Shuru
Apke Nagar Ki App…
রায়গঞ্জের লহন্ডা এলাকায় এক ব্যক্তির গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃত ব্যক্তির নাম লোকনাথ শীল (৫১), যিনি লহন্ডা এলাকারই বাসিন্দা ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যা থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর পরিবারের সদস্যরা এলাকার একটি বাগানে একটি গাছে তার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। পরিজনদের দাবি, লোকনাথ শীল দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সমস্যার পাশাপাশি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। এই ঘটনার পর পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে। বৃহস্পতিবার দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বর্তমানে এই মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
KALIYAGANJ NEWS
রায়গঞ্জের লহন্ডা এলাকায় এক ব্যক্তির গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃত ব্যক্তির নাম লোকনাথ শীল (৫১), যিনি লহন্ডা এলাকারই বাসিন্দা ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যা থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর পরিবারের সদস্যরা এলাকার একটি বাগানে একটি গাছে তার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। পরিজনদের দাবি, লোকনাথ শীল দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সমস্যার পাশাপাশি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। এই ঘটনার পর পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে। বৃহস্পতিবার দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বর্তমানে এই মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
More news from West Bengal and nearby areas
- ফারাক্কার একটি কলেজের অধ্যক্ষ বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছেন টাকা নিয়েও স্থায়ী চাকরি না দেওয়ার অভিযোগে। অভিযোগ উঠেছে যে, একজন অস্থায়ী কর্মীকে স্থায়ী চাকরির আশ্বাস দিয়ে তাঁর কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা নেওয়া হলেও তাঁকে চাকরিটি স্থায়ী করা হয়নি। একইভাবে আরও এক কর্মীর কাছ থেকেও ৭ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী এই বিষয়ে ফারাক্কা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে, কলেজের অধ্যক্ষ ডঃ ক্যাপ্টেন শিবাসিস ব্যানার্জী সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তা অস্বীকার করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পরই ঘটনার প্রকৃত সত্য সামনে আসবে।1
- মালদা জেলার রতুয়া দুই নম্বর ব্লকে প্রতি বছরের মতো এবারও মহরম উৎসব পালিত হয়েছে। এই শোকের পরবটি প্রবল উৎসাহ সহকারে উদযাপিত হওয়ার ছবি নজরে এসেছে।1
- দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে একটি মাদকবিরোধী সচেতনতা মিছিল আয়োজন করা হয়। এই মিছিল থেকে জেলার যুব সমাজকে এক নেশামুক্ত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য দৃঢ় আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়ার কাঁচাকালি থেকে রুকিয়া বেগম একটি পবিত্র বার্তা শেয়ার করেছেন। এই বার্তায় বলা হয়েছে, 'ইলাহা ইল্লাল্লাহু' যার অর্থ 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই'। এতে আল্লাহর তিনটি বিশেষ গুণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে: তিনি 'আল-মালিক' অর্থাৎ প্রকৃত বাদশাহ বা অধিপতি, 'আল-হাক্কু' অর্থাৎ পরম সত্য, এবং 'আল-মুবিন' অর্থাৎ সবকিছু স্পষ্টকারী বা স্পষ্ট প্রমাণস্বরূপ। হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, এটি জান্নাতের ভাণ্ডারগুলোর মধ্যে একটি এবং যে ব্যক্তি নিয়মিত এটি পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন এটি তার জন্য সুপারিশকারী হবে ইনশাআল্লাহ।1
- মানিকচক কলেজের অভ্যন্তরে এক যুবক দাদাগিরি করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।1
- কোচবিহারের হলদিবাড়ি বাজারে মহরম উপলক্ষে খুদেদের নানা কেরামতি প্রদর্শন করা হয়েছে। এই আয়োজনে শিশুরা তাদের কৌশল ও দক্ষতা তুলে ধরে।1
- কালিয়াচক থানার গোলাপগঞ্জ এলাকায় এক গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মী ও স্থানীয় তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে এক কৃষক পরিবার থেকে ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী, পেশায় কৃষিজীবী খগেন মণ্ডল দাবি করেছেন যে, প্রায় ছয় বছর আগে তাঁর দুই ছেলেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এই টাকা নেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চাকরি না মেলায় টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ। খগেন মণ্ডলের দাবি অনুযায়ী, অভিযুক্ত অমল কান্তি সরকার, যিনি হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের এক গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মী এবং স্থানীয় তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত, প্রথমে ২০ লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন। পরে জমি বিক্রি করে নগদ ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা অমল কান্তি সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। অভিযোগকারী আরও দাবি করেছেন যে, টাকা দেওয়ার সময় গোপনে একটি ভিডিও রেকর্ড করা হয়েছিল, যা বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যদিও রিপাবলিক বাংলা এই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করেনি। ২০২৪ সালে কালিয়াচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও, দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে খগেন মণ্ডল জানিয়েছেন। তবে, সম্প্রতি রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর তিনি ফের জেলা শাসক ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। জানা গেছে, প্রশাসন ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেছেন যে, প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করুক এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অন্যদিকে, রাজ্য বিজেপির সদস্য অজিত রায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেছেন যে, সরকার কোনো অন্যায় বরদাস্ত করবে না এবং সরকারি কর্মচারী চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিয়ে থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসনের তদন্ত শেষ হওয়ার পরই অভিযোগের সত্যতা এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে স্পষ্ট চিত্র সামনে আসবে।1
- Islami Muharram Zamane Ke Liye 26 Aaya Hai hogazzzzzzzzz1