Shuru
Apke Nagar Ki App…
যারা জনপ্রিয় গেম ফ্রি ফায়ারের প্রতি অত্যন্ত আগ্রহী এবং নিজেদেরকে এর ‘পাগল’ ভক্ত মনে করেন, তাদের জন্য একটি বিশেষ কাস্টমার টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। এই টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে ফ্রি ফায়ার প্রেমীরা দেশের অভ্যন্তরেই খেলার সুযোগ পাবেন।
RAKESH ariya
যারা জনপ্রিয় গেম ফ্রি ফায়ারের প্রতি অত্যন্ত আগ্রহী এবং নিজেদেরকে এর ‘পাগল’ ভক্ত মনে করেন, তাদের জন্য একটি বিশেষ কাস্টমার টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। এই টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে ফ্রি ফায়ার প্রেমীরা দেশের অভ্যন্তরেই খেলার সুযোগ পাবেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মাথাভাঙা ২ ব্লকের ঘোকসাডাঙায় অত্যাধুনিক এমস (AIIMS) স্থাপনের দাবিতে একটি প্রতিনিধি দল শুক্রবার রাতে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। এই প্রতিনিধি দলটি ঘোকসাডাঙা এমস দাবি আদায় কমিটির পক্ষ থেকে মন্ত্রীর কাছে ১০০ বিঘা অধিগ্রহণ করা সরকারি জমিতে এইমস প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি তুলে দেয়। নিশীথ প্রামানিক এই এলাকার বিধায়কও।1
- কোচবিহার দক্ষিণ ৩ নং মন্ডল প্রেসিডেন্ট আঁখির রঞ্জন পাল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন। তাঁর এই বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার জন্য বলা হয়েছে, যা একটি বড় খবর এবং নতুন আপডেটের অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।1
- আলিপুরদুয়ার দুই ব্লকের বাকলা স্কুলডাঙায় আবাসন প্রকল্পের একটি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল আমলে এক উপভোক্তার পাওয়া আবাসের ঘরের প্রথম কিস্তির টাকা একই নামের অন্য এক ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বঞ্চিত পরিবারটি শনিবার এই অভিযোগ তুলেছে এবং ব্লক প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছে।1
- শনিবার রাত প্রায় ৮টা নাগাদ শীতলকুচি ব্লকের ছোট শালবাড়ির ৫ নম্বর মণ্ডলের ২৭৩ নম্বর বুথে বিজেপির বুথ সভাপতি গোবিন্দর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বুথ স্তরের একাংশ কর্মীরা। এই কর্মীরা বুথ সভাপতির পদ থেকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। কর্মীদের অভিযোগ, বুথ সভাপতি গোবিন্দ দলের সাংগঠনিক কার্যকলাপে অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে কোনও সমন্বয় না রেখেই এককভাবে সিদ্ধান্ত নেন এবং বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করেন। তাদের আরও দাবি, বুথের কর্মীদের মতামতের গুরুত্ব দেওয়া হয় না এবং গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বিষয়েও কাউকে অবগত করা হয় না, যার ফলে বুথের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এদিন একাধিক কর্মী প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন যে, বর্তমান নেতৃত্বে বুথের সাংগঠনিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। তাই দলের স্বার্থে বুথ সভাপতি গোবিন্দকে পদ থেকে সরিয়ে নতুন নেতৃত্ব আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। তবে, এই সমস্ত অভিযোগ শুধুমাত্র একাংশ কর্মীদের দাবি। এ বিষয়ে বুথ সভাপতি গোবিন্দ বা বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।1
- কালচিনির বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী বিশাল লামা সম্প্রতি হাসিমারা সেন্ট্রাল হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। তাঁর এই পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল হাসপাতালের দীর্ঘদিনের বেহাল পরিকাঠামো, কর্মীদের বকেয়া বেতন এবং রোগী পরিষেবায় বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যার সরেজমিনে খতিয়ে দেখা। পরিদর্শনের সময়, মন্ত্রী হাসপাতালের জরাজীর্ণ ভবন, ভাঙা মহিলা শৌচাগার এবং রান্নাঘরের শোচনীয় অবস্থা দেখে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। হাসপাতাল কর্মীদের অভিযোগ অনুসারে, গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে তাঁদের বেতন বন্ধ রয়েছে এবং এই হাসপাতালে মাত্র একজন চিকিৎসক রোগীদের পরিষেবা দিচ্ছেন, যা রোগী পরিষেবার মানকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে। এই সকল গুরুতর সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে মন্ত্রী বিশাল লামা জানিয়েছেন যে, তিনি দ্রুত বিষয়টি নিয়ে ডেপুটি লেবার কমিশনার এবং সংশ্লিষ্ট চা বাগান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করবেন। তিনি আরও আশ্বাস দিয়েছেন যে, হাসপাতালের বর্তমান পরিস্থিতি উন্নত করতে এবং কর্মীদের বকেয়া বেতন সহ অন্যান্য সমস্যা দ্রুত সমাধান করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।1
- একজন নতুন ভিডিও নির্মাতা দর্শকদের কাছে আন্তরিকভাবে আবেদন জানিয়েছেন। তিনি সবার কাছে তাঁর তৈরি ভিডিওগুলিকে লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করার অনুরোধ করেছেন।1
- মাথাভাঙ্গার ঘটনার পর এবার ঘুঘুমারি এলাকায় অঞ্চল সভাপতি দীপক দে ঘনিষ্ঠ ফজলু হককে কোমরে দড়ি বেঁধে বাজারের মধ্যে দিয়ে ঘোরানো হয়েছে।1
- আলিপুরদুয়ারের কামাখ্যাগুড়ি মরা রায়ডাক নদীতে প্রায় দুই ঘন্টা ধরে জলে নিখোঁজ ছিলেন এক বছর চোদ্দোর কিশোর। দীর্ঘক্ষণ নিখোঁজ থাকার পর নদী থেকে ওই কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের পর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।1
- কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভার ঘুঘুমারি এলাকায় তৃণমূলের এক প্রাক্তন নেতাকে কোমরে দড়ি বেঁধে প্রকাশ্য রাস্তায় ঘোরানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত ফজলু মিয়া একসময় তৃণমূলের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, তিনি তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি দীপক দে-র ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভোটের আগে ফজলু মিয়া এলাকায় একাধিক দুর্নীতি, কাটমানি, দাদাগিরি এবং হিন্দু পরিবারগুলির উপর অত্যাচার ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ জমে ছিল বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রের খবর, ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই ফজলু মিয়া এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে ছিলেন। শনিবার সকালে তিনি ঘুঘুমারিতে ফিরতেই ক্ষুব্ধ জনতা তাঁকে ঘিরে ধরে। এরপর তাঁর কোমরে দড়ি বেঁধে ঘুঘুমারি বাজারের বিভিন্ন রাস্তা ঘোরানো হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে বিপুল সংখ্যক মানুষ ভিড় জমায়। খবর পেয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ফজলু মিয়াকে উদ্ধার করে তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেয়। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। যদিও ফজলু মিয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার জেরে এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।1