যবস্থা কার্যকর না থাকে, তাহলে জরুরি পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা নতুন নয়। মাঝেমধ্যেই বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা দেখা দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে জরুরি পরিষেবা সচল রাখার জন্য হাসপাতালের জেনারেটর বা অন্যান্য ব্যাকআপ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়ভাবে এমন অভিযোগও উঠেছে যে, হাসপাতালের অভ্যন্তরে থাকা কিছু ব্যক্তি বর্তমান বিধায়ক জহর চক্রবর্তীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে পরিস্থিতিকে ব্যবহার করছেন। তবে এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও প্রশাসনিক তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। তবে রাজনৈতিক অভিযোগের বাইরে রোগী ও পরিজনদের মূল প্রশ্ন—হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে চিকিৎসা পরিষেবা যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, তার জন্য কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা কোথায়? সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় মোবাইলের টর্চের আলোয় চিকিৎসা পরিষেবা চালানোর ছবি সামনে আসার পর বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতের সময়ে গুরুতর অবস্থায় কোনো রোগী ইমার্জেন্সিতে এলে পর্যাপ্ত আলো ও বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকলে পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, সেই প্রশ্নও উঠছে। ঘটনার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ, কতক্ষণ পরিষেবা ব্যাহত হয়েছিল এবং বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কেন কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়নি—এসব বিষয় এখন স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধে হাসপাতালের জরুরি বিদ্যুৎ ও ব্যাকআপ ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হবে কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে সাধারণ মানুষের। কারণ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে বিদ্যুৎ বিভ্রাট কোনো সাধারণ বিষয় নয়। জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে পর্যাপ্ত আলো ও কার্যকর ব্যাকআপ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি।
    4
    মোবাইলের টর্চের আলোয় ইমার্জেন্সি চিকিৎসা! ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, রোগী-পরিজনদের মধ্যে উদ্বেগ।
জরুরি মুহূর্তে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জেরে মোবাইল ফোনের টর্চের আলো ব্যবহার করে চিকিৎসা পরিষেবা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় এমন দৃশ্য ধরা পড়ার পর হাসপাতালের জরুরি পরিষেবা ও বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ইমার্জেন্সি বিভাগে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর পর্যাপ্ত বিকল্প আলোর ব্যবস্থা না থাকায় মোবাইল ফোনের টর্চের আলো ব্যবহার করে রোগী দেখাশোনা ও চিকিৎসা পরিষেবা চালাতে হয়। হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের জরুরি বিভাগে এমন পরিস্থিতি কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রোগীর পরিজন ও স্থানীয়রা। ইমার্জেন্সি বিভাগে রোগীর শারীরিক পরীক্ষা, চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত আলোর প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর যদি বিকল্প আলোর ব্যবস্থা কার্যকর না থাকে, তাহলে জরুরি পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা নতুন নয়। মাঝেমধ্যেই বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা দেখা দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে জরুরি পরিষেবা সচল রাখার জন্য হাসপাতালের জেনারেটর বা অন্যান্য ব্যাকআপ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়ভাবে এমন অভিযোগও উঠেছে যে, হাসপাতালের অভ্যন্তরে থাকা কিছু ব্যক্তি বর্তমান বিধায়ক জহর চক্রবর্তীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে পরিস্থিতিকে ব্যবহার করছেন। তবে এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও প্রশাসনিক তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। তবে রাজনৈতিক অভিযোগের বাইরে রোগী ও পরিজনদের মূল প্রশ্ন—হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে চিকিৎসা পরিষেবা যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, তার জন্য কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা কোথায়?
সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় মোবাইলের টর্চের আলোয় চিকিৎসা পরিষেবা চালানোর ছবি সামনে আসার পর বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতের সময়ে গুরুতর অবস্থায় কোনো রোগী ইমার্জেন্সিতে এলে পর্যাপ্ত আলো ও বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকলে পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, সেই প্রশ্নও উঠছে। ঘটনার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ, কতক্ষণ পরিষেবা ব্যাহত হয়েছিল এবং বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কেন কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়নি—এসব বিষয় এখন স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধে হাসপাতালের জরুরি বিদ্যুৎ ও ব্যাকআপ ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হবে কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে সাধারণ মানুষের। কারণ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে বিদ্যুৎ বিভ্রাট কোনো সাধারণ বিষয় নয়। জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে পর্যাপ্ত আলো ও কার্যকর ব্যাকআপ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি।
    user_Amlan Das
    Amlan Das
    Photographer Dharmanagar, North Tripura•
    1 hr ago
  • পুজোর আগেই লক্ষীছড়া বাঁধে ইট সোলিংয়ের আশ্বাস, মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ কৈলাশহরের বাসিন্দারা! পুজোর আগেই লক্ষীছড়া বাঁধে ইট সোলিংয়ের আশ্বাস, মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ কৈলাশহরের বাসিন্দারা!
    1
    পুজোর আগেই লক্ষীছড়া বাঁধে ইট সোলিংয়ের আশ্বাস, মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ কৈলাশহরের বাসিন্দারা! 
পুজোর আগেই লক্ষীছড়া বাঁধে ইট সোলিংয়ের আশ্বাস, মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ কৈলাশহরের বাসিন্দারা!
    user_Tripura Television
    Tripura Television
    Local News Reporter কৈলাশহর, উনাকোটি, ত্রিপুরা•
    22 hrs ago
  • ⭕ শিশুদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে মুখ্যমন্ত্রী, মোদীর জন্মদিনে শুরু মাসব্যাপী কর্মসূচি ✍️ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার থেকে ত্রিপুরায় শুরু হল মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি। এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানী আগরতলায় উজান অভয়নগরস্থিত চাইল্ড কেয়ার ইউনিট পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সমাজকল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দফতরের মন্ত্রী টিংকু রায় এবং সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকরা।
    1
    ⭕ শিশুদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে মুখ্যমন্ত্রী, মোদীর জন্মদিনে শুরু মাসব্যাপী কর্মসূচি
✍️ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার থেকে ত্রিপুরায় শুরু হল মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি। এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানী আগরতলায় উজান অভয়নগরস্থিত চাইল্ড কেয়ার ইউনিট পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সমাজকল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দফতরের মন্ত্রী টিংকু রায় এবং সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকরা।
    user_KALER ALO
    KALER ALO
    Newspaper publisher হেজামারা, পশ্চিম ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    1 hr ago
  • = পৃথক দুটি চুরির মামলায় তদন্তে নেমে বৃহস্পতিবার তিন চোরকে আটক করলো এনসিসি থানার পুলিশ।বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্তারিত বলেন এনসিসি থানার ওসি পরিতোষ দাস
    1
