ভারতের সরকারি টেলিকম সংস্থা BSNL মোবাইল টাওয়ারের উপর নির্ভর না করে সরাসরি যোগাযোগকারী স্যাটেলাইট-ভিত্তিক ফোন পরিষেবা চালুর ঘোষণা দিয়েছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র, সীমান্ত কিংবা যেকোনো দুর্গম অঞ্চলেও যোগাযোগ বজায় রাখা সম্ভব হবে। সাধারণ মোবাইল নেটওয়ার্কের পরিবর্তে এটি পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ভয়েস কল ও এসএমএস পরিষেবা প্রদান করে। এই বিশেষ পরিষেবা দেওয়ার জন্য BSNL আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট সংস্থা 'Inmarsat'-এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে। এই পরিষেবার আওতায় থাকা 'Inmarsat IsatPhone 2' ডিভাইসটির মূল্য প্রায় ১,৩৪,১৬৬ টাকা। এই স্যাটেলাইট ফোনে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ভয়েস কল ও এসএমএস সুবিধার পাশাপাশি জরুরি অবস্থার জন্য একটি এসওএস (SOS) বাটন, শক্তপোক্ত রাগড ডিজাইন এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি রয়েছে। এই ডিভাইসটি মূলত পাহাড়ি এলাকা, জঙ্গল, মরুভূমি, সমুদ্র ও অফশোর প্রকল্প, খনি, তেল-গ্যাস এবং দূরবর্তী শিল্প প্রকল্পের পাশাপাশি সেনা, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং দুর্যোগ মোকাবিলা ও উদ্ধার অভিযানে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। সাধারণ মানুষও এই ফোন কিনতে পারবেন, তবে ভারতে স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় এটি ব্যবহারের পূর্বে সংশ্লিষ্ট সরকারি অনুমোদনের প্রয়োজন হতে পারে। অনুমতি ছাড়া এটি সঙ্গে রাখা বা ব্যবহার করা আইনি জটিলতার কারণ হতে পারে। মূলত প্রতিরক্ষা বাহিনী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দল, নৌপরিবহন সংস্থা, খনি ও তেল-গ্যাস শিল্প, ট্র্যাকার, অভিযাত্রী এবং দূরবর্তী অঞ্চলে কর্মরত সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো এর মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। BSNL-এর এই উদ্যোগটিকে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সাধারণ স্মার্টফোনের বিকল্প না হলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা নেটওয়ার্কবিহীন দুর্গম এলাকায় জরুরি ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করবে।
ভারতের সরকারি টেলিকম সংস্থা BSNL মোবাইল টাওয়ারের উপর নির্ভর না করে সরাসরি যোগাযোগকারী স্যাটেলাইট-ভিত্তিক ফোন পরিষেবা চালুর ঘোষণা দিয়েছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র, সীমান্ত কিংবা যেকোনো দুর্গম অঞ্চলেও যোগাযোগ বজায় রাখা সম্ভব হবে। সাধারণ মোবাইল নেটওয়ার্কের পরিবর্তে এটি পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ভয়েস কল ও এসএমএস পরিষেবা প্রদান করে। এই বিশেষ পরিষেবা দেওয়ার জন্য BSNL আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট সংস্থা 'Inmarsat'-এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে। এই পরিষেবার আওতায় থাকা 'Inmarsat IsatPhone 2' ডিভাইসটির মূল্য প্রায় ১,৩৪,১৬৬ টাকা। এই স্যাটেলাইট ফোনে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ভয়েস কল ও এসএমএস সুবিধার পাশাপাশি জরুরি অবস্থার জন্য একটি এসওএস (SOS) বাটন, শক্তপোক্ত রাগড ডিজাইন এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি রয়েছে। এই ডিভাইসটি মূলত পাহাড়ি এলাকা, জঙ্গল, মরুভূমি, সমুদ্র ও অফশোর প্রকল্প, খনি, তেল-গ্যাস এবং দূরবর্তী শিল্প প্রকল্পের পাশাপাশি সেনা, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং দুর্যোগ মোকাবিলা ও উদ্ধার অভিযানে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। সাধারণ মানুষও এই ফোন কিনতে পারবেন, তবে ভারতে স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় এটি ব্যবহারের পূর্বে সংশ্লিষ্ট সরকারি অনুমোদনের প্রয়োজন হতে পারে। অনুমতি ছাড়া এটি সঙ্গে রাখা বা ব্যবহার করা আইনি জটিলতার কারণ হতে পারে। মূলত প্রতিরক্ষা বাহিনী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দল, নৌপরিবহন সংস্থা, খনি ও তেল-গ্যাস শিল্প, ট্র্যাকার, অভিযাত্রী এবং দূরবর্তী অঞ্চলে কর্মরত সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো এর মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। BSNL-এর এই উদ্যোগটিকে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সাধারণ স্মার্টফোনের বিকল্প না হলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা নেটওয়ার্কবিহীন দুর্গম এলাকায় জরুরি ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করবে।
- ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকেই বিস্ফোরক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়! বেলডাঙায় অপূর্ব সরকারকে নিশানা, হুমায়ুন কবিরের হার নিয়েও বড় মন্তব্য ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকেই বিস্ফোরক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়! বেলডাঙায় অপূর্ব সরকারকে নিশানা, হুমায়ুন কবিরের হার নিয়েও বড় মন্তব্য ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের প্রস্তুতিকে সামনে রেখে বেলডাঙা দরবার হলে অনুষ্ঠিত হল তৃণমূল কংগ্রেসের বিশেষ সাংগঠনিক ও প্রস্তুতি সভা। সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলা ও ব্লকের একাধিক নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে রবিবার সভা রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন। তিনি বর্তমান জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, "হুমায়ুন কবিরকে হারতে হয়েছে ডেভিড সরকারের জন্য।" তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। এছাড়াও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "মুর্শিদাবাদ জেলায় গদ্দার বিধায়ক ও সাংসদের কোনও স্থান নেই। যারা প্রকৃত তৃণমূল, তারাই দলে সম্মান ও স্থান পাবেন।" তাঁর এই মন্তব্য সভায় উপস্থিত নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচিকে সফল করতে দলীয় কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি। এদিনের সভা থেকে সাংগঠনিক বার্তার পাশাপাশি রাজনৈতিক আক্রমণও ছিল স্পষ্ট, যা আগামী দিনে জেলার রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।1
- মুর্শিদাবাদের লালগোলা থানার অন্তর্গত কালিকাপুর গ্রামের বাসিন্দা শরিফা খাতুনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে হঠাৎ বিপুল অঙ্কের অর্থ জমা হওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। চেন্নাইয়ে কর্মরত তাঁর এক আত্মীয় সম্প্রতি তাঁর অ্যাকাউন্টে মাত্র ৩ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন। সেই টাকা তোলার জন্য শরিফা খাতুন যখন ব্যাংকে গিয়ে ব্যালেন্স চেক করেন, তখন তাঁর অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭৬০ কোটি টাকারও বেশি ব্যালেন্স দেখা যায়, যা দেখে পরিবারের সকলের চোখ কপালে ওঠে। এই অস্বাভাবিক এবং বিপুল অঙ্কের টাকা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন শরিফা খাতুন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। কোনো ধরনের আইনি জটিলতা বা ভুল বোঝাবুঝিতে জড়াতে না চেয়ে তাঁরা দ্রুত বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে জানান এবং স্থানীয় থানাতেও খবর দেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক অনুমান, এটি প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা সফটওয়্যার সংক্রান্ত সমস্যার কারণে ঘটে থাকতে পারে, যার ফলে প্রকৃত ব্যালেন্সের জায়গায় ভুল অঙ্ক প্রদর্শিত হয়েছে। এই ঘটনার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ শরিফা খাতুনকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে মূল শাখায় যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন এবং আগামী কর্মদিবসে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রকৃত তথ্য যাচাই করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় তুমুল কৌতূহল সৃষ্টি হলেও, কোনো লোভ না দেখিয়ে সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দ্রুত পদক্ষেপ করার জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা ওই পরিবারের ভূয়সী প্রশংসা করছেন।1
- মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম থানার খাজুরিয়া এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে এক বৃদ্ধকে ধারালো হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে তাঁরই প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। নিহত বৃদ্ধের নাম নফল শেখ (৬২)। পরিবারের অভিযোগ, রবিবার সকালে গরুর জন্য ঘাস আনতে যাওয়ার পথে অভিযুক্ত প্রতিবেশী হাবু শেখ তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই নফল শেখের মৃত্যু হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের জমি ও বাড়ি নির্মাণ সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত হাবু শেখ পলাতক রয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে নবগ্রাম থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। পলাতক অভিযুক্তের খোঁজে পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে।1
- সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় সমস্ত ধরণের সামাজিক অপরাধ বন্ধ করতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে একটি টানা অভিযান চালিয়ে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার অন্তর্গত ডোমকল মহকুমার সাগরপাড়া থানার পুলিশ। পুলিশ দল গোপন জুয়ার ঠেকে আচমকা হানা দিয়ে হাতেনাতে একসঙ্গে ১৫ জন জুয়াড়িকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার গোটা এলাকায় ব্যাপক সোরগোল ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক অপরাধ দমনে পুলিশের এমন তৎপরতা এবং এই অভিযানে বড় সাফল্য মেলার কারণে এলাকার বাসিন্দারা অত্যন্ত খুশি হয়েছেন।1
