Shuru
Apke Nagar Ki App…
জানো সংযোগে কাটোয়া বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী কৃষ্ণ ঘোষ। বুধবার কাটোয়া বিধানসভার সিঙ্গি গ্রামে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জন সংযোগ সারলেন ২৭০ কাটোয়া বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী কৃষ্ণ ঘোষ। এই দিন সাধারণ মানুষের উচ্ছাস ছিল চোখে পাড়ার মতো।
Ashim banerjee
জানো সংযোগে কাটোয়া বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী কৃষ্ণ ঘোষ। বুধবার কাটোয়া বিধানসভার সিঙ্গি গ্রামে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জন সংযোগ সারলেন ২৭০ কাটোয়া বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী কৃষ্ণ ঘোষ। এই দিন সাধারণ মানুষের উচ্ছাস ছিল চোখে পাড়ার মতো।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বুধবার কাটোয়া বিধানসভার সিঙ্গি গ্রামে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জন সংযোগ সারলেন ২৭০ কাটোয়া বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী কৃষ্ণ ঘোষ। এই দিন সাধারণ মানুষের উচ্ছাস ছিল চোখে পাড়ার মতো।1
- কেতুগ্রামের বিধানপল্লী গ্রামে আলপথ ও ভাঙ্গা সাঁকোই ভরসা।অভিযোগ,এই কারনে ভোট প্রচারে গ্রামে আসেনা প্রার্থীরা।তৃণমূলের, অস্বীকার।পাল্টা,বিজেপির দাবী যেতে বাঁধা দেওয়া হয়।2
- ভরতপুর থানার মদনপুরে গাছের মধ্যে এক যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য। মেলার আনন্দ উপভোগ করে ফেরার পথে মর্মান্তিক দৃশ্যের সাক্ষী হলেন গ্রামবাসীরা। বুধবার রাতে মুর্শিদাবাদের ভরতপুর থানার মদনপুর গ্রামে বাড়ি থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে একটি গাছে ১৮ বছর বয়সী আজমিরুল সেখ নামে এক যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী মল্লিকপুর গ্রামে পীর বাবার মিলন মেলা দেখে ফেরার সময় কয়েকজন যুবক আজমিরুলের দেহটি গাছে ঝুলতে দেখেন। তাঁদের চিৎকারেই ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। তড়িঘড়ি যুবককে উদ্ধার করে ভরতপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবার সূত্রে খবর, আজমিরুল পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক ছিলেন এবং মাঝেমাঝেই ভিন রাজ্যে কাজে যেতেন। তবে মৃত্যুর কারণ নিয়ে দানা বাঁধছে রহস্য। যুবকের বাম হাতে ব্লেড দিয়ে কাটার ক্ষত এবং ডান পায়ের বুড়ো আঙুল থেকে রক্তক্ষরণ হতে দেখা গেছে, যা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। খবর পেয়ে ভরতপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, প্রেমঘটিত কোনো টানাপোড়েনের জেরেই সম্ভবত আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন ওই যুবক। তবে এটি নিছকই আত্মহত্যা নাকি এর পিছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই অকাল মৃত্যুতে পরিবারসহ গোটা গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘিরে চাঞ্চল্য।1
- ভোটের মুখে নদীয়ার নবদ্বীপ বিধানসভার ভালুকা পঞ্চায়েতে বড়সড় রাজনৈতিক পালাবদল। সিপিআইএম পরিচালিত পঞ্চায়েতে ভাঙন ধরিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দখল করল তৃণমূল কংগ্রেস। নবদ্বীপ বিধান সভার তৃণমূল প্রার্থী পুন্ডরীকাক্ষ সাহার সমর্থনে আয়োজিত কর্মীসভা মুহূর্তে রূপ নেয় মহা যোগদান সভায়। সভামঞ্চ থেকেই সিপিআইএমের পঞ্চায়েত প্রধান হবিজুল মন্ডল ও সদস্য আক্কেল মন্ডল তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন। এই যোগদানের ফলে ভালুকা পঞ্চায়েতের অঙ্ক একেবারে বদলে যায়। মোট ১৮ আসন বিশিষ্ট এই পঞ্চায়েতে আগে সিপিআইএমের সদস্য সংখ্যা ছিল ৮, বিজেপির ৬ এবং তৃণমূলের ৩, নির্দল ১—সেখানে ধীরে ধীরে ভাঙনের জেরে তৃণমূলের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭-এ। আর এদিন আরও দু-জন সিপিএম ছেড়ে যোগ দিলো তৃণমূলে, ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে কার্যত তৃণমূলের দখলে চলে যেতে চলছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন, পুণ্ডরীকাক্ষ সাহা, রানাঘাট সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেবাশীষ গাঙ্গুলী, জেলা পরিষদের সদস্যা রিক্তা কুন্ডু, নবদ্বীপ পৌরসভার পৌরপতি বিমান কৃষ্ণ সাহা, ব্লক সভাপতি কল্লোল কর, কুমার ধারা সহ একাধিক নেতা। বিমান কৃষ্ণ সাহা দাবি করেন, “পুন্ডরীকাক্ষ সাহার সততা ও উন্নয়নের রাজনীতির জন্যই মানুষের আস্থা দিনদিন বাড়ছে। জয় এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।” অন্যদিকে জেলা সভাপতি দেবাশীষ গাঙ্গুলী বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন, “গতবার মানুষকে বিভ্রান্ত করে জয় পেয়েছিল বিজেপি। এবার সেই মোহভঙ্গ হয়েছে, মানুষই জবাব দেবে।” যোগদানকারী হবিজুল মন্ডল জানান, পূর্বে তিনি তৃণমূলের প্রধান থাকলেও টিকিট না পাওয়ায় সিপিআইএমে যোগ দেন। তবে এবার বিজেপিকে রুখতে এবং এলাকায় সম্প্রীতি বজায় রাখতে ফের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভালুকার এই পরিবর্তন আসন্ন নির্বাচনের আগে বড় বার্তা দিচ্ছে—গ্রামবাংলার জমি শক্ত করতে মরিয়া তৃণমূল, আর সিপিআইএমের ঘাঁটিতে ভাঙনের সুর ক্রমশ স্পষ্ট।1
- রুকুনপুরে জনসংযোগে আবেগঘন মুহূর্ত, নিয়ামত শেখকে কাছে পেয়ে আনন্দে কাঁদলেন ভোটাররা হরিহরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের রুকুনপুর অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেসের জোরদার নির্বাচনী প্রচারে দেখা গেল আবেগঘন চিত্র। মঙ্গলবার সকাল থেকে বিভিন্ন বুথে বুথে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি জনসংযোগ করেন তৃণমূল প্রার্থী নিয়ামত শেখ। প্রার্থীকে সামনে পেয়ে অনেক ভোটারই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কেউ কেউ আনন্দে কেঁদে ফেলেন, যা এলাকায় প্রার্থীর প্রতি মানুষের গভীর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। এদিন এলাকাবাসীরা ফুলের মালা পরিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান নিয়ামত শেখকে। তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কথা বলেন এবং এলাকায় হওয়া উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরেন। সেই উন্নয়নকেই হাতিয়ার করে প্রচারে নামছেন তিনি। ব্লক তৃণমূলের সহ-সভাপতি সাপিনুল বিশ্বাস জানান, “২৩ এপ্রিলের নির্বাচনে রুকুনপুর অঞ্চল থেকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে তৃণমূল কংগ্রেস এবং নিয়ামত শেখ রেকর্ড লিড পাবেন।” এই প্রচারে প্রার্থীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হরিহরপাড়া ব্লক তৃণমূল সভাপতি জসিম উদ্দিন শেখ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মীর আলমগীর পলাশ, অঞ্চল সভাপতি ও প্রধান, ব্লক নেতা আশানুদ্দিন শেখ, ইউনুস, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি মুকুট, সহ-সভাপতি শাহিন খানসহ একাধিক নেতা-কর্মী। সব মিলিয়ে রুকুনপুরে তৃণমূলের প্রচারে মানুষের ব্যাপক সাড়া এবং আবেগঘন সমর্থন স্পষ্ট হয়ে উঠছে।1
- কৃষ্ণনগর শহর INTTUC এর সভাপতি দীপঙ্কর ঘোষ, INTTUC এর রাজ্য সম্পাদক দীপক বিশ্বাসের নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থী অভিনব ভট্টাচার্যের সমর্থনে প্রচারে পথে নামল কৃষ্ণনগর শহর INTTUC.1
- ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে তছনছ কলা ক্ষেত, মাথায় হাত হরিহরপাড়ার চাষীদের মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার কাঞ্চননগর মাঠে ঝড় ও শিলাবৃষ্টির দাপটে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কলা চাষীরা। একাধিক জমিতে লাগানো কলা গাছ ভেঙে পড়ে নষ্ট হয়ে যায়। হঠাৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগে বড়সড় লোকসানের আশঙ্কায় দিশেহারা চাষীরা। দ্রুত ক্ষতিপূরণের দাবি তুলেছেন তারা।1
- মালোপাড়ায় হাটে হাটে প্রচার, সবজি বিক্রেতাদের সঙ্গে জনসংযোগে সিপিআইএম প্রার্থী জামির মোল্লা আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মালোপাড়া অঞ্চলে জোরদার প্রচার চালালেন সিপিআইএম প্রার্থী জামির মোল্লা। হাটে গিয়ে সবজি বিক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন তিনি এবং তাদের সমস্যার কথা শোনেন। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভোটের আবেদন জানান। এদিন তার সঙ্গে ছিলেন সিপিআইএম নেতা সঞ্জয় ঘোষ সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা।1