    =


পৃথক দুটি চুরির মামলায় তদন্তে নেমে বৃহস্পতিবার তিন চোরকে আটক করলো এনসিসি থানার পুলিশ।বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্তারিত বলেন এনসিসি থানার ওসি পরিতোষ দাস
    user_PRABIR CRIME
    PRABIR CRIME
    মান্দাই, পশ্চিম ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    2 hrs ago
  • ১৮ ই সেপ্টেম্বর দেব শিল্পী বিশ্বকর্মার পূজা। হিন্দু বাঙ্গালীদের বারোমাসের তেরো পার্বণের একটা অন্যতম হচ্ছে দেব শিল্পীর পূজা। এই পূজা কে কেন্দ্র করেই ইতিমধ্যেই বাজারে এসে গেছে বিশ্বকর্মার প্রতিমা। কিন্তু, দুর্ভাগ্যের বিষয় একাংশ পরিবারের এবং মৃৎশিল্পীদের। এটা কিন্তু গল্প নয়! মিথ্যে কথাও নয়! একেবারে বাস্তব সত্য ঘটনা! বিশেষ করে, মৃৎশিল্পী যারা তাদের মাথায় হাত! তার একাধিক কারণ রয়েছে, একটি দেব শিল্পী বিশ্বকর্মার মূর্তি তৈরি করতে যে পরিমাণ টাকা খরচ হয় তাতে করে বিক্রির পয়সায় খরচে তোলা বড় দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে চলতি মরসুমে। তার কারণ, যারা পূজা করেন তাদেরও সমস্যা নানাবিধ। বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক গুণ বেড়ে গেছে। পূজার আবরণ থেকে শুরু করে অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম প্রচন্ড ঊর্ধ্বমুখী! সাধারণ অংশের পরিবার যেভাবে বিগত বছরগুলিতে পূজা করে আসছিল, এবারে মূর্তি ক্রয় করে পূজা করা অত্যান্ত দুঃসাধ্য। তার কারণ, পূজা করা মানেই হচ্ছে টাকার খেলা। পুরোহিতের দক্ষিণাসহ সবকিছুই বৃদ্ধি পেয়েছে। কাজেই কিছু কিছু গ্রামীণ এলাকার পরিবার মূর্তি ক্রয় না করে ফটো দিয়েই পূজা করার ভাবনা চিন্তা করছে। অপরদিকে, শিল্পী তারাও ভীষণ চিন্তা গ্রস্ত, কারণ মূর্তি তৈরি টাকা খরচ হয়, কম টাকায় বিক্রি করলে কি করে পরিবার চালাবে। যেমন কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকায়, একাধিক কারখানা রয়েছে মূর্তির, এক প্রবীণ মৃৎশিল্পী গৌরাঙ্গ পাল (৭২) বৃদ্ধ বয়সেও পরিবার চালাতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে মূর্তি তৈরি করে সারা বছর। কিন্তু এ বছর ক্রেতা সংখ্যা অনেক কমে যাওয়ায় ভীষণ চিন্তাগ্রস্ত। অপরদিকে প্রসেনজিৎ পাল, ৫০ টি দেব শিল্পী বিশ্বকর্মা তৈরি করেছেন। উনাদের বাড়ি মেলাঘর, মেলাঘর থেকে এসে কাঠালিয়ায় প্রতিবছরের ন্যায় এবারও মূর্তি নির্মাণে ব্যস্ত। কিন্ত প্রসেনজিৎ বাবু জানান দেখুন, এবারে বিশ্বকর্মার সমস্ত মূর্তি বিক্রি করা যাবে কিনা সন্দেহ প্রকাশ করছেন। কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, একদিকে কম দামে বিক্রি করা যাবে না। অপরদিকে ক্রেতার সংখ্যা কমে গেছে। অপরদিকে, এক আখ বিক্রেতা বিমল দাস। উনার বাড়ি মেলাঘর, মেলাঘর থেকে গাড়িতে করে প্রচুর আখ নিয়ে হাজির হয়েছেন কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকায়। বসে বসে ভাবনা চিন্তা করছেন আখের দাম আগের তুলনায় অনেকটাই কম। উনি একান্ত সাক্ষাতে দুঃখ প্রকাশ করে বলছেন, অতি প্রত্যাশা নিয়ে মেলাঘর থেকে কাঠালিয়া আসলাম! কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্য! ক্রেতা সংখ্যা অনেকটাই কম। এই হচ্ছে বিশ্বকর্মা পূজার নীরব চেহারা! অন্যান্য বছর ঠিক যে কোন পূজা আসলে তারা থেকে মানুষের মনে একটা দোয়া দিয়ে যায়। কিন্তু, দুর্ভাগ্যের বিষয় হলেও বাস্তব ঘটনা, একেবারে কাঠালিয়া পূজার বাজার মন্দা ভাব! পূজায় এসে গেছে এমন কিছু বুঝা যাচ্ছে না ‌। মানুষের মুখোমুখি শুধু অভাবের তাড়নানাই যেন প্রাধান্য পাচ্ছে।
    1
    ১৮ ই সেপ্টেম্বর দেব শিল্পী বিশ্বকর্মার পূজা। হিন্দু বাঙ্গালীদের বারোমাসের তেরো পার্বণের একটা অন্যতম হচ্ছে দেব শিল্পীর পূজা। এই পূজা কে কেন্দ্র করেই ইতিমধ্যেই বাজারে এসে গেছে বিশ্বকর্মার প্রতিমা। 
কিন্তু, দুর্ভাগ্যের বিষয় একাংশ পরিবারের এবং মৃৎশিল্পীদের। এটা কিন্তু গল্প নয়! মিথ্যে কথাও নয়! একেবারে বাস্তব সত্য ঘটনা! 
