Shuru
Apke Nagar Ki App…
Looking for Job Job Title : Delivery Partner Job Field : All Areas Expected Salary : 35000 Experience Level : Fresher Job Type : Full Time Education Qualification : 10th Pass
Azahar uddin kazi
Looking for Job Job Title : Delivery Partner Job Field : All Areas Expected Salary : 35000 Experience Level : Fresher Job Type : Full Time Education Qualification : 10th Pass
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- প্রতিবন্ধী বন্ধুদের ভাতা নিয়ে বর্তমানে প্রতীক্ষা চলছে, যেখানে এক হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার বিষয়টি সফল না হলেও এবার আড়াই হাজার টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। আগামী মাসে যখন এই অর্থ তাদের অ্যাকাউন্টে জমা হবে, তখনই বোঝা যাবে প্রতিবন্ধী বন্ধুরা কতটা সন্তুষ্ট। যদি প্রত্যাশা অনুযায়ী অর্থ না পাওয়া যায়, তবে এর পরপরই আন্দোলন শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। যদিও এবার একটি 'জনমতী বাজেট' পেশ করা হয়েছে এবং বাজেট নিয়ে সাধারণে খুশি দেখা যাচ্ছে, তবে প্রতিবন্ধী বন্ধুদের প্রকৃত খুশি আগামী মাসেই স্পষ্ট হবে।1
- ত্বহা সিদ্দিকী শুভেন্দু সরকারের একটি ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। এই ঘোষণা অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাসপাতালের কাছে আর কোনো মদের দোকান থাকবে না।1
- দক্ষিণ ২৪ পরগনার বুদগে বুদগে ব্লক-১-এর নিশ্চিন্তাপুরে একটি প্রবুদ্ধ জনসভা এবং সাংগঠনিক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভাটি গধূলি গার্ডেনে আয়োজিত হয়। জনসভায় দেবাংশু পান্ডা, অগ্নিশ্বর নস্কর এবং জেলা সভাপতি সোমা ঘোষ মহাশয় উপস্থিত ছিলেন।2
- পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ এখন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) দখলে চলে এসেছে। বামদেব গুছাইতকে নতুন সভাধিপতি এবং পূর্ণিমা দাস বাসুরি পণ্ডিতকে সহকারী সভাধিপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বৃত্ত সম্পূর্ণ হলো। ২০০৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রথমবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ দখল করেছিল, যা নন্দীগ্রাম আন্দোলন এবং ভূমি উচ্ছেদের প্রতিবাদের ফলস্বরূপ তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের হাত থেকে এই জেলার রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে আসে। তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদে জিতেই প্রথমবার ক্ষমতা অর্জন করে। এরপর ২০১১ সালে তৃণমূল রাজ্যেও ক্ষমতায় আসে। তবে, সম্প্রতি '২৬ এ ধরাশায়ী হওয়ার পর' এই জেলা পরিষদ হাতছাড়া হয়েছে। জেলা পরিষদের মোট ৭০টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের ৫৬ জন এবং বিজেপির ১৪ জন সদস্য ছিলেন, তবে ২ জন সদস্যের মৃত্যু হয়। রাজ্যের পালাবদলের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের তৎকালীন সভাধিপতি উত্তম বারিক এবং সহকারী সভাধিপতি সুহাসিনী কর পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের পর একটি সাধারণসভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ৬৪ জন সদস্যের উপস্থিতিতে নতুন সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতি নির্বাচিত হন। জয়দেব মিদ্যা সভাধিপতি পদের জন্য বামদেব গুছাইতের নাম প্রস্তাব করেন, যা সভায় উপস্থিত সকলেই সমর্থন করেন। একইভাবে, জেলা পরিষদ সদস্যা পূর্ণিমা দাস বাসুরি পণ্ডিতকে সহকারী সভাধিপতির পদে প্রস্তাব করা হয় এবং সেটিও সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এইদিন জেলা পরিষদের সতীশচন্দ্র সামন্ত সভাকক্ষে নবনির্বাচিত সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতিকে সংবর্ধনা জানানো হয়। এই জয়ের পর বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা আতশবাজি ও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন। কাঁথির সাংসদ এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন যে এখন আর 'ডবল ইঞ্জিন' নয়, বরং 'পঞ্চম ইঞ্জিন' (কেন্দ্র, রাজ্য, জেলা পরিষদ, সাংসদ ও বিধায়ক — সবকিছু বিজেপির) এর মাধ্যমে আগামী দিনে সকলের উন্নয়ন ঘটবে।1
- দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে আবাস যোজনা সংক্রান্ত টাকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ‘তৃণমূলের ভূতে’ এই আবাসের টাকা ‘খেয়ে ফেলেছে’, যা প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের বঞ্চিত করেছে। এই গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত নালিশ দায়ের করা হয়েছে।1
- সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনা সমাজের এক চরম অবক্ষয়ের চিত্র বারবার সামনে আনছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। দুদিন আগে এক অভিভাবক ছাত্রকে শাসন করার অপরাধে এক শিক্ষককে জেলে পাঠিয়েছেন। অন্যদিকে, এখন স্কুলে 'পশ্চিমবঙ্গ পালন' উপলক্ষে নাচ-গান চলতে দেখা যাচ্ছে। এই ধরনের ঘটনাগুলি দেখে সমাজের অবক্ষয়ের নগ্ন চেহারাটাই বারবার সামনে আসছে এবং এর জন্য কাকে দায়ী করা যায়, তা নিয়ে গভীর প্রশ্ন উঠেছে।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানার ঘনশ্যাম গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বিজেপি ডেপুটেশন দিয়েছে এবং এর পাশাপাশি সাধারণ জনতাও পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। ঘটনাস্থলে দাসপুর পুলিশ উপস্থিত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জানা গেছে, উক্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাবেরী মান্না দাসপুর ২ ব্লকের বিডিওর কাছে তাঁর পদত্যাগ পত্র জমা দেবেন, এবং একইসাথে উপপ্রধান বিষ্টু পোরের গ্রেপ্তারের দাবিও জানানো হবে। প্রশ্ন উঠেছে, সন্ধ্যা পর্যন্ত দাসপুর থানার এই গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে পুলিশ কী করছে।1
- দৈনিক সমাচারের এক প্রতিবেদনে শতরুপ ঘোষের একটি বিস্ফোরক মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। শতরুপ ঘোষ দাবি করেছেন যে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ব্রিটিশদের চাকর ছিলেন। এই মন্তব্যটি দৈনিক সমাচার এবং সামাচার মিডিয়া গ্রুপের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।1