Shuru
Apke Nagar Ki App…
পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়ার কাঁচাকালি থেকে রুকিয়া বেগম একটি পবিত্র বার্তা শেয়ার করেছেন। এই বার্তায় বলা হয়েছে, 'ইলাহা ইল্লাল্লাহু' যার অর্থ 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই'। এতে আল্লাহর তিনটি বিশেষ গুণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে: তিনি 'আল-মালিক' অর্থাৎ প্রকৃত বাদশাহ বা অধিপতি, 'আল-হাক্কু' অর্থাৎ পরম সত্য, এবং 'আল-মুবিন' অর্থাৎ সবকিছু স্পষ্টকারী বা স্পষ্ট প্রমাণস্বরূপ। হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, এটি জান্নাতের ভাণ্ডারগুলোর মধ্যে একটি এবং যে ব্যক্তি নিয়মিত এটি পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন এটি তার জন্য সুপারিশকারী হবে ইনশাআল্লাহ।
Ruqiya begum
পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়ার কাঁচাকালি থেকে রুকিয়া বেগম একটি পবিত্র বার্তা শেয়ার করেছেন। এই বার্তায় বলা হয়েছে, 'ইলাহা ইল্লাল্লাহু' যার অর্থ 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই'। এতে আল্লাহর তিনটি বিশেষ গুণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে: তিনি 'আল-মালিক' অর্থাৎ প্রকৃত বাদশাহ বা অধিপতি, 'আল-হাক্কু' অর্থাৎ পরম সত্য, এবং 'আল-মুবিন' অর্থাৎ সবকিছু স্পষ্টকারী বা স্পষ্ট প্রমাণস্বরূপ। হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, এটি জান্নাতের ভাণ্ডারগুলোর মধ্যে একটি এবং যে ব্যক্তি নিয়মিত এটি পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন এটি তার জন্য সুপারিশকারী হবে ইনশাআল্লাহ।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়ার কাঁচাকালি থেকে রুকিয়া বেগম একটি পবিত্র বার্তা শেয়ার করেছেন। এই বার্তায় বলা হয়েছে, 'ইলাহা ইল্লাল্লাহু' যার অর্থ 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই'। এতে আল্লাহর তিনটি বিশেষ গুণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে: তিনি 'আল-মালিক' অর্থাৎ প্রকৃত বাদশাহ বা অধিপতি, 'আল-হাক্কু' অর্থাৎ পরম সত্য, এবং 'আল-মুবিন' অর্থাৎ সবকিছু স্পষ্টকারী বা স্পষ্ট প্রমাণস্বরূপ। হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, এটি জান্নাতের ভাণ্ডারগুলোর মধ্যে একটি এবং যে ব্যক্তি নিয়মিত এটি পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন এটি তার জন্য সুপারিশকারী হবে ইনশাআল্লাহ।1
- চোপড়া ব্লকের মাঝিয়ালী গ্রাম পঞ্চায়েতের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়, যেখানে সেখানে আবর্জনা ফেলে রাখা হয়েছে। এই ব্যাপক নোংরা এবং দুর্গন্ধের কারণে মশার উপদ্রব চরম বেড়ে গেছে, যা সেখানে থাকা প্রায় অসম্ভব করে তুলেছে। এই দুরবস্থা এবং দুর্নীতির জন্য টিএমসি সরকারকেই দায়ী করা হচ্ছে, অভিযোগ করা হয়েছে যে তাদের দুর্নীতি সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। জানা গেছে যে, আবর্জনা ফেলার জন্য গাড়ি থাকলেও কোনো কর্মী নেই। কর্মীদের এমনভাবে কাজ ছেড়ে দেওয়ার কারণ হলো, গত ছয় মাস ধরে তাদের বেতন দেওয়া হয়নি। অভিযোগ উঠেছে যে টিএমসি সরকার ময়লা ফেলার কর্মীদের থেকেও কাটমানি খেয়েছে, যার ফলে আজ এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। চোপড়া থানার মাঝিয়ালী অঞ্চলের এই ভয়াবহ দুরবস্থার জন্য একমাত্র টিএমসি সরকারই দায়ী।1
- ডিজিটাল মিডিয়া দেশের সরকার পরিবর্তনের প্রক্রিয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে কাজ করেছে। এত কিছুর পরেও, এই মাধ্যমটি এখনও যথাযথ সম্মান ও স্বীকৃতির জন্য অপেক্ষা করছে।1
- আজ শিলিগুড়ি থানামোড় এলাকায় মহরম পালিত হচ্ছে।1
- দেশের রাজনীতিতে আবারও অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের ধারা তীব্র হয়েছে। আম আদমি পার্টির সাংসদ সঞ্জয় সিং কিছু নথি ও দাবি প্রকাশ্যে এনেছেন, যার পর চম্পত রায়কে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীরা এই অভিযোগগুলির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে, অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট পক্ষ অভিযোগগুলিকে ভিত্তিহীন বলে আখ্যা দিয়েছে। ফলে, বিষয়টি এখন রাজনৈতিক বাগাড়ম্বর ছাড়িয়ে তথ্য এবং তদন্তের মানদণ্ডে এসে দাঁড়িয়েছে। জনগণের প্রশ্ন একটাই— "সত্যি কি সামনে আসবে, নাকি এই ঘটনাটিও শুধু রাজনৈতিক অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ হয়েই থাকবে?" গণতন্ত্রে কোনো ব্যক্তিকে দোষী বা নির্দোষ বলে রায় দেওয়ার সিদ্ধান্ত আদালত এবং তদন্তকারী সংস্থাগুলিই করে, তাই সব পক্ষের দাবিগুলির নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি। গুজব নয়, তথ্যের উপর ভরসা রাখুন। সত্য সেটাই যা তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়।1
- রাজ্য বাজেট পেশ হলেও চা শ্রমিকদের প্রতি রাজ্য সরকারের উদাসীনতার অভিযোগ উঠেছে। ভারতীয় টি ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে যে বিজেপি সরকারের বাজেটে চা শ্রমিকদের অভাব-অভিযোগ বা কোনো সুবিধা প্রদানের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এই বঞ্চনার প্রতিবাদে নকশালবাড়ির অটল চা বাগানে ভারতীয় টি ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন সেন্ট্রাল কমিটি একটি সভা করে। সভায় সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চা শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি এখনও ঘোষণা করা হয়নি এবং মজুরির দাবিতে রাজ্য সরকারকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন অভিযোগ করেছে যে দীর্ঘদিন ধরে চা শ্রমিকরা বঞ্চনার শিকার। তাদের দাবি, অনেক চা বাগানে সময়মতো মজুরি দেওয়া হচ্ছে না, পিএফ কাটা হলেও তা জমা পড়ছে না এবং শ্রমিকদের মৃত্যু হলেও গ্র্যাচুইটি জমা দেওয়া হচ্ছে না। সংগঠনের সভাপতি যুগল ঝা উল্লেখ করেন, নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে, তবে তাদের কাছে বঞ্চিত চা শ্রমিকদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করার আবেদনও করা হয়েছে। সভাপতি যুগল ঝা স্পষ্ট করেন যে চা শ্রমিকরা সঠিক মজুরি না পাওয়ায় এই সভার আয়োজন করতে হয়েছে। তিনি আরও জানান, সংগঠন আগামী ছয় মাস সরকারকে পর্যবেক্ষণ করবে, এই আশায় যে সরকার চা বাগানের স্বার্থে কাজ করবে। আগামী দিনে চা শ্রমিকদের স্বার্থে কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সে বিষয়ে লক্ষ্য রেখে কাজ করা হবে বলেও তিনি জানান।1
- শিলিগুড়ির ডাবগ্রাম ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার নরেশ মোড়ের রাস্তা বর্তমানে একটি 'মরণফাঁদে' পরিণত হয়েছে। বিগত তিন বছর ধরে বেহাল দশায় থাকা এই ব্যস্ততম রাস্তায় প্রতিদিন অসংখ্য দুর্ঘটনা ঘটছে। স্কুল বাস থেকে শুরু করে টোটো পর্যন্ত বিভিন্ন যানবাহন নিত্যদিন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করায় স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এই রাস্তার ভয়াবহ অবস্থার দিকে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এলাকার এক নাগরিক রাস্তা নিয়ে একটি গান রচনা করে মন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে ফেসবুকে পোস্ট করেন। এই 'ভাইরাল গান'-এর পরিপ্রেক্ষিতেই পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ গত শুক্রবার নরেশ মোড়ের ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান মিতালী মালাকারের সঙ্গে নিয়ে রাস্তাটির বেহাল দশা খতিয়ে দেখেন। পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ সরাসরি এলাকাবাসীর কাছ থেকে তাদের সমস্যা ও অভিযোগ শোনেন। রাস্তাঘাটের দুরবস্থার পাশাপাশি এলাকায় ড্রেনেজ সমস্যা এবং নোংরার স্তূপ জমার বিষয়টিও তার নজরে আসে। তিনি স্থানীয়দের দ্রুত রাস্তা মেরামতের আশ্বাস দেন। এছাড়াও, মন্ত্রী পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে পঞ্চায়েত প্রধানের কাছ থেকেও এলাকার আরও বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন।1
- নকশালবাড়িতে যথাযোগ্য মর্যাদা, শান্তি ও ভক্তিভরে পবিত্র মহরম পালিত হয়েছে। এদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে তাজিয়া ও ধর্মীয় শোভাযাত্রা বের করা হয়, যেখানে অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এই শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা, যা দেখতে রাস্তার দুই ধারে বহু মানুষ ভিড় জমান। লাঠিখেলার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাঁদের কৌশল ও দক্ষতার প্রদর্শন করেন। একইসঙ্গে, এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শোক, সংযম ও সম্প্রীতির বার্তা তুলে ধরা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই মহরমের অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।1