বিশেষ করে, মৃৎশিল্পী যারা তাদের মাথায় হাত! তার একাধিক কারণ রয়েছে, একটি দেব শিল্পী বিশ্বকর্মার মূর্তি তৈরি করতে যে পরিমাণ টাকা খরচ হয় তাতে করে বিক্রির পয়সায় খরচে তোলা বড় দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে চলতি মরসুমে। তার কারণ, যারা পূজা করেন তাদেরও সমস্যা নানাবিধ। বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক গুণ বেড়ে গেছে। পূজার আবরণ থেকে শুরু করে অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম প্রচন্ড ঊর্ধ্বমুখী! সাধারণ অংশের পরিবার যেভাবে বিগত বছরগুলিতে পূজা করে আসছিল, এবারে মূর্তি ক্রয় করে পূজা করা অত্যান্ত দুঃসাধ্য। তার কারণ, পূজা করা মানেই হচ্ছে টাকার খেলা। পুরোহিতের দক্ষিণাসহ সবকিছুই বৃদ্ধি পেয়েছে। কাজেই কিছু কিছু গ্রামীণ এলাকার পরিবার মূর্তি ক্রয় না করে ফটো দিয়েই পূজা করার ভাবনা চিন্তা করছে। 
অপরদিকে, শিল্পী তারাও ভীষণ চিন্তা গ্রস্ত, কারণ মূর্তি তৈরি টাকা খরচ হয়, কম টাকায় বিক্রি করলে কি করে পরিবার চালাবে। 
যেমন কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকায়, একাধিক কারখানা রয়েছে মূর্তির, এক প্রবীণ মৃৎশিল্পী গৌরাঙ্গ পাল (৭২) বৃদ্ধ বয়সেও পরিবার চালাতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে মূর্তি তৈরি করে সারা বছর। কিন্তু এ বছর ক্রেতা সংখ্যা অনেক কমে যাওয়ায় ভীষণ চিন্তাগ্রস্ত। অপরদিকে প্রসেনজিৎ পাল, ৫০ টি দেব শিল্পী বিশ্বকর্মা তৈরি করেছেন। উনাদের বাড়ি মেলাঘর, মেলাঘর থেকে এসে কাঠালিয়ায় প্রতিবছরের ন্যায় এবারও মূর্তি নির্মাণে ব্যস্ত। কিন্ত প্রসেনজিৎ বাবু জানান দেখুন, এবারে বিশ্বকর্মার সমস্ত মূর্তি বিক্রি করা যাবে কিনা সন্দেহ প্রকাশ করছেন। কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, একদিকে কম দামে বিক্রি করা যাবে না। অপরদিকে ক্রেতার সংখ্যা কমে গেছে। 
অপরদিকে, এক আখ বিক্রেতা বিমল দাস। উনার বাড়ি মেলাঘর, মেলাঘর থেকে গাড়িতে করে প্রচুর আখ নিয়ে হাজির হয়েছেন কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকায়। বসে বসে ভাবনা চিন্তা করছেন আখের দাম আগের তুলনায় অনেকটাই কম। 
উনি একান্ত সাক্ষাতে দুঃখ প্রকাশ করে বলছেন, অতি প্রত্যাশা নিয়ে মেলাঘর থেকে কাঠালিয়া আসলাম! কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্য! ক্রেতা সংখ্যা অনেকটাই কম। 
এই হচ্ছে বিশ্বকর্মা পূজার নীরব চেহারা! 