- মুর্শিদাবাদের রাণীনগর থানার পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযানে এক বড় সাফল্য পেয়েছে। একটি পুরোনো এনডিপিএস (NDPS) মামলার তদন্তে গ্রেফতার হওয়া এক অভিযুক্তের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে পুলিশ বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কফ সিরাপ উদ্ধার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল রাতে রাণীনগর থানার পুলিশ হেফাজতে থাকা অভিযুক্ত রনি শেখকে জিজ্ঞাসাবাদ করে, যার বাড়ি উত্তরচর মাজারদিয়ায়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় রনি শেখ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলে তার দেখানো মতে বাড়ির নিকটবর্তী একটি এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ১৪০ বোতল 'Triprolidine Hydrochloride & Codeine Phosphate Syrup (Trireme Broncof-C)' উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই কফ সিরাপগুলি অবৈধভাবে মজুত করা হয়েছিল। এই ঘটনাটি পুরোনো এনডিপিএস মামলার তদন্তেরই একটি অংশ বলে পুলিশ জানিয়েছে। উদ্ধার হওয়া এই নিষিদ্ধ কফ সিরাপের উৎস কী এবং এর সাথে আর কারা যুক্ত রয়েছে, তা খুঁজে বের করতে তদন্ত আরও জোরদার করা হয়েছে। রাণীনগর থানার এই ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযানকে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, নিয়মিত এই ধরনের অভিযান চললে এলাকায় মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং যুব সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশ মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছে এবং মাদক সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দ্রুত পুলিশকে জানাতে অনুরোধ করেছে।1
- মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেডেনশিয়াল নিয়ে যা বলেছেন, তাকে সম্পূর্ণ সঠিক বলে সমর্থন জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে একদম যথার্থ ও সঠিক বলে দাবি করা হয়েছে।1
- বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের ফরওয়ার্ড ব্লক সম্পর্কে করা মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদে বীরভূমের নলহাটি শহরে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করল অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লক। রবিবার আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতা, কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সশরীরে উপস্থিত থেকে নেতৃত্ব দেন ফরওয়ার্ড ব্লকের জেলা সম্পাদক তথা নলহাটি বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক দীপক চ্যাটার্জী, স্থানীয় সম্পাদক হাসিবুল শেখ এবং টি.ইউ.সি.সি (T.U.C.C)-এর জেলা সম্পাদক আকবর শেখসহ অন্যান্য বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ। বিক্ষোভ মিছিলটি নলহাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে এবং আন্দোলনকারীরা শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র স্লোগান দেন। মিছিল শেষে আয়োজিত একটি সংক্ষিপ্ত পথসভায় দলীয় নেতারা অভিযোগ করেন, ফরওয়ার্ড ব্লক ও দলের কর্মীদের নিশানা করে করা ওই মন্তব্য রাজনৈতিক সৌজন্য, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থী। বক্তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আদর্শে পরিচালিত ফরওয়ার্ড ব্লকের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের কটূক্তি বরদাস্ত করা হবে না। তাঁরা অবিলম্বে শমীক ভট্টাচার্যকে তাঁর মন্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন এবং হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে এমন আচরণ অব্যাহত থাকলে তাঁরা বৃহত্তর গণআন্দোলনে নামবেন।1
- বীরভূমের মুরারই থানার পুলিশ মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে। বাঁশলোই বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে প্রায় ২ কেজি গাঁজা সহ মফিজুল শেখ ওরফে তেনু শেখ (২৬) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে চালানো বিশেষ অভিযানে সুমারপুর থেকে বানধাইপুর যাওয়ার পথে বাঁশলোই বাজারের কাছে সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং তল্লাশি চালিয়ে তাঁর কাছ থেকে এই গাঁজা উদ্ধার হয়। ধৃত মফিজুল শেখের বাড়ি মুরারই থানার অন্তর্গত পালসা গ্রামে। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী শনিবার সকাল থেকে মুরারই থানার পুলিশ, আবগারি দফতরের আধিকারিক এবং স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। রতনপুরের সাম্প্রতিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সেই লক্ষ্যে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকানগুলিতে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। এই যৌথ অভিযান চলাকালীন বাঁশলোই ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে প্রায় ৪০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। এর পাশাপাশি, রতনপুরের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুই অভিযুক্তকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এই অবৈধ মাদক ও মদ কারবারের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্যদের খোঁজে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।1