অন্যান্য বছর ঠিক যে কোন পূজা আসলে তারা থেকে মানুষের মনে একটা দোয়া দিয়ে যায়। কিন্তু, দুর্ভাগ্যের বিষয় হলেও বাস্তব ঘটনা, একেবারে কাঠালিয়া পূজার বাজার মন্দা ভাব! 
পূজায় এসে গেছে এমন কিছু বুঝা যাচ্ছে না ‌। মানুষের মুখোমুখি শুধু অভাবের তাড়নানাই যেন প্রাধান্য পাচ্ছে।
    user_News On Tiprasa
    News On Tiprasa
    Content Creator (YouTuber) জাম্পুইজলা, সিপাহীজলা, ত্রিপুরা•
    17 min ago
  • গোকুলনগর ব্রিজ সংলগ্ন জাতীয় সড়কে তিন গাড়ির সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন! গোকুলনগর ব্রিজ সংলগ্ন জাতীয় সড়কে তিন গাড়ির সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন!
    1
    গোকুলনগর ব্রিজ সংলগ্ন জাতীয় সড়কে তিন গাড়ির সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন!
গোকুলনগর ব্রিজ সংলগ্ন জাতীয় সড়কে তিন গাড়ির সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন!
    user_সাহসী কন্ঠ।
    সাহসী কন্ঠ।
    Artist Bishalgarh, Sepahijala•
    6 hrs ago
  • ধলাই জেলা ৪৯ ছাওমনু বিধানসভা কেন্দ্রের মকর ছড়া অর্জুন মনে কার বাড়ি পাড়ায় বিজেপি দল ত্যাগ করে হয় পরিবারের ১৬ ভোটার তিপ্রা মথাতে যোগদান আজ রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ ঘটিকায় মকর ছড়া অর্জুন মনি কারকাড়ি পাড়ায় একটু উঠান সভা হয় এই সভায় বিজেপি দল ত্যাগ করে ৬ পরিবারের ১৬ ভোটার আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন নবাগত সদস্যদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে স্বাগতম জানাই তিপ্রা মথার ব্লক প্রেসিডেন্ট হংসকুমার ত্রিপুরা জয়সেন চাকমা হংসকুমার ত্রিপুরা নবাগত সদস্যদের কে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তিপ্রা মথা দলে কাজ করার জন্য আহবান জানায় এবং তিনি নবাগতদের পাশে সুখে দুঃখে থাকবে বলে আশ্বাস দেন অংশকুমার ত্রিপুরার বলেন যে যেভাবে বিজেপি দলকে ত্যাগ করে তিপ্রা মথা দলে যোগদান করছি তিনি নিশ্চিত এবার বিসি ইলেকশনে জয় নিশ্চিত বলে জানান হংশ কুমার ত্রিপুরা। ছাওমনু থেকে সুমন বড়ুয়ার রিপোর্ট
    1
    ধলাই জেলা ৪৯ ছাওমনু বিধানসভা কেন্দ্রের মকর ছড়া  অর্জুন মনে কার বাড়ি পাড়ায় বিজেপি দল ত্যাগ করে হয় পরিবারের ১৬ ভোটার তিপ্রা মথাতে যোগদান আজ রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ ঘটিকায় মকর ছড়া অর্জুন মনি কারকাড়ি পাড়ায় একটু উঠান সভা হয় এই সভায় বিজেপি দল ত্যাগ করে  ৬ পরিবারের ১৬ ভোটার  আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন নবাগত সদস্যদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে স্বাগতম জানাই তিপ্রা মথার ব্লক প্রেসিডেন্ট হংসকুমার ত্রিপুরা জয়সেন চাকমা হংসকুমার ত্রিপুরা নবাগত সদস্যদের কে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তিপ্রা মথা দলে কাজ করার জন্য আহবান জানায় এবং তিনি নবাগতদের পাশে সুখে দুঃখে থাকবে বলে আশ্বাস দেন অংশকুমার ত্রিপুরার বলেন যে যেভাবে বিজেপি দলকে ত্যাগ করে তিপ্রা মথা দলে যোগদান করছি  তিনি নিশ্চিত এবার বিসি ইলেকশনে জয় নিশ্চিত বলে জানান হংশ কুমার ত্রিপুরা। ছাওমনু থেকে সুমন বড়ুয়ার রিপোর্ট
    user_Times News HD
    Times News HD
    Artist কারবুক, গোমতী, ত্রিপুরা•
    5 hrs ago
  • কর্তব্যে গাফিলতি সহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত বড়মুড়া নারেং জমি উচ্চ বিদ্যালয়,উদাসিং সংশ্লিষ্ট দপ্তর! ত্রিপুরা স্ব শাসিত জেলা পরিষদ অর্থাৎ জনজাতি অধ্যুষিত এলাকার শিক্ষা ব্যবসার প্রতি,জাতির প্রেমের মতো প্রেন না লক্ষ্য করা যায় প্রশনায়,অবকাঠামো সহ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে।আবারো এমনই এক দৃশ্য ওঠে এলো পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার বেলবাড়ি ব্লকের অধীন ইন্সপেক্টর অফ স্কুল বেলবাড়ি এর অধীন বড়মুড়া নারেঙ জমি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক শিক্ষিকাদের কর্তব্যে গাফিলতির বিষয় নিত্য দিনের,ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মাস্টার বাবুদের দেখা যায় না।পাশাপাশি পানীয় জল সহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত বিদ্যালয়টি।পরে চরম বেহাল দশা পড়াশোনার,অন্ধকারে আগামীর ভবিষ্যত,পাহাড়ে সম্পূর্ণ উদাসীন সংশ্লিষ্ট দপ্তর,মাঠ পর্যায়ের ইন্সপেক্টর অফ স্কুল বেলবাড়ি।গোটা বিষয় নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্তারিত জানান কর্তিপক্ষ্য এবং সমাধানের দাবি জানান
    1
    কর্তব্যে গাফিলতি সহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত বড়মুড়া নারেং জমি উচ্চ বিদ্যালয়,উদাসিং সংশ্লিষ্ট দপ্তর!

ত্রিপুরা স্ব শাসিত জেলা পরিষদ অর্থাৎ জনজাতি অধ্যুষিত এলাকার শিক্ষা ব্যবসার প্রতি,জাতির প্রেমের মতো প্রেন না লক্ষ্য করা যায় প্রশনায়,অবকাঠামো সহ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে।আবারো এমনই এক দৃশ্য ওঠে এলো পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার বেলবাড়ি ব্লকের অধীন ইন্সপেক্টর অফ স্কুল বেলবাড়ি এর অধীন বড়মুড়া নারেঙ জমি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক শিক্ষিকাদের কর্তব্যে গাফিলতির বিষয় নিত্য দিনের,ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মাস্টার বাবুদের দেখা যায় না।পাশাপাশি পানীয় জল সহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত বিদ্যালয়টি।পরে চরম বেহাল দশা পড়াশোনার,অন্ধকারে আগামীর ভবিষ্যত,পাহাড়ে সম্পূর্ণ উদাসীন সংশ্লিষ্ট দপ্তর,মাঠ পর্যায়ের ইন্সপেক্টর অফ স্কুল বেলবাড়ি।গোটা বিষয় নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্তারিত জানান কর্তিপক্ষ্য এবং সমাধানের দাবি জানান
    user_PRABIR CRIME
    PRABIR CRIME
    মান্দাই, পশ্চিম ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    4 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.